18 C
Dhaka, BD
সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬

সাভারের হেমায়েতপুরে জিসান নামের (১৮) এক রং মিস্ত্রির লাশ উদ্ধার ।

জাহিদুল ইসলাম অনিক, নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ সাভারে জিসান নামের (১৮) এক রং মিস্ত্রির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে সাভারের হেমায়েতপুরের হিলিং এইড হাসপাতাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকালে হেমায়েতপুরের বাগবাড়ি এলাকায় একটি ওয়াকসপে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় জিসান নামের ওই রং মিস্ত্রিকে উদ্ধার চিকিৎসার জন্য হেমায়েতপুরের হিলিং এইড হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

পরে খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করে।

এবিষয়ে সাভার মডেল থানার এস আই (উপ-পরিদর্শক) সুজন শিকদার বলেন, ময়না তদন্তের পর জানাযাবে এটা হত্যা না অন্য কিছু আমরা বিষয়টি গভির ভাবে তদন্ত করে দেখছি।

প্রশাসনিক কর্তাদের চোখে ইবি উপাচার্য ড. রাশীদ আসকারী।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ১২তম উপাচার্য হিসেবে আগামী ২০ আগস্ট মেয়াদপূর্ণ করতে যাচ্ছেন অধ্যাপক ড. মোঃ হারুন উর রশিদ আসকারী। এর আগে কেউ মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেন নাই।

এই দীর্ঘ চার বছরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, প্রশাসনিক, অবকাঠামোগত, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় কেমন অবদান রেখেছেন, কেমন নৈপুণ্য দেখিয়েছেন। উপাচার্য হিসেবে কেমন পারদর্শী ছিলেন এসব বিষয়ে প্রশাসনিক কর্তাদের মতামত তুলে ধরেছেন মাহমুদুল হাসান কবীর।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন, খুবই চমৎকারভাবে উপাচার্য ড. মোঃ হারুন উর রশিদ আসকারী, কোষাধ্যক্ষ ড. সেলিম তোহা এবং সেই টিমে আমি খুবই সুন্দরভাবে, সুস্থভাবে কাজ করতে পেরেছি। বর্তমান প্রশাসন যা প্রত্যাশা ছিল তার থেকে বেশি উপহার দিয়েছে। উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ এর কাজের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা এতই ভালো ছিল যার তুলনা হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের যে উন্নতি হয়েছে এটাই আমার প্রত্যাশা। আমি মনে করি এত স্বচ্ছ, সুন্দরভাবে কাজের পরিবেশ খুবই কম হয়েছে। এই প্রশাসন নতুন করে আসলে আরো ভালো হবে।

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা বলেন, উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য সব সময় আমাকে সহযোগিতা করে আসছেন। ওনারা নির্ভীকভাবে, নিবেদিতভাবে স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য স্বপ্ন দেখেছেন, পরিপূর্ণ সময় দিয়েছেন। আমাদের তিনজনের সমন্বয় হয়েছে বিধায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আমূল পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ বলেন, আমার দৃষ্টিতে আসকারী স্যার অত্যন্ত সৎ মানুষ। তিনি শুধুমাত্র আইসিটি সেলে ৩জন অফিসার নিয়োগ দিয়েছেন এছাড়া একজনও কর্মকর্তা নিয়োগ দেন নাই। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে তার আমলেই ক্রাইটেরিয়ার মান বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগে শুধু ভাইভার মাধ্যমে হতো এখন লিখিত পরীক্ষা হয়। বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি করেছেন এবং ৩৭ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শাস্তি দিয়েছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি জিরো টলারেন্স নীতিতে ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক বিষয়ে যেমন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা থেকে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা সকল বিষয়ে তিনি হস্তক্ষেপ করেছেন। সার্বিক বিষয়ে গত প্রশাসন ও তার আগের প্রশাসন থেকে বর্তমান প্রশাসনের অগ্রগতি ভালো হয়েছে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকা উচিত বলে আমি মনে করি।

প্রক্টর অধ্যাপক ড.পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার দেখা একজন ইতিবাচক মানুষ ড. রাশিদ আসকারী। তিনি সহজে বিচলিত হন না। জটিল কোন কাজ বাস্তবায়নে যখন আমরা দ্বিধাগ্রস্ত থাকি সেক্ষেত্রে তিনি প্রথমে নিজে করে অন্যদের উৎসাহিত করেন। যেমন তিনি ভিসি হওয়ার পর যখন অফিস সময় বৃদ্ধি করলেন, অনেকের বিকালে ক্লাস নিতে দ্বিধা বা জড়তা ছিল। তিনি তার সমস্ত ক্লাসগুলো বিকালে নিতেন। আমার দেখা মতে তিনি কঠোর প্ররিশ্রমী একজন দর্শক, শ্রোতা, পাঠক, গবেষক, বিশ্লেষক, মননশীল রূপকারী এবং বক্তা। অর্থাৎ উন্নত নেতৃত্ব প্রদানের যোগ্যতাসমূহ তার মধ্যে বিদ্যমান।

ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.সাইদুর রহমান বলেন, এ যাবতকালে নিকট অতীতে আমরা যে প্রশাসন দেখেছি বর্তমান ভিসির মেয়াদকালে প্রকৃত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। সে উন্নয়ন শুধু ভৌত অবকাঠামোগত নয় এ উন্নয়ন একাডেমিক, প্রশাসনিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিগত। বর্তমান উপাচার্য আসার পর আঞ্চলিকতার যে তকমা ছিল তা খসিয়ে ফেলে জাতীয় লেভেল ছাড়িয়েও আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে, ভাবমূর্তি অনেক উজ্জ্বল করেছে। একাডেমিক ক্ষেত্রে সেশন জ্যাম দূরীকরণ, সেমিস্টার পদ্ধতি প্রণয়ন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা, দুর্নীতিকে প্রশ্রয় না দেওয়া। সার্বিকভাবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভুত উন্নতি সাধন করেছেন। মোদ্দা কথা ইতিবাচক ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন এটিই ওনার বড় অবদান।

পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলাম বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক উনি উপাচার্য সুতরাং ওনার অনেক কিছুই আমার না জানা থাকবে৷ আমি পরিবহন প্রশাসক হিসেবে ওনার সাথে কাজ করতে হচ্ছে সে হিসেবে গত চার বছর ভালোই চলছে, পড়াশোনার পরিবেশ ভালো ছিলো। বিশ্ববিদ্যালয় কখনও অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে বন্ধ হয়নি। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ বছরের অভিজ্ঞতায় বিগত চার বছরে বিশ্ববিদ্যালয় বেশ খানিকটা এগিয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্যও অনেক বর্ধণ করেছেন। আমি গত ২০১০ সালেও একবার পরিবহন প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলাম কিন্তু তখন ছাত্রছাত্রীদের যেমন পরিবহনে ভোগান্তি ছিলো আমি ২০১৮ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর ছাত্র ছাত্রীদের এতো সমস্যা আমি দেখিনি। গত চার বছরে পরিবহন পুলে ১৫ টি বাস সংযুক্ত হওয়ায় পরিবহন ভোগান্তি অনেকাংশে কমেছে। গত চার বছরে একজন শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্য হিসেবে আমরা খুব যে খারাপ ছিলাম সেটা আমার মনে হয়না আমরা ভালোই ছিলাম।

ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট এফেয়ার সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসেন আজাদ বলেন, আন্তর্জাতিকীকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা কিভাবে আসবে ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কিভাবে বিদেশ যাবে, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ইবি কিভাবে জোরালোভাবে সম্পৃক্ত হতে পারে এক্ষেত্রে উপাচার্য ড. রাশিদ আসকারী কাজ করেছেন যা ইতিপূর্বে কেউ করেন নাই। এক্ষেত্রে তিনি টপ প্রায়োরিটি দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রায়োরিটি দিয়েছেন যার কারনে অল্প দিনে আমরা সফলতা পেয়েছি। আমার দৃষ্টিতে প্রশাসক হিসেবে তিনি খুবই তড়িৎকর্মা ও ডায়নামিক।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান খান টুটুল বলেন, নিঃসন্দেহে উপাচার্য ড. রাশিদ আসকারী একজন স্বপ্নদ্রষ্টা, সৎ, সৃষ্টিশীল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো নিয়ে চিন্তা করার জন্য অদ্বিতীয় মানুষ। তিনি দায়িত্বে আসার পর আইএমিডির রিপোর্ট অনুযায়ী শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করছে। ই টেন্ডার বাস্তবায়ন শুরু করেছি সাড়ে তিন বছর আগে থেকেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে গুণগত মান নিশ্চিত ও সততার উপর অবিচল ছিলেন। টেন্ডার সংক্রান্ত বিষয়ে আমার উপর চাপ আসলে তিনি শক্ত হাতে দমন করার পদক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি উন্নয়ন কাজে কখনো অন্যায় প্রশ্রয় দেন নাই। ওনার সবসময় নির্দেশনা ছিল ক্যাম্পাসের অবকাঠামো উন্নয়ন করার পাশাপাশি সৌন্দর্যবর্ধন করা।

ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিক আতাউর রহমান বলেন, উপাচার্য রাশিদ আসকারীর সাথে আমার কাজের খুব একটা সংশ্লিষ্টতা ছিলো না। ওনার সময়ে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিত মুক্তিযুদ্ধ কর্নার, বঙ্গবন্ধু কর্নার হয়েছে, অটোমেশন হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো চেয়েছেন, ভালে কাজের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছেন। লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য যখন যেটা চেয়েছি উনি করার চেষ্টা করেছেন। এছাড়া ব্যাক্তিগত ভাবে উনি খুব ভালো মানুষ।

ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ কে আজাদ লাভলু বলেন, উপাচার্য স্যারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পনেরো বছর পর সমাবর্তন হয়েছে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল একটা অর্জন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইলফলক। তিনি দায়িত্বে আসার পর সেশন জট, অফিস টাইম পরিবর্তন এছাড়া পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসেও অনেক প্রযুক্তি সংযুক্ত করেছেন। মূল সার্টিফিকেট কম্পিউটারাইজড করেছেন। এছাড়া আগে ২৫ টি বিভাগ ছিলো তিনি আরও ৯ টি বিভাগ সংযুক্ত করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন অনলাইনে রেজাল্ট সহ অটোমেশনের কাজ চলছে। আমার মনে হয় স্যার বিগত চার বছর তার দায়িত্ব ভালোই পালন করেছেন।

চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, উপাচার্য ড. রাশিদ আসকারীর মেয়াদে চিকিৎসা কেন্দ্রের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এই চার বছর তিনি সার্বিক দিক দিয়ে দক্ষতার সাথে পরিচালনা করেছেন। একজন প্রশাসক হিসেবে সব বিষয়ে তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। আমি ওনার সাথে কাজ করে আর্থিক, মৌখিক সহযোগিতা পেয়েছি। মেডিকেল ৩য় তলায় বর্ধিত হচ্ছে। গুড, বেটার, বেস্ট, এর মধ্যে ওনাকে আমার বেস্ট মনে হয়েছে।
শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মোঃ সোহেল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলাধুলায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে উপাচার্যের অবদান অনেক যা আগের কোনো উপাচার্য থেকে পাইনি। আমি যতগুলো উপাচার্য দেখেছি তারমধ্য তিনি সুন্দর, সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে তিনি একজন সৎ মানুষ।

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ডাকাত দলের পস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ জন গেপ্তার

এ আর আহমেদ হোসাইন,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি : কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ডাকাত দলের পস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ জনকে গেপ্তার করেন বুড়িচং থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে বুধবার গভীর রাতে। ১৬ – ০৭ – ২০২০ ইং তারিখ বৃহস্পতিবারে পৃথক দুটি মামলা রুজু করিয়া গেপ্তারকৃতদের কুমিল্লা জেলা হাজতে প্রেরন করা হয়।

পুলিশি সৃত্রে জানা যায়, অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোজাম্মেল হক’র নেতৃত্বে এস আই নন্দন চন্দ্র সরকার, এসআই মোঃ মিন্নত আলী, এএসআই মোঃ মহসীন আলম, এএসআই মোঃ মেসবাহ আলম, এএসআই মোঃ ওয়াহিদ উল্লাহসহ তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বুড়িচং থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক উদ্ধার, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও রাত্রিকালীন টহল অভিযানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ০৪নং ষোলনল ইউনিয়নের মহিষমারা সাকিনস্থ ফাইভ স্টার ফিস ফিট ফ্যাক্টরী হইতে পঞ্চাশ(৫০) গজ দক্ষিনে কুমিল্লা টু বিপাড়া পাকা রাস্তার পার্শ্ব হইতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃ জেলা ডাকাতদলের সদস্যদের কে গেপ্তার করা হয়।

গেপ্তারকৃত ডাকাত দলের সদস্য হলেন-(১) মোঃ বাবুল হোসেন(৪৪), পিতা-মৃত আরব আলী, মাতা-অফুলা খাতুন, গ্রামঃ এতাবারপুর(ওয়ারিশ বাড়ি),থানা- চান্দিনা, কুমিল্লা,
(২) মোঃ বিল্লাল হোসেন (৩০), পিতা- জয়নাল আবেদীন প্রধানীয়া, মাতা-রেহেনা আক্তার, গ্রামঃ ডুব্বী (প্রধানীয় মসজিদ বাড়ী),
থানা- মতলব উত্তর, চাঁদপুর,
(৩) মোঃ রবিউল আউয়াল জিসান (২৫), পিতা- জয়নাল আবেদীন, মাতা- ছালেহা বেগম, গ্রাম- মহিদপুর (মোল্লা বাড়ী), থানা- বরুড়া, কুমিল্লা, (৪)মোঃ নুরু মিয়া (৬০), পিতাঃ মৃত- রেজু মিয়া, মাতা- সুফিয়া বেগম, গ্রাম- শিকারপুর(ষোলনল ইউপি), থানা- বুড়িচং, জেলা- কুমিল্লা।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ০১ টি দেশীয় লোহার পাইপগান, ০৪ রাউন্ড কার্তুজ, ০১ টি লম্বা কিরিছ, ০১টি লোহার তৈরি দা, ০১টি লোহার দা, ০১টি স্টীলের চাপাতি, ০১টি এসএস স্টীলের পাইপ, ০১ টি লোহার পাইপ, ০১টি লোহার রড সহ গ্রেফতার করেন।
থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোজাম্মেল হক(পিপিএম)বলেন- গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বুড়িচং থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুইটি মামলা রুজু করিয়া জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।

এক মাসে আট নারীকে যৌন হয়রানি, গ্রেফতার সিরিয়াল ধর্ষক

ডেস্ক নিউজ ঃ জার্মানির বার্লিন ও পার্শ্ববর্তী ব্রান্ডেনবার্গ এলাকায় জঙ্গল দেখলেই ধর্ষণের সুযোগ খুঁজতেন এক ব্যক্তি। গেল এক মাসেই তিনি অন্তত আট নারীকে ধর্ষণ কিংবা ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন। তার লালসার শিকার তিন নারী গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন।

অভিযোগ পাওয়ার পর গেল সোমবার চিহ্নিত করে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে ২৯ বছরের ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে ডয়চে ভেলে। তবে তার পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ।

বার্লিন পুলিশের মুখপাত্র সংবাদকর্মীদের জানান, গেল এক মাসে আটজন নারী তার লালসার শিকার হয়েছে। তারা আটক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেছেন। গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যরা প্রথম অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই তদন্ত শুরু করেছিল। অবশেষে তাকে আটক করা গেছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর জমিদার বাড়ি সংস্কারের দাবিতে মানববন্

ঠাকুরগাঁও,প্রতিনিধিঃঠাকুরগাঁও জেলা থেকে ৭০ কিলোমিটর পশ্চিমে হরিপুর উপজেলায় গতকাল বুধুবার সকালে উপজেলা পরিষদ গেটে শতবছরেরপুরাতন ও ঐতিহ্যবাহী হরিপুর জমিদার বাড়ি স¤প্রতি বৃষ্টির পানিতে একাংশ ধসেপড়ে।

এরই দাবিতে রাজ বাড়িটি সংস্কার ও সংরক্ষণের জন্য উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী ও জনসাধারণ এক মানববন্ধনকরেন।

মানববন্ধনে অংশ নেন শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহআলমামুন, তানজিরুলইসলাম, রাকিব হাসান রিয়াদ, সালমান খান ফারসি, আসিফ ইকবাল আকাশ, মুরাদ হোসেন, মাহিম সরকার, উজ্জল হাসান রাজবির, মাসুদ রানা, শাইফমুনতাসির, মহিদুর সরকার বাপ্পি, লিয়াকত আলী বাপ্পি, সাকিব হাসান রিয়াল, আরিফ হোসেন, রকি ইনসান, শাহরিয়ার আহম্মেদ সিগ্ধ, নাবিদ হাসানরানা, ফারহান তানভীর, আসিফুল হোসেনআসিফ, প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, এ রাজ বাড়িটি ঠাকুরগাঁও জেলার মধ্যে অন্যতম একটি ঐতিহ্য বাহী প্রাচীন স্থাপনা। যা জেলায় পুরাতন স্থাপত্যের স্বাক্ষর বহন করে আসছে অদ্যবদি ।

কিন্তু এ রাজ বাড়ীটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না করার কারণে ও স¤প্রতিটানা বর্ষণে রাজ বাড়িটির একাংশ ধসেপড়তে শুরু করেছে। এখনই মেরামত করানা হলে জেলার ঐতিহ্য রক্ষাকরা সম্ভব হবে ।

তাই রাজ বাড়িটির ক্ষায় প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন বক্তারা ।এছাড়াও হরিপুর উপজেলার প্রাচীর এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের নিদর্শন কে বাঁচিয়ে রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশুদৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় সুধিসমাজ।

কুমিল্লায় নতুুন করে আক্রান্ত ৮৩, করোনায় মৃত্যু আবারও ১ জন

এ আর আহমেদ হোসাইন ,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি : কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত তথ্য মতোবেক বুধবার বিকালে জানা যায় জেলায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ৮৩ জন এবং মৃত্যু বরন করেন -১ জন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেন- ৫৮ জন।

ওই দিকে নতুন আক্রান্তের মধ্যে সিটি করপোরেশন- ২৬, লাকসাম-২ চৌদ্দগ্রাম- ১ দেবীদ্বার- ১, হোমনা-৮, বরুড়া- ৬, মনোহরগঞ্জ- ২,তিতাস-১০, দাউদকান্দি-৬, সদর দক্ষিণ- ৭, নাঙ্গলকোট ১৪ জন।

জেলা ৫৮ জন নতুন সুস্থদের মাঝে লাকসাম- ১৪, সদর দক্ষিণ- ২,তিতাস- ২, চান্দিনা- ৮, হোমনা- ১৬, মনোহরগঞ্জ- ১০, বরুড়া- ৬ জন।
লাকসাম উপজেলায় নতুন করে ১ জন মৃত্যু বরনের মধ্যে দিয়ে জেলায় মোট মৃত্যু বরন করেন- ১২৪ জন। জেলায় মোট পজিটিভ- ৪৬৯৮ জন, করোনা যোদ্ধে মোট জয় লাভ করেন- ২৬৫১ জন।

ওই দিকে জেলায় মোট নমুনা প্রেরন করা হয় ২২৫২৬ টি এবং মোট রিপোর্ট পাপ্তি- ২২২৯৮৮টি।

সুন্দরগঞ্জে জেলা প্রশাসকের ত্রাণ বিতরণ

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি ঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের বেলকায় বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল মতিন।

উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ১০ টার দিকে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল মতিন উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের দুইটি আশ্রয় কেন্দ্রে এ ত্রাণ বিতরণ করেন। ত্রাণের প্রতি প্যাকেটে ছিল ১০ কেজি চাল, দুই কেজি চিড়া, নুডলস ৫০০ গ্রাম, তেল এক লিটার, মসুর ডাল, চিনি, লবন এক কেজি করে ।

এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম সরকার, জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা একেএম ইদ্রিস আলী, সহকারী কমিশনার(ভূমি) শাকিল আহমেদ,বেলকা ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্যাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রাণীশকৈলে কৃষক মাঠ দিবস ও সভা অনুষ্ঠিত

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল,( ঠাকুরগাঁও) সংবাদদাতা।। ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ১৪ জুলাই মঙ্গলবার উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে কৃষক উদ্বুদ্ধকরণে এক কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষ্যে এদিন বিকালে বাচোর মাধবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নত মানের ধান,গম ও পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় রাজোর ব্লকের ৫০ জন কৃষককে নিয়ে বারিগম ফসল-৩০ভিত্তিক কৃষক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার সঞ্জয় দেবনাথের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ পরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ঠাকুরগাঁও- আলতাব হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মনিটরিং অফিসার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুর অঞ্চল, রংপুর- রেজাউল করিম, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কমল কৃষ্ণ রায় প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারি কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার এনামুল হক।

হাসপাতাল ও ঔষধের বকেয়া টাকা দিয়ে বাড়ি ফিরতে চায় গ্রেংরিন রোগে আক্রান্ত মোঃ মোতলেবের

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলীতে পঁচনরোগ গেংরিনে আক্রান্ত মোঃ মতলেব হাং চিকিৎসায় সরকার, প্রবাসী ও সমাজের ভিত্তবানদের নিকট সাহায্যের আবেদন করেছে তার পরিবার।

জানা গেছে, উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের, অংকুজান পাড়া গ্রামের আমজেদ হাওলাদর ছেলে মোঃ মতলেব হাং (৪২), দীর্ঘ ২৫ বছর জেলে হিসেবে অন্যর ট্রলারে শ্রম দিয়ে জিবিকা নির্বাহ করতেন । গত ৬ মাস আগে তিনি গ্রেংরিন রোগে আক্রান্ত হন।

পরিবারটির তিনিই একমাত্র অপর্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। গত ৭ মাস আগে তার পায়ে কাঁটা বিঁধে সে থেকে পায়ে পঁচন ধরে। একপর্যায়ে তার আত্ম চিৎকার ও পায়ের পঁচনে দূরগন্ধের কারনে ।

গত ১০ জুন রাতে খুলনার সোনাখালী বাস বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলথ কেয়ার হসপিটালের পরিক্ষা-নিরিক্ষার পর চ.ঠ.উ .খড়ঢ়বৎধঃবফ গ্রেংরিন রোগে আক্রান্ত বিষটি নিশ্চিত করেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করার পরমর্শ দেন চিকিৎসক । নয়তো যতদিন যাবে তার শরিরের অংশ পঁচনে ক্ষতি গ্রস্ত হবে । মোতলেবকে বাঁচাতে তার পা কেটে ফেলা হয়। কোন সয় সম্পত্তি না থাকায়। হাসপাতালের বিল ও ঔষধের টাকা বকেয়া থাকে। প্রতিদিন বাড়ছে হাসপাতালের বেড ভাড়া। এমত অবস্থায় কোন টাকা পয়সা জোগাড় করতে না পেরে। হাসপাতাল থেকে নিজ বাড়িতে আসতে পারছেনা তারা।

বর্তমানে মোতালেব ঐ হাসপাতালের তৃতীয় তলার ১৪ নং বেডে রয়েছে। মোতালেবের পরিবার জানিয়েছে হাসপাতাল ও ঔষধের দোকানে ৯০ হাজার টাকার মত পাওনা রয়েছে । তাই সরকার, প্রবাসী ও সমাজের ভিত্তবানদের নিকট সাহায্যের আবেদন করেছে তার পরিবার। তাকে সাহায্য পাঠাবেন মোঃ মোস্তফা হাওলাদার ( মোতালেবের কাকা ) বিকাশ পারসোনাল ০১৭৩২২৮৬৪৩২ ।

সুন্দরগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্রাবাস ভাঙচুরের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে!

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে একটি নুরানী মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রাবাস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে।

উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের লাটশালা চর নুরানী তালিমুল কোরআন হিফজুল মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রাবাস ভাংচুরেরএ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সামছুল হক তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য ও ওই গ্রামের মৃত সেকেন্দার বাদশার ছেলে।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, প্রায় ৭ বছর আগে ২ একর ২৭ শতাংশ জমি স্থানীয় সুলতান, তফাজ্জল গং দের কাছে ক্রয় করেন আতিকুর রহমান। এরপর সেই জমিতে মাটি ভরাট করে একটি নুরানী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জমির মালিকানা দাবি করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য সামছুল হক। করোনা ভাইরাসের কারণে মাদ্রাসা ও ছাত্রাবাসটি বন্ধ থাকার সুযোগে মাদ্রাসার জায়গাটি দখলের চেষ্টা করেন। এরই একপর্যায়ে গত ৩০ জুন সকালে ইউপি সদস্যের নির্দেশে ১০/১২ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী সেখানে হামলা চালায়। এসময় তারা মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রাবাসটিতে তার লোকজন দিয়ে ব্যাপক লুটপাট করেন। এছাড়াও ওই ইউপি সদস্যের লোকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের থাকার ঘর ভাংচুর করে মাটিতে ফেলে দেয়। শিক্ষার্থীদের আসবাবপত্র, চেয়ার-টেবিল ভেঙে তছনছ করে দেয়। এতে মাদ্রাসাটির প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও ঘটনার বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেন তারা।

বিষয়টি স্বীকার করে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সামছুল হক জানান, আমি ক্রয়সুত্রে জমির মালিক। তাই আমি স্থাপনা উচ্ছেদ করে জমিটি দখল করেছি।

মাদ্রাসার পরিচালক আতিকুর রহমান বলেন, প্রায় ৭ বছর আগে মূল মালিকের কাছে জমিটি ক্রয় করি। এরপর সেখানে একটি নুরানী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। কিন্তু ভুয়া কাগজের বলে সেখানে ভাংচুর চালিয়ে জায়গা দখলের চেষ্টা করেন ইউপি সদস্য। এতে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়।

এব্যাপারে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহিল জামান জানান, এঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেট...