ছানোয়ার হোসেন ,সিংগাইর প্রতিনিধি ঃ গত ৪ই জুন বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জের সিংগাইর থানায় জামির্তা ইউনিয়নের চরখালিয়া গ্রামে ইছাহাক (৪২) একই গ্রামের ৬ বছরের শিশু সুরাইয়া কে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ।
গত বৃহস্পতিবার আনুমানিক দুপুর ২টার দিকে সুরাইয়া তার পার্শ্ববর্তী বাড়ির সামনে সমবয়সী ,আরো দুজন এর সাথে খেলা করছিল , এমন সময় ইছাহাক সুরাইয়াকে আম দেওয়ার কথা বলে পেঁপে বাগানে ডেকে নিয়ে যায় ।
সুরাইয়ার মা তাহমিনা মেয়েকে অনেকক্ষণ যাবৎ খুঁজে না পেয়ে তার খেলার সাথীদের কাছে জানতে পারে ওই একই গ্রামের ইছাহাক তার মেয়েকে আম দেয়ার কথা বলে কোথায় যেন ডেকে নিয়ে গিয়েছে।
এই কথা শুনে সুরাইয়ার মা পেঁপে বাগানের দিকে গেলে তাহার মেয়েকে অর্ধনগ্ন ভাবে দেখতে পান। সাথে তিনি ইসাহাক কেও দেখতে পান ,এমন সময় সুরাইয়ার মা ইছাহাকের কাছে তাহার মেয়েকে কেন ডেকে এনেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কাছে আম খেতে চেয়েছিল তাই আম দেয়ার জন্য নিয়ে এসেছি । তারপর ওখান থেকে সুরাইয়ার মা বাড়িতে চলে আসেন এবং মেয়ের কাছে সবকিছু জিজ্ঞেস করেন ।
এসময় মেয়ে বলেন ইছাহাক নানা আমার সবকিছু খুলেছে বাজে কাজ করেছে উনি খুব খারাপ মানুষ, আমি ভয়ে কিছু বলিনি এছাক সম্পর্কে উক্ত এলাকার মানুষ অনেক ক্ষিপ্ত এ ঘটনায় সুরাইয়ার পরিবার ও এলাকাবাসী তাহার উপযুক্ত বিচার এবং শাস্তি দাবি করছেন ।
উক্ত এলাকার সোহান নামের একজন বলেন এছাহাক আমাদের এলাকা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী তিনি সবসময়ই সবাইকে হুমকি ধামকি ও ভয় ভিতী দেখান , তাই ভয়ে কেউ মুখ খুলেন না ।
এব্যপারে গতকাল সিংগাইর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে , মামলার তদন্ত অফিসার এস,আই আব্দুল করিম মোঠো ফোনে সময়ের খবর ২৪ কে বলেন , ঘটনাটির সত্যতা পাওয়া গিয়েছে , মামলা হয়েছে , আসামী গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে ।
সময় ডেস্ক ঃ করোনা পরিস্থিতিতে সারা বিশ্বেই ভোক্তার চাহিদা কমে যাচ্ছে। সেইসঙ্গে পোশাক কারখানার কাজও কমেছে ৫৫ শতাংশ। এমন অবস্থায় জুন থেকেই শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হবে বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক।
বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) শ্রমিকদের করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য দেশের প্রথম স্টেট অব দ্য আর্ট কভিড-১৯ ল্যাব উদ্বোধন উপলক্ষে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, এই পর্যন্ত ২৬৪ জন পোশাক শ্রমিক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এসব শ্রমিকদের সব ধরনের চিকিৎসার খরচ বহন করছেন উদ্যোক্তারা।
বিজিএমইএর সভাপতি ড. রুবানা হক আরো বলেন, জুন থেকে শ্রমিকদের ছাঁটাই হবে। এটি অনাকাঙ্ক্ষিত বাস্তবতা। কিন্তু করার কিছু নেই। তবে এ ছাঁটাই প্রক্রিয়ায় শ্রমিকদের জন্য কী করা হবে; এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কথা বলছি, কিভাবে এ সঙ্কট মোকাবেলা করা যায়।
তিনি বলেন, এ অবস্থা হঠাৎ করে বদলেও যেতে পারে। তখন ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকরাই কাজে যোগ দেয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।
বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনাভাইরাসের প্রভাবে গত দেড় মাসে সারাদেশে কৃষকের লোকসান হয়েছে প্রায় ৫৬ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকারও বেশি। মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে মে মাসের প্রথম দিক পর্যন্ত এই ক্ষতির হিসাব উঠে এসেছে ব্র্যাকের পরিচালিত এক গবেষণায়।
বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) এক ডিজিটাল সংবাদ সম্মেলনে এ গবেষণার আওতায় করা দুটি সমীক্ষার ফলাফল তুলে ধরে ব্র্যাক।
এ সময় প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও পরিকল্পনা কমিশনের সাবেক সদস্য ড. এম এ সাত্তার মণ্ডল, এসিআই এগ্রিবিজনেসের নির্বাহী পরিচালক ড. এফ এইচ আনসারী, ব্র্যাকের ডেইরি অ্যান্ড ফুড এন্টারপ্রাইজের পরিচালক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কৃষিখাতে এবং সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তার ওপর করোনাভাইরাসের প্রভাব সম্পর্কে জানতে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মতামতের ভিত্তিতে এই সমীক্ষা দুটি পরিচালিত হয়। সারাদেশের ১ হাজার ৫৮১ জন কৃষক (ফসল, শাকসবজি, হাঁস-মুরগি, মাছ এবং দুগ্ধ উৎপাদনকারী) এতে অংশগ্রহণ করেন।
গবেষণাপত্রে বলা হয়, মহামারী শুরু দিকে ত্রাণ বিতরণকারী সংস্থাগুলোর ব্যাপক চাহিদা এবং ভোক্তাদের আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পণ্য কেনার কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিশেষ করে- মোটা চাল, মসুরের ডাল ইত্যাদির দাম ও বিক্রি বেড়ে যায়। চাল ও মসুরের ডালের দাম ৩০ থেকে ৩২ শতাংশ এবং ব্যবসায়ীদের এই পণ্যগুলোর বিক্রি ৩০০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।
তবে বাজারে চাহিদা বাড়লেও তা কৃষকদের কোনও উপকারে আসেনি। কারণ মহামারীর আগেই তারা তাদের মজুদ বিক্রি করে দিয়েছিলেন। অপরদিকে ত্রাণ-বহির্ভূত এবং পঁচনশীল পণ্যগুলোর উৎপাদন অব্যহত রাখা এবং বিক্রি করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এই কারণে ৮৮ শতাংশ কৃষক (মাছ চাষীদের ১০০ শতাংশ) আর্থিক ক্ষতির কথা জানিয়েছেন। কৃষকরা যেসব সমস্যার কথা বলেছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ন্যায্যমূল্য না পাওয়া ৬৬ শতাংশ, সীমিত সময়ের জন্য বাজার খোলা থাকা ৫২ শতাংশ, উৎপাদনের উপকরণসমূহের উচ্চমূল্য ৪৫ শতাংশ এবং শ্রমিক সংকট ২৮ শতাংশ।
আর এই দেড় মাসে পণ্যের ক্ষতি ও কম দামের কারণে প্রত্যেক কৃষকের লোকসান হয়েছে গড়ে প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার ৯৭৬ টাকা। সেই হিসেবে সারাদেশে কৃষির প্রতিটি উপখাতের সব কৃষকের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে লোকসান হয়েছে কমেছে ৫৬ হাজার ৫৩৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সমান।
মোঃ রাসেল ইসলাম ,বেনাপোল,যশোর প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোলে ২কেজি গাঁজা সহ শরিফুল ইসলাম পাখি(২৮)নামে এক মাদক বহনকারীকে গ্রেফতার করে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ।গ্রেফতার মাদক বহনকারী শরিফুল ইসলাম পাখি ৭ নং ঘিবা গ্রামের মৃত জুনাব আলীর ছেলে।
বুধবার(৩ জুন) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মাসুম বিল্লাহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানাধীন পোড়াবাড়ি স্কুলের সামনে থেকে ২ কেজি গাঁজা সহ একজন মাদক বহনকারীকে গ্রেফতার করে।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মামুন খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পোড়াবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে দুই কেজি গাঁজা সহ একজন মাদক বহনকারীকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার মাদক বহনকারীকে আগামীকাল সকালে যশোর বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল কাস্টম হাউসকে ফলোআপ করে ফেইসবুকে বাইক সেল অফিশিয়াল নামে ভুয়া পেজ খুলে নিলামে ভারতীয় নতুন মোটর সাইকেল বিক্রয়ের প্রতারণা করার দায়ে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ কুমিল্লার মৃত শাহ আলমের পুত্র আরমান (২৮) নামে একজন প্রতারককে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে।
ভারত থেকে আমদানিকৃত মোটরসাইকেল বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ছাড় করন সম্ভব না হলে, বেনাপোল কাস্টম হাউস পরবর্তীতে রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশানুযায়ী সেই নতুন মোটরসাইকেল গুলোকে নিলামে উঠায়।নিলাম থেকে এই মোটর সাইকেল গুলো বিভিন্ন ক্রেতাগণ ক্রয় করে থাকেন। প্রতারক চক্র এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেনাপোল কাস্টম হাউজকে ফলোআপ করে ফেইসবুকে বাইক সেল অফিসিয়াল পেজ নামে একটি ভুয়া পেজ খুলেন। এই পেজটি খোলার পরে এই প্রতারক চক্র দেশের বিভিন্ন মোটরসাইকেল ক্রেতাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে থাকেন।
এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন ক্রেতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে বেনাপোল কাস্টম হাউসকে জড়িয়ে এই বাইক সেল অফিশিয়াল ভুয়া পেজ সম্পর্কে বেনাপোল কাস্টম হাউজ এর দৃষ্টিগোচর হলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ২০১৮ সালের পয়লা জুন এ বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-২৬,
বেনাপোল কাস্টম হাউসে রাজস্ব কর্মকর্তা নাঈম মিরন বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। তিনি জানান বেনাপোল কাস্টম হাউস কে জড়িয়ে একটি প্রতারক চক্র ফেইসবুকে বাইক সেল অফিসিয়াল ভুয়া পেজ আইডি খুলে বিভিন্ন জনগণের সাথে প্রতারণা করছে আমাদের কাছে অভিযোগ আসে। এ বিষয়টি কাস্টমের নজরে এলে তাৎক্ষণিক মামলা দায়ের করা হয়। কাস্টম কর্তৃপক্ষের ধারণা এই প্রতারক চক্র ভারত থেকে চোরাই পথে মোটরসাইকেল এনে এই পেজের মাধ্যমে বিক্রি করে থাকেন।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন খান বলেন বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন।সেই মোতাবেক আমরা প্রধান আসামি আরমানকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করি। আসামিকে যশোর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : গত ২৪ ঘন্টার প্রাপ্ত রিপোর্টে মাগুরায় বৃহস্পতিবার নতুন করে এক পুলিশ পরিবারের সদস্যসহ ৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা সনাক্ত ৩৪ জন। এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ১৯জন।
মাগুরা সিভিল সার্জন ডাঃ প্রদীপ কুমার সাহা জানান, বৃহস্পতিবার নতুন করে এক পুলিশ পরিবারের সদস্যসহ ৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এদের মধ্যে মাগুরা সদরে ৪ জন ও শ্রীপুরে ১ জন। এখন পর্যন্ত মাগুরায় মোট করোনা সনাক্ত হয়েছে ৩৪ জন। তাদের মধ্যে মাগুরা সদরে ১৭ জন, শ্রীপুরে ৭ জন, শালিখায় ৫ জন, মহম্মদপুরে ৫ জন। এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ১৯ জন। আক্রান্তদের ১ জনকে ঢাকা রেফার্ড করা হয়েছে। বাকি ১৪ জনকে হোম আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার দ্বারিয়াপুর গ্রামের নতুনপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওসমান গণি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় বৃহস্পতিবার দুপুরে তার বাড়িসহ দুটি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করেছেন উপজেলা প্রশাসন ।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর উপস্থিত থেকে এ লকডাউন ঘোষণা করেন। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রঈচউজ্জামান,শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলী আহমেদ মাসুদ, দ্বারিয়াপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন কানন,শ্রীপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন পল্টুসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এসময় আক্রান্ত ব্যক্তি ও তার পরিবারের লোকজনসহ পাশের বাড়ির লোকজনদের ১৪ দিন নিজ বাড়িতে অবস্থান করে নিয়মনীতি মেনে চলার নির্দেশনা প্রদান করেন ।
করোনা আক্রান্ত রোগীর দুই দিনের বিল কেটে রেখে বাকি টাকা ফেরত দিয়েছে ঢাকার আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। বুধবার (৩ জুন) সকালে সাইফুর রহমান নামের ওই রোগীকে ফোন করে হাসপাতালে যেতে বলা হয়। পরে রোগীর ছোট ভাই আরিফুল ইসলাম সুমন যাওয়ার পর তাকে ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৯৫ টাকা ফিরিয়ে দেয় হাসপাতালটি।
গত ৩১ মে সরকার নির্ধারিত ‘কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতাল’ তালিকা থেকে সরে আসায় ওই রোগীর কাছ থেকে ১ ও ২ জুনের চিকিৎসা বিল বাবদ ৫৪ হাজার ৮৮০ টাকা কেটে রেখেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
করোনা ধরা পড়ার পর গত ২৩ মে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন সাইফুর রহমান। গত মঙ্গলবার (২ জুন) ছাড়া পান তিনি। তার ১১ দিনের চিকিৎসা ব্যয় ধরা হয় ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৫ টাকা। বিশাল অংকের এই বিল পরিশোধ করতে না পারায় হাসপাতাল থেকে বের হতে পারছিলেন না সাইফুর রহমান। গতকাল রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তাকে হাসপাতালেই কাটাতে হয়। শেষমেশ অনেক অনুরোধ করে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ছাড়া পান।
সাইফুর রহমান মঙ্গলবার রাতে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমার কোনও অপারেশন হয়নি। আইসিইউতে ছিলাম না। অক্সিজেন নেওয়া লাগেনি। দুটি এক্সরে ও দুটি রক্ত পরীক্ষা করিয়েছে। কেবল নাপা ও গ্যাস্ট্রিকের ট্যাবলেট দেওয়া হয়েছে। বাকি ওষুধ বাইরে থেকে কিনেছি। অথচ বিল এসেছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৫ টাকা!
রোগীর পরিবারকে টাকা ফেরত দেয়ার পর আনোয়ার খান মডার্ন কর্তৃপক্ষ বলে, সবাইকে জানাবেন, আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। বিলটি এমন হওয়ার কথা ছিল না।
এছাড়া পরিবারটির কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তারা।
সাইফুর রহমানের বিলের কাগজে দেখা গেছে, ২ জুন পর্যন্ত চিকিৎসকের খরচ ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৭০০ টাকা, হাসপাতাল বিল ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৭০ টাকা, ইনভেস্টিগেশন বিল ১৯ হাজার ৪৭৫ টাকা, ওষুধের বিল ৫ হাজার ২২৬ টাকা ৮৫ পয়সা, এর সঙ্গে সার্ভিস চার্জ ১২ হাজার ৯০৩ টাকা। সব মিলিয়ে ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৪ টাকা ৮৫ পয়সা। মোট বিল আসে ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৫ টাকা।
ডা. ইহতেশামুল হক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সরকারের সঙ্গে কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে আমাদের যে চুক্তি হয়েছিল, তা গত ৩১ মে থেকে বাতিল করেছি। সরকারের সঙ্গে কোভিড প্রজেক্টে আমরা আর নেই। আমাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চলবে হাসপাতাল। এ কারণে রোগীকে নিজেই চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে হবে।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত সচিব মো. হাবিবুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, তারা আর থাকতে (চুক্তিতে) চাচ্ছে না। ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি নিয়মে চলতে হবে তাদের। মূল কথা হচ্ছে, করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে এদিন পর্যন্ত করোনা রোগীর কাছ থেকে টাকা নেয়া যাবে না।
রাজধানীতে করোনা ডেডিকেটেড হিসেবে যে ১৩টি হাসপাতাল রয়েছে তার মধ্যে বেসরকারি হাসপাতালের তালিকায় ছিল আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। গত ১৬ মে হাসপাতালটির ২০০ বেডের কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড ভবন উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এতে রয়েছে ১০টি আইসিইউ, ১০টি এইচডিও ও পাঁচটি ভেন্টিলেটর। পাশাপাশি কোভিড-১৯ টেস্টের জন্য এখানে পিসিআর মেশিনের ব্যবস্থা করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ড. আনোয়ার হোসেন খান এমপি সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেন, সরকারের সঙ্গে আমাদের যে অঙ্গীকার ছিল, তা আমরা পালন করেছি। আমরা এখানে কোনও চিকিৎসা সেবার বিনিময়ে অর্থ উপার্জন করবো না বা রোগীর সঙ্গে ব্যবসা করবো না। সেবা দেওয়াই আমাদের মুখ্য উদ্দেশ্য।
করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় সরকার সব কিছু খুলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (০৩ জুন) বিকেলে রাজধানীর সেগুন বাগিচায় ডিআরইউতে আয়োজিত নাগরিক ঐক্যের অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় তিনি একথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, সরকারের কাছে ব্যবসায়ী ও আমলাদের মূল্য যতটা রয়েছে জনগণের মূল্য তার ছিটেফোঁটাও নেই।
মির্জা ফখরুল বলেন, সমস্ত সিদ্ধান্তহীনতা, ভুল সিদ্ধান্ত, সমন্বয়ের অভাব, সরকারের একটা ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে আরেকটি ডিপার্টমেন্টের কোন সমন্বয় নেই। যার ফলে আমরা দেখলাম, এখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। আর পরিস্থিতি যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে, তখন তো সরকারকে সব কিছু খুলে দিতে হবে। তাই করেছে তারা। এখন তাদের কোন স্থায়ী ভূমিকা দেখা যাবে না।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি)ঢাকার ধামরাইয়ে ডাঃ অজিত কুমার বসাকের মতে আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০ (arsenicum album 30) কোভিড-১৯ এর মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। করোনা ভাইরাসের এখনও পর্যন্ত ঔষধ বা ভ্যাকসিন তৈরি হয়নি কিন্তু সারা বিশ্বের চিকিৎসকরা এই করোনা ভাইরাসের ঔষধ ও ভ্যাকসিন তৈরি করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে করোনা আতঙ্ক যেন জেকে বসেছে বাংলাদেশেও। কড়া নজরদারিতে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে রোগীদের বিচ্ছিন্ন চিকিৎসা ব্যবস্থা ছাড়া আর কোনো পদক্ষেপ এখনও পর্যন্ত সম্ভব হয়নি।
ডাঃ অজিত কুমার বসাকের মতে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় এই করোনা ভাইরাস সংক্রমণের মৃত্যুর ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব বলে জানান তিনি। ডাঃ অজিত কুমার বসাক বলেন হোমিওপ্যাথিক ঔষধ আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০ (arsenicum album 30)কোভিড-১৯ এর মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়,করোনা আক্রান্তের উপসর্গ সারানোর জন্য হোমিওপ্যাথিক ঔষধ অত্যন্ত কার্যকর বলে জানানো হয়।
এই হোমিওপ্যাথির উৎপত্তি জার্মানিতে প্রায় দু’শ বছর আগে থেকে,কিন্তু যদিও ভারতীয় উপমহাদেশে এর ব্যবহার শুরু হয় প্রায় আশি বছর আগে। বাংলাদেশেও এর ব্যবহার বহু বছর ধরে হয়ে আসছে, এই চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক ডা.স্যামুয়েল হ্যানিমেন,
ডাঃ অজিত কুমার বসাক জনান তিনি প্রায় ৪০ বছর ধরে এই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা দিয়ে আসছে রুগীদের, এর সুফলও পাচ্ছে রুগীরা। তিনি এই করোনা ভাইরাসের বিস্তার শুরু থেকেই মানুষকে হোমিওপ্যাথি ঔষধ
আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০ (arsenicum album 30)ব্যবহারের পরামর্শ দেন এবং সে
আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০ (arsenicum album 30) ঔষধ অনেক মানুষের মাঝে বিনা মূল্যেও দিয়েছেন,তিনি এখন পযন্ত সাংবাদিক সহ বিভিন্ন পযার্য়ের মানুষকে ২০০০ ডোজ/ ডার্ম দিয়েছেন এছাড়া পুলিশ প্রসাসনকে দিয়েছেন ২৮০০ ডোজ/ডার্ম, এর শুফল হলো মানব দেহের প্রিভেনশন/প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় যদি কোন ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হলে এই আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০ (arsenicum album 30) ডোজ সেবনে মৃত্যু ঝুঁকি কমে যাবে বলে জানান। এই আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০ (arsenicum album 30) সেবন করলে জিংক ও ভিটামিন ডি দেহে বাড়িয়ে দেয় যে কারনে দেহের চর্বি নষ্ট করে দেয় যদি কোন ব্যক্তি সুস্থ অবস্থায় আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০
(arsenicum album 30) সেবন করে তার দেহের কোভিড-১৯ জীবানু ধংশ করার প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
চিকিৎসার নিয়মঃ তিন দিন খালিপেটে খাওয়ার আধা ঘন্টা আগে চার বড়ি করে সেবন করতে হবে,পুনরায় এক মাস পর আবার আগের নিয়মে তিন দিন খালিপেটে চার বড়ি করে সেবন করতে হবে।ডাক্তার অজিত কুমার বসাক ৫ জানোয়ারি থেকে বিনা মূল্যে এই আর্সেনিকাম
অ্যালবাম ৩০(arsenicum album 30)ঔষুধ মানুষকে দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।আর্সেনিকাম
অ্যালবাম ৩০(arsenicum album 30)মানব দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, এটি ইটালি ও ভারতের আইয়ুস অনুমোদিত।
এই রোগের লক্ষণঃ জ্বর হওয়া, গলা ব্যথা হওয়া, ঠান্ডা লাগা, হাঁচি ও কাশি হওয়া, শরীর ব্যথা হওয়া, অসহনীয় পিপাসিত হওয়া, শ্বাস কষ্ট হওয়া, ছটফটানি করা, মৃত্যু ভয় হওয়া, পাকাশয়ে অতান্ত জ্বালা করা, কলেরা, শিশু কলেরা, রক্ত আমাশা।
ডাঃ অজিত কুমার বসাক আরো বলেন এই মহামারী করোনা ভাইরাস এর কারনে আমার চিকিৎসা সেবা থেমে নেই শুধু আমি নয় আমার পরিবারে যে কজন ডাক্তার আছেন আমার স্ত্রী ডাঃলতা বসাক (হোমিওপ্যাথি),আমার ভাই ডাঃ অরবিন্দো বসাক (এম বি বি এস),আমার মেয়ে ডাঃ উর্মি বসাক (এম বি বি এস),আমার মেয়ের জামাই ডাঃ সোমনাথ সরকার সুমন(এম বি বি এস),আমরা থেমে নেই মানব সেবা থাকে এই মহামারীর সময়েও আমরা শিশু সহ সকল রুগীকেই চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি। তিনি সকলকেই সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্য বিধি মনে চলার পরামর্শ দেন এবং যথা সম্ভব দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরারও পরামর্শ দেন তিনি।