আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি :“সত্য মিথ্যা যাচাই আগে,ইন্টারনেটে শেয়ার পরে” এ প্রতিপাদ্য বিষয়টিকে সামনে নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের সহযোগীতায় শ্রীপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে । সকাল সাড়ে ১০টায় এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভায় মিলিত হয় । শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর এর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহাবুবুর রহমান, উপজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান কাজী জালাল উদ্দীন,শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মসিয়ার রহমান, শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন পল্টু,উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোশাররফ হোসেন, প্রধান শিক্ষক শামীমুল ইসলাম,চেয়ারম্যান জাকির হোসেন কানন ও উপ-সহকারি প্রকৌশলী অমিতাভ সরকার।
শ্রীপুর আইসিটি এ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামার মোঃ মাহফুজুর রহমানের সহযোগীতায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রেজেন্টেশান উপস্থাপন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর ।
মৃধা শাহীন শাইরাজ, তালতলী (বরগুনা) : বরগুনার তালতলীর নলবুনিয়া শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে উপ-মহাদেশের সর্ববৃহৎ জোছনা উৎসব আজ (১২ডিসেম্বার বৃহস্পতিবার)। বরগুনা জেলা প্রশাসক পঞ্চমবারের মতো এ জোছনা উৎসবের আয়োজন করেছেন।বরগুনার প্রধান তিনটি নদী পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীর মোহনায় নবগঠিত তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ¯িœগ্ধ বেলাভ‚মিতে জেগে ওঠা চরের নাম রাখা হয়েছে “শুভসন্ধ্যা”। একদিকে সীমাহীন সাগর; আরেকদিকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট টেংরাগিরি। অন্যদিকে দীর্ঘ ঝাউবন, তিন তিনটি নদীর বিশাল জলমোহনা। সবমিলিয়ে নদ-নদী আর বন-বনানীর এক অপরূপ সমাহার-শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত! সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এক বিশাল ঝাউবন। দখিণের খোলা বাতাস ঝাউবন ¯পর্শ করে যাচ্ছে পরম আবেশে। খোলা বাতাসের ছোঁয়ায় উড়ন্ত চুলের মতো দুলছে ওই ঝাউগাছগুলোর আগা-বাগা ডালপালা। জন্ম থেকেই সমুদ্রের খোলা বাতাস গায়ে মেখে ঝাউগাছগুলো এখন অনেক বড় হয়ে উঠেছে। সমুদ্রের আছড়ে পড়া ঢেউ আর ঝাউগাছের মাঝখানে শূন্য বালুরাশি। দৃষ্টিনন্দন এক সমুদ্র সৈকত! সমুদ্রের মৃদু ঢেউ, বালুময় দীর্ঘ সৈকত আর ঝাউবনের সবুজ সমীরণের এ দৃশ্যটি প্রকৃতি প্রেমের একটি উদাহরণ। এই প্রেমময় দৃশ্যপটের নাম-শুভ সন্ধ্যা। দখিণে তাকালে অথৈ সাগরের ঢেউ আর ঢেউয়ের সাথে দোল খেলা মাছ ধরার ট্রলার ব্যতীত আর কিছুই দেখা যাবে না।প্রকৃতির সাথে সময় কাটিয়ে পূর্ণিমার চাঁেদর পানে তাকিয়ে জোছনা উৎসব পালিত হবে আজ। হেমন্তের শিশিরে নগ্ন পায়ে হাঁটার স্মৃতি অনেকেই হয়তো ভুলে গেছেন! মোম-জোছনায় চোখ-মন ভরানো হয় না কতকাল তা আপনার চেয়ে ভালো আর কে জানে! তাইতো এই আয়োজন, “জোছনা উৎসব”। ত্রিমোহনার রূপালি জলরাশি ঘেঁষে বিস্তীর্ণ সৈকতে বসে হৈমন্তী পূর্ণিমা দেখে আপনি শিহরিত হবেনই। জোছনাপাগল হাজারো মানুষের সাথে গান, কবিতা, পুঁথি, পুতুল নাচ, যাদু প্রদর্শণী, যাত্রাপালা, হয়লা গান, নৃত্য, ফানুস ওড়ানো দেখে আপনাকে মুগ্ধ হতেই হবে। আগামীকালের পূর্ণিমায় এখানেই জলজোছনায় একাকার হবে জোছনাবিলাসী হাজারো মানুষ।
অভিজ্ঞতা আর স্মৃতিকে সমৃদ্ধ করতে প্রিয় স্বজনদের নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন (১২ ডিসেম্বর বৃহ¯পতিবার) তালতলীর শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতের জোছনা উৎসবে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ¯িœগ্ধ বেলাভ‚মি শুভ সন্ধ্যার বিস্তীর্ণ বালুচরে পঞ্চমবারের মত এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এ উৎসবকে ঘিরে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বরগুনা জেলা প্রশাসন। পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় বরগুনার নয়নাভিরাম সৌন্দর্যকে দেশ বিদেশের পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে এ উৎসবে যোগ করা হয়েছে নানা আয়োজন। উৎসবকে ঘিরে ইতোমধ্যেই শুভ সন্ধ্যা সৈকতকে অপরূপ সয্যায় সাজানো হয়েছে, শুরু হয়েছে বাহারি পণ্যের পসরা। যাওয়া-আসার বিভিন্ন সড়কে তৈরী করা হয়েছে অসংখ্য আলোকসজ্জা সম্বলিত তোরণ। নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। শুভ সন্ধ্যায় দেখা যাবে, সাগরপাড়ে সবুজের সমারোহে বন্যপ্রাণীর অবাধ বিচরণ ও পাখির কুহু কুহুতান। মৃদু ঢেউয়ের ভালোবাসা পায়ে লাগিয়ে, ¯িœগ্ধ বাতাস গায়ে লাগিয়ে এখানে দাঁড়িয়ে গোধূলি সন্ধ্যায় দেখা যাবে সূর্যাস্ত।
শুভ সন্ধ্যার পাশেই আশারচরের অবস্থান। অসংখ্য মৎস্যজীবীর বসবাস সহ শুটকি পল্লী রয়েছে এই চরে। আবার শীতের মৌসুমে পর্যটকরা দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত, গভীর অরণ্য ও বিশাল শুঁটকিপল্লী দেখতে যান এ আশারচরে। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে যাওয়া মানুষ শুঁটকি উৎপাদনের জন্য চরটিতে ঘর বাঁধে। বছরে সাত থেকে আট মাস থাকে শুঁটকি উৎপাদনের ব্যস্ততা। আশার চরের কাছেই রয়েছে তালতলীর বিশাল রাখাইন পল্লী। বঙ্গোপসাগরের তীরে এ পল্লী কুপিবাতি জ্বালিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলে তাঁতে কাপড় বোনার কাজ। তাঁতশিল্প ছাড়াও রাখাইনদের ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধ মন্দিরও অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ হতে পারে। আশারচরের শুঁটকি পল্লী, টেংরাগিরি ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট, সোনাকাটা ইকোপার্কের হরিণসহ বন্যপ্রাণী ইত্যাদি দেখার পাশাপাশি দেখা মেলে মৎসজীবীদের কর্মব্যস্ততা আর সৈকতের বুকে স্থানীয় শিশুদের উচ্ছ¡াস। এখানে নদী সমুদ্রের তাজা মাছ পাওয়া যায় ফকিরহাট বাজারের ছোট ছোট খাবারের হোটেলগুলোতে, যা পর্যটকদের পেট ভরাবে। এখানে খুব অল্প টাকায় খাওয়া যাবে মাছ ভাত বা গ্রামীণ স্থানীয় সব খাবার। এই সৈকতটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে নবীন বিবেচনায় খাবার ও মাছের দাম তুলনামূলক সস্তা।
নিজস্ব প্রতিনিধি : সাভারে সম্প্রতি আলোচনায় মো: মাসুদ রানা তালুকদার , সাভারের রাজপথে পথে শোভা পাচ্ছে ফেষ্টুন আর বেন্যার । সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও দেখা যাচ্ছে রানা তালুকদারের নাম আর ছবি । তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য ।জানা যায় , মাসুদ রানা তালুকদার , সাভারের রাজাশন এলাকার ছেলে , তিনি সাবেক ছাত্র নেতা বর্তমান প্রবাসী ,কোরিয়াতে বসবাস করেন ।
ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে আজ অবধি পর্যন্ত রানা তালুকদার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে ধরে পথ চলছেন । বিদেশের মাটিতেও এই নেতা আওয়ামী লীগের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানা যায় ।
এ বিষয়ে মাসুদ রানা তালুকদার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন , দেশ ও জনগণের পাশে থেকে আগামী দিনে সাভার ও আশুলিয়া বাসীর সেবা করতে চাই ।
তিনি আরো বলেন , জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার আদর্শ। বিশ্বনেত্রী শেখ হাসিনার জয় জয়কার আজ সারা বিশ্বে। জাতির জনকের স্বপ্নের পূর্ণ বাস্তবায়ন করছেন তাঁরই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের কাজে আওয়ামী লীগের তৃণমূল থেকে সমকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব।
অনেকেই রয়েছে জাতির জনক ও তাঁর রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে তাদের তেমন কোনো ধারণা নেই। বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে। তাঁর আদর্শ পুরো ধারণ করতে হবে। সেই আদর্শ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো মজবুত করতে হবে। তাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ পুরো ধারণ ছাড়া আমাদের জন্য বিকল্প কোনো পথ নেই। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে হলে শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাবাহিকতার কোন বিকল্প নেই। তিনি দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমি এই উন্নয়নের সাগরে এফফোঁটা জল হতে চাই। তবেই আমার জীবন স্বার্থক হবে।
আমি সাভার ও আশুলিয়া মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করতে চাই।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধিঃ বেনাপোলে পাসপোর্টযাত্রীর কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে ভূয়া ফটো সাংবাদিক আকাশ খানঁকে বিজিবি কর্তৃক আটক করার পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিজের দোষ ঢাকতে ও পত্র-পত্রিকায় সহ টিভি চ্যানেলে চাকুরী বাঁচাতে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের জেরে বেনাপোল পোর্ট থানায় সাধারণ ডাইরী (জিডি) করেছেন দৈনিক যুগান্তর,দৈনিক নওয়াপাড়া ও আর টিভির বেনাপোল প্রতিনিধি বিতর্কিত সাংবাদিক কামাল হোসেন।বেনাপোল পোর্ট থানা জিডি নং-২২৩, ১০,১২,২০১৯ইং। পরে জিডির একটি কপি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভাইরাল করা হয়।
কামাল হোসেন জিডিতে উল্লেখ করেন, আমি দৈনিক যুগান্তর, নওয়াপাড়া,আরটিভি বেনাপোল প্রতিনিধি অতি সুনামের সহিত সাংবাদিকতা করছি এতে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল আমার নাম ব্যবহার করে ও আমার পত্রিকার আইডি কার্ড কপি তৈরি করে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত জনসাধারণের কাছে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছে ভবিষ্যতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছি এমত অবস্থায় বিষয়টি থানায় সাধারণ ডায়েরি বন্ধ করার আবেদন করছি।
এ ব্যাপারে কামাল হোসেনের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, সাক্ষাতে কথা হবে বললেও পরে তিনি আমাদেরকে বলেন আমার কাছে রেকর্ডিং আছে আমার ভাগ্নে আকাশ আমাকে বলেছে আমি তাকে কার্ড করে দেইনি, তাকে প্রশ্ন করা হয় যে ,আপনাকে তো আকাশ মামা বলে ডেকেছে, আমার মামা আমাকে দৈনিক নওয়াপাড়া ফটোসাংবাদিক এর কার্ড করে দিয়েছে ,আবার আপনিও বলছেন আপনাকে বলেছে মামা বলে সম্মোধন করে বলেছে আপনি আমাকে কার্ড করে দেননি। তাকে প্রশ্ন করা হয় তাহলে বিজিবির সামনে আপনার নাম কেন বললো ,আর পরে আপনি একাকী রেকর্ড করেছেন যে আকাশ আপনাকে বলেছে কামাল মামা আমার কোন কার্ড করে দেয়নি, আপনি নিজেই তো স্বীকার করলেন যে আপনাকে মামা বলে ডেকেছে। কামাল হোসেনকে প্রশ্ন করা হয় যে আপনি তো চেকপোষ্টে গিয়ে ছিলেন আকাশ খাঁকে ছাড়াতে, তবে এখন কেন অস্বীকার করছেন যে আপনি তাকে চিনেন না। পরে সে রাগান্বিত হয়ে বলেন ,যেসকল সাংবাদিক চেকপোষ্টে গিয়েছিল তাদের কি কোন আইডেন্টি আছে ?কোন চ্যানেলের গ্রাউন্ড আছে? তখন তাকে প্রশ্ন করা হয় যে, সময় টিভির কি কোন গ্রাউন্ড নাই?এই কথা বলার পরে কামাল হোসেন ফোন কেটে দেন।
উল্লেখ্য: বেনাপোল সীমান্ত থেকে পাসপোর্ট যাত্রীর নিকট থেকে ১২০০০ বারো হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে আকাশ খাঁ নামের এক ফটো সাংবাদিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বি,জি,বি সদস্যরা। দৈনিক নওয়াপাড়া পত্রিকার কার্ড তৈরী করে দিয়েছেন আর টিভি ও যুগান্তর পত্রিকার বেনাপোল প্রতিনিধি কামাল হোসেন।
গত ১০/১২/১৯ মঙ্গলবার বেলা ১২ টার সময় বেনাপোল চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকাই ঘটনাটি ঘটে। পাসপোর্ট যাত্রী দেবদূত দেবনাথ সাতক্ষীরা জেলার আশাশনি উপজেলার বুধহাটা গ্রামের নিমাই দেবনাথের ছেলে। এর নিকট থেকে টাকা ছিনতাই করেন আকাশ খাঁ।
আটককৃত আকাশ খা বেনাপোল পোর্টথানা তালশারি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে এবং দৈনিক নওয়াপাড়া পত্রিকার বেনাপোলের ফটো সাংবাদিক এবং যুগান্তর পত্রিকার বেনাপোল প্রতিনিধি মোঃ কামাল হোসেনের একজন নিজস্ব কার্ডধারি হকারও ব্যাক্তিগত লোক।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি :মাগুরায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্যকে আজ বুধবার আটক করেছে মাগুরা সদর থানা পুলিশ। আটককৃত ৪ ডাকাত হলো-মিজানুর রহমান (৫২), রাসেল মুন্সী (৩০), আলমগীর ওরফে সান্ট ু(৩০) ও আলী হোসেন (৩২)। তাদেও বাড়ি ফরিদপুর ও মাগুরা জেলায়। মাগুরা সহকারি পুলিশ সুপার (শালিখা সার্কেল) আবির সিদ্দিকী শুভ্র সকাল ১১টায় মাগুরা সদর থানামিলনায়তনে এক প্রেসব্রিফিং-এ সাংবাদিকদের জানান, আটককৃত ৪ ডাকাত আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য। তারা গত ২৬ অক্টোবর শ্রীপুরের গোবিন্দপুর, ৬ নভেম্বর শ্রীপুর উপজেলার ওয়াপদা মোড় ও ২ ডিসেম্বর শালিখা থানার বুনাগাতি এলাকায় সংঘবদ্ধ হয়ে শামীম খন্দকার, সুমন মোল্যা ও স্বপন বিশ্বাসের পথ গতিরোধ করে তাদের নিকট থেকে নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন, ইজিবাইক, মোটরসাইকেল ও স্বর্ণের চেন ছিনতাই করে। এরপর এদের নামে ছিনতাই ও ডাকাতি মামলা রেকর্ড হলে তিনি তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মাগুরা পুলিশ সুপারের নির্দেশে পুলিশ কম্বাইন টিম নিয়ে ঘটনার সাথে জড়িতদের মঙ্গলবার রাতে মাগুরা, শ্রীপুর ও শালিখা থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রথমে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য আলী হোসেনকে সদরের কাদিরাবাদ এলাকা থেকে আটক করতে সক্ষম হন।
পরে আলী হোসেনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অন্য তিন ডাকাতকে আটক করেন। আটককৃত ডাকাতদের নিকট থেকে ৬টি দেশিয় অস্ত্র, ৩টি মোবাইল সেট ও ১টি কালো রঙয়ের খেলনা পিস্তল জব্দ করা হয়েছে।
আটককৃতদের নামে মাগুরা ও ফরিদপুর থানার নিয়মিত ডাকাতি ও ছিনতাই মামলা রয়েছে ।
আটককৃতদের আজ বুধবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে ।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামরাইয়ে মোবিন নামের ৫ বছরের এক শিশু অপহরণের পাঁচ দিন পর মরদেহ উদ্ধার করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আজিজুল(২৮) নামে এক জনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।আজিজুল মঙ্গলবাড়ি গ্রামের জয়নাল এর ছেলে। শিশু মোবিন ধামরাই উপজেলার বাইশাকান্দা ইউনিয়নের মঙ্গলবাড়ি গ্রামের প্রবাসী আব্দুল করিমের দ্বিতীয় ছেলে ।
পারিবারিক সুএে যানা যায় শিশু মোবিন চকলেট কিনতে বাড়ির পাশে দোকানে যায় । কিন্তু এরপর আর বাড়িতে ফিরে আসেনি।
তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে পায়নি তার স্বজনরা।এ ঘটনায় শনিবার রাতে শিশুর মামা থানায় সাধারণ ডায়েরি করে । ঘটনার দিন রাতেই তাদের টয়লেটের কাছে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে।চিরকুটে লেখা ছিল মোবিনের কথা ২৪ ঘণ্টা স্মরণ রাখবে এছাড়া একটি মোবাইল নম্বরও লেখা ছিল।
পুলিশ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে একই এলাকার মফিজ উদ্দিনের বাড়ির কেয়ারটেকার অভিযুক্ত আজিজুল হককে আটক করে।
পরবর্তীতে ধামরাই বেনিপুর মসজিদের উত্তর পাশে বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ভোররাতে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশু মোবিনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে হত্যার পর মরদেহ নদীর মধ্যে ফেলে রেখে গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের অভিযানে ১কেজি গাঁজাসহ দুই নারী মাদক বহনকারী আটক।বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই পিন্টু লাল দাস, এসআই রবিউল ইসলাম ও মহিলা কনস্টেবল মালিকা খাতুন বেনাপোল পোর্ট থানাধীন পোস্ট অফিসের সামনে অভিযান চালিয়ে ১ কেজি গাঁজাসহ খুলনা নাজিরহাট গ্রামের পলাশের স্ত্রী মোছাঃ স্বপ্না খাতুন(৩৬) ও খুলনা বানিয়া খামার শহরের নুরুল ইসলামের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তানিয়া(৩০)কে আটক করে।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি দুই জন নারী মাদক বহনকারী অভিনব কায়দায় শরীরে রাখা ১কেজি গাঁজা সহ বেনাপোল পোস্ট অফিসের সামনে অবস্থান করছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের দুই জনকে আটক করা হয়।
আটক দুই নারী মাদক বহনকারীকে মাদক আইনে মামলা দিয়ে যশোর বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।
স্টাফ রিপোর্টারঃ সাভারে রোজ ক্লিনিকে অপারেশনের নামে ভূল চিকিৎসায় শিখা আক্তার ঈশিতা (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় নিহত শিশুর মা মোসাঃ আউশী বেগম (৩৫) মঙ্গলবার বিষয়টি জানিয়ে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়াও ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় রোজ ক্লিনিকের দুই জন মালিক মোঃ নূর নবী ও মোঃ মামুন এবং ম্যানেজারসহ অজ্ঞাতনামা চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাতে সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন তার মা আউশী বেগম।এর আগে গত সোমবার রাত ৮ টার দিকে সাভারস্থ রোজ ক্লিনিকে অপারেশনের নামে ভূল চিকিৎসায় ওই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।
নিহত শিখা আক্তার ঈশিতা সিংগাইর উপজেলার সায়েস্তা ইউনিয়নের কানাই নগর গ্রামের বাহরাইন প্রবাসি বিশু মন্ডলের মেয়ে। সে স্থানীয় হযরত হালিমাতুস সাদিয়া মহিলা মহিলা মাদ্রাসায় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলো।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ই ডিসেম্ভর পেটের ব্যথা জনিত সমস্যায় পরিবারের লোকজন ঈশিতাকে রাত ৭ টার দিকে রোজ ক্লিনিকে নিয়ে যায়। ওই সময় উপস্থিত মোঃ নুর নবী ও মোঃ মামুন ঈশিতার অবস্থা খারাপ বলে তাড়াতাড়ি ভর্তি করে নেন। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তারা এ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে মর্মে জরুরী ভিত্তিতে অপারেশন করাতে হবে বলে জানান। পরদিন সন্ধ্যা ৫ টার দিকে শিশুটিকে হাসপাতালের ডাক্তার দিয়ে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে অপারেশন সম্পন্ন করেন।
এরপর দীর্ঘ সময় ঈশিতাকে অপারেশনের থিয়েটারে রাখায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিটক জানতে চায়। একপর্যায়ে এ্যাম^ুলেন্স ভাড়া করে শিশুটিকে আইসিওতে রাখতে হবে মর্মে জোর করে ঢাকাস্থ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
সেখানে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং বলে প্রায় ৫ ঘন্টা আগে সে মারা গেছে। এ থেকে সহজেই নিহত শিশুর পরিবারের লোকজন বুঝতে পারেন অপারেশনের নামে ভুল চিকিৎসা দেওয়ায় অপারেশন থিয়েটারেই ঈশিতার মৃত্যু হয়েছে।
নিহত শিশুর মা ও পরিবারের অভিযোগ, ভুল চিকিৎসার কারণে তাদের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় অভিযুক্ত হাসপাতালের মোঃ নুর নবী ও মোঃ মামুন এবং অজ্ঞাতনামা হাসপাতালের ম্যানেজারসহ দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ সায়েমুল হুদা বলেন, ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যুর বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সরেজমিনে বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখব। তদন্তে অভিযোগ প্রমানীত হলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) জাকারিয়া হোসেন বলেন, ভুল চিকিৎসার বিষয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। বিষয়টি ইতিমধ্যে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: বেনাপোল সীমান্তে পাসপোর্ট যাত্রীর নিকট হতে বারো হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে আকাশ খাঁ নামের এক প্রতারককে আটক করেছে বিজিবি সদস্যরা। এসময় তার কাছ থেকে দৈনিক নওয়াপাড়া পত্রিকার দুটি আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার(০৯ ডিসেম্বর) দুপুরে বেনাপোল চেকপোস্ট প্যাছেঞ্জার টার্মিনালের সামনে থেকে ৪৯ ব্যাটালিয়নের বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করে।
আটক প্রতারক বেনাপোল পোর্টথানা তালশারী গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।জানা যায়, ভারতে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বেনাপোল আসেন সাতক্ষীরার দেবব্রত দেবনাথ। এসময় চেকপোষ্টে প্যাছেঞ্জার টার্মিনালের সামনে চিহ্নিত চার প্রতারক প্রশাসনের পরিচয় দিয়ে ভয় দেখিয়ে ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে ঐ যাত্রী বিজিবির কাছে অভিযোগ দিলে বিজিবি প্রতারক চক্রের আকাশ নামে একজনকে আটক করে। পরে তার শরীর তল্লাশী করে পকেট থেকে ছিনতাইয়ের ১০ হাজার টাকা ও দৈনিক নওয়াপাড়া পত্রিকা ৫ বছর মেয়াদের দুটি আইডি কার্ড পাওয়া যায়।
এ প্রতারক ছিনতাইয়ের কথা শিকার করে জানায়, তাকে পত্রিকা সহবরাহের জন্য বেনাপোলের দিঘিরপাড় গ্রামের সাংবাদিক পরিচয়ের কামাল নামে এক ব্যক্তি টাকার বিনিময়ে এ কার্ড দুটা তৈরী করে দিয়েছে।
সে আরটিভি আর যুগান্তরে কাজ করে।
বেনাপোল চেকপোষ্ট আইসিপি ক্যাম্পের সুবেদার মিজানুর রহমান বলেন, আটকের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
রেজাউল ইসলাম মাসুদ , ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি ঃ “মানবাধিকার সুরক্ষায় তারুণ্যের অভিযাত্রা” এই শ্লোগানে ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়। ১০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দিবসটি পালনে জেলা কালেক্টটের চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে র্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালিতে অংশগ্রহন করেন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিনুল ইসলাম, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি সরকার আলাউদ্দিন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন (বিএইচআরসি)’র জেলা শাখার সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক শাহীন ফেরদৌস, নির্বাহী সভাপতি এ্যাড. জাহিদ ইকবাল , আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন ঠাকুরগাঁও জেলার সভাপতি অ্যাডভোকেট মোস্তফা হারুন হেলালী, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন , সহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের সদস্যবৃন্দ। এছাড়াও দিবসটি পালনে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন (বিএইচআরসি), ইএসডিও’র প্রেমদীপ প্রকল্প ও অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকেও র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।