বেনাপোল প্রতিনিধি: করোনা বিস্তার প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে চলছে সেনাবাহিনী ও সরকারের অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী সহ ম্যাজিস্ট্রেসি অভিযান।শনিবার(২৮ শে মার্চ) সারাদিন শার্শা উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ খোরশেদ আলম চৌধুরী সেনাবাহিনী, বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ও সরকারের অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালান।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তার দল নিয়ে বেনাপোল বাজার এলাকার, বন্দর এলাকা, কলেজ মোড়, বোয়ালিয়া বাজার, শাখারীপোতা বাজার এলাকায় জনসচেতনামূলক প্রচার অভিযান চালান। করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে করণীয় দিক গুলো সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিত করেন শার্শা উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট।
অভিযান কালীন তিনি সাংবাদিকদের বলেন, পরবর্তী সরকারি নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি নির্দেশনা প্রচারণায় এবং এলাকার জনসাধারণকে সচেতন করে তুলতে জনসাধারনের পাশা পাশি সাংবাদিদের ও সহযোগীতা কামনা করেন।
বেনাপোলে অভিযান চলাকালীন মিডিয়া কাভারেজের জন্য সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোল এর সাংবাদিকরা অভিযানের সাথে ছিলেন।
নিউইয়র্কে অবস্থানরত চলচ্চিত্র তারকা কাজী মারুফ জানিয়েছেন তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত নন। তার স্ত্রী রাইসাও সুস্থ আছেন।শনিবার রাতে মারুফের বাবা প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা কাজী হায়াৎ জানান, মারুফ এবং তার স্ত্রী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তার বরাতে দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে মারুফের করোনা আক্রান্তের খবর প্রকাশিত হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মারুফ বলেন, গতকাল নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় নিজের জ্বর হওয়ায় রাইসা ভীত হয়ে পড়ে। এই খবর সে আমার শাশুড়িকে জানায়। আমার শাশুড়ির কাছ থেকে বাবা (কাজী হায়াত) খবরটা জেনেই হয়তো উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।
মারুফ বলেন, আমার স্ত্রীর জ্বর হয়েছে তবে তা কভিড-১৯ না। আর আমি সম্পূর্ণ সুস্থ আছি।
নিউইয়র্কের রিচমন্ড হিল এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকা মারুফ জানান, জ্বরের কারণে সবার নিরাপত্তার কথা ভেবে আইসোলেশনে আছেন রাইসা।
তিনি বলেন, দুই সপ্তাহ ধরে সন্তানদের স্কুল বন্ধ। বড় ধরনের প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না তাঁরা কেউ।
এদিকে কাজী হায়াতের সহকারী পরিচালক সর্দার মামুন সময় নিউজকে জানান, মারুফ এবং তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হননি। মারুফের স্ত্রীর গেল কয়েকদিন থেকে ঠাণ্ডা জ্বর। এই কারণে দুই বাচ্চা ও স্বামীর কথা চিন্তা করে ডুপ্লেক্স বাড়ির দোতলায় স্ত্রী ও নিচে বাচ্চাদের নিয়ে মারুফ থাকছেন।
তিনি জানান, রাইসার জ্বর হলেও করোনা কিনা তা এখনও পরীক্ষা করা হয়নি। তবে এন্টিবায়োটিক খাওয়ানো হচ্ছে।
এ আর আহমেদ হোসাইন(দেবীদ্বার- কুমিল্লা)প্রতিনিধি :কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সারা দেশের ন্যায় হলুদ পোশাক পরিহিত দেবীদ্বার থানা পুলিশ জনসচেতনতায় পৌরসভা কুমিল্লা -সিলেট মহাসড়কের প্রধান স্থানগুলো ঘুরে টহল মোহরা করেন।থানা অফিস্যার ইনচার্স মোঃ জহিরুল আনোয়ার তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিকাল ৫ টায় বাজার মনিটরিং পথচারী লোকসমাগমসহ তধারকী করেন।
ওই সময় অফিসার ইনচার্স মোঃ জহিরুল আনোয়ার পথচারীদে উদ্দেশ্য বলেন- বিনা কারনে কেউ রাস্তায় হাটাঁ-হাটিঁ করবেন না। নিজে বাচুঁন অপরকে বাচাঁতে সুযোগ করে দিন। অন্যথায় আইনানুগ ব্যাবস্থা নিতে আমরা পুলিশ প্রশাসন প্রস্তুত।
বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল নবজাগরন সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি’র পক্ষ থেকে অসহায় এবং দু:স্থদের মাঝে চাল,ডাল,আটা,তেল ও সাবান বিতরন করা হয়।সমিতি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, করোনা ভাইরাস বিস্তার প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনায় প্রত্যেক কে ঘরে অবস্থান(হোম কোয়ারেন্টাইন) করতে হবে। একমাত্র প্রয়োজন ব্যাতিরেকে কেহই ঘর থেকে বের হতে পারবেন না সরকারিভাবে এরকম ঘোষনা হওয়ায় সমাজে অসহায়,দু:স্থ এবং দিন মুজুর খেটে খাওয়া মানুষগুলো সবথেকে বেশী বিপদগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায়,সমাজের ঐ সকল অসহায় মানুষদের কথা চিন্তা করে তারা এই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়।
বৃহস্পতিবার(২৬ মার্চ) নব জাগরন সমিতি’র সভাপতি তার সাধারন সদস্যদের সাথে নিয়ে বেনাপোল বন্দর,কাস্টম হাউজ চত্ত¡র,পোর্টথানাধীন ভবারবেড় গ্রাম ও বেনাপোল বাজার এলাকায় তারা এই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি’র বিতরন কার্যক্রম চালায়। বিতরন কার্যক্রমে এশিয়ান টিভি’র বেনাপোল প্রতিনিধি মো:রাশেদুজ্জামান বাপ্পী ও দৈনিক খবরপত্র পত্রিকার বেনাপোল প্রতিনিধি মো:আউয়াল হোসেন অংশ নেন।
বিতরন মুহুর্তে সমিতি’র সভাপতি বলেন, দেশের ক্রান্তিলগ্নে অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাড়ানো সামর্থবানদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য,সাহায্য সহযোগীতা নিয়ে দু:স্থদের পাশে থাকার এটিই সর্বোৎকৃষ্ট সময়,এসময়কালীন অনেকেই ঠিকমত দু-বেলা দু-মুঠো ভাত খেতে পারছে না। আমাদের আজকের এই সাহায্য সহযোগীতা যদি কিছু অসহায় মানুষের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করে,তাতেই আমাদের সার্থকতা। সমিতি’র সভাপতি সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানান। বিতরন কার্যক্রমের পাশাপাশি করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে সতর্কতামুলক প্রচারভিযানও চালায় তারা।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি ঃ গতকাল শুক্রবার সকালে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ঘাসিয়াড়া গ্রামের গোরস্থান এলাকার কাঁঠাল গাছ থেকে বাবলু সাহা (৫৮) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ । নিহত ব্যক্তির বাড়ি ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার মচলন্দপুর গ্রামে । সে পরেশ চন্দ্র সাহার ছেলে।
নিহতের ছোট ভাই মুকুল চন্দ্র সাহা জানান, তার বড় ভাই বাবলু সাহা একজন চাউল ব্যবসায়ী । সে গত বৃহস্পতিবার সকালে মাগুরা মোকামে চাউল কেনার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় । সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত পেরিয়ে গেলেও সে আর বাড়িতে ফিরে আসে নাই । পরদির অর্থ্যাৎ শুক্রবার সকালে শ্রীপুর থানা পুলিশের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে তার ভাই ঘাসিয়াড়া গ্রামের গোরস্থান এলাকার একটি কাঁঠাল গাছে সাথে রঁশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগা অবস্থায় ঝুলছে । সংবাদ পেয়ে দ্রত ঘটনাস্থলে পৌছে থানা পুলিশ, ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় লোকজনের সহয়োগিতায় তার ভাইয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে তার ভাইয়ের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তিনি কিছুই বলেননি ।
এবিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহাবুবুর রহমান বলেন,ঘাসিয়াড়া গ্রামের গোরস্থান এলাকার নজরুল ইসলামের পুকুর পাড়ের একটি কাঁঠাল গাছের সাথে গলায় রঁশি দিয়ে ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির লাশ স্থানীয় লোকজন দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় ।
পুলিশ সংবাদ পেয়ে পরিবারের লোকজন ও ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় লাশটি উদ্ধার করে মাগুরা মর্গে প্রেরণ করেন। তবে লাশের গায়ে কোন আঘাতের চিহ্ন না থাকায় প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
চুড়ান্ত ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
বিপ্লব , সাভার : সারা দেশের ন্যায় সাভারেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী কাজ শুরু করেছে। একই সাথে সেনা সদস্যরা বিদেশ ফেরত প্রবাসীদের নজরদারীতে রেখছেন, তারা যথা নিয়ম মেনে হোমকোয়ারেন্টাইন পালন করছে কিনা।শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা এই কর্যক্রম শুরু করে।সেনাবাহিনীর এই কর্যক্রমের সার্বিক তদারকির দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ জানান, সাভার-আশুলিয়ার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কসহ পাড়া মহল্লায় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা দুটি দলে ভাগ হয়ে টহল শুরু করেছে।
একই সাথে সেনা সদস্যরা বিদেশ ফেরত হোমকরেনটাইনে থাকা ব্যক্তিদের নজরদারীতে রাখছেন। তারা নিয়ম ভেঙে বাহিরে ঘোরাঘুরিসহ পরিবারের লোকজনদের সাথে মেলামেশা করছে কিনা? এসব বিষয় গুরুত্বের সাথে তদারকি করে যাচ্ছেন তারা।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরো জানান, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে সেনা সদস্যরা কাজ চালিয়ে যাবেন। এছাড়া করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে মাঠে পুলিশ প্রশাসনও কাজ করছে বলে তিনি জানান।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি :মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রামে প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে গতকাল শুক্রবার বিকালে টিন ও নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ ৫০ টি পরিবারকে ১ বান্ডিল টিন ও নগদ ৩ হাজার করে টাকা এবং ২৫ টি পরিবারকে নগদ ২ হাজার করে টাকা ও ১ হাজার পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৪ মার্চ গভীর রাতে উপজেলার ৪ টি ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রামে শতাধিক ঘর-বাড়ি ও প্রায় ১৩ শ ২ হেক্টর জমির রবি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি ও প্রচুর বন্য পাখির মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সে দিনই মাগুরার জেলা প্রশাসক ডক্টর আশরাফুল আলম, উপজেলা চেয়ারম্যান মিয়া মাহমুদুল গনি শাহিন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জাহিদুল আমিন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াছিন কবীর, থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুবুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সালমা জাহান নিপা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলেন।
তারই প্রেক্ষিতে গতকাল শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলা চেয়ারম্যান মিয়া মাহমুদুল গণি শাহিন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর,শ্রীপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান মসিয়ার রহমান ক্ষতিগ্রস্থ ঘরের মালিকদের টিন ও নগদ টাকা এবং কৃষকদের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
রানীশংকৈল (ঠাকুরগাঁঁও)প্রতিনিধিঃ করোনা সংকট মোকাবেলায় ” সবার উপরে দেশ, দেশের উন্নয়ন, করি মূল্যায়ন “এমন একটি শ্লোগানকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলাতে ২৭ মার্চ শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চাঁদনী মহাসড়ক সহ পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে, যানবাহনে জীবাণু নাশক বিনামূল্যে স্প্রে করতে দেখা যায়।
এটি একটি স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যানমূলক সংগঠন। কয়েকদিন থেকেই পৌরশহরে বিভিন্ন এলাকায় তারা এ কাজ করে যাচ্ছেন। জানা যায়, বাংলাদেশ সোসাইটি অফ ক্নিনার্স এর উদ্যোগে আহবায়ক আহসান হাবিবের নেতৃত্বে ক’জন তরুণসহ এ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। সংগঠনটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, পৌরশহরের, সানোয়ার হোসেন, সোহেল রানা ও হযরত আলী
তাঁরা জীবাণুনাশক পাউডারের সাথে পানি মিশিয়ে বিভিন্ন দোকানপাট, রিক্সা-ভ্যান, হালকা যান,মোটরগাড়ি, বাইসাইকেল, ক্লিনিক, মসজিদ ও দূরপাল্লার পিকআপে ব্লিচিং পাউডারের মাধ্যমে স্প্রে করে সাধারণ মানুষের জন্য সমাজ কল্যাণমূলক সেবা করে যাচ্ছেন। এ নিয়ে বিভিন্ন সচেতন মহলে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির মহৎ উদ্যোগের জন্য তাঁরা বেশ সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে ।
আহসান হাবিব বলেন, করোনা মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা জনস্বার্থে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাবো ইনশাল্লাহ্ ।
ঝালকাঠি প্রতিনিধি: দেশে চলমান করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গনপরিবহন বন্ধ করতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত ২৫/০৩/২০২০ইং তারিখ বুধবার বিকেলে বরিশাল-খুলনা মহাসড়কের ঝালকাঠি প্রেট্রোল পাম্প মোড় এলাকায় জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) আহমেদ হাসানের নেতৃত্বে একাধিক মেজিষ্ট্রেট নিয়ে গঠিত একটি টিম ভ্রাম্যমান আদলত পরিচালনা করেন।
এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকরা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার কারনে সৃষ্ট জনদূর্ভোগের ছবি তুলতে গেলে ভ্রাম্যমান আদলতের নির্বাহী মেজিষ্ট্রেট ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) আহমেদ হাসান স্থানীয় সাংবাদিকদের ছবি তুলতে বাঁধা প্রদান করেন।
এ বিষয় ঘটনা স্থানে উপস্থিত ঝালকাঠির সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন ও রিয়াজ মোর্শেদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা জানান, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় ঘটনা স্থলে জনদূর্ভোগ শুরু হওয়ার খবর পেয়ে আমরা ঘটনা স্থলে যাই এবং সেখানে গিয়ে সাংবাদিক রিয়াজ মোর্শেদ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বরিশাল এবং খুলনা রুটে মাহিন্দ্র এবং বিভিন্ন যান যোগে নারী পুরুষ ও শিশুরা দক্ষিনাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে।
গোধুলি লগ্নে এনডিসির নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে মাহিন্দ্র ও গনপরিবহন যোগে আসা নারী পুরুষ ও শিশু যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছেন, অপরদিকে গাড়ী চালককে জরিমানা করছেন।
এ সময় ঘরে ফেরা দূর্ভোগের সম্মুখীন যাত্রীদের ছবি তুলতে গেলে বিষয়টি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এনডিসি দেখতে পেয়ে আমাদের ডাক দেন। তার কাছে যাওয়ার সময় দূর থেকে জন সম্মুখে আমাদের কাছে জানতে চান আমরা বিনা অনুমতিতে কেন ছবি তুলছি। একই সাথে তিনি রিয়াজের পরিচয় জানতে চাইলে রিয়াজ একজন সংবাদ কর্মী পরিচয় দিলে এনডিসি আহমেদ হাসান রিয়াজকে বলেন, আপনি আমাদের ছবি তুলছেন কেন ? আমাদের অনুমতি নিয়েছেন ? অনুমতি না নিয়ে কেন ছবি তুলছেন ? ছবি বা ভিডিও করতে আমাদের অনুমতি লাগবে। অনুমতি ছাড়া ভিডিও করা বা ছবি তোলা যাবে না। সাংবাদিক ও এনডিসির কথোপকথনের সময় ৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রকাশ হলে ঝালকাঠি জেলা সহ বিভিন্ন এলাকার সাংবাদিকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রয়া দেখা দেয়।
এ বিষয় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) আহমেদ হাসানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, সাংবাদিকগন যেভাবে বলেছে আসলে বিষয়টি প্রকৃত ভাবে সেরকম হয়নি। কোভিড-১৯ উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার দেশব্যাপী গনপরিবহন বন্ধে উদ্যোগ নেয়। আর এ জন্য ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের নির্দেশে প্রশাসনের পক্ষ থেকে চলমান পরিস্থিতিতে গনপরিবহন বন্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করতেছি। হঠাৎ দেখতে পাই দূর থেকে একজন লোক আমাদেরকে কার্যক্রম ভিডিও করছে। আমি তাদেরকে ডাক দিয়ে কেন ভিডিও করছেন জানতে চাই এ সময় তারা সাংবাদিক পরিচয় দিলে আমি তাদের সাথে আর কোন কথা বলিনি। বিষয়টি নিয়ে তারা আমাকে ভুল বুঝছে। যেহেতু প্রথমত দূর থেকে ভিডিও করছে, সে ক্ষেত্রে তাদের দূর থেকে অপরিচিত তথা গাড়ীর যাত্রী মনে করে ডাক দেই সেই সাথে ভিডিও করার কারন জানতে চেয়েছি।
এ বিষয় ঝালকাঠি মিডিয়ার ফোরাম সাংবাদিক সংগঠন সভাপতি মনির হোসেন সহ অন্যান্য সাংবাদিকরা জানান, দেশে বিভিন্ন বিষয় যেমন ক্যাসিনো কান্ড, দ্রব্যমূল্য উর্ধগতি সহ অনেক বিষয় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। তখন প্রেস ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা প্রশাসনের পাশে থেকে আদালত পরিচালনার সময় সরাসরি লাইভ সম্প্রচার করার মাধ্যমে প্রশাসনের সংবাদ প্রকাশ করে।
কিন্তু ঝালকাঠিতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় সাংবাদিকরা জনদূর্ভোগের ছবি তুলতে গিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী মেজিষ্ট্রেট বাধা প্রদান করবেন অথবা তার অনুমতি নিয়ে ছবি তুলতে হবে এটা আমাদের জানা নেই। আমরা এ বিষয় উর্ধতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
বিপ্লব,সাভার ঃ শুক্রবার দুপুরে সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী রমজান আহমেদের নেতৃত্বে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতা মূলক বিভিন্ন এলাকায় মাক্স সাবান ও জীবাণু নাশক বিতরণ করেন । এছাড়াও তিনি বিভিন্ন পাড়া- মহল্লা ও বাসাবাড়ি রাস্তাঘাট মসজিদ-মাদ্রাসা ও স্কুলে করেনা ভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে জীবাণুনাশক স্প্রে করেন। এ সময় সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী রমজান আহমেদ বলেন , করোনাভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করায় সাভার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ও বাসাবাড়িতে প্রতিদিনই দলীয় নেতা-কর্মীদেরকে সাথে নিয়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে এলাকার সাধারণ মানুষের সুরক্ষায় কাজ করে যাবো ।
এসময় সাবান ও মাক্স বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও ১নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী রমজান আহমেদ সহ বিভিন্ন মহল্লার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যম কর্মীরা ।