জার্মান ত্রিপুরা,কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের ২০১২-১৩ সেশনের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে প্রশাসনের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানবন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বুধবার দুপুরে মূল ফটকের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ মানববন্ধন করেন।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারী দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে ২১ শে ফেব্রুয়ারীর প্রথম প্রহরের আগে ‘কবর’ নাটক মঞ্চস্থ করতে স্টেজে উঠে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার। কিন্তু সাড়ে ১১ টার দিকে সময় স্বল্পতার কথা বলে নাটকটি মাঝপথে থামিয়ে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং শুরু হয় আলোচনা সভা। নাটক থামিয়ে আলোচনা সভা করায় অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানায় থিয়েটারকর্মীরা।
এরই প্রেক্ষিতে থিয়েটারের প্রাক্তন সভাপতি ও আইসিটি বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জড়িয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন।
ফেসবুকে দেওয়া এই স্ট্যাটাসে ক্ষুব্ধ হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন মহল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি এই স্ট্যাটাসের ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর আবেদন করে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ছাদেক হোসেন মজুমদার বাদী হয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের ২৯ ও ৩১ নং ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। পাশাপাশি মেহেদীর সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এরই প্রেক্ষিতে শাস্তি মওকুফের দাবিতে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী অর্ক গোস্বামী বলেন, ‘মানুষ মাত্রই ভুলের উর্ধ্বে নয়। মেহেদী ভাই ভুল করেছে তার জন্য সে সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছে। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্তান ভেবে ক্ষমা করে দিবেন।’
৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাবেদ বলেন, ‘মেহেদী যা করেছে আমরা ও মনে করি তা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। কিন্তু অতীতে আমরা দেখেছি মেহেদী সবসময় চেয়েছে দেশের মানুষের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলে ধরতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিনিধিত্ব করেতে। সে তার ভুলের জন্য অনুতপ্ত। তাই আমরা প্রশাসনের কাছে বিনীত অনুরোধ তার বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে তা যেন প্রশাসন তুলে নেয় এবং তাকে মানবিক দৃষ্টিতে ক্ষমা করে দেয়।’
মানবন্ধনে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা মেহেদীর পক্ষে ক্ষমা চেয়ে বিভিন্ন পোস্টার নিয়ে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়াও গত দুদিনে মেহেদীর বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রায় তিন সহস্রাধিক শিক্ষার্থী গণস্বাক্ষর করেন বলে জানা যায়।
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকার উপকণ্ঠ সাভার উপজেলার ভাকুর্তা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হাজী আব্দুল বাতেন ভুমিদস্য চাদা বাজিসহ নানা অপকর্মে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। এলাকায় সৃষ্টি করছেন ত্রাসের রাজত্ব।এলাকার গরিব দুঃখি নিরিহ আসহায় ব্যক্তিদের জমি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে জোরপুর্বক দখল করা এবং অন্যদের মালিকানা জমিতে বিনা অনুমতিতেই ড্রেজার দিয়ে বালি ফেলে ভরাট করে জোরপুর্বক টাকা আদায় করাসহ বিভিন্ন কারখানা থেকে চাদা আদায় করার অভিযোগ উঠেছে মুগড়াকান্দা এলাকার হাজী আব্দুল বাতেনের বিরুদ্ধে।স্থানীয়রা বলেন, আব্দুল বাতেন এলাকার প্রভাবশালী নেতা হওয়ার কারনে তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেনা কেহ। ফলে এলাকার সাধারন নিরিহ মানুষগুলো তার কাছে জিম্মি হয়ে পরেছে।স্থানীয় কালু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, কিছু দিন আগে মধুমতি মডেল টাউনের পেছনে তার মালিকানা জমিটি আবদুল বাতেন তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে জোরপুর্ব দখল করে বাউন্ডারী র্নিমান করতে যায়। পরে এলাকাবাসির বাধার মুখে সবাই একজোট হয়ে ধাওয়া করলে সেখান থেকে পালিয়ে আসে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার এক ব্যাক্তি বলেন, মুগড়াকান্দা এলাকয় একটি অবৈধ টায়ার কারখানা, কয়লা কারখানাসহ বেশ কয়েকটি কারখানা থেকে প্রতি মাসে মোটা অংকের চাদা আদায় করেন আবদুল বাতেন ।
তিনি আরো বলেন, মুগড়াকান্দা এলাকায় অবৈধ চামড়া কারখানা বসিয়ে কারখানার মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাদা আদায় করেন।স্থানীয় কৃষক মোঃ আবদুল আলী বলেন, চামড়া কারখানার বিষাক্ত কালো ধোয়ায় ফসলের মারাত্বক ক্ষতি হচ্ছে। এছারাও এলাকার পরিবেশে বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে।
আবদুল বাতেন এলাকার প্রভাবশালী নেতা হওয়ার কারনে কারখানা বন্ধের ব্যপারে কেহ কথা বলতে সাহস পাচ্ছেনা।
ফলে এলাকাবাসিরা স্থানীয় চেয়ারম্যান ও প্রশাসনের প্রতি কারখানা বন্ধের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য জানিয়েছেন।
এ ব্যপারে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে হাজী আবদুল বাতেন তার সন্ত্রাসী বাহিনী মোঃ কবির, মোঃ নাদির, মোঃ মকলেছ গংদের কে দিয়ে নিরিহ বিভিন্ন মানুষের জোরপুর্বক জমি দখল ও জমজমাট মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। মোঃ মুকলেছ কিছুদিন আগে মাদক মামলায় জেল থেকে ছারা পেয়ে আসছে। এছারও মোঃ নাদির মাদক সেবনের কারনে কয়েক বার মাদক আসক্তি কেন্দ্রে ভর্তি ছিলে।
এসময় তিনি আরো বলেন, সে এলাকায় কয়েক বছর ধরেই আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে ভুমিদস্য মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করে দলেন ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করে চলেছে। এখনই তাকে থামানো বা, দলীয় ভাবে ব্যবস্থা না নিলে ভবিস্যতে আরো বড় ধরনের অপকর্মের কারনে দলের ভাবমুর্তি ক্ষন্ন হতে পারে।
মুগড়াকান্দা এলাকার মোঃ রহিম বলেন, কয়েকদিন আগে আবদুল বাতেনের নেতৃত্বে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আউয়াল মার্কেট এলাকায় ভাকুর্তা ইউনিয়ন ছাত্র লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রহমানের উপরে হামলা করে। এসময় সন্ত্রাসীরা তাকে এলোপাথারী ভাবে কুপিয়ে জখম করে রাস্তার ফেলে রেখে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
মুগরাকান্দা এলাকার মোঃ বিল্লাল হোসেন বলেন,গত দুইদিন আগে আবদুল বাতেন তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে রাতের আধারে তার বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।
এসময় সন্ত্রাসীরা বাড়ি সদস্যদের পিটিয়ে আহত করে ঘর বাড়ি ভাংচুর করে নগদ দশ লক্ষ টাকা ও দশ ভরি স্বর্ণালংকার লুটপাট করে নিয়ে যায়।
ভাকুর্তা ইউনিয়ন ছাত্র লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ রহমানের উপরে হামলার ঘটনায় এক বিচারের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দেন আবদুল বাতেন।
সৌমেন মন্ডল,তামিলনারু, ভেলর থেকেঃ বাংলাদেশের কাছে ভেলোরের আরেক নাম জীবন বাঁচানোর শহর! কারণ এই নগরী গড়ে উঠেছে ‘সিএমসি’ (ক্রিশ্চিয়ান মেডিক্যাল কলেজ),নারায়নী মেডিক্যাল এন্ড রিচার্স সেন্টারকে ঘিরে। চিকিৎসা জন্য আসা বাংলাদেশ এর জনোগন কাজের ফাঁকে অনেকেই ঘুরকে আসেন টিপুসুলতান এ।ভেলোরের শহরাঞ্চল খুব একটা বড় নয়। চারিদিকে পাহাড় আর পাহাড়।দেবতা মারুগান এসেছিল পদ্মপুকুরে। সেই পদ্মপুকুর হলো বর্তমান ভারতের ভেলোর সিটি। তামিলনাড়ু রাজ্যের শহর।
সিএমসি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নেওয়ার উদ্দেশে যারা এসেছেন তারা সায়দাপেট বাজার এর লজগুলোতে থাকেন। সেখানে থেকে হেঁটে গেলে ১৫ মিনিট লাগবে দুর্গে যেতে। টোটোতে গেলে ৭০-৮০ রুপির মধ্যে যাওয়া যায়।ভেল’ অর্থ উত্তাপ,আর ‘অর’ মানে জায়গা।
এই দুর্গের সবকিছুই পাথর দিয়ে তৈরি। এর নির্মাণশৈলী বিস্মিত করার মতো। সব মিলিয়ে অনন্য একটি স্থাপত্য।শুধু বাইরের সৌন্দর্যই নয়, দুর্গের ভেতরে আছে অসাধারণ সব ব্রোঞ্জের দেব-দেবীর মূর্তি-ভাস্কর্য। সেই সময়ের শিল্পিদের কারুকাজ দেখে চোখ কপালে উঠে যেতে পারে!টিপু সুলতানকে বলা হতো শের-ই-মহীশূর; অর্থাৎ মহীশূরের বাঘ। মজার বিষয় হলো, তাকে এই উপাধি দিয়েছিল নাকি তারই আজন্ম শত্রু ইংরেজরা।
ভেলর বাসি এখনও ভোলেনি টিপু সুলতান কে।তাকে নিয়ে গর্ব করে এখনও ভেলর বাসি।তাকে সম্মানের সঙ্গে ডাকে দ্যা টাইগার অফ ভেলর।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: ভারত-বাংলাদেশ উভয় দেশের সিএন্ডএফ এজেন্টদের আমদানি-রফতানি কাজে যাতায়াতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাধা দেওয়ায় দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল-পেট্রাপোল মঙ্গলবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভারতের সাথে আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে মালামাল আমদানি-রফতানি জন্য কাগজপত্র নিয়ে পেট্রাপোল বন্দরে প্রবেশ করতে গেলে হঠাৎ করে বিএসএফের বাধার মুখে পড়ে সিএন্ডএফ কর্মচারিরা।একই ভাবে ভারতীয় কর্মচারিরাও বেনাপোল চেকপোস্টে প্রবেশ করতে পারেনি। কাউকে প্রবেশ করতে দেয়নি বিএসএফ। এর ফলে উভয় বন্দরে কোন ট্রাক পণ্য নিয়ে আসতে ও যেতে পারেনি। উভয় দেশে প্রবেশের অপেক্ষায় পণ্য বোঝাই কয়েক হাজার ট্রাক আটকা পড়েছে। এর মধ্যে পঁচনশীল পণ্যও রয়েছে।তবে কাস্টমসের কর্মকর্তারর আমদানি-রফতানি সচল করতে ভারতীয় পেট্রাপোল বন্দরের কাস্টমস কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে কাস্টমসের কর্মকর্তারা।
বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, দ্রæত আমদানি-রফতানির সুবিধার্থে দুই দেশের সিঅ্যান্ডএফ স্টাফরা কাগজপত্র প্রস্তুত করতে বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের দেওয়া পরিচয় পত্রের মাধ্যমে যাতায়াত করে থাকেন। মঙ্গলবার সকালে কাগজপত্র নিয়ে ভারতে প্রবেশ করতে চাইলে বিএসএফ বাধা দেয়। তারা বলেন এভাবে প্রবেশ করা যাবে না। পাসপোর্ট নিয়ে প্রবেশ করতে হবে।
তারা বলেন, আমরা ভারতে এবং ভারতের সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা যদি কাগজপত্র আদান প্রদান করতে না পারি তবে ব্যবসা বাণিজ্য মুখ থুবড়ে পড়বে। এই কাগজ পত্র পেয়ে উভয় দেশে আইজিএম খোলা হয় তারপর মালামাল দুই দেশে প্রবেশ করে।কিন্তু হঠাৎ করে ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা স্টাফদের বন্দরে যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা জারি করায় আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
এদিকে আমদানি-রফতানি সচল করতে বুধবাার দুপুরে বেনাপোল চেকপোস্ট বন্দর টার্মিনাল মিলনায়তনে উভয় দেশের সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন ও কর্মচারি এসোসিয়েশনের নেতৃবন্দ প্রশাসনের সাথে এক বৈঠকে মিলিত হয়। বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃবন্দ জানান, ভারতীয় বিএসএফ তাদের জানিয়েছে মঙ্গলবার সকালে একটি আদেশ এসেছে যাতায়াত বন্ধে। এ বিষয়টি তাদের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের আদেশ। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বিএসএফ কাউকে যেতে দিচ্ছে না। এ অবস্থায় এ পথে আমদানি-রফতানি করা সম্ভব নয়। আমরা বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আমদানি-রফতানি কাজ দেখভালের দায়িত্ব ভারতের কাস্টমস কর্তৃপক্ষের।
কিন্তুু তারাও এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। বৈঠকে বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবির তরফদার, বেনাপোল কাস্টমমের সহকারি কমিশনার উত্তম চাকমা, বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান, বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন, সাবেক সভাপতি শামছুর রহমান, সহসভাপতি খায়রুজ্জামান মধু, কামাল উদ্দিন শিমুল, যুগ্ম সম্পাদক জামাল হোসেন, কাস্টমস সম্পাদক নাসির উদ্দিন, বন্দর সম্পাদক শাহাবুদ্দিন, সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুজিবর রহমান, সাধারন সম্পাদক সাজেদুর রহমান, ভারতের পেট্রাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রতন কুমার বিশ^াস, সাধারন সম্পাদক কার্ত্তিক চক্রবর্তী, সাবেক সভাপতি বিশ^জিৎ ঘোষ, বনগাঁ মোটর ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক দিলীপ দাস, মটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক প্রভাস কুমার প্রমুখ।
বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবির তরফদারবলেন, দীর্ঘদিনের যাতায়াতের বিষয়টি কোনো আলোচনা বা সময় না দিয়ে ভারতীয় বিএসএফের এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া সঠিক হয়নি। এ কারণেএ পথে দু‘দিন আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। বেনাপোল-পেট্রাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টের সাথে বৈঠক হয়েছে। তারা বিএসএফের সাথে কথা বলে দ্রæত আমদানি-রফতানি সচল করার চেস্টা করছেন। আমরাও পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বাণিজ্য সচল করার চেষ্টা করছি।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) : আজ ধামরাইয়ের বিভিন্ন স্কুলের মেধাবী ছাএীদের মধ্যে বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে ধামরাই উপজেলার এলজি এসপি-৩ এর আয়োজনে ৯০ টি সাইকেল বিতরণ করা হয়। বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা ২০ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজির আহমদ।এ সময় তিনি বলেন, আয়োজনটি অবশ্যই প্রশংসনীয়। এটি সরকারের উন্নয়নেরই একটি অংশ। তিনি শিক্ষা ক্ষেত্রে নারীদের প্রতি সরকারের বিভিন্ন সহযোগিতার চিত্র তুলে ধরেন। বলেন, নারীদেরকে সামনের সারিতে আনতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। ব্যতিক্রমী আয়োজন সেই উন্নয়নেরই ধারাবহিকতা অব্যাহত থাকবে । ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিউল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ছানিয়া আক্তার উপ-পরিচালক স্হানীয় সরকার (উপসচিব) ঢাকা, ধামরাই উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও ধামরাই উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাদ্দেস হোসেন, ধামরাই পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ধামরাই পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা, ধামরাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, (এলজিএসপি-৩) আওতায় বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ছাএীদের মাঝে এ বাই সাইকেল বিতরণ করা হলো। যারা সাইকেল পেয়েছে তারা সবাই অসচ্ছল পরিবারের। এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে।উক্ত অনুষ্ঠানে ছাএীরা বাইসাইকেল পেয়ে খুবই আনন্দিত।
আপেল মাহমুদ, নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর নিয়ামতপুর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ প্রেম সংক্রান্ত বিষয়ে ওয়ার্ড যুবলীগের এক নেতাকে পিটিয়ে আহত করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।আহত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর এ নিয়ে দফায় দফায় বৈঠকের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়া মারীয়া পেরেরা বিষয়টি সমাধান করে দেন।ভুক্তভোগী ইমরান হোসেন উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি। গত রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে থানায় ওসির কক্ষে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইমরান হোসেনের চাচাতো বোনের সঙ্গে মোবাইলে মহাদেবপুর উপজেলার এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই যুবক হরিপুর গ্রামে রোববার দুপুরে দেখা করতে যান।
যুবকের সঙ্গে মেয়েকে কথা বলতে দেখে এ নিয়ে ইমরান হোসেনের পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। পরে বিষয়টি থানা পর্যন্ত গড়ায়। ইমরান হোসেনের পরিবারের একপক্ষ ওই যুবকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করবে বলে জানায়। কিন্তু ইমরান অভিযোগ না দিয়ে স্থানীয়ভাবে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে চান।এ অবস্থায় ওসি আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে বলেন। কিন্তু এতে বাধা দেন ইমরান হোসেন। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে থানায় ওসির কক্ষে ইমরান হোসেনকে চড়-থাপ্পড় ও কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন ওসি। পরে ইমরান হোসেন সেখান থেকে চলে যান।ঘটনার পর দফায় দফায় বৈঠকের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়া মারীয়া পেরেরার মধ্যস্থতায় রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে বিষয়টি সমাধান করা হয়।শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাহারুল ইসলাম বলেন, শুনেছি ইমরানের চাচাতো বোনের সঙ্গে গ্রামে এক ছেলে দেখা করতে এসেছিল। এ নিয়ে ওই ছেলের সঙ্গে মেয়ের পরিবারের দ্বন্দ্ব হয়।
পরে অভিযোগ করার জন্য থানায় গেলে মারধরের ঘটনা ঘটে।নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা প্রণব কুমার সাহা বলেন, ইমরান বিকেলে হাসপাতালে আসেন। তার অভিযোগ ছিল তাকে মারধর করা হয়েছে। তবে তার শরীরে গুরুতর কোনো আঘাত আমরা পাইনি। পরে তিনি বলেন ঘাড়ে এবং কানে আঘাত পেয়েছেন। এরপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কানে ব্যথা পেয়েছেন তিনি। আমরা তাকে চিকিৎসা দিয়েছি।
এখন অনেকটা সুস্থ আছেন তিনি।নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদের বলেন, আসলে তাকে জোরে মারা হয়নি, যা আহত হওয়ার মতো ।নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়া মারীয়া পেরেরা বলেন, বিষয়টি তেমন কিছুই না। সাধারণ একটি বিষয়। উভয়পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে দেয়া হয়েছে।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরায় কালেক্টরেট সহকারীদের ৩ দিনের কর্মবিরতি গতকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে। কালেক্টরেট সহকারীদের পদ ও পদবী পরিবর্তনের দাবিতে গত ২০ জানুয়ারী থেকে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১শ কর্মচারি ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পূর্ণ দিবস কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে তারা। এতে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা সমস্যায় পড়ছেন।
মাগুরা কালেকটরেট সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাকের আহমেদ জানান, মাগুরা কালেক্টরেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় কালেক্টরেট সহকারীদের দীর্ঘ ২০ থেকে ৩০ বছর যাবত কোন প্রকার পদোন্নতি বা পদ পরিবর্তন হচ্ছে না। এর ফলে তারা চাকরির বৈধ সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এ অবস্থায় সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে একাধিকবার চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে তাদের বৈধ দাবী পূরণ হচ্ছে না। অথচ একই সময়ে চাকরি নিয়ে সচিবালয়ের সহকারীবৃন্দ ৩ থেকে ৪টি পদোন্নতি পেয়ে গেছেন। গত ২০ জানুয়ারী থেকে ৪ পর্বে দুই ঘন্টা, তিন ঘন্টা, অর্ধ দিবসসহ নানাবিধ কর্মবিরতীর মাধ্যমে আন্দোলন কর্মসূচী পালন করে আসলেও সরকারের কোন পদক্ষেপ না দেখে আমরা ৩ দিনের পূর্ণদিবস কর্মবিরতী পালন করতে বাধ্য হচ্ছি। আশাকারি সরকার আমাদের ন্যায্য দাবী মেনে নিবেন।
এদিকে, জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে ঘুরে দেখা গেছে অফিসের নিচতলার বারান্দায় ব্যানার টানিয়ে চেয়ার পেতে বসে কর্মবিরতি পালন করছেন সহকারীবৃন্দ। অফিসের সহকারীদের অধিকাংশ টেবিল চেয়ার ফাঁকা পড়ে আছে। অনেক সেবাগ্রহীতা সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
শেফালী খাতুন নামে এক নারী এ প্রতিনিধিকে জানান, ডিসি অফিসের কর্মচারিরা আন্দোলন করছেন। একটি দরখাস্ত দিতে এসে শুনলাম সবাই আন্দোলন করছে। আমি দরখাস্ত না দিতে পেরে ফিরে যাচ্ছি। আমার মত অনেকেই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
আপেল মাহমুদ,নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় চারটি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ৬ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমান আদালত। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টার পর্যন্ত উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের এসব ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাকছুদুল ইসলাম। এসময় পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকার মনিটরিং শাখার পরিদর্শক আসাদুল কিবরিয়া, পরিবেশ অধিদপ্তর নওগাঁর সহকারি পরিচালক মকবুল হোসেন, পরিবেশ অধিদপ্তর বগুড়ার গবেষনা সহকারি মাহমুদুল হাসান, র্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের ডিএডি কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও ফায়ার সার্ভিস কর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাকছুদুল ইসলাম জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই ইটকাটা ও পোড়ানোসহ কয়েকটি অভিযোগে উপজেলার চারটি ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর মধ্যে ছবিরন ব্রিকস, শিমুল ইন্টারপ্রাইজ ও এবিবি ব্রিকসের ৬ লাখ টাকা জরিমানাসহ ছবিরন ব্রিকসের এক লাখ কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়েছে ।
তিনি আরও বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে ভরট্ট কাঠেরডাঙ্গা গ্রামে স্থাপিত টিএসবি ব্রিকসের লোকজন পালিয়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মিদের সহায়তায় পানি দিয়ে এ ভাটার আগুন নিভিয়ে দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে ভাটামালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানান তিনি।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল পৌর শহরের আদূরে ঘুঘুডারা নামক স্থানে ২৫ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে প্রথমবারের মতো নির্মিত সাথী হিমাগার লিমিটেডের শুভ উদ্ভোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুহাঃ সাদেক কুরাইশী । সাথী হিমাগারের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক সিরাজির সভাপতিত্বে মিলাদ ও আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক সইদুল হক, পৌর মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আলমগীর সরকার, আ’লীগ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও শেফালী বেগম, জাপানী ইন্জিনিয়ার তাকিজওয়া, ইউসিবি ব্যাংকার মুন্নাবির আহমেদ খান, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জমিরুল ইসলাম ও সফিকুল ইসলাম মুকুল প্রমুখ। এছাড়াও এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, হিমাগারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা- কর্মচারী, ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
কুবি প্রতিনিধি: পাঁচ দফা দাবিতে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ (বিবিএ) ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে আন্দোলন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট অনুষদের শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার সকাল থেকে অনুষদের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে আন্দোলনে নামে তারা। পরবর্তীতে তারা অনুষদের সামনে থেকে সরে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে অবস্থান নেয়।শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবিগুলো হচ্ছে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের প্রত্যেকটি বিভাগের জন্য আলাদা ক্লাসরুম, প্রত্যেক বিভাগের জন্য আলাদা ল্যাব ও সেমিনার, শিক্ষকদের জন্য পর্যাপ্ত রুম, নামাজের জন্য আলাদা রুম, মেয়েদের জন্য স্বতন্ত্র আলাদা রুম ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের স্বতন্ত্র পরিচয় যেখানে অন্য কোনো বিভাগ ক্লাস করতে পারবে না।
আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, এতোদিন ক্লাসরুম সংকটে আমাদের ফ্যাকাল্টিতে সিইসি ও আইসিটি বিভাগ ক্লাস করেছে। তাই আমরা তাদের সাথে ক্লাসরুম ভাগাভাগি করেছি। কোনো আন্দোলন করি নাই। কিন্তু এখন এ বিভাগ দুইটি তাদের নিজেদের অনুষদে চলে যাওয়ায় আমাদের ক্লাসরুম ফাঁকা হয়েছে। তাই আমরা এখন আমাদের ক্লাসরুমের দাবীতে আন্দোলনে নেমেছি। আমাদের এ আন্দোলন কোনো বিভাগের বিরুদ্ধে নয়, বরং আমাদের প্রশাসনের বিরুদ্ধে।
জানা যায়, সম্প্রতি এ অনুষদটিতে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্ভুক্ত গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে বেশ কিছু ক্লাসরুম বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো: আবু তাহের প্রথমে কথা বলতে আসলেও শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে কোনো সমাধানে আসতে চায়নি। পরে তিনি জানান, ‘উপাচার্য না থাকায় ব্যাপারটি নিয়ে কোনো সমাধান হয়নি। আগামী রোববার বেলা ১২টায় উপাচার্য ও বিভাগীয় প্রধানদের উপস্থিতিতে সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।’ এ আশ্বাস পেয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিত করে।