রাজধানীতে জাল স্ট্যাম্প তৈরি চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর কোতোয়ালি এলাকায় জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও কোর্ট ফি তৈরিতে যুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সকালে কোতোয়ালি থানাধীন তাঁতিবাজার এলাকায় অভিযান তাদের গ্রেপ্তার করে ব্যার-১০। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আব্দুর রহমান হাওলাদার (২২) ও মো. আবুল কালাম শিকদার (৩৩)।
বিকেলে কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলেন এসব কথা জানান র্যাব-১০ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মাহফুজুর রহমান।
তিনি জানান, কোতোয়ালি এলাকায় প্রিন্টিং প্রেসসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও জাল কোর্ট ফি তৈরি করত একটি চক্র। ইতোমধ্যে তারা প্রায় আড়াই কোটি টাকার বেশি জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও কোর্ট ফি বাজারে ছড়িয়েছে। চক্রটি ৪ লাখ টাকার জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প বিক্রি করত মাত্র ৩২ হাজার টাকায়।
র্যাব-১০ এর অধিনায়ক আরও জানান, তাদের কাছ থেকে ৬১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা সমমূল্যের ৪০ হাজার ৮০০টি ২০ টাকার জাল কোর্ট ফি ও ৫ লাখ ৩৪ হাজারটি ১০ টাকার জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প জব্দ করা হয়। এছাড়াও জাল কোর্ট ফি ও রেভিনিউ স্ট্যাম্প তৈরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মূল্যমানের ১০টি ডাইস প্লেট (২০ টাকার ৩টি, ১০ টাকার ৪টি, ৫ টাকার ২টি, ২ টাকার ১টি), ৫টি পজিটিভ, ২টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৪ হাজার ৯২০ জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার আব্দুর রহমান হাওলাদারের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দুই কোটি ১১ লাখ টাকা সমমূল্যের জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প, জাল নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও জাল কোর্ট ফি তৈরি এবং সরবরাহ করার অপরাধে একটি মামলা রয়েছে। ওই মামলার তিনি পলাতক আসামি।
দেশে কারফিউ জারির পরামর্শ
স্টাফ রিপোর্টার: মহামারি আকার ধারণ করা করোনা ভাইরাসরোধে দেশে কারফিউ বা ১৪৪ ধারা জারির পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নন কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল এনসিডিসি পরিচালক ও অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন।
বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, দেশে কঠোর লকডাউন চলছে কিন্তু মানুষের চলাফেরা বা জমায়েত নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকলে করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।
এক্ষেত্রে দেশের মানুষ কারফিউ বা ১৪৪ ধারার মতো কর্মসূচিগুলো ভয় পায় এবং প্রতিপালনের চেষ্টা করে।
এ পরিস্থিতিতে কারফিউ বা ১৪৪ ধারার মতো কর্মসূচি দিলে করোনা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে বলে মনে করেন তিনি।
এর আগে গত ১ জুলাই থেকে সাত দিনের কঠোর লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
সরকারের পক্ষ থেকে এবার বিধিনিষেধ ‘কঠোর’ই করার কথা বলা হয়। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হলেই গ্রেপ্তার করার কথা বলে পুলিশও। বিধিনিষেধ মানতে বাধ্য করতে মাঠে নামানো হয় সেনাবাহিনীও।
এরপর ৫ জুলাই বিধিনিষেধের (লকডাউন) মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে ১৪ জুলাই পর্যন্ত করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত বিষয়গুলো হচ্ছে-
১. সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে।
২. সড়ক, রেল ও নৌ-পথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সকল প্রকার যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
৩. শপিংমল/মার্কেটসহ সকল দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
৪. সকল পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।
৫. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক (বিবাহাত্তোর অনুষ্ঠান (ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি), রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
৬. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।
৭. ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।
৮. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন- কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস-জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ফার্মেসি ও ফার্মাসিটিক্যালসসহ অনান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবায় সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।
৯. পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্র্যাকলরির/কাভার্ড ভ্যান/কাগো ভেসেল এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।
১০. বন্দরসমূহ (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।
১১. শিল্প-কারখানাসমূহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে।
১২. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
১৩. অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ঔষধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রা, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৪. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।
১৫. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (ঙহষরহব/ঞধশব ধধিু) করতে পারবে।
১৬. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকেট প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহারপূর্বক যাতায়াত করতে পারবে।
১৭. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
১৮. ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার‘ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।
১৯. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সে সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
২০. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
২১. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।
এদিকে করোনায় আবারও একদিনে সর্বোচ্চ রোগী শনাক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৬৫১ জন, যা মহামারিকালে একদিনে সর্বোচ্চ। এর আগে গতকাল (৭ জুলাই) শনাক্ত হয়েছিলেন ১১ হাজার ১৬২ জন, আর তার আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছিলেন ১১ হাজার ৫২৫ জন। টানা তিন দিন ধরে শনাক্ত ১১ হাজারের বেশি।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ১৯৯ জন। গতকাল (৭ জুলাই) একদিনে রেকর্ড ২০১ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। মৃত্যুর রেকর্ডের পর দিনই আজ (বৃহস্পতিবার) শনাক্তের রেকর্ড হলো।
মাগুরার শ্রীপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১০ লক্ষাধীক টাকার ক্ষতিসাধন
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি: বুধবার গভীর রাতে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কুপড়িয়া গ্রামের লিটন স্টোর নামে এক মুদি দোকানে এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে । এতে তার অন্ততঃ ১০ লক্ষাীক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি জানিয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিক শরিফুল ইসলাম আকুল জানান, প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার রাতেও দোকান বন্ধ করে দোকানের পার্শ্ববর্তী নিজ বাড়িতেই ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ ঘুমের ঘোরে দোকান ঘরের মধ্যে এক বিকট শব্দ শুনতে পান । দ্রæত ছুটে এসে দেখতে পান দোকানের ভিতর আগুন জ্বলছে। বিষয়টি দেখতে পেয়ে তিনি আগুন আগুন বলে চিৎকার দেন ।
চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন । খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হলেও ততক্ষনে দোকানে থাকা ২টি ফ্রিজ, কীটনাশক, সার ও মুদি দোকানের অন্যান্য দ্রব্যাদি পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
তবে কিভাবে কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তার সঠিক কারন কেউ বলতে পারেননি ।
তবে এলাবাসীর মধ্যে অনেকেরই ধারণা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুনের উৎপত্তি হতে পারে ।
শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের সাব-স্টেশন অফিসার অমল কৃষ্ণ বসু জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।
রাজশাহীতে ‘ ভাত দে, নইলে লকডাউন তুলে লে’
সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্যে সারাদেশে কঠোর ‘লকডাউন’ চলছে।
তবে সেই ‘লকডাউন’ প্রত্যাহার করে ঈদের আগে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, মার্কেট ও দোকানপাট খুলে দেওয়ার দাবিতে রাজশাহীতে বিক্ষোভ হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মহানগরীর আরডিএ মার্কেটের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।
রাজশাহী ব্যবসায়ী-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের যৌথ উদ্যোগে, থালা হাতে করে ‘ভাত দে ভাত দে, নইলে লকডাউন তুলে লে’ ইত্যাদি স্লোগানে দোকান খোলার দাবিতে বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ীরা। এই আন্দোলন কর্মসূচিতে সাহেব বাজার কাপড়পট্টির ব্যবসায়ীরাও ছিলেন।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে তারা ঈদ উপলক্ষে দোকানপাট খোলা রাখতে চান তারা। তারা বলেন, গত ‘লকডাউনের’ সময় সরকারের দেওয়া প্রণোদনার অর্থ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কেউই পাননি। পেয়েছেন হাতে গোনা কয়েকজন শিল্পপতি। যদি হাজার হাজার শ্রমিক নিয়ে বড় বড় কল-কারখানাগুলো সীমিত আকারে চলতে পারে, তবে তারা কেনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে পারবেন না? তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উপলক্ষে দোকানপাট খোলা রেখে আগের মত ব্যবসা করতে চান।
কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন- রাজশাহী ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ সভপাতি হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক ফরিদ মামুদ হাসান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সজল ইসলাম, বস্ত্র মালিক সমিতির সভাপতি অশোক কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ, আরডিএ মার্কেট কোকারিজ মালিক সমিতির সভাপতি হাজী তাপস, আরডিএ মার্কেট পাদুকা সমিতির সভাপতি রিপন আলী।



























বৃহস্পতিবার দুপুরে মন্ত্রী রাজধানীর মিন্টু রোডে তার সরকারি বাসভবন থেকে অনলাইনে চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয় সভার বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যদান শেষে সাংবাদিকদের এসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে একথা জানান।
এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ১’লক্ষ টাকার জনপ্রতি ৫’শত টাকা হারে ২’শত পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে । একইভাবে উপজেলার অন্য ৭টি ইউনিয়নে এ অর্থ পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে।
৮ জুলাই বৃহস্পতিবার রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ মাঠে ও মীরডাঙ্গী সরকারি প্রাইমারি স্কুল মাঠে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় এই ত্রাণ সামগ্রী দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সাভারের আশুলিয়া ইউনিয়নের ধলপুর এলাকার নিজ ভাড়া বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করে।