31 C
Dhaka, BD
মঙ্গলবার, এপ্রিল ৭, ২০২৬

রাজনৈতিক সরকারের সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নে সমন্বয়ের দায়িত্বে সচিববৃন্দ -তথ্যমন্ত্রী

মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ,পরিচালক-জনসংযোগ ঢাকা: বৃহস্পতিবার ৮ জুলাই তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড.হাছান মাহমুদ বলেছেন, রাজনৈতিক সরকারের সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নে সমন্বয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সচিববৃন্দকে। দায়িত্বাধীন জেলায় জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করেই কাজ করছেন তারা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মন্ত্রী রাজধানীর মিন্টু রোডে তার সরকারি বাসভবন থেকে অনলাইনে চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয় সভার বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যদান শেষে সাংবাদিকদের এসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে একথা জানান।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং চট্টগ্রাম ৭ আসনের সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রামের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো: কামরুল হাসান এনডিসি, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সালেহ মো: তানভীর পিপিএম, চট্টগ্রামের ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও অন্যান্য দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দের অনলাইন অংশগ্রহণে সভায় করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলাসহ চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন গণমুখী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

করোনাভাইরাস মোকাবিলার পরিস্থিতিতে বিভিন্ন জেলার সমন্বয়ের দায়িত্ব সচিবদের দেয়া হয়েছে, এবিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্ব সচিবরাই পালন করেন এবং সে হিসেবেই সচিবদের মূলত: বিভিন্ন জেলায় সরকারি কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

গণতান্ত্রিক দেশের সরকার একটি রাজনৈতিক সরকার, এই রাজনৈতিক সরকারের দেশ পরিচালনা করার ক্ষেত্রে, করোনা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে, করোনা মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে, ত্রাণ তৎপরতা চালানোর ক্ষেত্রে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে অর্থাৎ কোভিড উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সরকারের সিদ্ধান্তগুলো সমন্বয় করার জন্যই সচিবদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’

সচিবরা যে সমস্ত জেলায় সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন তারা সেখানে সেই জেলার মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং অন্যান্য জনপ্রতিনিধি যারা আছেন তাদের সাথে আলোচনা করেই সমন্বয়টা করছেন, সুতরাং এখানে কাউকে বড় বা খাটো করা হয়নি উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, সচিবরাই সরকারি কাজে সবসময় সমন্বয় করেন এখানেও সমন্বয় করার জন্যই তাদেরকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আজকে যেমন চট্টগ্রামের সভা হচ্ছে, এই সভার সভাপতিত্ব করছি আমি। আর মোস্তফা কামাল সাহেব যিনি সচিব চট্টগ্রাম জেলার সমন্বয়েকের দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি পুরো বিষয়টি সঞ্চালনা করছেন। আমরা সবাই আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছি এবং সেই সিদ্ধান্তগুলোই বাস্তবায়ন করা হবে। সমন্বয়ের দায়িত্ব যে সচিবকে দেয়া হয়েছে তিনি সেই সমন্বয়টা করবেন অন্যান্য জেলার ক্ষেত্রেও তাই।’

মেগা প্রকল্পগুলোর অর্থ কমিয়ে করোনার টিকা সংগ্রহের কাজে লাগানোর জন্য বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেনের প্রস্তাবের বিষয়ে সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি’র মত জোড়াতালি দিয়ে আওয়ামী লীগ দেশ চালায় না। টিকা ক্রয়ের জন্য কোনো প্রকল্পের বরাদ্দ কমানোর প্রয়োজন নেই।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নিজেরা দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ ছিলেন, সেজন্য তারা এদিক থেকে ‘কাট’ করে ওদিক এভাবে জোড়াতালি দিয়ে দেশ চালিয়েছে। তাদের সেই জোড়াতালি দিয়ে আমাদের দেশ চালাতে হবে না। প্রধানমন্ত্রী সফলভাবেই দেশ পরিচালনা করছেন, কোনো জায়গা থেকে কমিয়ে কোনো কিছু করতে হবে না। করোনা মোকাবিলার জন্য বিশেষত: করোনার টিকা কেনার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।’

দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রতি নজর দেয়া নিয়ে বিএনপি মহাসচিবের পরামর্শের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার প্রথমদফা লকডাউনের সময় ৭ কোটির বেশি মানুষকে সহায়তা দিয়েছে। ইতোমধ্যে আরো কয়েক কোটি মানুষকে সহায়তা দেয়া হয়েছে এবং এই সহায়তা চলমান রয়েছে। একইসাথে আমাদের দলের পক্ষ থেকেও পর্যাপ্ত পরিমাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা দলের সকল নেতাকর্মীদের জনগণের পাশে থাকতে বলেছেন এবং সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমাদের দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে।’

ড. হাছান বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব তো জনগণের পাশে দাঁড়ান নাই, শুধু টেলিভিশনেই বক্তব্য দেন আর মাঝেমধ্যে অনলাইনে উঁকি দিয়ে বক্তব্য দেন, সেকারণেই তারা একথাগুলো বলছেন। দেশে কি কোনো হাহাকার আছে! আজকে ১৬ মাস করোনা বাংলাদেশে আঘাত হেনেছে, একজন মানুষ তো না খেয়ে মৃত্যুবরণ করে নাই। এটিই হচ্ছে সরকারের সফলতা। আমরা ইনশাআল্লাহ এই পরিস্থিতিও মোকাবিলা করতে পারবো। আমি মির্জা ফখরুল সাহেবকে বলবো এ ধরণের পরামর্শ না দিয়ে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য।’

পরে টিভি নাট্য পরিচালকদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ড এবং অভিনয় শিল্পী সংঘের নেতৃবৃন্দ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সাথে তার বাসভবনে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন ২০২১ এর আওতায় প্রযোজ্য ক্ষেত্রে টেলিভিশন শিল্পীদের অন্তর্ভুক্ত করায় মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানান তারা।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মকবুল হোসেন, ফেডারেশন অভ্ টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশনস-এফটিপিও চেয়ারম্যান নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ, ডিরেক্টরস গিল্ড সভাপতি সালাউদ্দিন লাভলু, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সাগর, অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি শহীদুজ্জামান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম ও প্রেজেন্টারস প্ল্যাটফর্মের সাধারণ সম্পাদক আনজাম মাসুদ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানীতে জাল স্ট্যাম্প তৈরি চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর কোতোয়ালি এলাকায় জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও কোর্ট ফি তৈরিতে যুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সকালে কোতোয়ালি থানাধীন তাঁতিবাজার এলাকায় অভিযান তাদের গ্রেপ্তার করে ব্যার-১০। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আব্দুর রহমান হাওলাদার (২২) ও মো. আবুল কালাম শিকদার (৩৩)।

বিকেলে কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলেন এসব কথা জানান র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মাহফুজুর রহমান।

তিনি জানান, কোতোয়ালি এলাকায় প্রিন্টিং প্রেসসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও জাল কোর্ট ফি তৈরি করত একটি চক্র। ইতোমধ্যে তারা প্রায় আড়াই কোটি টাকার বেশি জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও কোর্ট ফি বাজারে ছড়িয়েছে। চক্রটি ৪ লাখ টাকার জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প বিক্রি করত মাত্র ৩২ হাজার টাকায়।

র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক আরও জানান, তাদের কাছ থেকে ৬১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা সমমূল্যের ৪০ হাজার ৮০০টি ২০ টাকার জাল কোর্ট ফি ও ৫ লাখ ৩৪ হাজারটি ১০ টাকার জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প জব্দ করা হয়। এছাড়াও জাল কোর্ট ফি ও রেভিনিউ স্ট্যাম্প তৈরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মূল্যমানের ১০টি ডাইস প্লেট (২০ টাকার ৩টি, ১০ টাকার ৪টি, ৫ টাকার ২টি, ২ টাকার ১টি), ৫টি পজিটিভ, ২টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৪ হাজার ৯২০ জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার আব্দুর রহমান হাওলাদারের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দুই কোটি ১১ লাখ টাকা সমমূল্যের জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প, জাল নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও জাল কোর্ট ফি তৈরি এবং সরবরাহ করার অপরাধে একটি মামলা রয়েছে। ওই মামলার তিনি পলাতক আসামি।

দেশে কারফিউ জারির পরামর্শ

স্টাফ রিপোর্টার: মহামারি আকার ধারণ করা করোনা ভাইরাসরোধে দেশে কারফিউ বা ১৪৪ ধারা জারির পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নন কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল এনসিডিসি পরিচালক ও অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন।

বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ পরামর্শ দেন।

তিনি বলেন, দেশে কঠোর লকডাউন চলছে কিন্তু মানুষের চলাফেরা বা জমায়েত নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকলে করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

এক্ষেত্রে দেশের মানুষ কারফিউ বা ১৪৪ ধারার মতো কর্মসূচিগুলো ভয় পায় এবং প্রতিপালনের চেষ্টা করে।
এ পরিস্থিতিতে কারফিউ বা ১৪৪ ধারার মতো কর্মসূচি দিলে করোনা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে বলে মনে করেন তিনি।

এর আগে গত ১ জুলাই থেকে সাত দিনের কঠোর লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সরকারের পক্ষ থেকে এবার বিধিনিষেধ ‘কঠোর’ই করার কথা বলা হয়। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হলেই গ্রেপ্তার করার কথা বলে পুলিশও। বিধিনিষেধ মানতে বাধ্য করতে মাঠে নামানো হয় সেনাবাহিনীও।

এরপর ৫ জুলাই বিধিনিষেধের (লকডাউন) মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে ১৪ জুলাই পর্যন্ত করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত বিষয়গুলো হচ্ছে-
১. সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে।
২. সড়ক, রেল ও নৌ-পথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সকল প্রকার যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
৩. শপিংমল/মার্কেটসহ সকল দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
৪. সকল পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।
৫. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক (বিবাহাত্তোর অনুষ্ঠান (ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি), রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
৬. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।
৭. ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।
৮. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন- কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস-জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ফার্মেসি ও ফার্মাসিটিক্যালসসহ অনান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবায় সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।
৯. পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্র্যাকলরির/কাভার্ড ভ্যান/কাগো ভেসেল এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।
১০. বন্দরসমূহ (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।
১১. শিল্প-কারখানাসমূহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে।
১২. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
১৩. অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ঔষধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রা, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৪. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।
১৫. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (ঙহষরহব/ঞধশব ধধিু) করতে পারবে।
১৬. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকেট প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহারপূর্বক যাতায়াত করতে পারবে।
১৭. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
১৮. ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার‘ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।
১৯. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সে সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
২০. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
২১. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।
এদিকে করোনায় আবারও একদিনে সর্বোচ্চ রোগী শনাক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৬৫১ জন, যা মহামারিকালে একদিনে সর্বোচ্চ। এর আগে গতকাল (৭ জুলাই) শনাক্ত হয়েছিলেন ১১ হাজার ১৬২ জন, আর তার আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছিলেন ১১ হাজার ৫২৫ জন। টানা তিন দিন ধরে শনাক্ত ১১ হাজারের বেশি।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ১৯৯ জন। গতকাল (৭ জুলাই) একদিনে রেকর্ড ২০১ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। মৃত্যুর রেকর্ডের পর দিনই আজ (বৃহস্পতিবার) শনাক্তের রেকর্ড হলো।

মাগুরার শ্রীপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১০ লক্ষাধীক টাকার ক্ষতিসাধন

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি: বুধবার গভীর রাতে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কুপড়িয়া গ্রামের লিটন স্টোর নামে এক মুদি দোকানে এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে । এতে তার অন্ততঃ ১০ লক্ষাীক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি জানিয়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিক শরিফুল ইসলাম আকুল জানান, প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার রাতেও দোকান বন্ধ করে দোকানের পার্শ্ববর্তী নিজ বাড়িতেই ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ ঘুমের ঘোরে দোকান ঘরের মধ্যে এক বিকট শব্দ শুনতে পান । দ্রæত ছুটে এসে দেখতে পান দোকানের ভিতর আগুন জ্বলছে। বিষয়টি দেখতে পেয়ে তিনি আগুন আগুন বলে চিৎকার দেন ।

চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন । খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হলেও ততক্ষনে দোকানে থাকা ২টি ফ্রিজ, কীটনাশক, সার ও মুদি দোকানের অন্যান্য দ্রব্যাদি পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

তবে কিভাবে কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তার সঠিক কারন কেউ বলতে পারেননি ।

তবে এলাবাসীর মধ্যে অনেকেরই ধারণা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুনের উৎপত্তি হতে পারে ।
শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের সাব-স্টেশন অফিসার অমল কৃষ্ণ বসু জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।

রাজশাহীতে ‘ ভাত দে, নইলে লকডাউন তুলে লে’

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্যে সারাদেশে কঠোর ‘লকডাউন’ চলছে।

তবে সেই ‘লকডাউন’ প্রত্যাহার করে ঈদের আগে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, মার্কেট ও দোকানপাট খুলে দেওয়ার দাবিতে রাজশাহীতে বিক্ষোভ হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মহানগরীর আরডিএ মার্কেটের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।

রাজশাহী ব্যবসায়ী-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের যৌথ উদ্যোগে, থালা হাতে করে ‘ভাত দে ভাত দে, নইলে লকডাউন তুলে লে’ ইত্যাদি স্লোগানে দোকান খোলার দাবিতে বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ীরা। এই আন্দোলন কর্মসূচিতে সাহেব বাজার কাপড়পট্টির ব্যবসায়ীরাও ছিলেন।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে তারা ঈদ উপলক্ষে দোকানপাট খোলা রাখতে চান তারা। তারা বলেন, গত ‘লকডাউনের’ সময় সরকারের দেওয়া প্রণোদনার অর্থ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কেউই পাননি। পেয়েছেন হাতে গোনা কয়েকজন শিল্পপতি। যদি হাজার হাজার শ্রমিক নিয়ে বড় বড় কল-কারখানাগুলো সীমিত আকারে চলতে পারে, তবে তারা কেনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে পারবেন না? তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উপলক্ষে দোকানপাট খোলা রেখে আগের মত ব্যবসা করতে চান।

কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন- রাজশাহী ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ সভপাতি হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক ফরিদ মামুদ হাসান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সজল ইসলাম, বস্ত্র মালিক সমিতির সভাপতি অশোক কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ, আরডিএ মার্কেট কোকারিজ মালিক সমিতির সভাপতি হাজী তাপস, আরডিএ মার্কেট পাদুকা সমিতির সভাপতি রিপন আলী।

মাগুরার শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মাঝে নগদ টাকা বিতরণ

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি: দূর্যোগ ও পূণর্বাসন ব্যবস্থাপণা অধিদপ্তরের সহযোগিতায় জি আর প্রকল্পের আওতায় মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ৮ লক্ষ টাকা ১’হাজার ৬’শত দুঃস্থ, অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার স্বরুপ নগদ অর্থ প্রদান করা হচ্ছে ।

এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ১’লক্ষ টাকার জনপ্রতি ৫’শত টাকা হারে ২’শত পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে । একইভাবে উপজেলার অন্য ৭টি ইউনিয়নে এ অর্থ পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে।

শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মসিয়ার রহমান উপস্থিত থেকে অনুদানের এ অর্থ দুঃস্থ, অসহায় ও হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করেন।

এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান, শ্রীপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন পল্টু, ইউপি সদস্য নজরুল মোল্যা, আব্দুল মালেক শেখ, রজব আলী, জয়ন্ত কুমার, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক মীর আশরাফুল ইসলাম সাদ্দাম, জেলা কৃষিবিষয়ক সম্পাদক মেহরাব হোসেন অপি প্রমুখ ।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ৩০০ দরিদ্রকে ত্রাণ দিল কালের কন্ঠ শুভসংঘ

হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় করোনা পরিস্থিতিতে ৩০০ হত দরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে দৈনিক কালের কন্ঠের শুভসংঘ। এ সময় সকলের মাঝে মাস্কও বিতরণ করা হয়।

৮ জুলাই বৃহস্পতিবার রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ মাঠে ও মীরডাঙ্গী সরকারি প্রাইমারি স্কুল মাঠে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় এই ত্রাণ সামগ্রী দেওয়া হয়।

বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত ইউএনও প্রীতম সাহা, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও রাণীশংকৈল ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সইদুল হক, পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান, ওসি জাহিদ ইকবাল, ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, কালের কণ্ঠ শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শামীম আল মামুন, সদস্য শরীফ মাহ্দী আশরাফ জীবন, উপজেলা শুভসংঘের সভাপতি মহাদেব বসাক, রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ইত্তেফাক প্রতিনিধি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, কালের কন্ঠ উপজেলা প্রতিনিধি সফিকুল ইসলাম শিল্পী, দৈনিক করতোয়া প্রতিনিধি মো.বিপ্লব, ডেইলি সান প্রতিনিধি হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তি, শিক্ষক, শুভসংঘের প্রতিনিধি, ও জেলা-উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সুবিধাভোগীদের প্রত্যেককে ১০ কেজি চাল, ৩ কেজি আটা ও ২ কেজি ডাল দেয়া হয়। এ ত্রাণ সামগ্রী পেয়ে তারা কালের কন্ঠের শুভসংঘ ও বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে কারোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নগদ অর্থ বিতরণ

বিপ্লব সাভারঃ সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে কারোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মাঝে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া উপহার ,নগদ অর্থ হাতে তুলে দিলেন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর ।

বুধবার বিকেলে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের হেমায়েতপুর, নিজ বাসভবনের প্রাঙ্গনে ৩০ জন কোভিড-১৯ এর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ মানুষদের হাতে এই অর্থ তুলে দেয়া হয় ।
এসময় তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর বলেন, করোনাকালীন সময়ের জন্য , আমরা কয়েক ধাপে এই অর্থগুলো বিতরণ করছি ,ধারাবাহিক ভাবে মোট ৪৫০ জনকে নগদ ৫০০ টাকা করে ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

উক্ত অর্থ বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন,তেতুলঝোড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়াডের ইউপি সদেস্য সহ স্থানীয় সকল গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।

সাভারের আশুলিয়ায় করোনাকালীন সময়ে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পারায় অপমান সহ্য করতে না পেরে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা ।

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাভারে করোনা কালে ঋনের কিস্তি পরিশোধ করতে না পারায় অপমান সয্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে এক হোটেল ব্যবসায়ী বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাভারের আশুলিয়া ইউনিয়নের ধলপুর এলাকার নিজ ভাড়া বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করে।

নিহত হোটেল ব্যবসায়ীর নাম হারুন মিয়া (৫০) তার বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানার রাধাকান্তপুর। সে স্ত্রী সন্তান নিয়ে ধলপুর এলাকার জান্নাতুল ফেরদৌস এর বাড়িতে একটি কক্ষ নিয়ে ভাড়া থাকতো।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানায়,হারুন মিয়া সংসারের অভাব অনটন ঘোচাতে কয়েক মাস আগে ওই এলাকার কয়েকজন ব্যক্তির কাছে কয়েক হাজার টাকা ঋন নিয়ে খাবার হোটেলের ব্যবসা শুরু করেন।

পরে গত কয়েকদিন ধরে তাকে ঋনের কিস্তির জন্য চাপ দেন ঋন দাতারা। পরে সে করোনাা ভাইরাসের কারণে হোটেল ব্যবসা মন্দ তাদেরকে জানালে হারুন মিয়া সবার সামনে অহমান অপদস্ত করেন ঋন দাতারা। পরে সে অপহমান সয্য করতে না পেরে ভোর রাতে ঘরের দরজা আটকিয়ে বাড়ির উঠানে একটি লিচু গাচে আত্মহত্যা করে।

পরে খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। এঘটনার পর থেকে ওই এলাকার সুদের উপর ঋন দেওয়া ব্যক্তিরা গা ঢাকা দিয়েছেন। এলাকাবাসী অবৈধ সুদারু ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

এবিষয়ে আশুলিয়া থানার এস আই ইউনুস বলেন নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিতিত্বে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

রাণীশংকৈলে ডোবার পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে গত ৫ জুলাই সোমবার ডোবার পানিতে পড়ে সাব্বির হোসেন নামে দুই বছর বয়সী শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

মৃত শিশু সাব্বির উপজেলার উত্তর সন্ধ্যারই গ্রামের সুমন আলীর ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৫ টার সময় সুমন আলীর দুই বছরের ছেলে সাব্বীর সবার অগোচরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ৫০ গজ দূরের ডোবার কাছে গেলে পানিতে পড়ে যায়। সে সময় শিশুটির চাচী দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে লোকজন এসে শিশুটিকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে।

তাৎক্ষণিক তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক, আরএমও ডাক্তার ফিরোজ আলম বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটি মারা গেছে।

সর্বশেষ আপডেট...