শামশুজ্জোহা বিদ্যুৎ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চল দেবীনগর ইউনিয়নের কয়েকটি ওয়ার্ডের পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ২০০ প্যাকেট ত্রাণ বিতরণ করেছেন ৫২’র ভাষা সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত নেতা আ.আ.ম মেসবাহুল হক বাচ্চু ডাক্তারের সুযোগ্য কণ্যা ফেরদৌসী ইসলাম জেসী এমপি।
৬ অক্টোবর রোববার সকালে ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম বিশ্বাস, যুবলীগ নেতা মেসবাহুল জাকের জঙ্গি, জেলা মহিলা যুবলীগ সভাপতি এ্যাডভোকেট ইয়াসমিন সুলতানা রুমা, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. দানেশ আলী।
আরো উপস্থিত ছিলেন, মো. আব্দুর রহিম, মো. মওদুদ আহমেদ, হুমায়ুন আহম্মেদ, আব্দুর রাজ্জাকসহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। পরে জেসী এমপি বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং পানিবন্দি পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন।
সোমবার(৭/১০/২০১৯ইং)তারিখ বেলা ২টার দিকে কমিশনারের কার্যালয়ে এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাদিক ঐক্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে কমিশনার বলেন, যেসব জায়গায় পরিস্থিতিতে সাংবাদিকরা সহিংসতা কিংবা অন্য কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন, সেসব জায়গায় সাংবাদিকদের নিজস্ব কিছু প্রস্তুতি থাকা উচিত।
সে ক্ষেত্রে বেনাপোল ও একটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। সন্ত্রাসী কিংবা চোরাচালান বা সন্ত্রাসী কার্যক্রম অন্যান্য থানার তুলনায় বেনাপোল পোর্ট থানায় অনেকাংশে বেশি। সংঘবদ্ধচক্ররা কখনো কখনো এক হয়ে তাদের হীন চরিতার্থ হাসিল করার চেষ্টা করে। সেসব ক্ষেত্রে এককভাবে একজন সাংবাদিকের পক্ষে মোকাবেলা করা বড়ই কঠিন হয়ে ওঠে। ফলেও, ঐক্যবদ্ধ সংগঠনই পারে সংঘবদ্ধ চক্রের মোকাবেলা করতে।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের আহবায়ক মহাসিন মিলন ওই সময় বলেন, গত এক দশকে বাংলাদেশে টেলিভিশন, পত্রিকা এবং অনলাইনের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়লেও মাফস্বল সাংবাদিকদের স্বার্থ উপেক্ষিত এবং অবহেলিত রয়ে গেছে। এক্ষেত্রে দেশ এবং জনসেবার পাশাপাশি সাংবাদিকদের কল্যাণে “ঐক্য পরিষদ বেনাপোল” কাজ করতে চাই। তিনি এ ব্যাপারে কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরীর সহযোগিতা কামনা করেন। ঐক্য পরিষদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম আহবায়ক জামাল হোসেন, সদস্য সচিব বকুল মাহবুব ও কার্যনির্বাহী সদস্য রাশেদুর রহমান রাশু সহ সকল সদস্যবৃন্দ।
সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় শারদীয় র্দূগা উৎসব ২০১৯ উপলক্ষে শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ কেন্দ্রীয় আশ্রাম পরিদর্শন সহ অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় মন্দির কমিটির সদস্য ও ভক্তবৃন্দদের সাথে মতবিনিময় করেন।
০৬/১০/২০১৯ইং তারিখ রববিার উপজলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক বাবু খগেন্দ ভূূষন দাসের সভাপতিত্বে শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ কেন্দ্রীয় আশ্রাম কতৃক আয়োজিত মত বিনিময় সভায় সকালে ঝালকাঠি-১ আসনরে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব বজলুল হক হারুন প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখনে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, রাজাপুর কাঠালিয়া সার্কেল এএসপি মোঃ শাখাওয়াত হোসেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কিবরিয়া সিকদার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকন্দ মোহাম্মদ ফয়সাল উদ্দীন, জেলা পরষিদ সদস্য এস এম আমিরুল ইসলাম লিটন, রেবা রানী মন্ডল, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মাহমুদ হোসেন রিপন, মোঃ রবিউল ইসলাম কবির সিকদার, অধ্যক্ষ মোঃ মাহতাব উদ্দিন, কাঠালয়িা থানা অফসিার ইনর্চাজ মোঃ এনামুল হক প্রমুখ।
এছাড়াও মত বনিমিয় সভায় আওয়ামীলীগরে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও হাজার হাজার পুজারী ও মন্দীরের ভক্তবৃন্দ গন উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামরাইয়ে মাদক সেবনে ও বিক্রিতে বাঁধা দেওয়ায় ঘর বাড়ি, খড়ের পালাতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ধামরাইয়ের কাওয়ালী পাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে একটি জিডি করা হয়েছে।
এ নিয়ে এলাকার লোকজন মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করেছে।
আজ রবিবার (৬অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ভাবনহাটি গ্রামের লোকজন ধামরাইয়ের কালামপুর-সটুরিয়া আঞ্চলিক সড়কের ভাবনহাটি বটতলা রাস্তার পাশে দাড়িয়ে মাদকসেবি ও বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে দুই হাত উঁচিয়ে প্রতিবাদ জানান। এলাকাবাসী জোর দাবি করে বলেন, আমরা চাই, আমাদের গ্রামটি যেন মাদকমুক্ত থাকে।
এই ব্যাপারে এলাকার সাধারণ মানুষ বলেন, এ নিয়ে আমরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। যে কোন সময় বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ মাদক সেবিদের দৌরাত্ম যেভাবে দিন দিন বেড়েই চলেছে এতে যেকোন সময় বড় ধরনের ক্ষতির আশংকা করছে এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে ভাবনহাটি গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন, মাদকসেবিরা আমার ঘরে ও খড়ের পালায় দুইবার আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে আমার অনেক ক্ষতি হয়ে যায়। ভাবনহাটি গ্রামের দারুগাআলীর দুই ছেলে মাদক সম্রাট ফজলুর হক ওরফে টেপা মজনু(৩০) ও আব্দুর রহিম ওরফে ক্যাডার রহিম, একই গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে জামাল (২৬), কুশু আলীর ছেলে আনিছ(২৪) এবং ঐ গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে সোহেল(২৬)। সে গত ২৯ সেপ্টেম্বর ইয়াবা বিক্রিকালে পুলিশের বিশেষ অভিযানে সোহেলকে তার নিজ বাড়ি থেকে ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশ। বর্তমানে সে জেল হাজতে আছে।
আব্দুল লতিফ আরও বলেন, সোহেলের নেতৃত্বে পরপর দুইবার আমার বাড়িতে আগুন লাগিয়েছে। আমি নিজে বাদী হয়ে কাওয়ালী পাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে জিডি করেছি। সে বর্তমানে জেল হাজতে আছে। এখন বাকী মাদকসেবি ও বিক্রেতাদের কারনে এলাকাবাসীরা সব সময় আতংকে থাকে।
ভাবনহাটি গ্রামের মাতব্বর দলিল উদ্দিন ওরফে দয়াল বলেন, মজনু,সোহেল, জামান, রহিম এরা সকলেই মাদকসেবি ও মাদক সম্রাট। এদের কারণে আমরা আতংকে থাকি। আমরা সব সময়ে ভয়ে থাকি । আমাদের বাড়ি ঘর,খড়ের পালা ও দোকানে একাধিক বার আগুন দিয়েছে। আমরা এদের মত মাদকসেবি ও বিক্রেতাদের শাস্তির দাবি জানাই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন,আমি মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় মজনুসহ বাকি মাদকসেবিরা আমার বাড়িতে ও দোকানে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। এখন আমি ভয়ে আছি,এরা যে কোন সময় বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।তাই আমাদের দাবি এদের গ্রেফতার করে আইনের আওতাই শাস্তির ব্যাবস্থা করা হক।
এ বিষয়ে বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহমদ হোসেন বলেন, আজকের মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভার বিষয়ে আমি জানি না। তবে এ বিষয়ে আমি জেনে ব্যবস্থা নিবো।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) দিপক চন্দ্র সাহা বলেন, আজ ভাবনহাটি গ্রামে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা হয়েছে এটি আমি জানি না। এবিষয়ে আমার কাছে কোন অভিযোগ আসে নাই। তবে মাদকসেবি ও বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, ( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ “জন্ম সনদ শিশুর অধিকার,বাস্তবায়নে দায়িত্ব সবার” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস-২০১৯ খ্রিঃ পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে ৬ অক্টোবর রবিবার সকালে পরিষদ চত্বর থেকে একটি র্যালি বের করে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাহী অফিসার মৌসুমি আফরিদার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ তোফাজ্জুল হোসেন, ওসি (তদন্ত) খায়রুল আনাম ডন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রকিবুল হাসান প্রমানিক ,মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আলী শাহারিয়ার, তথ্য অফিসার হালিমা বেগম, নন্দুয়ার- লেহেম্বা- রাতোর ও নেকমরদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানবৃন্দ, প্রেসক্লাব সভাপতি ফারুক হোসেন, নন্দুয়ার ইউনিয়ন সচিব দবিরুল ইসলাম প্রমুখ।
এছাড়াও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা- কর্মচারী,সকল ইনিয়ন পরিষদেরর সচিব ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপ- সহকারি কৃষি অফিসার সাদেকুল ইসলাম।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) আযান ও নামাজের সময় পূজা মন্ডপের সাউন্ড সিস্টেম বন্ধ রাখার অনুরোধ করে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব দীপক চন্দ্র সাহা বলেছেন, চলতি বছরে ঢাকার ধামরাইতে ১৯৬ টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
পূজা মন্ডপের ধরণ অনুযায়ী প্রতিবছরের ন্যায় এবারও প্রতিটি পূজা মন্ডপে পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি আজ ধামরাই পৌরসভার প্রতিটি মন্দির পরিদর্শন করেন। তিনি আরো বলেন, পূজা মন্ডপে পুলিশ ও আনসার সার্বক্ষনিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে। তাৎক্ষনিক অগ্নিকান্ড নিয়ন্ত্রণে ও প্রতিমা বিসর্জনের সময় ফায়ার ব্রিগেডের বিশেষ টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। এছাড়াও পূজা মন্ডপে দর্শণার্থী প্রবেশের সুবিধার্থে মহিলা ও পুরুষদের জন্য আলাদা আলাদা প্রবেশ ও বহির্গমন পথের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনকালীনধামরাই উপজেলার মন্ডপ কেন্দ্রীক মাদক, ছিনতাই এবং ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশী অভিযান কার্যক্রম জোরদার, পুলিশী টহল বৃদ্ধি, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারী এবং উর্ধ্বতন অফিসার কর্তৃক নিয়মিতভাবে প্রতিটি পূজা মন্ডপ পরিদর্শনের মাধ্যমে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা প্রদানে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব দীপক চন্দ্র সাহা সকলকে আশ্বস্ত করেন।
তাছাড়াও পূজা মন্ডবের আশেপাশে অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিং, মেলা, রাস্তার উপর দোকান-পাট না বসানোর জন্য এলাকার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন এবং জরুরী সেবা পেতে ৯৯৯ যোগাযোগ করার জন্য আহ্বান জানান।
যে কোন মূহুর্তে দূর্ঘটনা ঘটার আশংকা বিরাজমান। ষাট দশকের শুরুর দিকে জি,কে সেচ প্রকল্প তাদের সেচ সুবিধা জোরদার করার জন্য শ্রীপুর সদর ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া খাল নামক স্থানে এস-১১/ কে খালের ৮ নং ট্যাংকি ওভার সেতুটি নির্মান করা হয় । এলাকার অধিকাংশ প্রবীণ জানান, সেতুটি যখন নির্মান করা হয়েছিল,তখন একমাত্র জিকে সেচ প্রকল্পের নিজস্ব যানবাহন চলাচল ও তাদের সেচ সুবিধা বাস্তবায়ন করার জন্যই এটি নির্মান করা হয়েছিল। জিকে প্রজেক্ট তখন ভাবেনি যে, ভবিষ্যতে এই সেতুটি বা সড়কটি এতো গুরুত্বপূর্ণ হবে বা ভারী ভারী যানবাহন চলাচল করবে।
যে কারনে সেতুটি তখন তেমন কোন সময়োপযোগি টেকসই করে নির্মান করা হয়নি। কিন্তু বর্তমানে শ্র্র্রীপুরÑলাঙ্গলবাঁধ সড়কটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ ব্যস্ততম সড়ক হওয়ায় প্রতিদিন অসংখ্য পণ্যবাহী হেভি লোড ট্রাক, পিক-আপ, কাভার্ড ভ্যান, তেলবাহী লড়ি, যাত্রীবাহী বাস,টেম্পুসহ যানবাহন এই সড়ক দিয়ে অহরহ যাতায়াত করছে। সেতুিিট দীর্ঘদিনের পুরাতন হওয়ায় এর উপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলার কারনেই মুলতঃ সেতুটির বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে ।
সেতটির কিছু কিছু অংশ খন্ড খন্ড করে ভাঙতে শুরু করেছে। সম্প্রতি পাথর বোঝায় কয়েকটি হেভি লোড ট্রাক সেতুটি ওপার দিয়ে পার হওয়ায় এর ভারে সেতুর উপরিভাগের মাঝখানের একটি অংশ ভেঙে বড় ধরণের গর্তে পরিনত হয়েছে এবং এর গোটা অংশ লম্বা-লম্বিভাবে মারাত্বক ফাটল দেখা দিয়েছে । অনেকদিন ধরে সেতুর রেলিং ভেঙ্গে ঝুলে রয়েছে এবং প্রবল পানির স্্েরাতের কারনে সেতুর তলদেশের পাকা পাটাতন ভেঙে চুর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এক কথায় সেতুটি বর্তমানে চরম ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে এবং যে কোন মুহুর্তে বড় ধরণের দূর্ঘটনা ও প্রাণহানীর আশংকা বিরাজ করছে । এছাড়াও এলাকাবাসী আরোও জানান, সেতুটি ক্ষতি গ্রস্থ হলে মাগুরা জেলার সাথে ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া ও রাজবাড়ী জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকাংশে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। তাছাড়া কৃষি কাজের ক্ষেত্রে পানির সেচ ব্যবস্থা সম্পূর্ণরুপে অচল হয়ে পড়বে। তখন এলাকার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা ও দূর্ভোগের সিমা থাকবেনা। সেতুটি ক্ষতিগ্রস্থের সংবাদ পেয়ে মাগুরার পানি উন্নয়ন বোর্ড তড়িঘড়ি করে অতিসম্প্রতি সেতুটিকে ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা করেন এবং সেতু এলাকায় সতর্কিকরণ নোটিশবোর্ড টাঙিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষনা করেন । কিন্ত আইনের কোন তোয়াক্কা না করে ভারী যানবাহন অবাধে চলছেই। এদিকে মিডিয়া কর্মীদের ফোন পেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হওয়ায় শুক্রবার থেকে তড়িঘড়ি করে সেতুটির ক্ষত-বিক্ষত স্থানে পুটিং-পাটিং ও রেলিং সংস্কারের কাজ শুরু করেছেন ।
এ বিষয়ে ব্রীজের পার্শ্ববর্তী হরিন্দী গ্রামের বাসিন্দা,বীরমুক্তিযোদ্ধা,মাগুরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক সাংগঠনিক কমান্ডার মিঞা শাহাদাত হোসেন বলেন, জিকে প্রজেক্টের খাল গোয়ালপাড়ার এই পুরাতন সেতুটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে এবং কৃষি কাজের সেচ ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক ভুমিকা পালন করে আসছে । বর্তমানে সেতুটির যে ভগ্নদশা তাতে যেকোন সময় ব্রীজটি ভেঙ্গে গিয়ে বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে । তাই সেতুটি যতদ্রæত সম্ভব সংস্কার করার প্রয়োজন বলে মনে করি ।
শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও শ্রীপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মসিয়ার রহমান বলেন, শ্রীপুর-লাঙ্গলবাঁধ সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক ।
এই সড়কের গোয়ালপাড়ার খালের সংযোগ সেতুটির দূর্দশার বিষয়টি এলাকার লোকজন আমাকে বলেছেন এবং আমি নিজেও সেতুটির সমস্যা দেখেছি । তবে সেতুটির সমস্যা খুবই মারাত্বক ও ঝুকিপূর্ণ । ভারী যানবাহন বন্ধ না হলে যে কোন সময় দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। সেতুটি ভেঙ্গে গেলে এলাকার লোকজনের চরম ক্ষতিও হবে । তাই দ্রæত সংস্কারের বিষয়ে মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মহোদয়কে অবগত করা হয়েছে । তাঁর নির্দেশনা পেলে সাধ্যমত কাজ করা হবে ।
মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সারোয়ার জাহান বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন,পুরাতন এই সেতুটির উপর দিয়ে কয়েকদিন পূর্বে ১০ চাকার হেভি লোড গাড়ি যাওয়ার কারনে সেতুটি বেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্থের বিষয়টি জানার পর তৎক্ষনাত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সেতুটি ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা করে সেখানে সতর্কিকরণ নোটিশবোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছেন। তাছাড়া এ সেতু দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেজ্ঞাও আরোপ করেছেন। ক্ষতিগ্রস্থ সেতু হিসেবে সনাক্ত করে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগতও করানো হয়েছে । বর্তমান অবস্থায় সংস্কারের বিষয়ে কোন চিন্তা-ভাবনা না থাকলেও আগামী বাজেটে শুষ্ক মৌসূমে যতটুকু সম্ভব সংস্কার কাজ করা হবে বলে তিনি জানান ।
মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর এবিষয়ে বলেন,বিষয়টি এলাকাবাসী আমাকে দৃষ্টিগোচর করেছেন। যতদ্রæত সম্ভব গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি সংস্কারের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে মর্মে আশ্বাস প্রদান করেন।
হুমায়ূন কবির, রাণীশংকৈল( ঠাকুরগাও) ঃ ঠাকুরগাওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য আলী আকবরের ২৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করছে রাণীশংকৈল উপজেলা আওয়ামী লীগ।
১৯৯৩ সালের ৪ অক্টোবর তিনি মৃত্যু করেন। এ উপলক্ষে ৪ অক্টোবর শুক্রবার রাতে আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা আ’লীগ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক সইদুল হকের সভাপতিত্বে এক আলোচনা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, আলী আকবর এমপি’ র জেষ্ঠ্য কন্যা জেলা আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য সেলিনা জাহান লিটা । বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগের সহ- সভাপতি মুক্তারুল আলম মুক্তা, পৌর আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক মহাদেব বসাক, ঠাকুরগাঁও সুগার মিল ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি জবাইদুর রহমান প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলা আ’লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক রেজাউল করিম, মহিলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সহ- সভাপতি প্রভাষক নাসরিন আকতার, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন,পৌর আ’ লীগ যুগ্ন সম্পাদক রফিউল ইসলাম সহ উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মি ও সহোযোগি অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থপনা সম্পাদক খায়রুল আলম।
প্রসঙ্গত: একইদিনে শিবদিঘি কেন্দ্রিয় টাউন ক্লাব, আলী আকবর ক্রীড়া একাডেমি, সন্ধ্যারই সরকারপাড়া জামে মসজিদ ও রাণীশংকৈল প্রগতিক্লাবে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়।