17 C
Dhaka, BD
মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৭, ২০২৬

মাদ্রাসা দারুল আরকাম প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত ।

মোঃ মনির হোসেন,গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি ঃ গাজীপুর জেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের নয়াপাড়া এলাকায় মাদ্রাসা দারুল আরকাম ২৯ ১১ ১৯ শুক্রবার প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এক বিশাল ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয় ।উক্ত ওয়াজ মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন , জনাব ওয়াইজ করনি।ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন, গাজীপুর ৩ আসনের এমপি মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজ বিশেষ অতিথি আলহাজ্ব মোঃ মোশারফ হোসেন দুলাল্‌,আলহাজ্ব ফজলুল হক মুসল্ল্‌, মোঃ আবু তাহের মুসল্লী ও প্রফেসর মোঃ এনামুল হক ।

বেনাপোল রঘুনাথপুর গ্রাম থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার ।

বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: বেনাপোলের রঘুনাথপুর গ্রামের মোস্তফার বাড়ি থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে পোর্ট থানা পুলিশ।বৃহস্পতিবার(২৮ শে নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮ টার সময় এসআই পিন্টু লাল দাস,এএসআই রবিউল,এএসআই শরিফুল ও কনেস্টবল আবুল কালাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল পোর্ট থানাধীন রঘুনাথপুর গ্রামের মোস্তফার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। এসময় পুলিশের উপস্থিতিটের পেয়ে বাড়ি থেকে মোস্তফা পালিয়ে যায়। পলাতক আসামী মোস্তফা রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত মিয়া জান এর ছেলে।

বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মামুন খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল পোর্ট থানাধীন রঘুনাথপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

পীরগন্জ উপজেলা আ’লীগ ত্রি- বার্ষিক কাউন্সিলে সভাপতি ইমদাদুল, সাধাঃ সম্পাঃ বিপ্লব নির্বাচিত ।

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, ( ঠাকুরগাঁও) সংবাদদাতা।। ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগন্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি বার্ষিক কাউন্সিল ২৮ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে মডেল স্কুল চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আ’লীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইকরামুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামীলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন এম পি। সম্মেলনে উদ্বোধক ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ দবিরুল ইসলাম এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আ’লীগ সহ সভাপতি ইমদাদুল হক, এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আ’লীগ সহ সভাপতি সেলিনা জাহান লিটা।

প্রধান বক্তা ছিলেন, জেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুহাঃ সাদেক কুরাইশী। এছাড়াও সম্মেলনে জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সঞ্চালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাহারুল ইসলাম।

অতিথিদের বক্তব্য শেষে পরে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ইমদাদুল হক ২৩৩ ভোট পেয়ে সভাপতি এবং রেজওয়ানুল হক বিপ্লব ২০০ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সভাপতি পদে নিকটতম প্রার্থী আকতারুল ইসলাম পেয়েছেন ১৬৩ ভোট এবং সাধারণ সম্পাদক পদে গোলাম রব্বানী পেয়েছেন ১৯৫ ভোট।

ধামরাইয়ে গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) : ঢাকার ধামরাই উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার অর্জুনালাই মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে।গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা-২০ এর সংসদ সদস্য আলহাজ্ব বেনজির আহমদ ।

গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মিনহাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ধামরাই পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা, ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আবুল কাশেম রতন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, ধামরাই উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাদ্দেস হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহানা জেসমিন মুক্তা, বাইসাকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ রানা, বালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আহমদ হোসেন প্রমুখ ।

এর আগে দুপুরে ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুম খান গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মলেনের উদ্বোধন করেন।

সভাশেষে কাদের মোল্লাকে সভাপতি এবং আব্দুল কাদেরকে সাধারণ সম্পাদক করে গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই কমিটিকে আগামী দশ দিনের মধ্যে পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রদান করেন ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সাকু ।

প্রধান অতিথি বলেন, খালেদা জিয়া দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন। ক্ষমতায় থাকার সময়ে সচিবালয়ের ফাইল প্রথমে হাওয়া ভবনে যেত। সেখান থেকে তারেক রহমান দেখার পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হত। এতে দেশের কোন উন্নয়ন সাধিত হয়নি। অন্যদিকে, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে পরিচালনা করেছেন। বাংলাদেশকে দারিদ্রতম দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিয়ে গেছেন। বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন। যার কারণে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে প্রশংসিত হয়েছে।

তালতলীতে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন কেশব চন্দ্র হাওলাদার সভাপতি নির্বাচিত ।

মৃধা শাহীন শাইরাজ,তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলী উপজেলাধীণ বেহালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হয়েছে। মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিধিমালা অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফুল কবির মোঃ কামরুল হাসান ৮ সদস্যের মধ্যে উপস্থিত ৭ সদস্যের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচন করেন। এতে অত্র বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারি প্রধান শিক্ষক কেশব চন্দ্র হাওলাদার ৬/১ ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন।

১০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত অন্যান্য সদস্যরা হলেন, আ. ছালাম হাওলাদার, মো. শাহ আলম, মো. জাফর হোসেন খান, অজিত দেবনাথ, স্বপ্না রানী, শ্যামল চন্দ্র হাওলাদার, মো. সিদ্দিকুর রহমান ও কাজল লতা ভট্টাচার্য্য। এ ছাড়াও পদাধিকার বলে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সচিব হলেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিরুপম ভট্টো।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা জমিয়াতুল মোদার্রেসীনের সভাপতি মাও. হারুনুর রশীদ ও তালতলী প্রেসক্লাব সভাপতি মু. আ. মোতালিব উপস্থিত ছিলেন।

ধামরাইয়ে অবৈধভাবে ইট ভাটা পরিচালনার দায়ে ৫ টি ইট ভাটায় ৩৬ লাখ টাকা জরিমানা।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) ধামরাইয়ে অবৈধভাবে ইট ভাটা পরিচালনার দায়ে ৫ টি ইট ভাটায় অভিযান চালিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত।এসময় ইট ভাটাগুলোকে ৩৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় ও সেই সাথে ভাটা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।জরিমানাকৃত ভাটাগুলো হল, এন কে সি ব্রিকস, হালিমা ব্রিকস, ডাউটিয়া ব্রিকস কে ৩৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।আর সান ব্রিকস ও আজিজ এন্ড ব্রিকস্ এর বিরুদ্ধে কার্যক্রম চলমান রয়েছে ।বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সকালে ধামরাইয়ের ডাউটিয়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাকসুদুল ইসলাম।তিনি জানান, এ অভিযান চলমান প্রক্রিয়া এর অংশ হিসেবে আজ ঢাকার ধামরাইয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

এসময় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না নিয়ে ব্যবসা পরিচালনার জন্য তিনটি ইট ভাটাকে সর্বমোট ৩৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ভাটা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ঝালকাঠিতে কুপিয়ে ফেলে যাওয়া বৃদ্ধের পরিচয় এখনো মেলেনি

সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠিতে রাতের অন্ধকারে কুপিয়ে নগ্নাবস্থায় ফেলে যাওয়া বৃদ্ধের এখনো পরিচয় পাওয়া যায়নি । অজ্ঞাত বৃদ্ধ লোকটির হাত পায়ে কুপিয়ে আহত করে নগ্নাবস্থায় ফেলে যায় দূর্বৃত্তরা। বর্তমানে আহত বৃদ্ধ ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।২৭/১১/২০১৯ইং তারিখ বুধবার রাত ৮টার দিকে ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাসন্ডা ইউনিয়নের লেশপ্রতাপ এলাকায় অজ্ঞাত পরিচয় এই বৃদ্ধকে কুপিয়ে জখম করে সড়কে ফেলে যায় দূর্বৃত্তরা।

পরে পুলিশ গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

এখন পর্যন্ত তাঁর স্বজনরা কোনো ধরনের খোঁজ পায়নি। সে বর্তমানে আশঙ্কা মুক্ত হলেও তাঁর নাম পরিচয় বলতে পারছেনা। সে সদর হাসপাতালের ২য় তলায় সার্জারী ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন।

রাণীশংকৈলে বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা ।

হুমায়ুন কবির, (ঠাকুরগাঁও) রাণীশংকৈল প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদ হলরুমে ২৮ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে আসন্ন বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী আফরিদার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালি বেগম। আরো উপস্থিত ছিলেন, অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম, এসআই রনি, অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল হামিদ, মহিলা আ’লীগ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান প্রমুখ।

এছাড়াও বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ, উপজেলা র্কমকর্তাবৃন্দ , শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা পরিষদ ও নির্বাহী অফিসার আসন্ন বিজয় দিবসটিকে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট কমিটির সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনসহ রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিবর্গের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

আলোচনার সভার এক পর্যায়ে বক্তারা বলেন ‘১৯৭১ সালে পাকিস্তানী বর্বর বাহিনীর নির্মম গণহত্যার এক নিষ্ঠুরতম ইতিহাস আজও ধারণ করে রেখেছে রাণীশংকৈলের ঐতিহ্যবাহী স্মৃতিবিজড়িত খুনিয়া দিঘী। অথচ দিঘীর পাড়ের মাটি কেঁটে বধ্য ভূমিরটির বর্তমান অবস্থা এমন করেছে যে, এটি যেকোন সময় ধঁসে পড়ে যেতে পারে। অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম বলেন, পাক হানাদারদের নির্মমতা এবং হাজারো বাঙালির রক্তে রাঙ্গানো খুনিয়া দিঘীর স্মৃতি ধরে রাখার তাগিদে ১৯৭২ সালে এ দিঘীর পাড়ে একটি স্মৃতি স্তম্ভ তৈরি করা হয়। এ সময় অন্যান্য বক্তারাও খুনিয়াদিঘির লিজকৃত জলকরটি বাতিলের দাবী জানান।

ইউএনও বলেন আমরা ইতোমধ্যে কাগজপত্র বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে পাঠিয়েছি। উপজেলা চেয়ারম্যান মুন্না বলেন, ‘লীজ বাতিলের জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। প্রসঙ্গত: উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়নের ভান্ডারা গ্রামের স্মৃতিবিজড়িত খুনিয়া দীঘি বধ্যভূমির জলকরটির মালিক দাবি করেন জৈনেক ব্যক্তি।

জানা গেছে তাঁর বাবা তৎকালীন দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে বন্দোবস্ত নিয়ে পরে দুই ছেলে হামাদুর রহমান ও বজলুর রহমানের নামে খুনিয়া দিঘির জলকরের দলিল করে দেয় পরে হামিদুর রহমান উপজেলার আবুল কাশেমের স্ত্রী ফাতেমা বেগমের কাছে ২৩ লাখ ৫০ হাজার টাকায় জলকরটি বিক্রি করেন।

মাগুরার শ্রীপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন,অতপরঃ থানায়

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে অনশন শুরু করেছেন জেসমিন নাহার (২২) নামে এক প্রেমিকা। প্রায় দু’মাস ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ে না করার প্রেক্ষিতে জেসমিন আক্তার বুধবার দুপুরে তার প্রেমিক আমলসার ইউনিয়নের সুন্দরপুর গ্রামের জাফর মোল্ল্যার ছেলে মন্নু মোল্ল্যা (২৭) এর বাড়িতে গিয়ে অনশন শুরু করে। প্রায় ৬ বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমজঃ সম্পর্ক চলে আসছে বলে মেয়েটি দাবি করেছে। এ ঘটনায় বুধবার রাতে জেসমিন নাহার এর পিতা আয়ুব আলী মোল্যা বাদী হয়ে প্রতারক প্রেমিক মন্নু মোল্ল্যাসহ পরিবারের ৫ জনের বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বুধবার বিকেল ৩ টার দিকে মন্নু মোল্ল্যার বাড়িতে অসহায় জেসমিন নাহার প্রেমিক মন্নু মোল্ল্যার বাড়িতে অবস্থান করছে। এক প্রশ্নের জবাবে জেসমিন জানায়, প্রায় দু’মাস ধরে মন্নু বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আজ নয় কাল এভাবে কালক্ষেপণ করতে থাকে। একপর্যায়ে মেয়েটির চাপের মুখে প্রেমিক মন্নু তাকে জানায় যে, পিতা-মাতা তাদের এ বিয়েতে রাজি হচ্ছে না ।

তারপরও ছেলেটি মেয়েটিকে তার বাড়িতে চলে আসতে বলে এবং কোন সমস্যা হলে সে যেভাবেই হোক পরিবেশ ঠিক করে মেয়েটিকে বিয়ে করে ঘরে তুলে নিবে বলে আশা দেয়। এ আশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে মেয়েটি গত এক সপ্তাহ আগে প্রেমিক মন্নুর বাড়িতে গিয়ে হাজির হয়। তখন মন্নুর পিতা জাফর মোল্ল্যা মেয়েটিকে বলেন যে, এই মুহূর্তে তুমি তোমার বাড়িতে চলে যাও । আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে সামাজিকভাবে বিয়ে দিয়ে আমার বাড়িতে তুলে নিব। এই আশ্বাসের প্রেক্ষিতে মেয়েটির অভিভাবক মেয়েটিকে বাড়িতে নিয়ে যায়। জেসমিনের সাথে প্রেমিক মন্নুর বিয়ে হবে মর্মে ছেলে পক্ষ দু’এক দিনের মধ্যেই মেয়ে পক্ষের বাড়িতে বিয়ের সরঞ্জাম অর্থ্যাৎ নেরক্ষনও পাঠিয়ে দেন এবং বিয়ের দিনক্ষণও ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু বিয়ের নির্ধারিত দিনেই পূর্বেই হঠাৎ করে প্রেমিক মন্নু ও তার পিতা-মাতা ঘর-বাড়িতে তালা লাগিয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ করে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় । এঘটনা জানাজানি হলে প্রেমিক জেসমিন নাহার বিয়ের দাবিতে বুধবার বিকেলে প্রেমিক মন্নুর বাড়িতে গিয়ে হাজির হয়ে অনশন শুরু করে । এরপরই মেয়েটির পিতা কোন উপায় খুজে না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ঔইদিন সন্ধ্যায় তাকে প্রেমিক মন্নুর বাড়ি থেকে উদ্ধার করে শ্রীপুর থানায় হাজির হয়ে লম্পট মন্নুসহ পরিবারের ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করেন।

প্রেমিক মন্নুর বড় চাচা মুজিবর মোল্ল্যা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এই মেয়েটির সাথে দীর্ঘ দিন ধরে তার ভাতিজার সম্পর্ক চলছে বলে সবাই জানে। বিয়ে দেয়ার কথা বলে তার ভাই জাফর ও ভাতিজা মন্নু বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে।

সুন্দরপুর গ্রামের পার্শ্ববর্তী গ্রামের বাসিন্দা শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বদরুল আলম হিরো বলেন, ঘটনা আমি সবই জানি। এক সপ্তাহের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে মন্নু ও তার পরিবারের লোকজন বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে, যা অত্যন্ত দু:খজনক।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ওসি (তদন্ত) লিটন কুমার দাস বলেন, ঘটনা শুনার পরপরই অভিযুক্তের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল এবং ঘটনার সত্যতা পেয়ে বুধবার রাতেই প্রেমিক মন্নুসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রাজশাহীতে প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে ভূয়া ডাক্তারের জমজমাট ব্যবসা

সৌমেন মন্ডল,প্রতিনিধি : রাজশাহী মহানগরীতে ভুয়া হোমিও ডাক্তারের ছড়াছড়ি। প্রশাসনের নাকের ডগায় এ সব ভুয়া চিকিৎসক জমজমাট ব্যবসা করলেও নেয়া হচ্ছে না কোন পদক্ষেপ। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাস না করে, হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়াই নামের আগে ডা. লিখে চেম্বার খুলে বসেছেন অনেকে। এদের কারণে প্রকৃত হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারদের সুনাম নষ্ট হচ্ছে।অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজশাহী নগরীর আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে ভুয়া হোমিও ডাক্তারের চেম্বার ও ক্লিনিক। এর মধ্যে মতিহার থানার সামনেই চেম্বার খুলে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ডে চিকিৎসক হিসেবে রেজিস্ট্রেশন,ডিএইচএমএস পাসের সনদ,ড্রাগ লাইসেন্স ও ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই রোগীদের সাথে প্রতারনা করে দীর্ঘ ৭বছর ধরে ডাঃ নাজমুল হুদা চালিয়ে যাচ্ছন তার রমরমা চিকিৎসা ব্যবসা। চিকিৎসা সেবার কোন রকম সার্টিফিকেট ছাড়াই “নিহাল হোমিও হল”নামে চেম্বার প্রতিষ্ঠা করে অসহায় রোগীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ডাঃ নাজমুল হুদা । তার রোগীদের রোগ ভালো না হলে তিনি বলেন, “ধৈর্য্য ধরতে হবে, হোমিও ওষুধে রোগ সারতে একটু সময় লাগবেই, এ অবস্থায় রোগীরা অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা করাবে জানালে তিনি তাদের ভয় দেখিয়ে বলেন, কি দরকার, ওখানে গেলেই তো বলবে “অপারেশন করতে হবে, অযথা কাটাছেঁড়া করবে আর লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেবে’।

এদিকে রোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েকজন সাংবাদিকরা “নিহাল হোমিও হল” নামে ডাঃ নাজমুল হুদার চেম্বারে গিয়ে দেখতে পান ময়লা আবর্জনার স্তুপে ভরা তার চেম্বারটি। আর তার মধ্যে পুরোনো/ডেট এক্সপায়ার্ড ওষুধের বোতল। এগুলো সম্পর্কে ডাঃ নাজমুল বলেন হোমিও ওষুধের ডেট এক্সপায়ার হয় না।

ডাঃ নাজমুল হুদাকে তার বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ডে চিকিৎসক হিসেবে রেজিস্ট্রেশন,ডিএইচএমএস পাসের সনদ,ড্রাগ লাইসেন্স ও ট্রেড লাইসেন্স এর সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক কোন শিক্ষা তার নাই, তবে তার আমার বাবা মরহুম ডাঃ শামসুল হুদা ও বড় ভাই মরহুম ডাঃ নাইমুল হুদা’র কাছ থেকে হাতে কলমে তিনি শিক্ষা নিয়েছিলেন। আর বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ডে চিকিৎসক হিসেবে রেজিস্ট্রেশন,ডিএইচএমএস পাসের সনদ,ড্রাগ লাইসেন্স ও ট্রেড লাইসেন্স আমার জন্য এগুলো লাগে না, তাছাড়া আমার কাছে কেউ চেক করার সাহসও রাখে না।

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের এ কর্মকর্তা জানান ,ডাক্তার হিসাবে হোমিওপ্যাথি পড়াশোনার জন্য বাংলাদেশ সরকার স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ২টি হোমিওপ্যাথি আন্তর্জাতিক কোর্স বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড, ঢাকা অধিভুক্ত ডিএইচএমএস (ডিপ্লোমা ইন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি ৪ বছর মেয়াদি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের আওতাধীন বিএইচএমএস (ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি ৪ বছর মেয়াদি) । হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার হিসাবে প্র্যাকটিস করার জন্য বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার অর্ডিনেন্স ১৯৮৩ এর বিধানাবলী মোতাবেক বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডে নাম রেজিস্ট্র্রি করে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শাস্ত্র অনুযায়ী চিকিৎসা করিবার অধিকার পাবার বাধ্যবাধ্যকতা রয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড, নিকুঞ্জ-২, খিলক্ষেত, ঢাকা এর অধিভুক্ত দেশের যে কোন হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হতে ৪ বছর মেয়াদি ডি.এইচ.এম.এস পাস করার পর কলেজ হাসপাতাল হতে ৬ মাসের ইন্টার্নিশিপ করার পর বোর্ড হতে ডিএইচএমএস সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে হয়। তারপর তাকে ডিএইচএমএস কোর্সের প্রত্যেক বর্ষের সবগুলো নম্বরপত্র, ইন্টার্নিশিপ সার্টিফিকেট, কলেজ প্রশংসাপত্র, বোর্ডের ডিএইচএমএস কোর্সের সার্টিফিকেটসহ বোর্ডের ওয়েবসাইডে নির্দিষ্ট রেজিস্ট্রেশন ফরমে ব্যাংক ড্রাফটসহ আবেদন করতে হয়। বোর্ড কাগজ-পত্র যাচাইসহ বোর্ড কমিটির মিটিংয়ে অনুমোদন পেলে তাকে চিকিৎসা পেশার জন্য এবং আইনানুগ অধিকারের জন্য রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ রেজিস্ট্রেশন সনদপত্র (বাংলা বা ইংলিশ) প্রদান করে। যা বর্তমানে ৫ বছর পর পর নবায়ন যোগ্য। হোমিওপ্যাথি কোর্স করার পর রেজিস্ট্রেশন সনদপত্র ছাড়া কেহ নামের অগ্রভাগে ‘ডা.’ লিখতে পারে না।

গল্পটা এখানেই শেষ নয়, সাংবাদিকরা ফিরে আসার পরে হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়াই ডাক্তার পরিচয়দানকারী ভূয়া ডাক্তার ডাঃ নাইমুল হুদার সকল তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার কারনে একদল মাস্তান নিয়ে সাংবাদিক সাগর নোমানীর বাড়ীতে হামলা চালান । এ সময় সাংবাদিক সাগর নোমানীকে না পেয়ে তার মাকে শাসিয়ে যান আর বলেন ” তোর ছেলেকে সাবধান করে দিস, যদি কোন সংবাদ মাধ্যমে আমার নামে কোন নিউজ হয়, তাহলে তোর ছেলেকে মেরে ফেলবো, আর সাথে যারা ছিলো তাদের কাউকেই ছাড় দেব না বলে হুমকি দিয়ে চলে জান তারা।

এদিকে নিজ বাড়ীতে এসে হুমকির বিষয়ে সাংবাদিক সাগর নোমানী বোয়ালিয়া মডেল থানায় ২৭ নভেম্বর রাতে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। ডায়েরি নং-১৫০৬।

এবিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিবারন চন্দ্র বর্মন বলেন সাংবাদিক হুমকির বিষয়ে একটি ডায়েরি হয়েছে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যাবস্হা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেট...