বাগেরহাটের পিবিআই পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা গ্রহণ করতে আদালতের নির্দেশ।
শেখ নাইম ইসলাম,বাগেরহাট: বাগেরহাটের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশ সুপার (এসপি) মোক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে সহকর্মী নারী পুলিশ ইন্সপেক্টরকে ধর্ষণের দায়ে করা মামলা এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসা: কামরুন্নাহার।
রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ এর ১ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে নথি পর্যালোচনার আদেশ পরে দেবেন বলে জানান আদালত। বৃহষ্পতিবার (১২আগস্ট) বিকেলে বাদীর আইনজীবী সালাহউদ্দিন খান এসব তথ্য জানান।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদী ও অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা দুজন সুদানের জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে কর্মরত ছিলো। অভিযুক্ত পুলিশ সুপার মুক্তার হোসেন ওই মিশনে পুলিশের কন্টিনজেন্টের কমান্ডার ছিলেন। অভিযুক্ত মুক্তার হোসেন বিভিন্ন সময়ে ওই নারী পুলিশ ইন্সপেক্টরের সহিত যোগাযোগ করতেন।
একদিন পেটের সমস্যার কথা বলে ওই পুলিশ কর্মকর্তা দুপুরে রান্না করে খাওয়ানোর অনুরোধ করেন। ঐদিন সেখানে যাওয়ার পর বাদীকে বিয়ের কথা বলে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা।
আবেদনে আরো বলা হয়, অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনকে নিকাহ রেজিস্ট্রির জন্য তাগিদ দিলে সে নানান তালবাহানা শুরু করে। ২০২১ সালের ১২ এপ্রিল তারিখ অভিযুক্তের ঢাকা রাজারবাগের বাসায় হাজির হয়ে বিবাহ রেজিস্ট্রি করতে বললে অভিযুক্ত পুলিশ সুপার তাকে অস্বীকার করেন। সে সময় তার স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাদীকে মারপিট করেন।
এর আগে বাদী এসপি মোক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে পুলিশ বিভাগে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। করোণা মহামারীর কারণে আদালত বন্ধ থাকায় মামলা দায়েরে বিলম্বিত হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে পিতৃহত্যা মামলার আসামি, ছেলে কাওসার গ্রেফতার (ভিডিও)
স্টাফ রিপোর্টার: মানিকগঞ্জ জেলার, সিংগাইর থানার, জামির্তা ইউনিয়নের চন্দনপুর এলাকায়, ছেলের টিউবলের হাতলের আঘাতে পিতার মৃত্যু চাঞ্চল্য ঘটনার পলাতক ছেলে , আসামি কাওসার কে, তিন মাস পর চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় এলাকা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে সিংগাইর থানা পুলিশ ।
এর আগে গত (২৯ এপ্রিল) মানিকগঞ্জ জেলা সিংগাইর থানা জামির্তা ইউনিয়নের চন্দনপুর এলাকায় পিতা- মৃত খোকনকে তার ছোট ছেলে কাউসার (২২), কথা-কাটাকাটির জের ধরে এক পর্যায়ে, ক্ষিপ্ত হয়ে ,দৌড়ে গিয়ে পার্শ্ববর্তী নিজ বাড়িতে থাকা টিউবলের হাতল খুলে তার বাবাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই খোকনের মৃত্যু হয় । তারপর থেকেই ছোট ছেলে কাউসার পলাতক ছিলো ।
এ বিষয়ে মৃত খোকনের স্ত্রী- তাহার ছোট ছেলে কাউসারকে অভিযুক্ত করে , গেল (২৯ এপ্রিল) রাতে বাদী হয়ে সিংগাইর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ।
এরপর, সিংগার থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম,
মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার, মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান পিপিএম-বার এর দিক নির্দেশনায় এবং মানিকগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সহকারী পুলিশ সুপার, সিংগাইর সার্কেল ও অফিসার ইনচার্জ, সিংগাইর থানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে শান্তিপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ , মোহাম্মদ খালিদ মুনসুর, অফিসার ও ফোর্সে নিয়ে ,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে (১১ আগস্ট), চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় ,অভিযান চালিয়ে, একটি গ্যারেজ থেকে কাউসারকে আটক করতে সক্ষম হন ।
মৃত খোকন ড্রাইভারের স্ত্রী, তার স্বামীর খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন ।
মাগুরার শ্রীপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এনজিও কর্মী নিহত
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল বাজার এলাকায় বুধবার রাতে এক সড়ক দূর্ঘটনায় বিথি খাতুন (৩০) নামে এক এনজিও কর্মী নিহত হয়েছে ।নিহত বিথি খাতুন মাগুরার সদর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের আবুল বাসারের কন্যা।
নিহতের পিতা আবুল বাসার জানান,তাঁর কন্যা বিথি খাতুন প্রায় দেড় বছর ধরে আর আর এফ এনজিও’র শ্রীপুরের নাকোল শাখায় মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল। অফিসের কাজ শেষ করে বুধবার রাতে সহকর্মীর মোটরসাইকেল যোগে নাকোল থেকে মাগুরায় আসছিল ।পথিমধ্যে ওই বাজারের একটু দূরে গেলেই ভ্যানগাড়ীর ধাক্কায় রাস্তায় ছিটকে পড়ে মারাত্বক আহত হয় ।
আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ এনামুল কবীর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকাতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে ঢাকার নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু ঘটে ।
এবিষয়ে মাগুরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ জয়নাল আবেদিন বলেন,দূর্ঘটনাজনিত কারণে এনজিও কর্মী বিথি খাতুনের মৃত্যুতে থানাতে একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু হয়েছে ।
সাভারের হেমায়েতপুর দক্ষিণ পাড়া এলাকা থেকে, ৩৬৮ ক্যান বেলজিয়ান বিয়ার সহ আটক ১
বিপ্লব,সাভারঃ সাভারের হেমায়েতপুরের দক্ষিণপাড়া এলাকা থেকে ৩৬৮ ক্যান বেলজিয়ান বিয়ার সহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে,র্যাব -৪ সিপিসি ৩, মানিকগঞ্জ ক্যাম্প অপারেশন টিম ।
র্যাব জানায় , গত কাল বুধবার ( ১১ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, সাভারে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের হেমায়েতপুর দক্ষিণ পাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় তারা আনুমানিক রাত ৯টা ৩০মিনিটের দিকে মোঃ শহিদুল ইসলাম নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে, ৩৬৮ ক্যান বেলজিয়ান বিয়ার সহ হাতেনাতে আটক করেন । এসময় র্যাব আরো জানায়, শহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসা করে আসছিলেন ।
এসময় ঘটনাস্থল থেকে ৩৬৮ ক্যান বেলজিয়ান বিয়ার সহ তার সঙ্গে থাকা ০১টি মোবাইল ও (বিয়ার বিক্রির) নগদ ৩১,৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী মোঃ শহিদুল ইসলাম রাসেল (২৫) পিতাঃ মোঃ মোবারক হোসেন, হেমায়েতপুর দক্ষিণ পাড়া এলাকার বাসিন্দা।
তার বিরুদ্ধে সাভার থানায় মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন, কোম্পানি কমান্ডার লেঃকমান্ডার আরিফ,সিপিসি ৩ ,মানিকগঞ্জ ।



























এঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশের এএসপি (সিংগাইর সার্কেল) রেজাউল হক, এক ব্রিফিংয়ে বলেন, স্থানীয় সূত্র এবং তদন্ত করে জানা যায়, হাবু এই কিলিং মিশনে সরাসরি জড়িত ছিল । তাই তাকে আমাদের সিংগাইর থানা পুলিশের চৌকোস স্টিম উন্নত প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে, ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ থানার আব্দুল্লাহপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন ।
গতকাল (৯ আগস্ট) সোমবার রাত আটটার দিকে, সিংগাইরের একজন দোকানের মালিক মোঃ ফরিদুল ইসলাম , মুঠোফোনে পুলিশকে জানায়, তারা ইউনিলিভার কোম্পানির বেশ কিছু কসমেটিক্স ক্রয় করার জন্য অর্ডার দেন, কিন্তু একটি প্রতারক চক্র, তাদেরকে ইউনিলিভারের প্রসাধনীর পরিবর্তে ,নকল ইউনিলিভার কসমেটিকস প্রসাধনী তাদেরকে দেওয়ার চেষ্টা করছেন । খবর পেয়ে সিংগাইর থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক ভাবে নকল ইউনিলিভার প্রসাধনী কসমেটিক্স যাহার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা, সহ মোঃ সুমন মিয়া (৩২) নামের একজনকে আটক করেন ।
মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরী-সাকলায়েনের চুমুর ভিডিও পাওয়া গেছে। একটি ইউটিউব চ্যানেলে এই ভিডিওটি ফাঁস করা হয়। সেখানে দেখা যায়, সাবেক ডিবি কর্মকর্তা সাকলায়েন পরীকে সঙ্গে নিয়ে কেক কাটছেন। পরে পরীমনি তাকে কেকটি খাইয়ে দেন। এরপর পরী সাকলায়েনের ঠোঁটে চুমু এঁকে দেন।