18 C
Dhaka, BD
সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬

পৃথক ঘটনায় সাভার ও আশুলিয়া থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ আটক ১ (ভিডিও)

বিপ্লব,সাভার ঃ পৃথক ঘটনায় সাভার ও আশুলিয়া থেকে তিন জনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সকালে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল,আশুলিয়ার নরসিংহপুর ও শিকদারবাগ এলাকা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায় রাতে সাভারের তেঁতুলঝোড়া এলাকার স্কাইবার গার্মেন্টস এর ভিতরে গার্মেন্টস শ্রমিক সোহাগ (৩০) দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয় পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হলে সকালে তিনি মারা যান। অন্যদিকে আশুলিয়ার নরসিহপুর এলাকা থেকে অজ্ঞাত (৩০) এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া আশুলিয়ার শিকদারবাগ এলাকায় রেবেকা নামের (২৮) এক নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে তার স্বামী।

পরে পুলিশ আজ সকালে তার স্বামী মোস্তাফিজার রহমানকে আটক করেছে পুলিশ।
পরে পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করে।

লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশিচত করেছেন সংশ্রিষ্ট থানা পুলিশ।

আশুলিয়ায় পুকুর থেকে নারীর মৃতদেহ উদ্ধার

সাভার প্রতিনিধি ঃ সাভারের আশুলিয়ায় একটি পুকুর থেকে নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছেন পুলিশ। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রোববার বিকালে আশুলিয়ার শিকদারবাগ হাবুডাঙ্গা হ্যাচারীর মোড় এলাকার একটি পুকুরে থেকে এই মৃতদেহটি উদ্ধার করেন পুলিশ।

নিহত রেবেকা বেগম (২৮) মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানার মুন্সিকান্দি গ্রামের নবু শেখের মেয়ে। সে আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতো। রংপুর জেলায় তার স্বামী মফিজুলের গ্রামের বাড়ি। তাদের মুন্নী আক্তার নামে ১২ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে।

নিহতের মেয়ে মুন্নী আক্তার জানায়, তার বাবা মফিজুল ফেরি করে বিভিন্ন এলাকায় লুঙ্গি বিক্রি করতো। সে ঢাকার মিরপুরে থাকতো। এখানে তেমন একটা আসতো না। এক সপ্তাহ আগে রেবেকা মিরপুর থেকে মফিজুলকে ওই এলাকার হ্যাচারীর মোড়ে ডেকে আনে। এসময় তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এরপরে তার স্বামী মফিজুল আবার চলে যায়। শনিবার রাত ৯ টার দিকে রেবেকা আবার তার স্বামীর সঙ্গে দেখার করার কথা বলে বের হয়ে আর ফিরে আসে নি।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার এসআই(উপ-পরিদর্শক) মোঃ এমদাদ হোসেন জানান, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে ধলপুর এলাকার একটি পুকুর থেকে রেবেকা আক্তার নামে এক নারী ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে জানাযাবে এটি হত্যা না অন্য কিছু। এই ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছে।

অন্যদিকে সাভারের বনপুকুর এলাকা থেকে আলেয়া আক্তার নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে ।

ধামরাইয়ে অভাবের তাড়নায় এক নবজাতককে ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন তার মা

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ঢাকার ধামরাইয়ে অভাবের তাড়নায় এক নবজাতককে বিক্রি করে দিয়েছেন তার মা। এঘটনায় এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ধামরাই উপজেলার বাটারখোলা গ্রামে। এদিকে নবজাতককে বিক্রির বিষয়টি শুনে তাকে উদ্ধারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে ধামরাই থানা পুলিশ।

এলাকাবাসী জানায় স্বামী, দুই সন্তান ও মা-বাবাকে নিয়ে ঢাকার ধামরাইয়ের সূতিপাড়া ইউনিয়নের বাটারখোলা গুচ্ছ গ্রামে থাকতেন নাজমা বেগম (২৮) এক গৃহবধু। গুচ্ছ গ্রামে বাস করলেও তাঁদের নামে সরকার থেকে কোনো ঘর বরাদ্দ ছিল না। দুই মাস আগে নাজমার স্বামী বাবুল হোসেন মারা যান। চার দিন আগে মারা যান তাঁর মা। সাত মাস আগে মারা গিয়েছিলেন বাবা আক্কাস আলী।

নিত্য অভাব আর প্রিয়জনদের হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েন নাজমা। স্বামী মারা যাওয়ার সময় নাজমা সাত মাসের অন্তঃসত্ত¡া ছিলেন। অবুঝ দুই সন্তানের জন্য কিছুই রেখে যাননি স্বামী। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার নাজমার প্রসব বেদনা ওঠে। স্থানীয় ইউপি মহিলা সদস্য আছিয়া বেগমের সহযোগিতায় তাঁকে ভর্তি করা হয় ধামরাইয়ের ডাউটিয়া রাবেয়া মেমোরিয়াল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ওই দিন অস্ত্রোপচারের (সিজার) মাধ্যমে এক ছেলে সন্তান জন্ম দেন তিনি। এই নবজাতককে নিয়েই তিনি পড়ে যান বিপাকে। পরে অভাবের তাড়নায় গত শুক্রবার সেই নবজাতককে বিক্রি করে দেন মাত্র ৬০ হাজার টাকায়। হাসপাতালের ১০ হাজার ৫০০ টাকা বিল পরিশোধ করে শুক্রবার সন্ধ্যায় নাজমা হাসপাতাল থেকে চলে যান সেই গুচ্ছ গ্রামে।

নাজমা বেগম বলেন, পৃথিবীর কোনো মা তাঁর সন্তান ব্যাচপার চায় না। আমিও চাই ন্যাই। কিন্তু আমিতো অসহায়। আমার একটি মেয়ে (৮) ও একটি (৫) আছে। ওগোই কী খাওয়ামু। আমার থাকারই ঘর নাই। অন্যজনের দয়ায় আমাগো থাকপার দিছে। চিন্তাই থাকি কোন সময় খ্যাদিয়ে দেয়।’ স্থানীয় ইউপি মহিলা সদস্য আছিয়া বেগম বলেন, নিরুপায় হয়ে সন্তান বিক্রি করেছেন নাজমা।

এবিষয়ে ধামরাইয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল হক বলেন, সন্তান বিক্রি আইনবিরোধী। এটা অত্যন্ত অমানবিক ও দুঃখজনক ঘটনা। তবে তাঁকে পুনর্বাসন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন বিক্রি করা নবজাতককে উদ্ধারে ধামরাইর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ ।

রাণীশংকৈলে বিষ খেয়ে একব্যাক্তির আত্মহত্যা

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল ( ঠাকুরগাও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় কাউন্সিল বাজারে নিজ বাড়িতে গত ২৭ জুন শনিবার গভীর রাতে ইঁদুর মারার বিষাক্ত ট্যাবলেট খেয়ে এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে।

মৃতের নাম মামুন গাজী( ৬০)।তিনি একজন হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ি ছিলেন। খবর পেয়ে পরদিন ২৮ জুন রবিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং লাশ হেফাজতে নেয়। আত্মহত্যার কারন জানা যায়নি।

রানীশংকৈল থানার এস আই খাজিমউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মৃতের আত্মীয়স্বজন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ এডিএম স্যারের কাছে লাশের ময়না তদন্ত না করার জন্য আবেদন করেছেন। অনুমতি পেলে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

আশুলিয়ার কুড়গাও এলাকায় ২ শিশু সন্তানের জননীর পরকিয়ায় বাধা হওয়ায় স্বামীকে ক্যাডার বাহিনী দিয়ে হুমকি

নজরুল ইসলাম মানিক,আশুলিয়া ঃ আশুলিয়ার কুড়গাও এলাকায় ২ শিশু সন্তানের জননীর পরকিয়ায় বাধা হওয়ায় স্বামীকে স্থানীয় কয়েকজন স্বার্থলোভী মাদবর ও ক্যাডার দিয়ে প্রভাবিত করে ঘর আর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়কে বাধ্য করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় দুটি মেয়ে শিশু সন্তান পৃত্রিহারা হয়ে ভবিষ্যত অনুজ্জলের দিকে ধাবিত হচ্ছে।

স্থানীয় ও পরিবার সুত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ৮ বছর পুর্বে সামাজিক ভাবে পটুয়াখালি জেলা খানা নুরাইনপুর সাপলাকান্দি গ্রামের আব্দুল সাত্তারের ছেলে মো: ইদ্রিস আলির সাথে একই থানা এলাকার পটুয়াখালি জেলা খানা নুরাইনপুর সাপলাকান্দি গ্রামের আব্দুল সাত্তারের ছেলে মো: ইদ্রিস আলির সাথে একই থানা এলাকার জান্নাতুল ফেরদাউস উর্মির বিবাহ হয়। বিবাহের ৫/৬ বছর ভালো ভাবে সংসার চলার পর স্বামীর বড় ভাই শাহজাহানের সাথে শুরু হয় পরকিয়া সম্পর্ক। ধীরে ধীরে তাদের অসামাজিক কার্জকলাপে পরিনত হয় ।

একপর্যায়ে তাদের পরকিয়া আর অসামাজিক কার্যকলাপের ঘটনা প্রমানিত হলে পারিবারিক ও সামাজিক ভাবে বিচার শালিসে ভবিষ্যত সতর্কবানী দিয়ে সংসার করার অঙ্গিকার করে উর্মি। কিছুদিন পরে আবারোও শুরু হয় তাদের পরকিয়া । এভাবে একাধিকবার বিচার শালিসের পর স্ত্রীকে স্বামী ইদ্রিস ক্ষমা করলেও বন্ধ হয়নি উর্মির গোপন পরকিয়া। স্বামী ইদ্রিস আলী বার বার উর্মির পরকিয়ার বাধা হওয়ায় ৫/৬ মাস পুর্বে সে স্বামীর বাড়ি থেকে ৩ বছর ও ৭ বছরের ২টি সন্তানকে ফেলে রেখে বাবার বাড়ি চলে যায়। বাবার বাড়ি যাওয়ার পর থেকে উর্মি বার বার স্বামী ইদ্রিস আলীকে এই এলাকা ছাড়তে আর হামলা মামলার হুমকী দিয়ে আসছে ।

গত ২০ দিন পুর্বে স্থানীয় স্বার্থলোভী মাদবর রৌশন আলী,মান্নান, আনোয়ার ও সিদ্দিকসহ কয়েকজন ক্যাডারকে দিয়ে হুমকী দেয় এবং উর্মিকে ৭ লক্ষ টাকা দেওয়ার জন্য প্রভাবিত করেছে। ইদ্রিস আলী মাদবরদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক চাহিবা টাকা দিতে অন্বীকার করায় উর্মিকে দিয়ে আশুলিয়া থানায় একটি নারী নির্যাতন করার একটি অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক জসিম ঘটনাটি তদন্ত করেন।

উর্মির পরিবার ও স্বার্থলোভী মাদবরদের ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে বাড়ি আর শিশু সন্তান হাড়া হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ইদ্রিস আলী। এদিকে স্ত্রীর পরকিয়া আর চরিত্র খারাপ থাকার কারনে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে সরকারী বিধিমোতাবেক ও শরিয়ত মোতাবেক তালাক প্রদান করেন।

শার্শা ও বেনাপোলে আরও ৬ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরও ৬ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

এর মধ্যে শার্শা থানা ছাত্রদলের সভাপতি মোস্তাফিজজ্জোহা সেলিমের করোনা পজেটিভ হয়েছে। এ নিয়ে শার্শা উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৭ জন। ২৭ জুন শনিবার বিকালে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ইউসুফ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অন্যান্য আক্রান্তদের মধ্যে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নাভারন হাসপাতালের দুইজন গাতিপাড়া গ্রামের ১ জন। অপরদিকে বেনাপোলে ৩ জন। জানাগেছে, করোনা আক্রান্ত পরিবারের অনেক সদস্য সাধারন ভাবে বাহিরে চলাফেরা করছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মারুফ আক্তার জানান, শার্শা ও বেনাপোলের অবস্থা অনেক খারাপের দিকে। এখন প্রতিটি মানুষের উচিৎ ঘরে থাকা। এ জন্য তিনি শার্শার সচেতন জনগনকে আরও সতর্কতা অবলম্বন করে চলাচল করতে হবে। তিনি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার জন্য পরামর্শদেন।

শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ইউসুফ আলী বলেন, নতুন করে নমুনা সংগ্রহ করে গত শনিববার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে পাঠানো হয়। এতে তাদের ৬ জনের নমুনায় করোনা পজেটিভ হয়েছে। আক্রান্তদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। আক্রান্তদের বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

ঝালকাঠিতে করোনা সংকটে কিস্তির টাকা না দিতে পারায় ঋণ গৃহিতাকে হত্যার চেষ্টায় থানায় অভিযোগ দায়ের

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠিতে করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যেও থেমে নেই বেসরকারি সমবয় সমিতির আওতাধীন কিস্তির টাকা আদায়।

আর এ কিস্তির টাকা দিতে না পারায় মজিবর রহমান(৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে ধরালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা চেষ্টা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ অভিযোগ উঠেছে মিলন হাওলাদার(৩৮), ও সুমন মাঝি( ৩৬) নামের দুই এনজি কর্মীর বিরুদ্ধে।

২৫/০৬/২০২০ইং তারিখ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটেছে শহরের পুরাতন খেয়াঘাটে।

থানায় দায়ের করা মামলা সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মিলন ওরফে কালা মিলন মোবাইল ফোনে মজিবরকে ডেকে নিয়ে করোনা মহামারির মধ্যেও জোর করে টাকা আদায়ের জন্য চাপ দেয়। এ সময় মজিবর করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি শিথিল হওয়ার পর টাকা দেয়ার কথা বললে মিলনের সঙ্গে থাকা সুমন মজিবরকে বেধরক মারধর করে।

এক পর্যায়ে তারা মজিবরকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চেপে ধরে এবং গলায় চাকু দিয়ে পোজ দেয়। এতে তার রক্তক্ষরণ হয়।পরে তার গলায় থাকা ৩০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন, নগদ আড়াই হাজার টাকা ও সাড়ে ৬ হাজার টাকা মূল্যের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে মজিবরকে খুনের ভয় দেখিয়ে মিলন ও সুমন চলে যায়।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মজিবর বলেন, করোনা মহামারীর পূর্বে আমি ঝালকাঠি শহরের সদর চৌমাথা এলাকার আশার আলো কৃষি উন্নয়ন সমবয় সমিতির লিমিটেড থেকে ৪০ হাজার টাকা ঋণ উত্তোলন করি। নিয়মিত ভাবে ৯টি কিস্তির টাকাও পরিশোধ করি।কিন্তু এর পর করোনা মহামারী শুরু হলে আর্থিক ভাবে অসহায় হয়ে পড়ি এবং তিন মাস ধরে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হই।

তিনি আরও বলেন, করোনা মহামারিতে সরকার এনজিও ঋণের কিস্তি পরিশোধ শিথিল করেছে। এমন কি চাপ দিয়ে টাকা আদায় করলে ওই এনজিওর নিবন্ধন বাতিল করবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তারপরও আমার কাছ থেকে জোর করে আদায় করার চেষ্টা করে মিলন ও সুমন। আমি অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যাই।

এ ঘটনার দৃষ্টান্ত বিচার দাবী করছি, বলেন মজিবুর রহমান।

এদিকে অভিযুক্ত মিলনের ফোনে ০১৬৮২৭৭২৯০৪ নাম্বারে কল করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে ঝালকাঠি থানার ওসি খলিলুর রহমান বলেন, অভিযোগ অনুযায়ী তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

রাজাপুর  মেয়েকে অশ্লীল কটুক্তির প্রতিবাদ করায় মা ও খালাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ‘ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলাধীন শুক্তাগড় এলাকায় মেয়েকে অশ্লীল কটুক্তি করার প্রতিবাদ করায় মা ও খালাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত যখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

২৫/০৬/২০২০ইং তারিখ বৃহস্পতিবার আহতদের নিজ বসত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এ  বিষয় আহত নয়ন বেগমের স্বামী  শহিদুল ইসলাম জানান, প্রতিবেশি মৃত. আ: হকের ছেলে আলমগীর হোসেন আমার প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে অশ্লীল কটুক্তি করায়  আমার স্ত্রী নয়ন বেগম প্রতিবাদ করে।

অশ্লীল কুটক্তিকারী আলমগীর ও তার স্ত্রী এতে আমার স্ত্রী নয়ন বেগমের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত যখম করে। এসময় আমার স্ত্রীর বড় বোন কাজল বেগম নয়নকে বাঁচাতে আসলে আলমগীর স্ব-স্ত্রীক তাকেও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

এ বিষয়টি  স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে আমার স্ত্রী ও তার বোনকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন।

রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, রাত সাড়ে ৮ টার দিকে মাথায় রক্তাক্ত জখম অবস্থায় মধ্যবয়সী দুই নারী চিকিৎসা নিতে আসলে উভয়কে চিকিৎসা দিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি রাখা হয়।

আহতরা হলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মনিরউজ্জামানের গাড়ীর ড্রাইভার শুক্তাগড় এলাকার শহিদুল ইসলামের স্ত্রী নয়ন বেগম (৩৫) ও নয়ন বেগমের বড় বোন কাজল বেগম (৪০)।

অভিযুক্ত আলমগীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বিকার করে জানান, আমি তাদেরকে মারিনী বরং তারা আমাকে, আমার মেয়েকে ও আমার স্ত্রীকে মারধর করেছে।

উক্ত ঘটনায় রাজাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে রাজাপুর থানা ওসি তদন্ত আবুল কালাম জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন নেয়া হবে।

চাঁদা বাজির অভিযোগে সাভারের আশুলিয়ায় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা উজ্জলকে আটক করেছে পুলিশ

সাভার ,প্রতিনিধি ঃ চাঁদা বাজির অভিযোগে সাভারের আশুলিয়ায় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা জেলা উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ উজ্জলকে (৪৫) আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত সাড়ে দশটার দিকে আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল এলাকা থেকে তাকে আটক করে আশুলিয়া থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত তিন মাস ধরে আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকায় আকবর আলী নামের এক ময়লা ব্যবসায়ীর কাছে বিশ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন শেখ মোহাম্মদ উজ্জল পরে ওই ব্যক্তি চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় আজ রাতে শেখ মোহাম্মদ উজ্জল ওই ব্যক্তিকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করলে ভুক্তভোগী ওই ব্যক্তি আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ রাত সাড়ে দশটার দিকে ভাদাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

এবিষয়ে আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি বলেন,শেখ মোহাম্মদ উজ্জলের নামে চাঁদা বাজি সহ বিভিন্ন অভিযোগে আশুলিয়া থানায় বেশ কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি এলাকায় নানা ধরণের অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। এদিকে শেখ মোহাম্মদ উজ্জলকে আটক করায় ভাদাইল এলাকায় স্থানীয়রা মিষ্টি বিতরণ করেছেন।

আটক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আশুলিয়া থানার এস আই (উপ-পরিদর্শক) সুদীপ তিনি বলেন আগামীকাল তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

আটক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গোপালগঞ্জ জেলার আবুল কালামের ছেলে।

সাভারে সিটিএসবির আবসর প্রাপ্ত এক কর্মকর্তার উপর সন্ত্রাসী হামলা (ভিডিও)

বিপ্লব,সাভার ঃ সাভারে সিটিএসবির আবসর প্রাপ্ত এক কর্মকর্তাকে আহত করেছে সন্ত্রাসীরা।আহত সিটিএসবির আবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল বারেক(বারী) দির্ঘদিন যাবত সাভারের পশ্চিম ব্যাংক টাউন এলাকায় বসবাস করে আসছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধায় সাভারের পশ্চিম ব্যাংক টাউন এলাকায় এঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় ব্যাংকটাউন এলাকায় বসবাসরত রায়হান শরীফ নামক ব্যাক্তি বাল্য বিবাহ করার প্রস্তুতি কালে বিষয়টি প্রশাশনকে খবর জানাবে এমনতাবস্থায় রায়হান শরীফ সহ চার পাচজন তার উপর হামলা করে হত্যা চেষ্ঠা করে। পরে তাকে ধরে এলোপাথারী পিটিয়ে জখম করে।

স্থানীয়রা আহত আবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ব্যাংক টাউন থেকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাভার উপজেলা সার্স্থ্য কমপ্লেøক্র হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় সিটিএসবির আবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তার স্ত্রী বাদি হয়ে সাভার মডেল থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছে
সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্য ওসি এ এফ এম সায়েদ জানিয়েছেদোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা নেওয়া হবে ।

এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেট...