28 C
Dhaka, BD
মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬

নলছিটিতে কৃষকের পাঁচ একর জমির ধান কেটে দিলেন ডিসি, এসপি ও কৃষিবিভাগ

সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ করোনা সংকটে ধান নিয়ে বিপাকে পরায় ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ষাইটপাকিয়া গ্রামের কৃষকের পাঁচ(০৫) একর জমিতে কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় প্রথমে কাঁচি দিয়ে পরে নির্ধারিত শ্রমিক ও ধান কাটা মেশিন দিয়ে ধান কেটে কৃষকের বাড়ী পৌঁছে দেওয়া হয়।

১২/০৫/২০২০ইং তারিখ মঙ্গলবার সকালে ষাইটপাকিয়া গ্রামে কৃষকের পাঁচ(০৫) একর জমির ধান কাটা হয়।

কৃষি বিভাগ জানান,প্রেমহার গ্রামের কৃষক গোলাম মাওলা সহ প্রায় পনের(১৫) জনের বোরো ধান পেকে মাটিতে পড়ে যাচ্ছিল।শ্রমিক সংকটের কারনে ধান কাটতে পারছিলেন না।

খবর পেয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহাযোগিতায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক জনাব জোহর আলী, ঝালকাঠি পুলিশ সুপার জনাব ফাতিহা ইয়াসমিন সহ পুলিশ প্রশাসন ধান কাটা কার্যক্রম শুরু করেন।

জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক জনাব ফজলুল হক,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জনাব ইসরাত জাহান মিলি ও ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ মহতি উদ্যোগে সহযোগিতা করেন।

মাগুরার শ্রীপুরে বিএনপির খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুর পুরাতন বাজার এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরে করোনার কারণে তারেক জিয়া ত্রাণ তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্থ, দুস্থ, অসহায় দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

মাগুরা জেলা বিএনপির আহবায়ক আলী আহম্মেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি জোয়ারদার আশরাফুল আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আব্বাস উদ্দীন, বিএনপি নেতা খন্দকার খলিলুর রহমান, চৌধুরী রেজাউল হক মিন্টু, যুবদল নেতা, জিয়াউল হক ফরিদ, শফিকুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বদরুল আলম লিটু, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি শেখ মোঃ নজরুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান অন্তর, জাকির বিশ্বাস, হেমায়েত হোসেন, খায়রুল ইসলাম, হাসিবুল হাসানসহ অন্যান্যরা। এ সময় এলাকার ৪০০ শ’ দরিদ্রের মাঝে চাউল, ডাউল, লবণ তেল ইত্যাদি বিতরণ করা হয়।

পেট্রাপোল বন্দরের সঙ্গে স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম স্থবির

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি :করোনার প্রাদুর্ভাবে দেশের সর্ববৃহত্তম বেনাপোল স্থলবন্দরের সাথে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি প্রায় দেড় মাস ধরে বন্ধ থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে বাণিজ্যিক কার্যক্রম। কবে খুলবে তার কোনো সম্ভবনা দেখছে না ব্যবসায়ীরা। তবে বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছেন তারা বাণিজ্য সচলের জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে গত ২২ মার্চ বেনাপোল স্থল ও ২৫ মার্চ থেকে রেলপথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য এবং ১৩ মার্চ থেকে পাসপোর্টযাত্রী ভারতে প্রবেশ বন্ধ করে দেয় ভারত সরকার। বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে গত ৩০ এপ্রিল স্বল্প পরিসরে দুইদিন আমদানি বাণিজ্য সচল হলেও ভারত অংশে শ্রমিকদের বাধায় তা দুই দিনের মাথায় আবার বন্ধ হয়ে যায়। তবে এপথে বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও বিশেষ ব্যবস্থায় ভারতে আটকে থাকা বাংলাদেশিরা প্রতিদিন কমবেশি দেশে ফিরছেন।

ওপারের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বেনাপোলের বিপরীতে পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে অবিলম্বে আমদানি-রপ্তানি ব্যবসা চালু করতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ করতে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের। দুইদিনের জন্য শুধুমাত্র রফতানি বাণিজ্য চালু হলেও করোনা সংক্রমণের ভয় দেখিয়ে বনগাঁ ও পেট্রাপোলের কিছু শ্রমিক ও রাজনৈতিক নেতারা সীমান্তের বাণিজ্য বন্ধ করে দেয়। কেন্দ্রের দাবি, এই ঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকার নতুন করে আমদানি-রপ্তানি চালুর উদ্যোগ নেয়নি। রাজ্যের এই ভূমিকাতেই বেজায় চটেছে কেন্দ্র।

সীমান্ত বাণিজ্য শুরুতে রাজ্য সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় সরকার। সেই কারণেই পেট্রাপোলে স্থলবন্দরে দ্রæত আমদানি-রপ্তানি শুরু করতে ব্যবস্থা নিতে রাজ্যকে চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব। এর আগে গত ২৪ এপ্রিল পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চালু করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে এখনো প্রায় তিন হাজার ট্রাক পণ্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আরো কয়েক হাজার ট্রাকের মাল বিভিন্ন প্রাইভেট গুদামে রাখা আছে। কয়েক শ রপ্তানি পণ্য নিয়েও বেনাপোল বন্দরে দাঁড়িয়ে আছে দুই শতাধিক ট্রাক। এতে একদিকে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে তেমনি পণ্যের গুণগত মান নষ্ট ও লোকসানের পাল্লা ভারী হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

এদিকে বেনাপোলের বিপরীতে ভারতের বনগাঁ শহরে নতুন করে কয়েকজন করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় বনগাঁ-বেনাপোল সড়কসহ গোটা বনগাঁ শহরকে ‘কনটেন্টমেন্ট জোন’ ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে কবে থেকে আমদানি-রপ্তানি চালু হবে সেটা ওপারের সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা বলতে পারছে না।

উল্লেখ্য, দেশের সরকার অনুমোদিত ২৩টি স্থলবন্দরের মধ্যে চলমান ১২টি বন্দরের অন্যতম বেনাপোল স্থলবন্দর। এ বন্দর থেকে ভারতের কলকাতা শহরের দূরত্ব ৮৩ কিলোমিটার। মাত্র ৩ ঘণ্টায় একটি পণ্যবাহী ট্রাক আমদানি পণ্য নিয়ে পৌঁছাতে পারে কলকাতা শহরে। তেমনি একই সময় কলকাতা থেকে পণ্যবাহী ট্রাক পৌঁছায় বেনাপোল বন্দরে। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়াতে এপথে ব্যবসায়ীদের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে প্রবল আগ্রহ রয়েছে। প্রতিবছর এ বন্দর দিয়ে
প্রায় ৮০ হাজার মে. টন পণ্য আমদানি হচ্ছে। যা থেকে সরকার প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে থাকে।
আমদানি পণ্যের মধ্যে গার্মেন্টস সামগ্রী, তৈরি পোশাক, শিল্পকারখানা ও ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল, শিল্প প্রতিষ্ঠানের মূলধনী যন্ত্রপাতি, কেমিক্যাল, খাদ্যদ্রব্য, চাল, পিয়াজ, তুলা, বাস, ট্রাক ট্যাসিস, মোটরসাইকেল এবং পার্টস ও টায়ার রয়েছে। রপ্তানি পণ্যের মধ্যে পাট ও পাটজাত দ্রব্য, সাদা মাছ, ব্যাটারি, ওভেন গামেন্টস, নীটেড গামেন্টস, নীটেড ফেব্রিকস, কর্টন র‌্যাগস (বর্জ কাপড়) উল্লেখ্যযোগ্য

বেনাপোল রেলস্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান বলেন, ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় গত ২৫ মার্চ থেকে রেলপথে ভারতের সাথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। গত ১০ মে রেলপথে কিছু ফ্লাই অ্যাশ এসেছে। এখনও প্রবেশের অপেক্ষায় ওপারেও আটকা পড়ে আছে শিল্পকারখানার কাঁচামাল, ফ্লাই অ্যাশ (সিমেন্ট কারখানায় ব্যবহৃত), তুলা, পাথর, জিপসাম, গমসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য। ভারত অংশে লকডাউন না ওঠা পর্যন্ত বাণিজ্য সচলের সম্ভবনা কম বলে জানান তিনি।

বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক বলেন, অনেক দাবি জানিয়ে একমাস পর বেনাপোল বন্দরে বাণিজ্য সচল হয়েছিল। স্বল্প পরিসরে দুই দিন আমদানি চলে তা আবার বন্ধ হলো। কবে খুলবে তার কোনো নিশ্চয়তা নাই। এতে আটকে থাকা পণ্যে তারা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে খোলা রাখা শিল্প কারখানাগুলোতে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব জানান, ভারতে যাত্রী প্রবেশ নিষেধ রয়েছে। তবে ভারত থেকে ফিরছেন বাংলাদেশিরা। যারা ফিরছেন তাদের প্রাথমিক স্বাস্থ পরীক্ষা শেষে বেনাপোল পৌর বিয়ে বাড়ি ও যশোর গাজীর দরগা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে। সেখানে ১৪ দিন অবস্থানে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি মুক্ত হলে তাদেরকে বাড়িতে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা নাসিদুল হক বলেন, ভারত থেকে পণ্য প্রবেশ না করায় বাণিজ্য সচল করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে বেনাপোল কাস্টমস হাউজ খোলা আছে। এবং বন্দর পণ্যগার থেকে পূর্বেও আমদানিকৃত পণ্য কেউ খালাস নিতে চাইলে তা দেওয়া হচ্ছে।

বেনাপোল বন্দরের উপ পরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল জলিল বলেন, পশ্চিমবঙ্গে লকডাউনের কারণে পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে কোনো পণ্যবাহী ট্রাক বেনাপোল বন্দরে ঢুকছে না। বেনাপোল বন্দরেও রপ্তানি পণ্য নিয়ে ভারতে ঢোকার অপেক্ষায় আটকে পড়েছে ট্রাক চালকরা। তবে যাতে স্বল্প পরিসরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সচল হয় তার জন্য সব ধরনের চেষ্টা তারা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ব্রাকের মানবিক সহায়তা অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলীতে মানবিক সহায়তা সরূপ অসহায়দের মাঝে মঙ্গলবার ঈদ সামগ্রী বিতরন করেছে বেসরকারি সংস্থা ব্রাক।

ব্রাকের গ্রাম সামাজিক শক্তি কমিটির উদ্যোগে উপজেলার বড়ভাইজোড়া, দক্ষিণ ঝাড়াখালী ও অংকুজানপাড়ার ইউপিজি সদস্যদের মধ্য হতে ২৫জন অসহায় পরিবারের নারীদের মাঝে এ ঈদ সামগ্রী বিতরন করেন।ঈদ সামগ্রী’র প্রতি প্যাকেটে ১ কেজি সেমাই, ৫০০গ্রাম চিনি ও ১ টি সাবান রয়েছে।ঈদ সামগ্রী বিতরন অনুষ্ঠাণে সভাপতিত্ব করেন বড়ভাইজোড়া এলাকার সমাজ সেবক আবদুস সালাম হাওলাদার।

এ সময় গ্রাম সামাজিক শক্তি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান, মো. জহিরুল ইসলাম, শংকর কুমার বিশ্বাস, ইউপি সদস্য জোসনা বেগম, মো. সোহাগ মিয়া, মো. গোলাম কবির, উচানমং, মো. মিজানুর রহমান, আবদুস সত্তার, খোকন মজুমদার, সুভাষ সরকার, আফরোজা বেগম ও কাজলা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

রাণীশংকৈলে বুরো বাংলাদেশ এনজিও’র উদ্যোগে ৫০০ কর্মহীনদদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় চলমান করোনা মোকাবেলায় বুরো বাংলাদেশ এনজিও’র উদ্যোগে ৫০০ জন কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

১১ মে সোমবার সকালে রাণীশংকৈল মহিলা ডিগ্রী কলেজ মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বুরো বাংলাদেশ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

প্রতিজন কর্মহীন ব্যক্তিকে খাদ্য সামগ্রী হিসাবে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু , ২’শ গ্রাম গুড়াদুধ, ১ কেজি চিনি, ১ কেজি লবন, ২ টি সাবান, ২ টি মাক্স, ১ লিটার সোয়াবিন তেল ও ১ প্যাকেট সামাই দেওয়া হয়েছে।

বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম‍্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী আফরিদা, মহিলা ভাইস চেয়ারম‍্যান শেফালী বেগম, উপ সহকারি প্রকৌশলী (পিআইও অফিস) তাজউদ্দীন আহম্মেদ , বুরো বাংলাদেশ এনজিও’র জোনাল ম‍্যানেজার আউলাদ হোসেন, এরিয়া ম‍্যানেজার রনজিৎ কুমার শীল, শাখা ব‍্যবস্থাপক রায়হান আহমেদ, প্রমুখ।

রাজাপুরে জুয়া খেলায় বাঁধা দেয়ায় ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু হয়েছে।

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি রাজাপুর উপজেলায় জুয়া খেলা বাঁধা দেয়ায় ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন মা।

১১/০৫/২০২০ইং তারিখ সোমবার সকালে বরিশাল শের-ইং বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধী অবস্থায় বাবার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান রাজাপুর থানার ওসি মো. জাহিদ হোসেন।

নিহত বাবা মো. ইসমাইল আকন (৫২)উপজেলার শুক্রাগড় ইউনিয়নের কাঠিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রয়াত আব্দুল হামিদ আকনের ছেলে।

ওসি জাহিদ হোসেন জানান, রবিবার সন্ধ্যায় ছেলে মাহফুজ আকন (২২) জুয়া খেলার একটি কোড ও গুটি নিয়ে নিজের বাড়িতে রাখে।

বিষয়টি বাবা মো. ইসমাইল আকনের চোখে পড়লে তিনি জুয়া খেলার সরঞ্জামগুলো ফেলে দেন। এতে পিতা-পুত্রের মধ্যে বাককিতণ্ডা হয়। মা রোকেয়া বেগম বাকডিতন্ডা দেখে এগিয়ে আসেন। এসময় লাঠি দিয়ে জুয়াড়ি পুত্র মাহফুজ আকন বাবা-মাকে আঘাত করে।

এতে ইসমাইল আকন ও রোকেয়া বেগম রক্তাক্ত জখম হলে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে তাদের আশংঙ্কজনক অবস্থায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সোমবার সকালে বাবা ইসমাইল আকন বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মা রোকেয়া বেগমও গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছে তার অবস্থাও আশংকাজনক বলে জানা গেছে।

রাজাপুর থানার ওসি মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ঘাতক পুত্র মাহফুজ আকন কে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে ।

মাগুরায় নতুন করে ২ জনের করোনা শনাক্ত

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরায় সংবাদকর্মীসহ নতুন করোনা শনাক্ত ২ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা সনাক্ত ১১ জন। এদের মধ্যে প্রথম দিকে শনাক্ত ৩ জন পরপর দুটি টেস্টৈ নেগেটিভ হওয়ায় তাদেরকে আজ সুস্থ ঘোষণা করেছে সিভিল সার্জন।

মাগুরা সিভিল সার্জন ডাঃ প্রদিপ কুমার সাহা জানান, আজ সোমবার মাগুরায় নতুন করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ জন। তাদের মধ্যে একজন (২৩) শহরের কলেজ পাড়ার বাসিন্দা, ঢাকা ট্রিউবিউন এর অনলাইন সংবাদকর্মী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। অন্যজন (৫৯) শহরের নিজনান্দুয়ালী বৌবাজার এলাকার বাসিন্দা, যিনি যশোর সিভিল সার্জন অফিসের ম্যাকানিক। তারা সবাই হোম আইসোলেশনে আছে।

এর আগে জেলায় ৯জন করোনা সনাক্ত ছিলো । তার মধ্যে মাগুরা সদরে ৩জন, মাগুরা শ্রীপুরে ৪জন ও মাগুরা শালিখায় ২জন। আক্রান্তরা হচ্ছে মাগুরা পুলিশ লাইনের এক পুলিশ সদস্য ও পার্শ্ববর্তী কলেজ পাড়ার এক যুবক এবং মাগুরা শ্রীপুরে টুপি পাড়ার এক নারী ও হাজরাতলার এক কৃষক।

এছাড়া শালিখা থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এবং একজন মসজিদের ঈমাম। বাকি তিনজন সদর উপজেলার মৃগীডাঙ্গা ও শ্রীপুর উপজেলার জোতশ্রীপুর ও বাকেরা গ্রামের তারা সবাই আশুলিয়া ও নরসিংদী থেকে আসা পোশাককর্মী।

তবে কোনো উপসর্গ ছাড়াই আক্রান্ত এই ব্যক্তিরা শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন এবং তারা হোম আইসোলেশনে আছেন। এদের মধ্যে প্রথম দিকে শনাক্ত ৩ জন পরপর দুটি টেষ্টে নেগেটিভ হওয়ায় তাদেরকে আজ সুস্থ্য ঘোষনা করেছে মাগুরা সিভিল সার্জন এবং সেসব এলাকা থেকে আজ সকালে লকডাউন তুলে নেওয়া হয়েছে।

১০ হাজার পরিবারে পাশে কুমিল্লা মডেল কলেজ

এ আর আহমেদ হোসাইন ,দেবীদ্বার- কুমিল্লা প্রতিনিধি : চলমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় কুমিল্লার দেবীদ্বারে ১০ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা দিতে কার্যক্রম শুরু করেছে কুমিল্লা মডেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কালাম আজাদ।

এতে ৮ কেজি চাল, ২ কেজি আটা, ১ কেজি মুসুরী ডাল, ২ কেজি আলু ও ১ কেজি মটর ডাল রয়েছে।

সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টায় উপজেলার নবীয়াবাদ এলাকার কলেজ মাঠে থেকে ওই কার্যক্রম শুরু করেন তিনি।

মাঠ জুড়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে গোল বৃত্তে অবস্থান নিশ্চিত করে কার্যক্রম শুরুতে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন ঢাকা গ্রæপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ।

এসময় তার প্রতিষ্ঠিত কলেজের সৌজন্যে উপজেলা জুড়ে ১০হাজার পরিবারকে বিনা মূল্যে ওই খাদ্য সহায়তা বিতরণ কাজ শুরু করা হয়।

তিনি জাানান- উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ১০টি কাভার্ডভ্যান যোগে ওই খাদ্য সহায়তা পৌঁছানোর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি নি¤œ মধ্যবিত্তদের জন্য ঢাকা গ্রæপের সৌজন্যে আরও ১০ হাজার পরিবারে ভর্তুকিতে ৫শ টাকায় ২০ কেজি চাল বিতরণের কার্যক্রম এবং ৯ম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীতে অধ্যয়ণরত শিক্ষার্থীদের পরিবার কলেজের হটলাইন নম্বরে ফোন করে সহায়তা চাইলে তাদের নাম-পরিচয় গোপন রেখে বাড়িতে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

তার এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রেখেছেন কলেজ অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন লিটন, বরকামতা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নূরুল ইসলাম, এড. মো. জাহাঙ্গীর আলম ভ‚ইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন, বরকামতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মো. বশির আহম্মেদ, কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা লিটন সরকার, ইউপি মেম্বার সফিকুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতা শাহআলম, তপন দত্ত, দেবীদ্বার উপজেলা ছাত্রলীগ যুগ্ম আহবায়ক মো. মামুনুর রশিদ প্রমুখ।

ধামরাইয়ে ২৪ ঘন্টায় করোনায় আরো এক জনসহ মোট আক্রান্ত ১১

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) : ঢাকার ধামরাইয়ে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আরো এক জনসহ মোট আক্রান্ত ১১ জন।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নূর রিফফাত আরা।

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিলেও ধামরাই উপজেলা ছিলো প্রথম দিকে সংক্রমণ মুক্ত কিন্তু সত সচেতনতা আর দূরত্ব বজায় রেখেও ধামরাইয়ে এখন পযন্ত ১১ জন আক্রান্ত। এদের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন আছেন ৩ জন, ১১/০৫/২০২০ইং এ পর্যন্ত নমূনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৪৫৭ জনের, এর মধ্যে এ পর্যন্ত সর্বমোট আক্রান্ত হয়েছে ১১ জন, এদের মধ্যে প্রথম দিকে আক্রান্ত হওয়া ৩ জন সুস্থ হয়েছেন এরা দুইজন বাসায় থেকে সুস্থ হয়েছেন আর এক জন প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে থেকে সুস্থ হয়েছেন। এদের মধ্যে দুজন নারী ও একজন পুরুষ।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নূর রিফফাত আরা বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবেলা ঘরে অবস্থান করুন ও দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্য বিধি মনে চলোন নিজে সচেতন হন এবং অন্যকে সচেতন করুন, সচেতনতায় আমাদেরকে এই ভাইরাস থেকে দুরে রাখতে পারে।

মাগুরার আশা’র ৭’শ প্যাকেট খাদ্য সহায়তা প্রদান

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার করোনা পরিস্থিতিতে অসহায়দের সাহায্যার্থে পাশে দাঁড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আশা মাগুরা সদর ব্র্যাঞ্চ। সোমবার এনজিওটি জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সুফিয়ানের কাছে সদর উপজেলার গরীব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের জন্য ৭’শ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেছে।

বিকাল ৩ টায় জেলা প্রশাসক ড.আশরাফুল আলমের নিকট ৫’শ প্যাকেট ও সকালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সুফিয়ানের নিকট ২’শ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেছে।

এ সময় আশা’র ডিভিশনাল ম্যানেজার উত্তম কুমার ভৌমিক, জেলা ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম, রিজিওনাল ম্যানেজার মোঃ কামরুজ্জামান ও সদর ব্র্যাঞ্চ ম্যাানেজার মাহবুবুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

আশা’র ডিভিশনার ম্যানেজার উত্তম কুমার ভৌমিক জানান, করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় আশা’র সহযোগিতায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। আমরা মাগুরা জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট ৭’শ খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছি। এখানে প্রতি প্যাকেটে পরিবার প্রতি ১০ কেজি চাল,২ কেজি ডাল,২ কেজি আলু, ১ কেজি তেল ও ১কেজি লবণ রয়েছে। পাশাপাশি জেলার শ্রীপুর, শালিখা ও মহম্মদপুর উপজেলা ২’শ করে প্যাকেট খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেট...