27 C
Dhaka, BD
শনিবার, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬

গলাচিপায় মায়ের কোলে শিশু বাচ্চাকে ফিরিয়ে দিলেন ইউএনও

(পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর গলাচিপায় মায়ের কোলে শিশু বাচ্চাকে ফিরিয়ে দিলেন ইউএনও। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের দড়ি বাহেরচর গ্রামে শহিদ চৌকিদারের বাড়িতে। জানা যায় মো. জসিম চৌকিদারের মেয়ে কাকুলি বেগমের শিশু পুত্র মো. রাওফান ইসলাম রাব্বানি (৩ বছর ৪ মাস) কে ফিরে পেয়ে মা কাকুলি বেগম (২৭) আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। মো. রাওফান ইসলাম রাব্বানির বাবা হচ্ছেন মো. রাসেল বেপারী (৩০) হচ্ছেন একই ইউনিয়নের ভাংরা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দেলোয়ার বেপারীর ছেলে। কাকুলি বেগম বাদী হয়ে গলাচিপা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ছেলে ফিরে পাওয়ার আশায় ১০০ ধারায় এম,পি ২৫০/২০২৩ নম্বর মোকদ্দমা দায়ের করেন। তারিখ- ১২/০৪/২০২৩ খ্রি.।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ২৫২/২৩ নম্বর স্মারকে মো. রাওফান ইসলাম রাব্বানিকে উদ্ধারের জন্য (৩০ এপ্রিল) রবিবার সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করে গলাচিপা থানাকে নির্দেশ দেন। গলাচিপা থানার এসআই আব্দুর রহমান (০১ মে) সোমবার সকালে রাসেল বেপারীর বাড়িতে গিয়ে মো. রাওফান ইসলাম রাব্বানিকে উদ্ধার করে গলাচিপা থানায় নিয়ে আসে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল শিশু বাচ্চা মো. রাওফান ইসলাম রাব্বানিকে তার মা কাকুলি বেগমের কাছে ফিরিয়ে দেন। বাচ্চাকে ফিরে পেয়ে কাকুলি বেগম বলেন, আমার ছেলেকে অনেক দিন পর্যন্ত আমি দেখতে পাই নাই। ওকে না দেখে আমার বুকটা এতদিন হাহাকার করেছে। আমি স্যারকে ধন্যবাদ জানাই আমার ছেলেকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য।

এ বিষয়ে রাওফান ইসলাম রাব্বানির নানা মো. জসিম চৌকিদার বলেন, বিজ্ঞ আদালতে মামলার মাধ্যমে আমার নাতিকে আমার মেয়ের কাছে পেয়েছি। আমি অনেক খুশি হয়েছি। আমার মেয়ে কাকুলি তার ছেলেকে রাওফান ইসলামকে না প্রায় ৩ মাস পাগলের মত হয়ে গেছে। ওর মুখের দিকে এতদিন তাকানো যায়নি। আজ মো. রাওফান ইসলাম রাব্বানিকে ফিরে পেয়ে কাকুলির মুখে হাসি ফুটেছে। এ বিষয়ে রাওফান ইসলাম রাব্বানির নানি মাহমুদা বেগম বলেন, আমার মেয়ে কাকুলি বেগমকে ১০ বছর আগে ইসলামী শরাহ শরিয়ত মতে রাসেল বেপারীর সাথে বিবাহ দেই। বিবাহের পর ওদের ১টি ছেলে জন্ম নেয়। পারিবারিক কলহের কারণে কাকুলি ও রাসেলের মধ্যে ঝগড়া হয়। এতে রাসেল আমার মেয়েকে যৌতুকের জন্য আমার বাড়িতে ফেলে রেখে যৌতুক নিয়ে অরেকটি বিবাহ করে। আমার নাতি ছোট থাকায় আমার নাতি রাওফানকে আমার মেয়ের কাছ থেকে রাসেল জোর করে নিয়ে যায়।

পরে মামলার মাধ্যমে আমার নাতিকে আমরা ফিরে পেয়েছি। এ বিষয়ে রাসেলের কাছে জানতে চাইলে রাসেল বলেন, মামলা করে আমার কাছ থেকে রাওফান ইসলাম রাব্বানিকে নিয়ে গেছে। যৌতুক ও অপর বিবাহের কথা উল্লেখ করলে রাসেল বিষয়টি এড়িয়ে যায়। এ বিষয়ে রাসেলের মা হাসিনা বেগম বলেন, আমার নাতিকে মামলা করে আমাদের কাছ থেকে কাকুলি নিয়ে গেছে। আমার ছেলে রাগের মাথায় মুদির হাট দর্জি বাড়িতে একটি বিবাহ করেছে।

এ বিষয়ে আমখোলা ইউনিয়নের ভাংরা গ্রামের ইউপি সদস্য মো. শাহ আলম ও দড়ি বাহেরচর গ্রামের ইউপি সদস্য মো. কাসেম দেওয়ান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। আমখোলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান মনির বলেন, আসলেই রাসেল দুশ্চরিত্রের লোক। এখানে সেখানে বিবাহ করে বেড়ায়। সে অটো রিক্সা চালায়। কাকুলিকে রাসেল প্রায়ই মারধর করত। এবিষয়ে একাধিকবার সালিশী করলেও রাসেলের কোন পরিবর্তন হয় নি। শুনেছি সে আবার নিকাহ করেছে। কাকুলির ভবিষ্যত এখন অন্ধকার হয়ে গেছে। আদালতের মাধ্যমে রাওফান ইসলাম রাব্বানিকে কাকুলি ফিরে পাওয়ায় ছেলেটা ভালভাবে বেড়ে উঠতে পারবে। এজন্য আমি আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল স্যারকে আমখোলা ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।

এ বিষয়ে সিনিয়র এ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, আইনের ধারায় মা বাচ্চাকে পেয়েছে এবং ৭-৮ বছর না হলে মায়ের কাছেই এ শিশু থাকতে পারে। কেননা বাবা রাসেল বেপারী ২য় বিবাহ করেছে। তাই এ শিশুকে বাবার কাছে রাখাতে একটি প্রশ্ন থেকে যায়।

রাণীশংকৈলে মে দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যলি ও আলোচনা সভা

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় সোমবার ১ মে, সাড়ম্বরে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস, তথা মে দিবস পালন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে এদিন সকালে উপজেলার ১৪ টি শ্রমিক সংগঠন পৌর শহরে পৃথক পৃথক ব্যানারে র‍্যালি বের করে।

র‍্যালি শেষে রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ মাঠে ৩টি এবং উপজেলা গেটমার্কেট চত্বরে ১১টি সংগঠন পৃথকভাবে আলোচনা সভার আয়োজন করে। উপজেলা পরিষদ মার্কেট চত্বরে শ্রমিক নেতা আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আ.লীগ সহ-সভাপতি সেলিনা জাহান লিটা, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, উপজেলা আ.লী সভাপতি অধ্যাপক সইদুল হক, পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, আ.লী সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহমেদ, আ.লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমেদ হোসেন বিপ্লব, পৌর আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, শ্রমিক লীগ সভাপতি আইযুব আলী, জাপা নেতা আবু তাহের, এটিও রবিউল ইসলাম সবুজ ও কৃষি অফিসার সঞ্জয় দেবনাথ।

এ ছাড়াও বক্তব্য দেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, শ্রমিক নেতা প্রদীপ বসাক, সাদ্দাম হোসেন, সুমন পাটোয়ারী, জাকারিয়া হাবিব ডন, আরথান আলী, প্রেসক্লাব(পুরাতন) সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, প্রেসক্লাব সভাপতি মোবারক আলী প্রমুখ।

অপরদিকে, ডিগ্রি কলেজ মাঠে শ্রমিক নেতা শামসুল হকের সভাপতিত্বে ৩ টি সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও শ্রমিক নেতা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা তাদের বক্তব্যে মে দিবসের ইতিহাস ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। এইসাথে তারা শ্রমিকদের বিভাজন নিরসন করে সম্মিলিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করার কথা বলেন।

সিংগাইরে নিখোঁজ বৃষ্টি আক্তার কে ৫ দিন পর উদ্ধার করলেন পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বৃষ্টি আক্তার নিখোঁজের ৫ দিন পর উদ্ধার করলেন সিংগাইর থানা পুলিশ।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,গেলো ২৪ এপ্রিল বৃষ্টি আক্তার হটাৎ করেই তাহার স্বামীর বাড়ি থেকে পারিবারিক কলহের জের ধরে কাউকে কিছু না বলে বাসা থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়।

এর পড় তার বাবা ‘শেখ সেলিম সিংগাইর থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেন,যাহার নাম্বার (১৩৩২)। তারই সূত্র ধরে সিংগাইর থানা পুলিশ,’ উন্নত প্রযুক্তির সহোযোগিতায় ২৮ এপ্রিল বিকেলে বগুড়ার সোনাতলা থানা এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মিজানুর ইসলাম জানান, মানিকগঞ্জ জেলার মাননীয় পুলিশ সুপার জনাব গোলাম আজাদ খান, পিপিএম(বার) মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় সিংগাইর থানার তত্ত্বাবধানে, ওসি তদন্ত মানবেন্দ্র বালোর নেত্রীতে তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতায়,পায় ৩৬ ঘন্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে ,বগুড়ার জেলার সোনাতলা থানা এলাকা থেকে বৃষ্টি আক্তার কে উদ্ধার করা হয় ।

উদ্ধার কালে ওসি তদন্ত মানবেন্দ্র বালোর সাথে সহযোগিতায় ছিলেন ,এস,আই তারেক এস,আই জলিল, কন্সটেবল আমিনুল, কন্সটেবল খাদিজা ‌।

সিংগাইরে চুরি ও হারানো ৮টি ফোন উদ্ধার, খুশি মালিকরা

স্টাফ রিপোর্টার: মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বিভিন্ন সময় হারিয়ে যাওয়া ও চুরি হওয়া ‘৮টি মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মিজানুর ইসলাম এসব মোবাইল ফোনসেট গুলো প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেন।

হারিয়ে ও চুরি যাওয়া ফোনের জন্য মালিকেরা সাধারণ ডায়েরি সূত্রে এসব মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়। হারানো মুঠোফোন পেয়ে খুশি প্রকৃত মালিকেরা।

এসময় সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মিজানুর ইসলাম বলেন, মানিকগঞ্জ জেলার মাননীয় পুলিশ সুপার জনাব গোলাম আজাদ খান, পিপিএম(বার) মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় সিংগাইর থানার তত্ত্বাবধানে এ,এস,আই আলমগীর হোসেনের অক্লান্ত পরিশ্রমে ,বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের জিডির সূত্র ধরে ” বিভিন্ন এলাকা থেকে তথ্য, উন্নত তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সহযোগিতায় এই মাসেই মোট ৮ টি ফোন উদ্ধারসহ অপরাধীদের শনাক্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এসব মোবাইল প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সিংগাইর থানা পুলিশের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যহত থাকবে। তবে নিত্য প্রয়োজনীয় মূল্যবান ফোনসেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবাইকে আরও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ওসি তদন্ত মানবেন্দ্র বালো, এ এস আই আলমগীর হোসেন, এস আই শেখ তারিকুল ইসলাম।

জাতীয় পার্টিতে কোন বিভক্তি নেই:মুখপাত্র কাজী মামুনুর রশিদ

স্টাফ রিপোর্টার : মহাজোটের শরিকদলের বিকল্প ধারার প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম সারোয়ার মিলন , বৃহস্পতিবার ( ২৭ এপ্রিল) সকালে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে তার নিজ বাসভবনে জাতীয় পার্টির এই নেতা গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভার এক বৈঠকি আড্ডায় যোগ দিয়ে প্রধান আলোচক হিসেবে জাতীয় পার্টির যুগ্ন আহবায়ক ও মুখপাত্র কাজী মামুনুর রশিদ এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন,জাতীয় পার্টির আসন্ন দশম জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান কাজী মামুনুর রশীদ বলেছেন, বিভেদ নয়, ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতীয় পার্টি গড়ে তুলতেই আমাদের প্রচেষ্টা। পল্লীমাতা বেগম রওশন এরশাদ লাখ লাখ মানুষের চাওয়া পাওয়া পুরণে পার্টির নতুন পুরাতন, অবহেলিত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত, নিস্ক্রিয় ও অন্যদলে চলে যাওয়া সব নেতাকর্মীদের এক মঞ্চে একত্রিত করে জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করতেই দশম জাতীয় সম্মেলন ডাক দিয়েছেন ।

এরশাদের অবর্তমানে পল্লীবন্ধুর প্রকৃত উত্তরসূরি তাঁর পত্নী বেগম রওশন এরশাদ। সফলতা, উন্নয়ণমূলক কর্মকাণ্ড এবং রাজনৈতিক আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি লাঙ্গল এর গোলাম সারোয়ার মিলনের পক্ষে কাজ করার জন্য সকল নেতাকর্মীদের প্রতি আহব্বান জানান।

এ সময় জাতীয় পার্টির বর্তমান চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ ভার্চুয়াল অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে সকল নেতাকর্মীকে গোলাম সারোয়ার মিলনের পক্ষে কাজ করা আহ্বান জানান ।
গোলাম সারোয়ার মিলন জাতীয় পাটির শাসনামলে অধুনালুপ্ত মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন , এছাড়াও তিনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

এসময় সিংগাইর উপজেলার জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি আবুল বাশারের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায় খন্দকার মনুরুজ্জামান টিটু সহ মানিকগঞ্জ সিংগাইরের অসংখ্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

জামালপুরে ভরণপোষণ না দেয়ায় ছেলের বিরুদ্ধে থানায় মায়ের অভিযোগ

ভরণপোষণ না দেয়ায় ছেলের বিরুদ্ধে থানায় মায়ের অভিযোগ
ভরণপোষণ না দেয়া ও প্রতারণা করে জমি লিখে নেয়ায় সন্তানের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন মা কোকিলা বেগম (৬০)।

মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে জামালপুরে মেলান্দহ থানায় হাজির হয়ে এ লিখিত অভিযোগ দেন। তিনি মেলান্দহের পচাবহলা দরবারশাহী এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের স্ত্রী। অভিযুক্ত ছেলের নাম ইউনুছ আলী (২৫)।ভুক্তভোগী মা কোকিলা বেগম বলেন, ‘কয়েক মাস আগে তার চোখের সমস্যার সুযোগ নিয়ে তার ছোট ছেলে ভুল বুঝিয়ে প্রতারণা করে জমির দলিলে টিপসই নিয়ে তার অংশের জমি লিখে নেয়। এরপর থেকে সেও আমার খোঁজ খোঁজ নিচ্ছে না।’

তিনি আরও জানান, ছোট ছেলের জমি লিখে নেয়ার বিষয়টি অপর দুই ছেলে জানতে পারে। সেসময় থেকে তারাও ভরণপোষণ দেয়াসহ খোঁজ নেয়া বন্ধ করে দেয়।

এ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) সকালে প্রতারণা করে লিখে নেয়া জমি ফেরত ও ভরণপোষণের কথা বলতে গেলে অভিযুক্ত ছেলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। এ সময় স্থানীয়রা গালমন্দ করতে বারণ করলে অভিযুক্ত আরও ক্ষিপ্ত হয়ে আক্রমণের চেষ্টা করে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছেলে ইউনূসের বক্তব্য নিতে তার বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শ্রমিক সংকটে ছাত্রলীগকে নিয়ে এবার কৃষকের ধান কাটলেন এমপি

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের পশ্চিম কালিকান্দা গ্রামের বাচ্চু খান নামে এক কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছেন উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলা ছাত্রলীগের ২৫-৩০ জন সদস্যের একটি টিম ওই কৃষকের এক একর জমির ধান কেটে দেয়।

ধান কাটা কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জুয়েল আরেং।

এ সময় কৃষক মো. আব্দুল করিম বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। ধান কাটার শ্রমিক সংকটে কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন দিয়ে স্থানীয় সাংসদ জুয়েল আরেং আমার ধান কেটে মেশিনের সাহায্যে মাড়াই করে দিয়েছেন। আমি স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে কৃতজ্ঞ।’

ময়মনসিংহ-১ আসনের সাংসদ জুয়েল আরেং সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সারা দেশব্যাপী শ্রমিক সংকট থাকায় কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন দিয়ে কৃষকের জমির বোরো ধান কাটা হচ্ছে।

তার ধারাবাহিকতায় হালুয়াঘাটে খন্দকপাড়া গ্রামের এক কৃষকের বোরো ধান কেটে দিয়েছেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক নাহিদ হাসান, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মো. শাবজালুর রহমান হিল্লোল, শেখ মো. শাহিব হোসেন রাহুল, আশিকুর রহমান আশিকসহ উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

মাগুরার শ্রীপুরে সড়কে দূর্ঘটনায় ঝরলো শিশু সাবিত মল্লিক প্রান

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি:মাগুরার শ্রীপুরে সাবিত মল্লিক (৫) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ঈদের দিন শনিবার বিকাল ৫ টার দিকে উপজেলার গোয়ালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ মর্মান্তিক দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সাবিত মল্লিক গোয়ালপাড়া গ্রামের পলাশ মল্লিকের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন শনিবার বিকাল ৫ টার দিকে শিশু সাবিত তার চাচীর সাথে গোয়ালপাড়া সরকারি বিদ্যালয়ের সামনে শ্রীপুর-লাঙ্গলবাঁধ সড়কের উপর দাড়িয়ে ছিলো ।

এ সময় লাঙ্গলবাঁধমুখী বেপরোয়া মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দিলে রাস্তার পাশে শিশুটি ছিটকে পড়ে। পরে তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়৷ অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হলে সোমবার সকাল ১১ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে ।

এ বিষয়ে সাবিত মল্লিকের দাদা দাউদ আলী মল্লিক বলেন, মোটরসাইকেল গতি ছিল বেপরোয়া। উল্টো পাশে এসে মোটরসাইকেলটি শিশুটিকে আঘাত করে। আঘাত করার পর গাড়ি টান দিলে পেছনে বসে থাকা দু্#৩৯;টি মেয়ের মধ্যে একজন পড়ে যাই।

পরে তার কাছ থেকে মোটরসাইকেলের চালক উপজেলার বরিশাট গ্রামের গোলাম রব্বানি মোল্যার ছেলে সোহরাবীল সোহান বলে জানা যায়।
এ ব্যাপারে তিনি বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় মোটরসাইকেলের চালক বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছন।

শ্রীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বিশারুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, কোন লিখিত অভিযোগ এখনও পায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য গণমাধ্যমের ওপর আক্রমণের শামিল : তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপি মহাসচিবের ‘গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে দেশে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’ এ বক্তব্যকে গণমাধ্যমের ওপর আক্রমণের শামিল বলেছেন তথ্যমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

আজ রবিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের দেওয়ানজী পুকুর লেনের বাসভবনে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকরা ঈদের দিন শনিবার মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দেওয়া এ বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেবের বক্তব্য মিডিয়ার ওপর আক্রমণ। আমি মনে করি এই আক্রমণ সমীচীন নয়। ফখরুল সাহেব প্রচন্ড হতাশা থেকে এই কথাগুলো বলেছেন। আজকে বাংলাদেশে যেভাবে স্বস্তির ঈদযাত্রা হয়েছে, মানুষ যেভাবে স্বস্তিতে ঈদ উদযাপন করেছে, বিশ্বমন্দা পরিস্থিতির মধ্যে এটি সত্যিই উদাহরণ। একটু যা অস্বস্তি ছিল গরমের কারণে, তাতে বিএনপি নেতাদের মাথা খারাপ হয়েছে কি না আমি জানি না।’

সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে গণমাধ্যমের গাণিতিক বৃদ্ধি ঘটেছে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে। আমরা ২০০৯ সালে সরকার গঠনের সময় বাংলাদেশে সাড়ে চার’শ দৈনিক পত্রিকা ছিল, এখন ১২শ’ ৬০ টির বেশি। ১৯৯৬ সালে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার পর বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের যাত্রাটাও শেখ হাসিনার হাত ধরেই হয়েছে। ২০০৯ সালে টেলিভিশন চ্যানেল ছিল ১০টি, এখন ৪৭টির লাইসেন্স দেয়া হয়েছে, তন্মধ্যে ৩৬টি সম্প্রচারে আছে। লাইসেন্সপ্রাপ্ত বাকি অনেকেই খুব সহসা সম্প্রচারে আসবে। এতগুলো টেলিভিশন চ্যানেল হওয়াতে সাংবাদিকতা থেকে পাশ করা আমাদের ছেলেমেয়েদের চাকুরির একটা বড় ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।’ একইসাথে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই মিডিয়ার ব্যাপ্তি ঘটলেও আমরা দেখতে পাই গণমাধ্যমে আজকে দেশের যে উন্নয়ন অগ্রগতি সেটি ঠিকভাবে পরিস্ফুটিত হয় না। খারাপ সংবাদ অনেক ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশিত হয়। কেউ কেউ মনে করেন ‘গুড নিউজ ইজ নো নিউজ, ব্যাড নিউজ ইজ নিউজ’ এটি সমীচীন নয় বলে আমি মনে করি।’

তিনি বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আজকে সারা পৃথিবী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করছে। করোনা মহামারি মোকাবিলা করার ক্ষেত্রেও নিক্কি ইনস্টিটিউট এবং ব্লুমবার্গের যৌথ জরিপ বলছে বাংলাদেশের অবস্থান পৃথিবীতে পঞ্চম এবং উপমহাদেশে প্রথম। করোনা মহামারির মধ্যে ২০২১ সালে আমাদের মাথাপিছু আয় ভারতকে ছাড়িয়েছে। সেটি নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানে প্রশংসা হয়েছে। এ নিয়ে দু’দেশের গণমাধ্যমে তাদের রাজনীতিবিদ ও ক্ষমতাসীনদের নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশে প্রশংসার ফুলঝুরি বয়ে যাইনি, এটিই বাস্তবতা।’

তথ্যমন্ত্রী হিসেবে এবং এর পূর্বে দীর্ঘ সাত বছর দলের প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের সংসারটা সাংবাদিকদের সাথেই উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘সারাবিশ্বে বিএনপির ‘পেইড এজেন্ট’ আছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে তারা সারা পৃথিবী থেকে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা যে বিভিন্নজনের কাছে এ কাজের জন্য টাকা পাঠান সেই অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হয়েছে, কাকে কত টাকা দেওয়ার কথা ছিল, টাকা না দেওয়াতে তারা গোস্বা করেছে। এগুলোতেও যখন কাজ হচ্ছে না, তাই মিডিয়ার ওপর চড়াও হয়েছে বিএনপি। অথচ মিডিয়া চাইলেও সরকারের বিরুদ্ধে অনেক ক্ষেত্রে খারাপ সংবাদ পাচ্ছে না বলেই পরিবেশিত হচ্ছে না।’

বিএনপির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি দেখতে পাচ্ছে বিদেশিদের দ্বারে দ্বারে ধর্ণা দিয়ে, হাত-পা মালিশ করে কোনো লাভ হয় নাই। বিএনপি যাদের ওপর ভরসা করেছিল তারাও দেখতে পাচ্ছে বিএনপির ওপর কোন ভরসা নাই।’

তিনি বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে বিএনপি এখন হতাশাগ্রস্ত হয়ে কোলাব্যঙের মত আওয়াজ তুলছে মাত্র। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাহেবদের বড় একটা গলা আছে, অন্য কোন কিছু নেই। ব্যঙ প্রাণী ছোট, কিন্তু আওয়াজটা খুব বড়। যখন বর্ষাকালে চারদিক ডুবে যায় তখন ব্যঙ প্রচন্ড আওয়াজ করে। আসলে বিএনপির অবস্থাও তেমনই হয়েছে।’

শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালাম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম চিশতি, কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগের সহসভাপতি সফর আলী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ে যোগ দেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে মুসলিম উম্মার শান্তি কামনা করে ঈদ উল ফিতর নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৯ টায় ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় (বড় মাঠে) ঈদের এ প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে জেলা প্রশাসক মো. মাহাবুবুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু তাহের মোহাঃ সামসুজ্জামানসহ প্রায় ২৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করেন। এছাড়াও সকাল ৯ টায় ঠাকুরগাঁও পুলিশ লাইন মাঠে,জেলা আনসার ও ভিডিপি মাঠে, সালন্দর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা ঈদগাহ মাঠ, বিজিপি ক্যাম্প মাঠ, সালন্দর মডেল মসজিদসহ জেলার পাঁচ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঈদের নামাজ আনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় জেলা প্রশাসক মো. মাহাবুবুর রহমান শুভেচ্ছা বক্তব্যে সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে, একে অন্যের প্রতি সহযোগিতা মনোভাব পোষন করে ঠাকুরগাঁও জেলাকে এগিয়ে নেওয়ার আহবান জানান। শেষে ঠাকুরগাঁও বড় মসজিদের ইমাম মাওলানা মো.খলিলুর রহমানের ইমামতিতে গোটা মুসলিম বিশ্বের শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সর্বশেষ আপডেট...