কালিয়াকৈরে ফিল্ম সিটিতে রাসায়নিক মুক্ত খেজুরের রস ও গুড় উৎপাদন
মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইরে ১১’শ পিচ ইয়াবাসহ আটক-২ (ভিডিও)
স্টাফ রিপোর্টার: মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান,পিপিএম-বার এর ঘোষিত “মাদক মুক্ত হবে মানিকগঞ্জ জেলা”এরই অংশ হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(অপরাধ ও প্রশাসন) মো.হাফিজুর রহমান এর দিক নির্দেশনায় সিংগাইর সার্কেলের এএসপি মোহা.রেজাউল হক ও অত্র থানার ওসি সফিকুল ইসলাম মোল্ল্যার তত্ত্বাবধানে ও ইন্সপেক্টর(তদন্ত) শেখ আবু হানিফ এর নেতৃত্বে এসআই মনোহর আলী,সুমন মিয়া,আজিজুল রহমান ও মাহফুজুল রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে পৃথক অভিযানে এক হাজার একশত পিচ ইয়াবা উদ্ধারসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে সিংগাইর থানা পুলিশ।
গত সোমবার (৬ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন-সিংগাইর উপজেলার চারিগ্রাম ইউনিয়নের মধ্য চারিগ্রাম এলাকার পাখিল উদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিন(২১) ও জামশা ইউনিয়নের গোলাইডাঙ্গা বাস্তা গ্রামের বিন্দু মিয়ার ছেলে সাদ্দাম(২৭)। এরা দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক কারবারির সাথে জড়িত বলে থানা সূত্রে জানা যায়।
সিংগাইর থানার ওসি সফিকুল ইসলাম মোল্ল্যা বলেন-একই রাতে পৃথক অভিযানে ইয়াবা উদ্ধারসহ ২জনকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মেম্বার পদপ্রার্থী আশরাফুল ইসলাম জুয়েল সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন ।
স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ আশরাফুল ইসলাম জুয়েল। যার পিতা মরহুম হাজী নুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, তিনি ছিলেন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ,মাতা সাবেক নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদের ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য।
জনসেবার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি অত্যন্ত আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে অল্প সময়ে সুপরিচিত লাভ করেছেন এবং একজন উদীয়মান যুবক রাজনীতিবিদ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন সাধারণ মানুষের সেবায় ।
সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করেছেন মানুষের পাশে থেকে। ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় সহ মহামারি করোনায় ছিলেন সাধারণ মানুষের পাশে, শুরু থেকে তিনি তার সাধ্য অনুযায়ী সাধারণ মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করে গেছেন , তিনি নিজেকে মানুষের সেবায় উৎসর্গ করে দিতে চান।
আসন্ন সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সৎ, যোগ্য, শিক্ষিত, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদবাদী, ন্যায়ের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, গরীব-দুঃখী মেহনতী মানুষের পরমবন্ধু, জনদরদী, নিঃস্বার্থ সমাজসেবক ও দুর্নীতি বিরোধী অঙ্গীকার নিয়ে ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে মোঃ আশরাফুল ইসলাম জুয়েল আপনাদের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন। নিজের প্রার্থিতা জানান দিয়ে তিনি তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে পরিষদ নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডবাসি ও সকল স্তরের জনগণের কাছে সমর্থন ও দোয়া প্রার্থনা করছেন।
মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত একটি সুখী-সুন্দর দেশ এবং সমাজ নির্মানে সর্বপ্রথম ওয়ার্ড পর্যায়ে উন্নয়ন প্রয়োজন। তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সমর্থন ও ভোট দেওয়ার জন্য ওয়ার্ডবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী মোঃ আশরাফুল ইসলাম জুয়েল একান্ত এক সাক্ষাৎকারে সময়ের খবর টোয়েন্টিফোরের প্রতিনিধিকে বলেন, আমার রাজনৈতিক অভিভাবক সাভার উপজেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব ভাই এর দিক নির্দেশনা অনুযায়ী চলমান করোনাভাইরাস মহামারীতে জনসচেতনতা মূলক কর্মকান্ড সহ বিভিন্ন ভাবে অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করেছি, করোনার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায়দের ঘরে ঘরে রাতের আধারে খাবার পৌঁছে দিয়েছি এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি যাতে করে আমার এই ওয়ার্ডে কেউ অনাহারে না থাকেন । এছাড়াও সকল বিষয়ে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম সমর ভাই আমাকে সব সময় সার্বিক সহযোগিতা করেছেন ।

এসময় তিনি আরো বলেন, সর্বোপরি আমিও আমার পিতা-মাতার মত নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার জন্য আপনাদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে এ এলাকা থেকে মাদক সন্ত্রাস নির্মূল করে পারিপার্শ্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে ১নং ওয়ার্ড কে একটি উন্নত ওয়ার্ড হিসেবে গড়তে সার্বিক ভূমিকা রাখতে চাই, আর এ জন্য আপনাদের সমর্থন কামনা করছি ।

আমাকে যদি জনগণ তাদের সেবা করার সুযোগ দেয় তাহলে আমি নির্বাচিত হয়ে ১ নং ওয়ার্ডকে একটি রোল মডেল হিসেবে উপহার দিব এলাকাবাসীকে । আমার স্বপ্ন এলাকাবাসীর সেবা করা ও সুখে দুঃখে তাদের পাশে থাকা । সমাজ নির্মাণে সর্বপ্রথম ওয়ার্ড পর্যায়ে উন্নয়ন প্রয়োজন ।
তাই তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড কে একটি মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সমর্থন ও ভোট দেওয়ার জন্য ওয়ার্ড বাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি প্রতিনিয়ত ১নং ওয়ার্ডের প্রতিটি গ্রামের মোড়ের চায়ের দোকানে ,বিভিন্ন রাস্তাঘাটে ও পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন ।
দিনরাত ভোটার ও সমাজের মুরব্বিদের সাথে মতবিনিময় করে যাচ্ছেন এরইমধ্যে তিনি এলাকার মুরব্বিদের সাথে কুশল বিনিময় ও নানান সমস্যা নিয়ে তরুণদের সাথে মতবিনিময় করছেন, উন্নয়নে লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে দরিদ্র মুক্ত শিক্ষাবান্ধব বৈষম্যহীন আদর্শ গ্রাম হিসাবে গড়ে তুলতে গ্রামের মুরুব্বী ভাই-বন্ধু মা-বোনসহ ওয়ার্ড বাসীর নিকট দোয়া ও সমর্থন কামনা করছেন ।
স্থানীয়রা বলেন তিনি তাদের সকল বিপদে-আপদে এগিয়ে আসেন রাত দিন যখনই চাই আমরা তাকে পাশে পাই, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডে দল মত নির্বিশেষে, উন্নয়নের স্বার্থে যুবক সমাজসেবক মোঃ আশরাফুল ইসলাম জুয়েলকে আমরা মেম্বার হিসেবে পেতে চাই ।
বিজয়ের মাসে স্বীকৃতি ছাড়াই চলে গেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লোবান
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ- রাজনীতির উত্তাল সময় ১৯৬৯-৭১ এ ছাত্র ইউনিয়নের প্যানেল থেকে বিপুল ভোটে মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
যুদ্ধ শুরু হলে সংগঠক হিসেবে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া ও দৌলৎদিয়া এলাকায় ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। অংশ নেন সম্মুখ সমরে। নেতৃত্ব দেন থানা থেকে অস্ত্র লুটে। তবে বিজয়ের ৫০ বছরেও গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি মেলেনি তার। অবশেষে বিজয়ের মাসেই চলে গেছেন ঢাকার ধামরাইয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান খান লোবান।
শনিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার ধামরাই উপজেলার চৌহাট ইউনিয়নের পারাগ্রাম গ্রামে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় নিজ বাড়িতে মৃত্যু বরণ করেন তিনি।
বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান খান লোবান দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৭৪ বছর। মৃত্যুকালে এক ছেলে এক মেয়ে ও স্ত্রী’কে রেখে মারা গেছেন। তিনি ছাত্র জীবনে ছাত্র ইউনিয়ন, পরে ন্যাপ ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
স্বীকৃতি না পাওয়া এই মুক্তিযোদ্ধার যুদ্ধকালীন সময়ের কথা জানতে গত অক্টোবর মাসে তাকে যখন মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ড উপজেলা পরিষদে ডেকেছিল। ততদিনে নিজের পায়ে চলার মতো সামর্থ হারিয়েছিলেন তিনি।
জানতে চাইলে মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান খান লোবানের ছেলে আশিকুর রহমান খান বলেন, ”বাবা বেঁচে থাকতে কয়েকবার চেষ্টা করেছিলেন। তবে গেজেটে নাম আসেনি। অবশেষে গত অক্টোবরে সাবেক মন্ত্রী সাজাহান খান ধামরাইয়ে আসলে সেখানে আমরাও যাই। বাবার সহযোদ্ধারাও ছিলেন সেখানে। তারা বাবার বিষয়ে বিষদ বলেন। তার সঙ্গের মুক্তিযোদ্ধা মানিকগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম ফারুক বলেন, ‘লোবান ভাই না থাকলে তাদের মুক্তিযুদ্ধেই যাওয়া হতো না। ২৫ মার্চ রাতে খবর পেয়ে আমরা মানিকগঞ্জ অস্ত্রাগার লুট করি, সেখানে ভিপি হিসেবে বড় ভূমিকা রাখেন লোবান ভাই। পরে মানিকগঞ্জের সেনা বাহিনীর অবসরপ্রাপ্তদের কাছ থেকে মানিকগঞ্জেই রাইফেল চালনা প্রশিক্ষণ নেই।’
আশিকুর রহমান খান আরও বলেন, ‘বাবা গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি। কাল যখন তিনি মারা যান আমরা ধামরাই উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে ফোন করি। উনি আমাকে বললেন বাবাকে গার্ড অফ অনার দেয়া হবে। পরে আজ গার্ড অফ অনার দেয়া হয়। তবে তিনি এখনো গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি। কিন্তু খবর পেয়ে মুক্তিযোদ্ধারা, উপজেলা প্রশাসন তাকে যথাযথ সম্মান জানিয়েছে। আমরা এতে কিছুটা হলেও প্রশান্তি পেয়েছি। আশা করছি তিনি স্বীকৃতিও পাবেন।’
জানতে চাইলে মানিকগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম ফারুক বলেন, ‘যুদ্ধে লোবান ভাই কোয়ার্টার মাস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সিঙ্গাইর, মানিকগঞ্জ, সাটুরিয়া, হরিরামপুরে দায়িত্ব পালন করেন। মানিকগঞ্জে থাকলে হয়ত তিনি আরও অনেক আগেই স্বীকৃতি পেতেন।’
জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধে তার অন্যতম সহযোদ্ধা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম আরজু বলেন, ২-৩ মাস আগে এই বিষয়টা নিয়ে আমরা ধামরাইয়ের এমপি ও অন্যান্যদের বলেছি। তারা বলেছে এটা তারা করে দেবে। সে তো মূলত ধামরাইতে থাকেনি। লেখাপড়া, রাজনীতিসহ প্রায় সবকিছু করেছে মানিকগঞ্জে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার আবেদন করেছে ধামরাইতে।
মানিকগঞ্জে আবেদন করলে তো সমস্যা হতো না। কারণ এখানে তাকে সবাই চেনে জানে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে তালিকা করতে পারতাম। ধামরাই রাজনীতি বা যুদ্ধ কোনটাই না করায় তার বিষয়ে কেউ জানতো না। একারণে গেজেটেড হয়নি। উনি উনার মতো চেষ্টা করেছে কিন্তু হয়নি। আমরা সেটা জানলাম সম্প্রতি তিনি অসুস্থ হওয়ার পর। মৃত্যুর পরে হলেও তিনি দ্রুত গেজেটেড হবেন বলে আশা করছি।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আলীম খান সেলিম বললেন, ‘দুঃখের বিষয় এমন একজন মুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়া যায়নি। আমরা এটা নিয়ে কাজ করবো। দ্রুত স্বীকৃতির ব্যবস্থা করবো। আমরা খবর পেয়েই তাকে সম্মান জানাতে গার্ড অফ অনার দেয়ার ব্যবস্থা করেছি।
কাগজে কলমে মুক্তিযোদ্ধা না হয়ে, কোন রাষ্ট্রীয় ভাতা না পেলেও অবশেষে তার মৃত্যুতে বিউগলে বেজেছে করুণ সুর। সম্মান জানিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ স্থানীয়রা। এতেই কিছুটা হলেও মরহুমের আত্মার প্রশান্তি মিলেছে বলে মত পরিবারের।
আলোচিত লেডি বাইকারের পক্ষে ব্যারিস্টার সুমন, পেলেন আগাম জামিন
সিলেট প্রতিনিধিঃ অবশেষে মাদক মামলায় সিলেটের আলোচিত লেডি বাইকার রিয়া রায়কে ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
২ ডিসেম্বর বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। তার পক্ষে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।
এর আগে গত ৩০ নভেম্বর মা;দ;ক মা;মলায় পলাতক সিলেটের আলোচিত লেডি বাইকার রিয়া রায় আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন। তার পক্ষে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন উচ্চ আদালতে এ আবেদন দায়ের করেন।
এদিকে পুলিশের তথ্যমতে, চলতি মাসের ৭ নভেম্বর সিলেট নগরীর এয়ারপোর্ট এলাকা থেকে মাদকসহ গ্রেপ্তার হন রিয়ার প্রেমিক। ওই ঘটনায় আরমান সামীকে প্রধান আসামি করে রিয়াসহ দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করে সিলেট বিমানবন্দর থানা পুলিশ।
এদিকে মা;ম;লার এজাহারে বলা হয়, ৫০০ গ্রাম মদ, ১০ পিস ইয়াবা ও দুই প্যাকেট গাঁ;জাসহ গ্রে;প্তার করার পর প্রেমিক সামী জানায় তার সঙ্গে লেডি বাইকার রিয়াও ছিল। কৌশলে সে পালিয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে সামীর মা-বাবা বলেন, টিকটকে একসঙ্গে ভিডিও তৈরি করত সামী ও রিয়া। সেখান থেকেই বন্ধুত্ব, তারপর প্রেম। তবে রিয়া হিন্দু ধর্মের এজন্য সামীকে প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল পরিবার।
এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র দাশ জানান, রিয়াকে গ্রে;প্তার করার জন্য পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। বর্তমানে জেলে আছেন রিয়ার প্রেমিক আরমান সামী।




























গতকাল মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দিনগত রাতে কালামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজন চোরকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
রবিবার দুপুরে (৫ ডিসেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বরণ করে নেন কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ।
এ উপলক্ষে এদিন দুপুরে উপজেলা কনফারেন্স রুমে সহকারী কমিশনার (ভুমি) ইন্দ্রজিৎ সাহার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না।
এ উপলক্ষে এদিন বিকেলে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন পরিষদ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের যৌথ উদ্যোগে পৌর শহরে একটি বিজয় শোভাযাত্রা বের করা হয়।