27.1 C
Dhaka, BD
মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু ও গণমাধ্যম’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ।

এমানুল ইসলাম রাজশাহী ঃ আজ শনিবার (২৪ আগস্ট) সকালে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে” ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের” আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী এবং জাতীয় শোকদিবস ২০১৯ উপলক্ষ্যে “বঙ্গবন্ধু ও গণমাধ্যম” শীর্ষক
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফেরদাউসুর রহমানের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো হারুন উর রশীদ অাসকারী,
বিশেষ অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ শাহিনুর রহমান। প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য-সচিব, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাব এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত তিমির।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সাংবাদপত্রকে ধারালো অস্ত্রের সাথে তুলনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী।

তিনি বলেন, শুধু আমাদের দেশে নয়, বিশ্বব্যাপী আজ সংবাদপত্র একটি অত্যন্ত ধারালো অস্ত্র। এ অস্ত্র যেমন ভালভাবে গণমানুষের স্বার্থের জন্য ব্যবহার করা যায়, ঠিক তেমনি বিঘ্ন ঘটানোর জন্যেও এ অস্ত্র ব্যবহার করা যায়।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হলুদ সাংবাদিকতার বিরোধী ছিলেন। বঙ্গবন্ধু জাতীয় প্রেস ক্লাব তৈরী করে গিয়েছেন। সেই প্রেস ক্লাব আজ তাঁরই কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সর্বকালের সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটেয়েছেন। যার নির্মাণ কাজ চলমান।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে বর্তমানে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা সবচেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি বক্তব্যে আরো বলেন, গণমাধ্যম এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এটি প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশে এবং তার আগেও চোখ খুলে দিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কেননা ২৩ বছরের গোলামীর শাসন ভেঙ্গে তিনি স্বাধীনতার সূর্ষ উদয়ে যে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিলেন তার পেছনে প্রেরণা ছিল মানুষের বাক স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতার আরেক দিক হচ্ছে সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের একটি স্তম্ভ মনে করতেন। রাষ্ট্রের শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ এবং বিচার বিভাগ এই ৩টি স্তম্ভ সমান্তরাল ভাবে চলছে কিনা, তাদের পরস্পরের কর্ম সম্পাদনের মধ্যে কোন প্রকার সমন্বয় হীনতা রয়েছে কিনা সেটি নির্দেশ করার জন্য গণমাধ্যমকে আরেকটি স্তম্ভের মর্যাদা দিয়েছিলেন তিনি।

জাতীয় সংগীতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। এরপর কালো ব্যাজ ধারণ এবং জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়। আলোচনার ফাঁকে-ফাঁকে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর জীবনীর উপর ডকোমেন্টরি এবং বদলে যাওয়া ইবির প্রামাণ্য ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

জাবিতে সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় নিন্দার ঝড় ।

সাঈদ বিন ইসলাম জাবি প্রতিনিধি ঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম কর্তৃক নিজ কার্যালয়ে ক্যাম্পাসে কর্মরত দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে দেশসেরা ক্যাম্পাসগুলোর সাংবাদিক সংগঠন সমূহ। এছাড়াও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোও এ মর্মে বিবৃতি দিয়েছে।

গত ২২ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের সাক্ষাতকার নিতে ভিসি কার্যালয়ে যান দৈনিক প্রথম আলোর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মাইদুল ইসলাম ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি শরীফুল ইসলাম সীমান্ত। দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর উপাচার্যের সাক্ষাত পান সাংবাদিকরা।

প্রাথমিক আলাপচারীতার এক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের দুই কোটি টাকা ছাত্রলীগের মধ্যে বণ্টনের অভিযোগ সম্পর্কে উপাচার্যের বক্তব্য জানতে চান তারা। এ প্রশ্ন করামাত্র উপাচার্য সাংবাদিকদের উপর প্রচণ্ড রেগে দাঁড়িয়ে যান তিনি। এমন প্রশ্ন করার সাহস কোথায় পেল বলে সাংবাদিকদেরকে ধমকাতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে উপাচার্য তাদের বিভাগীয় সভাপতিকে ডেকে পাঠান এবং তাদের ছবি তুলে রাখার নির্দেশ দিলে পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আশরাফুল আলম তাদের ছবি তুলে রাখেন।

সহকর্মীদের প্রশাসন কর্তৃক লাঞ্ছিত ও অপমানিত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সভাপতি প্লাবন তারিক ও সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মাহমুদ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রশাসনের বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযোগ উঠলে সে সম্পর্কে প্রশ্ন করার পূর্ণ অধিকার সাংবাদিকদের রয়েছে। প্রশ্ন করার কারণে উপাচার্য কোনভাবেই সাংবাদিকদের উপর রেগে যেতে পারেননা।’

জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আশিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রশাসন জাহাঙ্গীরনগরের ইতিহাস ভুলে গেছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বৈরাচারী কায়দা বেছে নিয়ে কেউ কোনদিন টিকে থাকতে পারে নি। জাতির জনকের নাম ভাঙ্গিয়ে দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের টাকা লুটপাটের যে মহাযজ্ঞে তারা লিপ্ত হয়েছেন এর সমুচিত জবাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেবে।

এই অনিয়ম অপরিকল্পনার পথ পরিহার না করলে অচিরেই মসনদ ধ্বসে পড়বে। সাংবাদিকদের হেনস্তা করে উপাচার্য যে একরোখা আচরণ করেছেন তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও লজ্জার। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করে তিনি টিকে থাকতে পারবেন না।’

এ ব্যাপারে জাবি শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি মাহাথির মুহাম্মদ এবং সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত দে একযুক্ত বিবৃতিতে বলেন, ‘এই ধরনের অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য যুক্ত থাকবার অভিযোগ গোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের গায়ে কালি লেপন করে।উপাচার্য যখন এই ঘটনা নিয়ে প্রশ্নের কোনো সদুত্তর না দিয়ে উল্টো প্রশ্নকর্তাকেই লাঞ্ছিত করেন তখন অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগই ভিত্তি পায়।’

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের নেতৃবৃন্দ এক লিখিত বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কর্তব্যরত সাংবাদিকদের সাথে এমন আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এছাড়া প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ ভাগবাটোয়ারা বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ও অপপ্রচারের দোহাই দিয়ে তৈরি ছাত্র-শৃঙ্খলা অধ্যাদেশ অনুযায়ী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের হুমকির সম্মুখীন হওয়াকে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অশনিসংকেত মনে করে ছাত্র ইউনিয়ন।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চ এ ঘটনাকে গণতান্ত্রিক চরিত্রের প্রতি হুমকি স্বরূপ চিহ্নিত করে লিখিত বিবৃতিতে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত দুইজন সাংবাদিক উপাচার্যকে অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি কেবল তাদেরকে লাঞ্ছিতই করেননি উপরন্তু তাঁর প্রশাসনের তৈরি করা ‘ছাত্র শৃঙ্খলা বিধি’র কালা কানুন মোতাবেক শাস্তি প্রদানেরও হুমকি দিয়েছেন। এই আচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চরিত্রের প্রতিই হুমকি স্বরূপ।

এদিকে সাংবাদিক লাঞ্ছনার এ ঘটনায় দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোর সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবসহ অন্যান্য ক্যাম্পাসের সাংবাদিক সংগঠন গুলো এ মর্মে পৃথক পৃথক বিবৃতি দেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে এহেন অপেশাদার এবং অশোভনমূলক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিভাগীয় সভাপতিকে ডেকে আনা এবং সাংবাদিকদ্বয়ের ছবি তুলে রাখা চরম অশোভন ও তাদের শিক্ষাজীবনের জন্য হুমকি স্বরূপ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফারজানা ইসলাম দ্রুত সময়ে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বসে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার যথাযোগ্য ব্যাখ্যা দিয়ে ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অচিরেই প্রশাসনকে এ ধরণের আচরণ থেকে বেরিয়ে আসার আহবান জানান।

মাগুরা শ্রীপুরে এনজিও ও দাদনের সুদের টাকা শোধ করতে না পেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা ।

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি ঃ মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার হরিন্দী মালোপাড়া রিনা রানী বিশ্বাস(৪৮) নামের এক গৃহবধূ এনজিও’র কিস্তি ও দাদনের সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে ।

পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হরিন্দী গ্রামের মালোপাড়ার হতদরিদ্র সরজিৎ কুমার বিশ্বাসের স্ত্রী রিনা রানী বিশ্বাস সাংসারিক অনটন ও স্বামীর ব্যবসায়ীক কাজের প্রয়োজনে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋনের কিস্তির টাকা উত্তোলন করে আসছিল । একপর্যায়ে স্বামীর মৎস্য ব্যবসায়ে লোকসান ও সাংসারিক অনটনে এনজিও’র টাকা খরচ করায় দায়গ্রস্থ হয়ে পড়ে ।

পরবতীর্তে এনজিও’র ঋনের কিস্তি টাকা শোধ করার জন্য এলাকার প্রভাবশালী দাদন ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে চড়া সুদে দাদনের টাকা গ্রহন করে। প্রথম অবস্থায় সুদের টাকার কিস্তি ভালভাবে পরিশোধ করলেও ঋনের বোঝা থেকেই যায় । এভাবে এনজিও এবং দাদনের সুদের টাকা শোধ করতে বসত-ভিটার অধিকাংশ জমিও বিক্রি হয়ে যায় । অবশিষ্ট থাকে শুধুমাত্র মাথার গোজার মত তিল পরিমান জায়গা ।

শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেয় মাথার গোজার জমি টুকুন বিক্রি করে ঋনের টাকা শোধ করবে নইলে বিষপানে আত্মহত্যা করবে । বিষয়টি প্রতিবেশীদের কাছে সে আগে থেকেই জানিয়ে দিয়েছিল । এবিষয়টি মাথায় নিয়েই গৃহবধূ রিনা রানী বিশ্বাস গত বুধবার গভীর রাতে বিষপান করে । বিষপানে সে মারাত্বক অসুস্থ্য হয়ে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে ঔইরাতেই মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় । এখানে তার অবস্থার আরোও অবনতি ঘটলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ।

চিকিৎসারত অবস্থায় আজ শনিবার বিকেলে সে মৃত্যু বরণ করে। এঘটনায় এলাকায় চরম শোকের ছায়া নেমে এসেছে ।

ধামরাইয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবাসহ আটক।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) : ঢাকার ধামরাইয়ে হাজিপুর এলাকা থেকে মোঃ সাগর মাহমুদ (৩০), ও ধামরাই পৌর শহরের যাত্রাবাড়ী এলাকা অরপন সরকার (২৮) নামে দুই ইয়াবা ব্যাবসায়ীকে আটক করেছে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণের পরিদর্শক ও র‌্যাব-৪এর একটি টিম। পরে তাদের বিরুদ্ধে ধামরাই থানায় মাদক দ্রব্য নিয়তন্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আজ শনিবার (২৪আগষ্ট)বেলা ৪ টার দিকে ধামরাই উপজেলার সদর ইউনিয়নের হাজিপুর গ্রামে ও ধামরাই পৌর-শহরের যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে তাদের আটক হয়।

আটককৃতরা হলেন (১) মোঃ সাগর মাহমুদ,ধামরাই উপজেলার ধামরাই সদর ইউনিয়নের হাজিপুর গ্রামের মোঃ সুলতান মাহমুদের ছেলে এবং অরপন সরকারের বাড়ী গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার কান্দাপাড়া গ্রামের রঞ্জিত সরকারের ছেলে।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানার ডিউটি অফিসার (এস.আই) মোসাঃ মালেকা বেগম জানান, ইয়াবা বিক্রির সময় মাদক দ্রব্য নিয়তন্ত্রের পরিদর্শক মোঃ আঃ সালাম এবং র‌্যাব-৪ এর একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাজিপুর গ্রামে সাগর মাহামুদের নিজ বাড়ীতে ইয়াবা বিক্রি কালে ৪৮পিচ ইয়াবাসহ তাকে আটক করে এবং র‌্যাব-৪ এর একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধামরাই পৌরসভার, যাত্রাবাড়ী ৩নং এলাকা থেকে অরপন সরকারকে ইয়াবা বিক্রির ১৭০০টাকাসহ ১৯০পিচ ইয়াবাসহ তাকে আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে ধামরাই থানায় নিয়মিত মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রাণীশংকৈলে আখেরী মোনাজাতের মধ্যদিয়ে জেলা ইজতেমা সফল ভাবে সমাপ্তি ।

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণশংকৈল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ৩ দিন ব্যাপী তাবলিক জামাতের সাদ সমর্থকদের জেলা ইজতেমা ২৪ আগস্ট শনিবার সকাল ১১:৪০ মিনিটে আখেরী মোনাজাতেরর মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

শান্তিপূর্ণভাবে আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মোশারফ হোসেন। এ সময় ২০ হাজারেও বেশি মুসুল্লী এ মোনাজাতে অংশ গ্রহন করেন বলে জানান অংশগ্রহণকারীরা । গত ২২ আগস্ট বৃহস্পতিবার ফজরের নামাযের পর হতে প্রথম বয়ানের মধ্য দিয়ে এ ইজতেমা শুরু হয়। মাওলানা মোশারফ হোসেন আখেরী মোনাজাতে দেশ ও বিশ্ব মুসল্লিম ওম্মার মঙ্গল কামনা করেন।

সেইসংগে তাবলীব নিয়ে এক শ্রেণীর মানুষ ছিনিমিনি খেলছেন তাদেরকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার জন্য আল্লাাহর হেদায়েত কামনা করেন।

ইজতেমায় রাণীশংকৈল উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সাদ সমর্থিত মুসুল্লিবৃন্দ সহ বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে হাজার হাজার মানুষের সমাগম লক্ষ্য করা গেছে। এ দিকে সম্প্রতি ইজতেমাকে কেন্দ্র করে জুবায়ের পন্থি সমর্থকরা ইজতেমা ঠেকাতে মানববন্ধন স্বারকলিপি প্রদান করেন। পরে জেলা আইন শৃংখলা ও পুলিশ বাহিনীর সর্বাক্ষনিক তৎপরতায় কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ইজতেমা সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান ইজতেমায় অবস্থাররত মুসুল্লিবৃন্দ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ কতৃক ৫৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক-২

শামশুজ্জোহা বিদ্যুৎ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা শিবগঞ্জ উপজেলার তেলকুপির আবু সাঈদের ছেলে শফিউল আলম (২৮) ও একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সোহেল রানা (২৭)।

এস আই আবু আব্দুল্লাহ জাহিদ পিপিএম জানান, পুলিশ সুপার টি এম মোজাহিদুল ইসলাম বিপিএম পিপিএম এর নির্দেশে আমিসহ সঙ্গীয় ফোর্স চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুরহাটের থানতলায় শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে পলাতক আসামী শফিক (৪০) কে ধরতে অভিযান চালায়।

এ সময় শফিকের ঘর থেকে ৫৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ শফিউল ও রানাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

এস আই আবু আব্দুল্লাহ জাহিদ পিপিএম আরো জানান, আসামী শফিউলের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক মামলা এবং সোহেলের বিরুদ্ধে ৩টি মাদকের মামলা চলমান আছে। আজকের ঘটনায় সদর মডেল থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মাগুরায় সাজানো অপহরণ জালে আটক ইউপি সদস্য ।

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি ঃমাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম মোল্যা(৪৮) নিজেকে অপহৃত দেখিলে সাজানো অপহরণ মামলায় অবশেষে পুলিশের খাঁচায় বন্ধি।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, ইউপি সদস্য হালিম মোল্যা প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অপহরণের মিথ্যা নাটক সাজান এবং গত ২২ আগস্ট বিকেলে বাড়ি থেকে রাজাপুর বাজারে যাওয়ার কথা বলে নিরুদ্দেশ হন। নিরুদ্দেশের পরপরই বাড়িতে অভিনব কায়দায় ফোন করে বলেন যে, রাজাপুর বাজার থেকে কিছু লোক তাকে অপহরণ করে আটক করে রেখেছে এবং ৮ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে । দাবিকৃত টাকা না দিলে অপহরণকারীরা তাকে হত্যা করবে। বিষয়টি জানার পর পরিবারের লোকজন চরম উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং ঘটনার দিন রাতেই হারুনর রশীদ নামে এক ব্যক্তি মহম্মদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী অন্তর্ভুক্তি করেন।

এঘটনার পর থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধারের জন্য জোর তদন্ত শুরু করেন । তদন্তের একপর্যায়ে ২৩ আগস্ট রাত অনুমান ৮টার দিকে মাগুরা সদর উপজেলার আলোকদিয়া বাজার থেকে তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।উদ্ধারের পর সে পুলিশকে জানিয়েছেন যে, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতেই সে এমন কান্ড ঘটিয়েছিল ।

মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) তারক বিশ্বাস জানান,সে নিরুদ্দেশ হওয়ার পর থেকেই বিষয় পুলিশের সন্দেহ মনে হচ্ছিল । সে পরিকল্পিতভাবে নিজেকে আত্মগোপন করে প্রতিপক্ষকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করার জন্যই সে এটা করেছে বলে হালিম মোল্যা পুলিশকে জানিয়েছে ।

রাণীশংকৈলে জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে শোভাযাত্রা ও আলোচনা অনুষ্ঠিত ।

হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল, ( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ সনাতন ধর্মের মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আজ শুভ জন্মতিথি। এই মহাপুণ্য তিথিতে কংসের কারাগারে বন্দি দেবকী ও বাসুদেবের বেদনাহত কোল আলো করে এসেছিলেন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।

আজ হিন্দুদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, দুষ্টদের দমন আর সজ্জনদের রক্ষার জন্যই আজ থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বছর আগে দ্বাপর যুগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে অবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়েছিলেন। এ উপলক্ষ্যে ২৩ আগস্ট শুক্রবার সকালে, সারাদেশের ন্যায় যথাযোগ্য মর্যাদার সহিত ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু বোদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ব্যানারে পৃথক পৃথক দুটি শোভাযাত্রা বের করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

পরে কলেজ পাড়া দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গণ ও হাট খোলা দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে অলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সংশ্লিষ্ট ব্যানারের সভাপতিদের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক ইয়াসিন আলী, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি অধ্যাপক সইদুল হক, পৌর মেয়র আলমগীর সরকার, ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা থানা ওসি তদন্ত খায়রুল আনাম ডন, পৌর আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সম্পাদক উউপাধক্ষ্য মহাদেব বসাস উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু বোদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি/ সম্পাদক প্রমুখ।

এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, উপজেলার সকল সনাতন ধর্মের নেতৃবৃন্দ , শ্রীকৃষ্ণের ভক্ত বৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে ভক্ত বৃন্দ ও উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আগত অতিথিদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

মাগুরায় শ্রী শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত ।

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে গতকাল শুক্রবার মাগুরায় শ্রীশ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে দুপুরে স্থানীয় নিজনান্দুয়ালী নিতাই গৌর গোপাল সেবাশ্রম থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহর প্রদক্ষিণ শেষে সাতদোহা ন্যাংটা বাবার আশ্রম প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

সেখানে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি এ্যাডভোকেট প্রদ্যুৎ কুমার সিংহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য বীরেন শিকদার এমপি, জেলা প্রশাসক মোঃ আলী আকবর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু নাসির বাবলু, পৌর মেয়র খুরশীদ হায়দার টুটুল, হিন্দু, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব কুন্ডু, হিন্দু বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কেদ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপ্না রাণী বিশ্বাস, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ বাছাড়, সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট সনজিৎ কুমার বিশ্বাস, সাতদোহা ন্যাংটা বাবার আশ্রমের সভাপতি লিপিকা দত্ত, শ্রী শ্রী নিতাই গৌর গোপাল সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ চিন্ময়ানন্দ দাস বাবাজি, শ্রী শ্রী গৌর রাধাবিনোদ সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভবানন্দসহ অন্যান্যরা।

বেনাপোলে শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মষ্টমীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: বেনাপোলে নানা আয়োজনে সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫১ তম আর্বিভাব তিথি জন্মদিন বা শুভ জন্মাষ্টমী আজ (শুক্রবার) ২৩শে আগষ্ট সকাল সাড়ে ১০টার সময় বেনাপোল নামার্চায্য শ্রী শ্রী ব্রক্ষ হরিদাস ঠাকুর পাটবাড়ী আশ্রমে প্রদ্বীপ প্রজ্বলন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে এই দিনটি উদযাপিত হয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শার্শা উপজেলায় ও বেনাপোলে জন্মাষ্টমীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা ও পূজাসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মতে, প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বছর আগে দ্বাপর যুগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ধরাধামে আবির্ভূত হন মহাবতার শ্রীকৃষ্ণ। অত্যাচারী ও দুর্জনের বিরুদ্ধে শান্তি প্রিয় সাধুজনের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জন্ম নেন কংসের কারাগারে। শিষ্টের পালন ও দুষ্টের দমনে ব্রতী ছিলেন তিনি। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে শ্রীকৃষ্ণ তাই ভগবানের আসনে অধিষ্ঠিত।

পরে বেনাপোল পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শান্তিপদ গাঙ্গুলীর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শার্শা উপজেলার ভূমি কমিশনার মৌসুমী জেরিন কান্তা। বিশেষ অতিথী বেনাপোল কাস্টম হাউজের সহকারী কমিশনার দীপা রানী হালদার ও রাজস্ব কর্মকর্তা সমিরন আর্চায্য,যশোর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শার্শা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বৈদ্যনাথ দাস।

এসময় অনুষ্ঠানে আরও অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আলমগীর,শার্শা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক নীল কমল সিংহ ও যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক সুকুমার দেবনাথ,বেনাপোল পৌর পুজা উযযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক উজ্জ্বল কুমার বিশ্বাস, বেনাপোল পাঠবাড়ী আশ্রম পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দেব কুমার সিংহ প্রমূখ।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বেনাপোল পৌর ও শার্শা উপজেলা শাখার আয়োজনে ঢাক-ঢোল ও ব্যান্ডের বাজনা, শ্রীকৃষ্ণের বিভিন্ন রূপ সেজে তাদের জয়গানে মুখর হয়ে উঠে পুরো এলাকা। ব্যানার, ফেস্টুন, পতাকা হাতে অংশ নেন পুরুষ-মহিলারা শিশুরাও। তারা উলুধ্বনি এবং শুভ শুভ শুভ দিন শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন ¯েøাগান দেন। আলোচনা সভাশেষে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বেনাপোলের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মটর শোভাযাত্রা করে। মটর শোভাযাত্রাটি বেনাপোলসহ শার্শা উপজেলার বিভিন্ন জায়গা প্রদক্ষিণ করে দুপুর ১টায় আশ্রমে এসে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন বেনাপোল পাটবাড়ী আশ্রম পরিচালনা পরিষদের সভাপতি তাপশ বিশ্বাস ও সাধারন সম্পাদক ফনি ভূষন পাল।

সর্বশেষ আপডেট...