20 C
Dhaka, BD
রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬

রাণীশংকৈলে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে দুই কিশোরের মৃত্যু

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ভরনিয়ায় ২২ জুলাই দুপুরে পুকুরের পানিতে গোসল করতে গিয়ে দুই কিশোরের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

মৃতৃ রুবেল (১২) ও রাজেন (১৪) আনসারডাঙ্গী গ্রামের আনোয়ারুল ইসলাম ও আব্দুর রহিমের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২২ জুলাই বুধবার আনুমানিক দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার ভরনিয়া বাজারের ১’শ মিটার পূর্ব- দক্ষিন দিকে ব্রীজ সংলগ্ন নবাবের পুকুরে গোসল করতে যায়। ব্রীজের উপর থেকে ঝাপ দিয়ে অনেকের মতো রুবেল ও রাজেন পুকুরের পানিতে ঝাপ দেয়। এক পর্যায়ে ঝাপ দিলে এ দুজন পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হয়।

পরে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম মুকুল থানা পুলিশে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের টিমসহ পুলিশ পুকুরে অভিযান চালিয়ে পুকুরের তলদেশ থেকে ২ জনের মরদেহ বিকাল ৪ টায় উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও রানীশংকৈল থানার সাব ইন্সপেক্টর আহসান হাবিব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

কুমিল্লায়(ইউএনও)দের মাধ্যমে ৬দফা দাবীতে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর ক্ষেতমজুরদের স্মারকলিপি

এ আর আহমেদ হোসাইন,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি :বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি কুমিল্লার দেবীদ্বার, বুড়িচং, চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শাখা কর্তৃক,- বিনামূল্যে গ্রাামে গ্রাামে করোনা পরীক্ষা ও চিকিৎসা, করোনায় কর্মহীন ও বানভাসী গরীব- দুঃখীদের বিনামূল্যে খাদ্য সহায়তা, সকল উপজেলায় কর্মসৃজ প্রকল্প চালু, পল্লী রেশনিং ব্যবস্থা চালু, করোনাকাল পর্যন্ত এনজিও ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ করা, ও গ্রামীণ বরাদ্ধ লুটপাট বন্ধ লুটপাটকারীদের কঠোর শাস্তি প্রদানের দাবীতে ন্সমাবেশ, মানব বন্ধন ও প্রধান মন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে।

বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সারা দেশের ন্যায় বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উপজেলা প্রশাসনের কর্যালয়ের সামনে সমাবেশ, মানব বন্ধন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে ওই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানব বন্ধন ও সমাবেশ চলাকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিব হাসান ক্ষেতমজুর নেতাদের কাছ থেকে ওই সমারকলিপি গ্রহন করেন।

উক্ত সমাবেশে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি দেবীদ্বার উপজেলা কমিটির সভাপতি আবুল কাসেমের সভাপতিত্বে এবং যুব নেতা বিল্লাল হোসেনের সঞ্চালনায় উক্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাতি পরেশ কর। একাত্মতা ঘোষণা করে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি কুমিল্লা জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, যুব ইউনিয়ন কুমিল্লা জেলা সভাপতি এ,কে,এম মিজানুর রহমান কাউছার।
অন্যান্যের মধ্যে বকাতব্য রাখেন, সিপিবি উপজেলা সভাপতি কমরেড আব্দুল ওয়াদুদ, ক্ষেতমজুর নেতা আব্দুল বাতেন সরকার, মোখলেসুর রহমান প্রমূখ।

বুড়িচং উপজেলায় মানব বন্ধন ও সমাবেশ শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে ক্ষেতমজুর নেতৃবৃন্দ ওই সমারকলিপি প্রদান করেন।
এসময় সমাবেশে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি বুড়িচং উপজেলা কমিটির সভাপতি আব্দুর রব’র সভাপতিত্বে এবং যুব নেতা গনেশ ভট্রাচার্য্যরে সঞ্চালনায় উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য কমরেড আব্দুল্লাহ আল ক্বাফী রতন, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিপিবি কুমিল্লা জেলা কমিটির সাবেক সাধারন সম্পাদক কমরেড বিকাশ দেব, ক্ষেতমজুর নেতা ও নাট্যকার জয়নুল আবেদীন।

চান্দিনা উপজেলায় মানব বন্ধন ও সমাবেশ শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে ক্ষেতমজুর নেতৃবৃন্দ ওই সমারকলিপি প্রদান করেন।

এসময় সমাবেশে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি চান্দিনা উপজেলা কমিটির সভাপতি ও নারী নেত্রী সুফিয়া বেগম’র সভাপতিত্বে এবং সহিদুল ইসলাম’র সঞ্চালনায় উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কুমিল্লা জেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুজাত আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি(সিপিবি) উপজেলা সাধারন সম্পাদক কমরেড সূধাংসু কুমার নন্দী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,- ক্ষেতমজুর নেতা মোঃ জামাল হোসেন, লুৎফা বেগম, জুলেখা বেগম, মনোয়ারা বেগম, খলিলুর রহমান প্রমূখ।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় মানব বন্ধন ও সমাবেশ শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে ক্ষেতমজুর নেতৃবৃন্দ ওই সমারকলিপি প্রদান করেন।

এসময় সমাবেশে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কমিটির সভাপতি ডা. আবু নসর’র সভাপতিত্বে এবং বেলায়েত হোসেন’র সঞ্চালনায় উক্ত সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ক্ষেতমজুর নেতা নাসিমা আক্তার, রহিমা আক্তার, নাফিজা আক্তার, যুবনেতা কামরুল হাসান প্রমূখ।

রাজাপুরে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বেদখল হওয়া সম্পত্তি উদ্ধারের দাবিতে মৌন মিছিল।

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠী প্রতিনিধি : ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে বেহাত হওয়া সম্পত্তি উদ্ধারের দাবিতে মৌন মিছিল করেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

২২/০৭/২০২০ইং তারিখ বুধবার বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় প্রেসক্লাব চত্ত্বর থেকে প্রতিবাদী এ মৌন মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়।

বিদ্যালয়ে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ সহস্রাধিক মানুষ মুখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিলে অংশ নেয়।

মৌন মিছিলটি উপজেলা পরিষদে গিয়ে এসব অনিয়মের প্রতিবাদ জানায়। এ সময় বেদখল হওয়া জমি উদ্ধারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান তারা।

এ সময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সঞ্জিব কুমার বিশ্বাস, উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহ্ আলম নান্নু, সাবেক অধ্যক্ষ শাহজাহান মোল্লা ও উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজনীন পাখি।

বক্তারা বলেন, আমরা সবাই আন্দোলন করছি, বিদ্যালয়ের বেদখল হওয়া সম্পত্তি বিদ্যালয়কে উদ্ধার করে দিতে। বিদ্যালয়ের এক ইঞ্চি জমিও বেদখলে থাকা চলবে না। প্রয়োজনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি বাঁচাতে আমরা প্রধান মন্ত্রীর দপ্তর পর্যন্ত যাবো। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বেদখল হওয়া সম্পত্তি উদ্ধারে যদি তৎপর না হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি দেন ।

জানা গেছে, ১৯২৭ সালে ২ একর ৮৩ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্নভাবে বিদ্যালয়ের সম্পত্তি স্থানীয় মানুষের সহায়তায় কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের সহায়তায় কখনো মার্কেটের নামে, কখনো ব্যাংকের নামে কিংবা অন্য কোনোভাবে জমি বেদখল হয়েছে। নামমাত্র টাকার ৯৯ বছরের লিজে বিদ্যালয়ের বিশাল সম্পত্তিজুড়ে মার্কেট উঠিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়েছেন অনেকে। কেউবা প্রভাব ও কৌশল খাটিয়ে বিদ্যালয়ের সম্পত্তির ওপর গড়ে ওঠা ভবন নিজ জিম্মায় রেখেছেন, আবার কেউ লিজের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের জমি নিয়ে তা বিক্রি করে দিয়েছেন অন্যের কাছে।

আন্দোলনকারীরা জানায়, বিদ্যালয়ের প্রায় ৯ একর ভূ-সম্পত্তি থাকা সত্যেও মাত্র ৬৭ শতাংশ জমিতে ৫টি বহুতল ভবন নির্মাণ করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের জমি কাগজে-কলমে আছে, দখলে নেই! কোলম মতি শিক্ষার্থীরা আজ বঞ্চিত লেখা পড়ার সুন্দর পরিবেশ হতে। প্রতিষ্ঠানটির এই বিপুল সম্পত্তির ওপর লোলুপ দৃষ্টি পরে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহলের। তারা সম্পত্তি আত্মসাৎ করতেই বিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে সংকুচিত করে একটি কংক্রিটের জঙ্গলে পরিণত করেছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের পিটি-প্যারেড করার জায়গাটুকুও নেই। বিদ্যালয়ের সম্পত্তি বিভিন্ন সময় বেআইনিভাবে লিজ দিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে যোগসাজোশে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে প্রভাবশালী ওই মহলটি। তাই গত দুইমাস ধরে বিদ্যালয়ের বেহাত হওয়া সম্পত্তি উদ্ধারের আন্দোলনে নেমেছে শিক্ষার্থীরা। এর আগেও মানববন্ধন, গণস্বাক্ষর কর্মসূচিসহ নানা কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। এরই ধারাবাহিকতায় আজ মৌন মিছিল পালিত হয়।

এ বিষয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যালয়ের বেহাত হওয়া বেশকিছু সম্পত্তি ইতোমধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য একটি জমি নিয়ে মামলা চলছে। গত দুই মাসে অবৈধভাবে নির্মিত তিনটি ভবন ভেঙ্গেফেলা হয়েছে।’বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মনিরউজ্জামান বলেন, ‘বিদ্যালয়ের সম্পত্তি লিজ দেওয়ার কোন বিধান নেই। বিভিন্ন সময় অবৈধভাবে লিজ দেওয়া সম্পত্তিগুলো আইনি প্রকৃয়ার মাধ্যামে আমরা উদ্ধার করবো। বিদ্যালয়ের ভূ-সম্পত্তি উদ্ধার আন্দোলনের সাথে আমি ব্যক্তিগতভাবে সহমত পোষণ করছি।

রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনায়ন ২০০ গাছের চারা বিতরণ

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল ( ঠাকুরগাও) প্রতিনিধিঃ মুজিববর্ষ উপলক্ষে সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপি এক কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ গ্রহন করেছেন।

এরই অংশ হিসাবে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় ঠাকুরগাওয়েরর রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব’র( পুরাতন) ব্যবস্থাপনায় ২২ জুলাই বুধবার চাঁদনী মার্কেট প্রেসক্লাব চত্বরে বিভিন্ন ফলদ গাছের ২০০ চারা এলাকাবাসী ও ক্লাবের সদস্যদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

রাণীশংকৈল বন বিভাগের সৌজন্যে প্রাপ্ত এ চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালি বেগম, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, সভাপতি কুশমত আলি, সম্পাদক সফিকুল ইসলাম শিল্পি, সহ-সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

২৭ মণ ওজনের যুবরাজ: বিক্রি নিয়ে অনিশ্চয়তায় খামারি বাদল

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)প্রতিনিধিঃ চিকচিকে কালো আর নজরকাড়া বিশাল আকৃতির যুবরাজ। সম্পূর্ণ দেশিয় পদ্ধতিতে বাড়িতে লালন পালন করা যুবরাজ এখন বিক্রির জন্য প্রস্তুত। বিশালাকৃতির এ যুবরাজকে পরম মমতায় বড় করে তুলেছেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার সৌখিন খামারি বাদল খন্দকার।

যেমন নাম তার তেমনি আচরণ। অনেকটা রাজকীয় হালেই লালন-পালন করা হয়েছে এই যুবরাজকে। দিনের বেশিরভাগ সময় ফ্যানের নিচে শীতল হাওয়ায় রাখতে হয় তাকে। যুবরাজের খাওয়া-দাওয়ায়ও রুচির পরিচয় মেলে। প্রতিদিন স্বাভাবিক খাবারের সঙ্গে দিতে হয় কলা, ছোলা ও মুসুর ডাল। এটি গাইবান্ধা জেলার সবচেয়ে বড় কোরবানির পশু। প্রায় চার বছরে গরুর ওজন হয়েছে ২৭ মণ।

স্থানীয়ভাবে ২৭ মন ওজনের কালো রঙের দৃষ্টিনন্দন এই যুবরাজের দাম হাঁকা হচ্ছে ৯ লাখ টাকা। বিশালাকৃতির যুবরাজকে দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছে দূর-দূরান্তের ক্রেতারা। আর যুবরাজকে দেখতে স্থানীয় উৎসুক জনতার ভিড় তো লেগেই আছে। তবে স্থানীয়ভাবে কোনো ক্রেতাই কাঙ্খিত দাম না করায় যুবরাজকে বিক্রি করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন খামারী বাদল খন্দকার। করোনার বিপর্যয়ে স্বপ্নের যুবরাজকে বিক্রি করার সেই আশা এখন যেন হতাশায় পরিণত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, দুপুরে যুবরাজকে গোসল করানোর পর সাজিয়ে দিচ্ছেন মালিক বাদল খন্দকার। পরে তাকে খাবার হিসেবে দেয়া হচ্ছে কলা ও ভুষি। আর যুবরাজের ঘরে বৈদ্যুতিক পাখা লাগিয়ে শীতল হাওয়া দেয়া হচ্ছে। তার থাকার ঘরটি একদম পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন। একটু পরেই বেশকিছু দর্শনার্থী এলেন বিশালাকৃতির যুবরাজকে দেখতে। অনেকেই যুবরাজকে দেখে বিষ্ময় প্রকাশ করে মালিকের প্রশংসা করেন।

আকাশ নামের এক দর্শনার্থী বলেন, এতবড় বিশাল গরু আমার জীবনে দেখিনি। নজরকাড়া সৌন্দর্যের এই গরু লালন-পালনকারী মালিকের ধৈর্য আছে।
সাইফুল নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, দেশিয় পদ্ধতিতে যে এত বড় গরু লালন-পালন করা যায়, জানতাম না। আমার জীবনে প্রথম চোখে দেখা বিশাল আকৃতির গরু। গরুর মালিকের চাহিদা আর ধৈর্য অনেক বেশি।

এ ব্যাপারে যুবরাজের মালিক বাদল খন্দকার জানান, বাড়িতে পালন করা ফ্রিজিয়ান জাতের গাভী থেকে যুবরাজের জন্ম। জন্মের পর এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে সবার নজর কাড়ে যুবরাজ। যুবরাজের বয়স এখন প্রায় চার বছর। ওজনে ২৭ মণ। প্রতিদিন যুবরাজের পেছনে ব্যয় হয় সাড়ে তিনশ থেকে চারশ টাকা।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে যুবরাজকে বিক্রি করা নিয়ে চিন্তায় আছি। আশা করেছিলাম অন্তত ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করা যাবে। কিন্তু করোনাকালে কেউ কাঙ্খিত দাম বলেনি। সব হাটে যুবরাজকে নিয়ে যাওয়া কষ্টকর। একদিকে অর্থ ব্যয় হয় অন্যদিকে কেউ কাঙ্খিত দাম বলে না।

রাণীশংকৈলে জাতীয় মৎস সপ্তাহ উপলক্ষে পোনা অবমুক্তকরণ

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ “মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি করি, সুখী সমৃদ্ধি দেশ গড়ি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ২২ জুলাই বুধবার জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ (২১-২৭ জুলাই) পালন উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ পুকুরে ৩০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তকরণ করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে এ দিন দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী আফরিদা ও মৎস্য কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম পোনা অবমুক্তকরণ করে মৎস্য সপ্তাহের শুভ উদ্ধোধন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালি বেগম, মৎস্য বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তা- কর্মচারী, সাংবাদিক বৃন্দ প্রমুখ।

এ সম্পর্কে উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিবছর মৎস্য সপ্তাহ পালন করার নির্দেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের এ কার্যক্রম। তিনি আরো বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় মৎস সপ্তাহ পালন করছি। পরিস্থিতি অনুকুলে থাকলে আরও জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালন হতো।

মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যারাবিয়ান খেজুর গাছের চারা রোপন কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ ২১ জুলাই ডরমেটরী চত্বরে এ গাছের চারা রোপন করে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্পাস সৌন্দর্য বর্ধন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড. মোঃ জাকারিয়া রহমান, বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মোঃ রেজওয়ানুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মোঃ মিজানুর রহমান, প্রফেসর ড. নিলুফা আক্তার বানু, ড. মোঃ আবু হেনা মোস্তাফা জামাল, ড. মোঃ মফিজুর রহমান, ড. মোঃ রকিবুল ইসলাম, ড. সুধাংশু কুমার বিশ্বাস ও ড. মোঃ আজিজুল ইসলাম।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের অধীনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে এ অ্যারাবিয়ান খেজুরের চারা উৎপাদন করা হয়।

বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তত্বাবধানে এবং ক্যাম্পাস সৌন্দর্য বর্ধন কমিটির সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আওতায় ক্যাম্পাসে ১২০০ অ্যারাবিয়ান খেজুর গাছের চারা রোপন করা হবে।

“নাটোরের বড়াইগ্রামে গণধর্ষণ মামলায় তিন অভিযুক্ত গ্রেফতার”(ভিডিও)

মোঃ নাহিদুল ইসলাম (নাহিদ) নাটোর জেলা প্রতিনিধিঃনাটোরের বড়াইগ্রামে গণধর্ষণ মামলায়স্বপন আলী, মাহমুদ, শাহাদত হোসেন নামে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।

সোমবার দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরআটক করা হয়। মঙ্গলবার বেলা এগারোটার দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা। তিনি আরো জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেডকোয়ার্টার মীর আসাদুজ্জামান এর নেতৃত্বে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের একটি দল উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

আটককৃতদের সোমবার নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে উপস্থাপন করলে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।উল্লেখ্য গত ১৭ জুলাই সন্ধ্যে সাড়ে সাতটার দিকে ১৩ বছরের এক মেয়ে বাবার উপরে রাগ করে সবার অগোচরে তার নানার বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে জোনাইল থেকে বের হয়ে যায়। ভ্যানে করে রাত্রি সাড়ে নয়টার দিকে রয়না ফিলিং স্টেশনের পাশে পৌঁছালে ভ্যান চালক সহ অভিযুক্তরা একটি কলা বাগানে নিয়ে গিয়ে মেয়েটিকে গণধর্ষণ করে।

এই ঘটনায় ওই দিনই রাতে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে অজ্ঞাত চারজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা দায়ের করে।

জাপুরে মহাসড়কে ঢাকা- পাথরঘাটগামী নিউ সৈকত পরিবহন গাছের সাথে ধাক্কা লেগে বাসেরযাত্রী আহত,৫

সৈয়দ রুবে, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বড় কৈবর্ত্তখালী সমবায় আশ্রাফুল কওমীয়া মাদ্রাসার সামনে মহাসড়কে ঢাকা- পাথরঘাটগামী নিউ সৈকত পরিবহন গাছের সাথে ধাক্কা লেগে ৫জন বাসেরযাত্রী আহত হয়েছে। আহতদের রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে গুরুতর আহত হওয়ায় ৪ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।

আহতরা হলেন– মঠবাড়িয়া পাথরঘাটার শাহ আলম(৬৫), মামুন (৩০) তুষখালির মুহিববুল্লাহ(২৮), অলিউল্লাহ(৫০) ও ভান্ডারিয়ার আবুল হোসেন (২৫)।মামুন রাজাপুর হাসপাতালে আছে।বাকী সব বরিশালে পাঠানো হয়েছে ।

রাজাপুর থানা পুলিশ সাব ইন্সপেকটর রবিউল ইসলাম ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান- ২০/০৭/২০২০ইং তারিখ সোমবার রাতে ভান্ডারিয়া-রাজাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে চট্রগ্রাম থেকে পাথরঘাটাগামী নিউ সৈকত পরিবহন বড় কৈবর্ত্তখালী সমবায় আশ্রাফুল কওমীয়া মাদ্রাসার সামনে আসলে পরিবহন টি অন্য একটি গাড়িকে সাইড দিতে গিয়ে রাস্তার পাশে যায় এ সময় রাস্তার উপর ঝুঁকে থাকা শিশু গাছের সাথে চট্রগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা পথারগাটাগামী (ঢাকা মেট্রো -ব ১৪ ৮৬ ৩৬)পরিবহন বাসটি গাছের সাথে ধাক্কা লেগে বাসের উপরের অংশ (ছাদ) বাস থেকে আলাদা হয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ এসে স্থানীয়দের সাহায্যে বাসটির ভিতরে থাকা গুরুতর আহত ৫ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে রাজাপুর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

২১/০৭/২০২০ইং তারিখ সকালে পুলিশ দূর্ঘটনায় কবলিত বাসটি তাদের হেফাজতে রাখেন।

ঝালকাঠির করোনা প্রকট- ক্রেতা ও পর্যটক নেই ভিমরুলি ভাসমান হাটে

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ করোনায় প্রভাব ফেলেছে ভীমরুলি ও আটঘর-কুড়িয়ানার ঐতিহ্যবাহী ভাসমান বাজারেও। পাইকারদের আনাগোনা কম। নেই কোনো পর্যটক। এতে হতাশ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

ভাসমান এসব হাট-বাজার কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা পর্যটন ব্যবসায় নেমেছে ধস। তবে পেয়ারার ভরা মৌসুম শুরু হয়ে গেলে অল্প সময়ের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের মতে, কোরবানির ঈদের আগেই ঝালকাঠি জেলার ভীমরুলি ও পিরোজপুর জেলার আটঘর-কুড়িয়ানার ভাসমান বাজারে জমজমাট ভাব ফিরে আসবে। এতে দ্বিগুণ কর্মচঞ্চল হয়ে উঠবে ভাসমান বাজার ও বাজার কেন্দ্রিক আশপাশের এলাকা।

ভীমরুলি ও আটঘর-কুড়িয়ানা বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিগত সময়ের চেয়ে অনেকটাই কমে গেছে ভাসমান বাজার কেন্দ্রিক সাধারণ মানুষের আনাগোনা। বিশেষ করে ঘুরতে আসা মানুষগুলোকে ইচ্ছে করলে গুনে বের করা যায়, এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে । অথচ বর্ষার শুরুর সময় থেকেই ভ্রমণপিপাসু মানুষের উপস্থিতিতে জমজমাট থাকে ভীমরুলি ও আটঘর-কুড়িয়ানার ভাসমান বাজার। পর্যটক না থাকায় সড়কপথের যানবাহনগুলোতে যেমন চাপ নেই, তেমন খালের ঘাটে নৌকা ও ইঞ্জিন চালিত ট্রলার পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

আটঘর-কুড়িয়ানার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েক বছর ধরে ভাসমান বাজারে বেশকিছু ব্যবসার প্রসার ঘটেছে। ঘুরে বেড়ানোর জন্য নৌকা ও ইঞ্জিন চালিত ট্রলার এবং সড়কপথে যাতায়াতের জন্য বিভিন্ন পরিবহনের সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে পর্যটকদের খাওয়া-দাওয়ার জন্য দোকানের সংখ্যাও। ফলে পর্যটনখাত ঘিরে কিছু মানুষের কর্মসংস্থানও হয়েছে।

তবে করোনার সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে গোটা দেশে অঘোষিত লকডাউন দেওয়া হলে সে সময়ে পর্যটকের আনাগোনা বন্ধ ছিল। লকডাউন শেষে এখন যারা আসছেন তাদের সংখ্যাও খুবই কম। যদিও পেয়ারার ভরা মৌসুম শুরু হয়ে গেলে এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে বলে মনে করেন ভীমরুলি এলাকার বাসিন্দারা।

অপরদিকে বর্তমানে ভাসমান এ বাজার দু’টিতে মৌসুমের শেষ ও শুরুর ফসল আসতে দেখা গেছে। চাষিরা ক্ষেত থেকে সরাসরি ছোট ছোট ডিংগি নৌকায় করে ফসল নিয়ে আসছেন এই সকল অঞ্চলের ভাসমান হাটে।

বর্তমানে থাকা সবজি ও ফলের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কাঁচা কলা ও মরিচ, কচু, লেবু, কাঁকরোল, পেঁপে, মিষ্টিকুমড়া, কাঁঠাল ও ডাবের আমদানি বেশি। একই সঙ্গে বাজারে পেয়ারার আমদানিও ঘটতে শুরু করেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাজার পেয়ারায় জয়লাব হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন চাষিরা।

অন্য একজন চাষি জানান, আটঘর-কুড়িয়ানা ও ভীমরুলির ভাসমান হাট-বাজারে পেয়ারার আমদানি দিন দিন বাড়ছে। মৌসুমের শেষ দিকের ফল হিসেবে কাঁঠাল এখনো রয়েছে। তবে দাম অনেকটাই কমে গেছে। একটি মাঝারি আকারের কাঁঠাল চাষিদের কাছ থেকে ২০-৪০ টাকার মধ্যে কিনছেন পাইকাররা। লেবু, কাঁচা কলা, বোম্বাই মরিচের দামও আগের চেয়ে কম।

কারণ হিসেবে দূর-দূরান্তের পাইকার বাজারে না থাকাকে দায়ী করছেন চাষিরা। ধীরেন নামে এক চাষী বলেন, স্থানীয় ও আশপাশের জেলার পাইকাররা বর্তমানে আটঘর-কুড়িয়ানা ও ভীমরুলির ভাসমান বাজারে পণ্য কিনতে আসছেন। করোনার সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে দূর-দূরান্তের পাইকার তেমন একটা আসেন না। ফলে চাষিরা ফসলের দাম পাচ্ছে না।

সুজন নামে অপর এক চাষি বলেন, অনেকটাই সিন্ডিকেটের মতো সবজির বাজার চলছে, সব পাইকাররাই প্রায় কাছাকাছি দাম বলছে। এক্ষেত্রে চাষি উৎপাদিত ফসল বিক্রি না করেও পারছে না।

যদিও স্থানীয় পাইকাররা বলছেন, করোনার কারণে পরিবহন খরচ বাড়লেও বর্তমানে খুচরো বাজারে সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। যে কারণে হিসাব কষে কিনতে হচ্ছে পণ্য। সব শঙ্কার মধ্যেই করোনাকালেও ভাসমান এসব বাজারে ডিঙি নৌকা, মাছ শিকারের চাঁই এর বিক্রি স্বাভাবিক রয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

এদিকে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন চাষিদের পণ্য বিক্রির প্রসার ও পাইকার ক্রেতা সংকট নিরসনে অনলাইনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। বিশেষ করে সিজনে অনলাইনে পেয়ারা বিক্রির উদ্যেগ নিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেট...