ধামরাই শরীফবাগ এলাকা থেকে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই(ঢাকা)থেকেঃ-ধামরাইয়ের শরীফভাগের রাস্তার পাশের একটি আম গাছ থেকে জুলমত আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১৪ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে ধামরাই-কালিয়াকৈর আঞ্চলিক সড়কের শরীফবাগ ফুলকুঁড়ি স্কুলের পাশে রাস্তার একটি আম গাছ থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।নিহত ধামরাই পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের আইঙ্গন এলাকার মৃত ফকির মাহমুদের ছেলে জুলমত আলী।
তিনি আইঙ্গন বাজারে চা-পান বিক্রি করতেন এবং রাতের বেলায় আইঙ্গন বাজারে নাইটগার্ড হিসেবে কাজ করতেন।স্থানীয়রা জানায়, সকালে রাস্তায় হাটতে এসে দেখতে পাই জুলমত কাকা গাছের সাথে ফাঁসি দিয়ে ঝুলে আছে। পরে লোকজন জড়ো হয়। ধামরাই থানায় খবর দেয়া হলে পুলিশ এসে মরদেহ থানায় নিয়ে যায়। নিহত ব্যক্তি ঋণগ্রস্থ ছিলো।
এর জন্যও আত্নহত্যা করতে পারে। ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রশিদ উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে ।
প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে ঋণগ্রস্থ থাকার কারনে পারিবারিক কলহের জেরে আত্নহত্যা করার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
৮৮ বছর বয়সী বাদাম বিক্রেতাকে নলকূপ দিলেন ইউএনও
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল পৌর শহরের ৬ নং ওয়ার্ড মধ্য ভান্ডারা গ্রামের আব্দুল মজিদ নামে ৮৮ বছর বয়সী এক বাদাম বিক্রেতা বৃদ্ধের বাড়িতে নলকূপ দিলেন ইউএনও ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবিরের নির্দেশে গত ১১ মার্চ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সহকারি কমিশনার ভুমি প্রীতম সাহা নিজেই গিয়ে মিস্ত্রি লাগিয়ে নলকূপটি স্থাপন করিয়ে নেন ।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় পৌরশহরের মধ্য ভান্ডারা গ্রামের মৃত বিরোজ আলী আকন্দ’র ছেলে আব্দুল মজিদ নামে এই বৃদ্ধের দুই ছেলে এবং এক মেয়ে কিন্তু এই শেষ বয়সেও মজিদ ও তার স্ত্রী সালেহার ভরণ পোষনের দায়িত্ব নেননি সন্তানেরা। বাড়ি বসতের জমিটুকুও ফুসলিয়ে ৩ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে তাঁর ছেলেরা টাকা হাতিয়ে নেয়। অসহায় হয়ে বৃদ্ধ বাবা অন্যের জমিতে ছোট একটি টিনের বেড়ার ঘরে বসবাস করে। এবং জমির বাৎসরিক ভাড়া বাবদ প্রতি বছর দিতে হয় ২ হাজার টাকা।
আর জীবন জীবিকার জন্য এই বয়সেও বাদাম বিক্রি করে স্বামী- স্ত্রীর সংসার চলে কোনমতে। সারা দিন বাদাম বিক্রি করে সন্ধ্যায় বাজার করে নিয়ে আসে আব্দুল মজিদ । স্বামী স্ত্রীর দু’জন মিলে তাদের সংসার ।
এ বিষয়ে আব্দুল মজিদের স্ত্রী সাহেলা জানান আমার স্বামী সারাদিন বাদাম বিক্রি করে সন্ধ্যায় যে টাকা রোজগার হয় তাই দিয়ে চলে আমাদের সংসার দেখার মত নেই কেউ । ছিল দুটি সন্তান তারাও আজ আমাদের কাছ থেকে দূরে রয়েছে। আমাদের নিজস্ব কোন বাড়ি বসত নেই, আমরা ভূমিহীন। যেটা ছিল ছেলে সন্তানেরা বিক্রি করে চলে গেছে ।
এ দিকে আব্দুল মজিদ মুচকি হেসে বলেন আমি যে ভাবে আছি অনেক সুখে আছি । আমার প্রায় ৫ মাস ধরে টিউবওয়েল ছিল না পানির অভাবে অনেক কষ্টে চলতাম। মাস খানেক আগে ছাত্রলীগ নেতা আমার খুর পরিচিত তামিম হোসেনকে নলকূপের ঘটনাটি জানালে সে আমাকে ইউএনও স্যারের কাছে নিয়ে যায়।
স্যার আমার দুঃখ অনুভব করে আজ এসিল্যান্ড স্যারকে দিয়ে টিবওয়েল পাঠিয়ে দেয়। এবং তিনি নিজেই উপস্থিত থেকে সেটি বসিয়ে দেন।
এ ব্যাপারে আব্দুল মজিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি আবাও মুচকি হেসে বলেন ইউএনও স্যারকে ধন্যবাদ, আল্লাহ ওনার ভালো করুক।
শার্শায় অপহরণ হওয়া কিশোরীকে সাতদিন পর উদ্ধার,আটক-২
মোঃ রাসেল ইসলাম,শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি: যশোরের শার্শার কায়বা ইউনিয়নের বাগুড়ী বেলতলা গ্রাম থেকে গত এক সপ্তাহ আগে অপহরণের শিকার কিশোরী পূর্ণিমা দাসকে যশোর আদালত চত্তর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ সদস্যরা।
বুধবার (১০ই মার্চ) বিকেলে অপহরণের শিকার ঐ কিশোরীকে উদ্ধার করে শার্শা থানা পুলিশ। এঘটনায় অপহরণকারী আকবার ও স্ত্রী রুমা খাতুন নামে দুই জনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার সময় এক প্রেস বিফ্রিংয়ের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কাছে নিশ্চিত করেন শার্শা থানা ওসি।
এএসপি নাভারণ সার্কেল জুয়েল ইমরান, শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদরুল আলম খান ও এসআই মোস্তাফিজুর রহমানের নির্ঘুম রাত ও অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই অপহরণের এক সপ্তাহের মধ্যেই পূর্ণিমা দাসকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার পূর্ণিমাকে পেয়ে খুশি ভুক্তভোগী পরিবার। অপহরণের শিকার পূর্ণিমা দাস শার্শার বাগআঁচড়া বেলতলা গ্রামের রবিন দাসের মেয়ে।
উল্লেখ্য: গত ৩ মার্চ বাগআঁচড়া থেকে পূর্ণিমা দাস অপহরণ হওয়ার পর পূর্ণিমার বাবা রবিন দাস মেয়েকে আকবার ও স্ত্রী রুমা খাতুন নিয়ে পালিয়েছে জানিয়ে শার্শা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলা প্রশাসনের রুদ্ধশ্বাস অভিযানে অপহরণকারীদেরকে আটক এবং পূর্ণিমাকে উদ্ধার করা হয়।
এই বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)বদরুল আলম বলেন, পূর্ণিমা দাস নিখোঁজ এর পর থানায় একটা অভিযোগ হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন উদ্ধার চেষ্টা চালালে অপহরণকারী দুই আসামী সহ কিশোরীকে উদ্ধারে সফল হয়। বৃহস্পতিবার বিকালে আসামিদেরকে যশোর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুরে সন্তানের সামনে মাকে বিবস্ত্র করে মাথা নেরা করলেন সন্ত্রাসীরা
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে সন্তানের সামনে মাকে বিবস্ত্র করে গাছের সাথে হাত-পা বেঁধে বর্বর নির্যাতন চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। পরে মাথা ন্যাড়া করে গলায় জুতার মালা পরিয়ে উল্লাস করার অভিযোগ উঠেছে এলাকার নুর হোসেন, তার ছেলে আজিজ ও মেয়ে হাসিনা বেগমের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী। জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্ত’মূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা। নির্যাতিত ওই নারী বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় তিন জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, লক্ষ্মীপুরের রামগ’ঞ্জ উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের পশ্চিম বিগা এলাকার হতদরিদ্র আবদুল কাদেরের স্ত্রী (খুরশিদা বেগম) নির্মান শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালান। গত কয়েকদিন ধরে কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তার মাটি কাটার কাজ করেন তিনি। প্রতিদিনের মত মঙ্গলবারও রাস্তার মাটি কাটার কাজ করার জন্য সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান ওই নারী।
ওইদিন দুপুর বারোটার দিকে একই ইউনিয়নের ব্রক্ষ্মপাড়া গ্রামের মনা মিয়া’র স্ত্রী হাসিনা বেগম ওই নারী নির্মান শ্রমিককে (খুরশিদা বেগম) ডেকে নেয় ব্রক্ষপাড়া এলাকায়। পরে তার স্বামী মনা মিয়ার সাথে ওই নারী নির্মান শ্রমিক প্রায়ই মোবাইল ফোনে কথা বার্তা বলে অভিযোগ তুলে এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এসময় ওই নারী শ্রমিক তা অস্বীকার করলে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে টানা হেচড়া করে মারধর শুরু করে।
এক পর্যায়ে হাসিনা বেগমের বাবা নুর হোসেন ও ভাই আজিজসহ তিনজন একত্রিত হয়ে ব্রক্ষ্মপাড়া এলাকায় ১২ বছরের মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলের সামনে নারিকেল গাছের সঙ্গে হাত-পা বেধে বিব’স্ত্র করে বর্বর নির্যাতন চালায়। পরে ব্লেড দিয়ে মাথা ন্যাড়া করে গলায় জুতার মালায় পরিয়ে আনন্দ উল্লাস করে তারা।
এসময় ওই নারীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ওই নির্যাতিত নারীকে উদ্ধার করে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সএ ভর্তি করে। বর্তমানে অই নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ।
এ ঘটনার পর থেকে ভেঙ্গে পড়েছে সে। তার কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে ওই গ্রাম। রাতে ওই নির্যাতিত নারী বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় নুর হোসেন,তার ছেলে আজিজ ও মেয়ে হাসিনা বেগমকে আসামী করে নারী ও শিশু নি’র্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
পরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে হাসিনা বেগমকে গ্রে’প্তার করে পুলিশ। এ ঘটনার প্রতিবাদ ও জড়িত দের দ্রুত গ্রেপ্তা;র করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করে এলাকাবাসী। এ নিয়ে এলাকায় সাধারন মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
রাণীশংকৈলে মাটির ঢিবিতে মিলল ভাঙা কষ্টি পাথরের মূর্তি
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল বাচোর ইউনিয়নের মহেশপুর জেএমকে ইটভাটায় জমাকৃত মাটির ঢিবি থেকে একটি কষ্টি পাথরের খোদাই করা ভাঙ্গা মূর্তি উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে।
১০ মার্চ বুধবার বিকাল ৩ টায় দিকে এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধারকৃত পাথরটি কষ্টি পাথরের মূর্তি বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটির দৈর্ঘ্য ১৫ ফিট এবং প্রস্ত ৯ ফিট এবং ওজন প্রায় ৫ কেজি ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,বাজে বাকসা নামক স্থানে একটি পুকুর খননের জন্য উটকল দিয়ে গর্ত করা হচ্ছে । আর সেই মাটি ঐ ভাটায় দেওয়া হচ্ছে । ইটভাটা শ্রমিকরা মাটির ঢিবি খুঁড়তেই মূর্তিটি দেখতে পায়। পরে স্থানীয় লোকজন ধারণা করেন এটি কষ্টি পাথরের মূর্তি হতে পারে। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও সহকারি কমিশনার (ভূমি ঘটনাস্থল থেকে ভাঙ্গা মূর্তি উদ্ধার করে নিয়ে আসে।
এ ব্যাপারে সহকারি কমিশনার (ভূমি) প্রীতম সাহা জানান, উপজেলার মহেশপুর একটি ইট ভাটা থেকে (সম্ভবত) কষ্টি পাথরের ভাঙা মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়েছে। এটি আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে ট্রেজারিতে সংরক্ষণের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।
রাণীশংকৈলে ইএসডিও’র অবহিতকরণ সভা
হুমায়ুন কবির রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় গত ১০ মার্চ বুধবার পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপুল প্রকল্প ইএসডিও’র আয়োজনে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।




































