মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল পুটখালী পূর্ব পাড়া গ্রাম থেকে ৪৭ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে পোর্ট থানা পুলিশ।শুক্রবার (২৮ শে ফেব্রয়ারি) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পুটখালী পূর্ব পাড়া গ্রামের মোঃ আলমগীর হোসেনের ছেলে জাহিদ হাসান(২৩)নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর ঘরের খাটের নিচ থেকে মোট ৪৭ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করে। মাদক ব্যবসায়ী জাহিদ হাসান পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মামুন খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুটখালী গ্রামে আসামী জাহিদ হাসান এর বাড়িতে অভিযান চালানো হয় এবং তার ঘরের খাটের নিচ থেকে ৪৭ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।আসামী জাহিদ পলাতক আছে তাকে দ্রত গ্রেফতার করার প্রক্রিয়া চলছে।
হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল গোগরে ২২ ফেব্রুয়ারি ঘটে যাওয়া গরু ব্যবসায়ী তৈয়ব আলী হত্যা মামলার রহস্য উম্মোচন করে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে রানীশংকৈল থানা পুলিশ । ভিকটিম মৃত তৈয়ব আলীর ভাই বাদী হয়ে থানায় মামলা করে। গত ৬ দিন রাণীশংকৈল থানা পুলিশের একটি চৌকশ টিম ওসি তদন্ত খায়রুল আনামের বিশেষ নেতৃত্বে নিরলস পরিশ্রমের ফলে গোগরের বিভিন্ন স্থান থেকে আসামীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে রাণীশংকৈল থানা হলরুমে এসপি সার্কেল ( পীরগন্জ – রাণীশংকৈলের দায়িত্বপ্রাপ্ত) তৌহি- উদ- দৌলা লুপম প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন তৈয়ব হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও রাণীশংকৈল থানা ওসি (তদন্ত) খায়রুল আনাম ডন, এ এস আই আহসান হাবীব, ভিকটিম মৃত তৈয়ব আলীর স্ত্রী ছবি আকতার, তাঁর সন্তানেরা ও সাংবাদিকবৃন্দ। প্রেস ব্রিফিং মতে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া তৈয়ব আলী হত্যার সাথে জড়িত গোগর গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে রবিউল ইসলাম (২৩), একই গ্রামের মুসলিম উদ্দিনের ছেলে সাব্বির (২০), খলিলুর রহমানের ছেলে সাগর আলী (১৯) , মোস্তফা আলমের ছেলে জুয়েল রানা( ১৬), এবং মতিউর রহমান মতির ছেলে শাহনেওয়াজ (১৯) কে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে হত্যার আলামত সহ পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আসামীদের ব্যপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে নিজেদের সম্পৃক্ততা ও হত্যাকান্ডের সত্যতা স্বীকার করে। পরে ৫ জন আসামীই বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্য়বিধি ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তি মূলক জবান বন্দী প্রদান করে। আদালতের প্রদত্ত স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দীতে আসামীরা বলেন, গত ২২ ফেব্রুয়ারি শনিবার ভিকটিম মৃত তৈয়ব আলী( ৪০) গরু ক্রয় বিক্রয়ের জন্য উপজেলার কাতিহার হাট যায়। হাটে গরু ক্রয় বিক্রয় করে ঐদিনই বিকালে গোগর চৌরাস্তা বাজারে অপর ১ টি গরু নগদ ৫০ হাজার টাকা দরে বিক্রি করে। আসামীরা ভিকটিম মৃত তৈয়ব আলীর কাছে গরু বিক্রয়ের মোট ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আছে বলে জানতে পারে। মাগরিবের নামাজের পর চৌরাস্তা দরমিয়ানের মিলের চাতালে উক্ত টাকা ছিনতাই করার পরিকল্পনা করে, রাত্রি আনুমানিক ২৩ ঘটিকায় গোগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম কাঁচা রাস্তার বাঁশঝাড়ে সকলে মিলিত হয়, পরে ৩ জন আসামী হত্যাকান্ডের স্থান পিছলাপুকুর এলাকায় আগেই চলে যায়।
২ জন আসামী ভিকটিম মৃত তৈয়ব আলীকে সুকৌশলে প্রলোভন দেখিয়ে সেই বাঁশঝাড়ের গম ক্ষেতের কাছে নিয়ে গেলে আটক করে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বের করতে বলে, ভিকটিম তার টাকা গোগর বাজারে এক দোকানদারের কাছে রেখে এসেছে বললে, আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে ভিকটিম বলে, তোমরা আমার এলাকার ছেলে হয়ে এরকম করছো আমি তোমাদের অভিভাবক ও লোকজনকে বলে দিবো এবং মামলা করবো।
এ কথা শুনামাত্রই আসামীরা ভিকটিম তৈয়ব আলীর মাথার পিছনে, বুকের মাঝখানে, বাম চোখের কোনে, উপর্যপরি এলোপাথাড়িভাবে অস্ত্রদিয়ে আঘাত করে এক পর্যায়ে তৈয়ব আলীকে হত্যা করে। পরে মৃতদেহ টেনে নিয়ে দরিমানের পতিত জমির উত্তর পূর্ব কোনে গর্ত করে লাশ পুতে দেয় এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র পিছলাপুকুরে ফেলে দেয়। ভিকটিম মৃত তৈয়ব আলীর কাছে আসামীরা নগদ ৭ হাজার টাকা পায় এবং সে টাকা তাঁরা সকলে ভাগ করে নেয় ও ভিকটিম তৈয়ব আলীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি আসামী রবিউল নিয়ে যায়।
পরদিন পুলিশ এলাকাবাসীর সহোযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। প্রসঙ্গত: প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ভিকটিম মৃত তৈয়ব আলীর স্ত্রী ছবি আকতার বলেন, আমার এলাকাতেই আসামীদের বাড়ি আমার চোখের সামনে ওদের দেখে আমি বেঁচে থাকতে পাবোনা তাই আমার স্বামীকে নির্মমভাবে হত্যাকারী আসামীদের আমি সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যু দন্ড) চাই।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) :শনিবার (২৯শে ফেব্রুয়ারি) ২০২০ খ্রীঃ বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ,৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ধামরাই অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগ এর রাজনৈতিক অভিভাবক ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ও বায়রা’র সভাপতি, ঢাকা-২০ ধামরাই আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমদ এমপি এর ৬৮ তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষে ধামরাই সিটি সেন্টারে কেক কেটে শুভ জম্মদিন উদযাপন করা শেষে উপস্থিত সবাইকে মিষ্টিমুখ করানো হয়।উক্ত ৬৮তম শুভ জম্মদিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি- হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক দায়িত্ব প্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী মৌলভীবাজার-১আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি-
এ’সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-২০ এর এমপি মহোদয়ের সহধর্মিণী।
ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি আইনজীবি আবুল কাশেম রতন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুম খান, ধামরাই পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা, ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সাকু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) সামিউল হক, ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা, ধামরাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহানা জেসমিন মুক্তা, ধামরাই যুবলীগ নেতা হাফিজুর রহমান হাফিজ, ধামরাই যুবলীগ নেতা হারুনুর রশিদ রোকন, ধামরাই পৌর যুবলীগ সহ-সভাপতি আলী খান সহ ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ,ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ পৌর কাউন্সিলর বৃন্দ আ’লীগের অঙ্গ সংগঠন ও সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকবৃন্দ উৎসবমুখর পরিবেশে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান।
সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিরব রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত মুজিববর্ষে বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে “তথ্য আপা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন প্রকল্প এর ঝালকাঠি সদর তথ্যকেন্দ্রের বিশেষ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।২৭/০২/২০২০ইং তারিখ বৃহস্পতিবার বিকেলে সদর উপজেলাধীন ৬নং বাসন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চত্তরে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রানালয়ের অধীনে জাতীয় মহিলা সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত তথ্য আপা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন প্রকল্প (২য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের উউান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
গ্রামীণ সুবিধাবঞ্চিত মহলিাদরে তথ্য প্রযুক্তি ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন সৃষ্টি করণ ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে এক কোটি গ্রামীন মহিলাদের উদ্বুদ্ধকরণ এবং মানুষের দোরগোড়ায় তথ্যপ্রযুক্তি সেবা পৌছে দেয়ার মাধ্যমে দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানের সহায়তা করার লক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রানালয়ের অধীনে জাতীয় মহিলা সংস্থা কতৃক বাস্তবায়নে দেশের ৪৯০টি তথ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে গ্রামীণ মহিলাদের ডোর টু ডোর তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে তথ্য সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক আয়োজনে মহিলাদের উদ্বুদ্ধকরণের কার্যক্রম ধারাবাহিকতায় মুজিববর্ষ দারগোড়ায় তথ্য আপা পথ দেখায়।
এই প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা তথ্য আপা তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন(২য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প এর অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলাধীন ৬ নং বাসন্ডা ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বীরমুক্তি যোদ্ধা মোবারক হোসেন মল্লিক।
উক্ত উঠান বৈঠকে তথ্য সেবা সহকারি ফারজানা পারভিনের উপস্থাপনায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত করেন গোলাম মোস্তফা। তেলোয়াত শেষে তথ্য আপা প্রকল্পাধীন তথ্য আপার সকল সেবা মূলক কার্যক্রমের উপর সদর উপজেলা তথ্য সেবা সহকারী আয়শা আক্তার মীমের উদ্ভোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, মোঃ জোহর আলী জেলা প্রশাসক ঝালকাঠি,
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মো: আলতাফ হোসেন উপ-পরিচালক মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ঝালকাঠি, বেগম শাহানা আলম, চেয়ারম্যান জাতীয় মহিলা সংস্থা, ঝালকাঠি, রোজী আক্তার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ঝালকাঠি সদর, জহিরুল ইসলাম সহকারী কমিশনার (ভূমি), মোঃ শহীদ ইমাম পাশা, বীরমুক্তিযোদ্ধা, মোঃ হেমায়েত উদ্দীন হিমু, বিটিভি জেলা প্রতিনিধি, ঝালকাঠি এবং তথ্যসেবা কর্মকর্তা আইরিন সুলতানা ।
এছারাও অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাসন্ডা ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির, নাদিমুজ্জামান নাদিম প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা নারীর ক্ষমতায়নে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের অবদান ও পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, দেশ স্বাধীন পরবর্তী সময় থেকেই বঙ্গবন্ধু নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে গেছেন। আমরা একটু পিছনে ফিরে তাকালেই দেখতে পারি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারী নারীদের বীরঙ্গনা খেতাবে ভূসিত করার মাধ্যমে তাদের সম্মানিত করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৭২ সালে সরকারি চাকুরীতে নারীদের ১০ ভাগ কোটা সংরক্ষন, ১৯৭৩ সালে মন্ত্রী সভায় নারীদের অন্তর্ভূক্ত করা, ১৯৭৪ সালে নারীকে বাংলা একাডেমির পরিচালক নিয়োগ, নারীদের সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় গড়ে তোলা, নারী পূর্নবাসন বোর্ড কে পূর্নবাসন করে নারী পূর্নবাসন ও কল্যান ফাউন্ডেশনে রুপান্তর করেন।
যার মাধ্যমে বৃত্তি মূলক প্রশিক্ষন প্রদান, উৎপাদন মুখী কর্মকান্ড, চিকিৎসা সেবা, পরিবার পরিকল্পনা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সহ সমাজ কল্যান মূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গৃহীত হয়।
শুধু তাই নয় আজ বঙ্গবন্ধুর জন্য ১৯৭৫ সালে মেক্সিকোতে ১ম বিশ্ব নারী সম্মেলনে বাংলাদেশ সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহন করে। আজ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তথা বঙ্গকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ডিজাটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী মহিলাদের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে, প্রযুক্তিকে তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের হাতিয়ার রূপে ব্যবহার করে তাদের জীবনমান আরো সহজ সুন্দর এবং উন্নত করার জন্যই ডোর টু ডোর সেবা প্রদান করার কাজ হাতে নিয়েছেন। নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করাই আমাদের এ প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য৷
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) ধামরাইয় উপজেলার ষোলাকুড়া এলাকার আঞ্চলিক সড়কের পাশে বাসচাপায় এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।নিহত হাফিজ উদ্দিন(৭৫) ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের কুল্লা গ্রামের মৃত মোঃ শমেজ উদ্দিনের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে উপজেলার ষোলাকুড়া এলাকার আঞ্চলিক একটি সড়কের পাশের ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
হাফিজ উদ্দিন (৭৫) বৃদ্ধকে বাসচাপা দিয়ে হত্যার পর তার মরদেহ নির্জন জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবার।
নিহতের ছেলে মোহাম্মদ রহিজ অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবেশী ইসরাফিল প্রতিদিন তার বাড়ির সামনে নিজ মালিকানাধীন একটি বাস পার্কিং করে রাখে। বৃহস্পতিবার সকালে বাসটি বের করার সময় তার বৃদ্ধ বাবাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এ সময় বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে তার বাবার মাথা থেতলে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। পরে বাসচালকসহ কয়েকজন তার বাবার মরদেহটি ঘটনাস্থল থেকে দুই কিলোমিটার দূরে ষোলাকুড় এলাকার একটি রাস্তার পাশে নির্জন জঙ্গলে ফেলে দেয়। পরে দুপুরের দিকে জঙ্গল থেকে তার বাবার মরদেহ উদ্ধার করে ধামরাই থানা পুলিশ।
এ দিকে ঘটনার পর থেকেই বাসের মালিক ইসরাফিল পলাতক রয়েছে। তার বাড়িতে গিয়েও ঘর তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন বাস চাপায় এক বৃদ্ধ নিহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ ময়মনসিংহের ঘাগড়া ইউনিয়নের পুটিয়ালীর চর এলাকার বাসিন্দা নৌ বাহিনীর সৈনিক রাশিদুল ইসলাম রাসেল। গত কয়েক বছর আগে বি. বাড়িয়া সদরের মজলিশপুর এলাকার রহমত আলীর কণ্যা লিমা আক্তারের সাথে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় তার। পরবর্তীতে প্রেম বিনিময়ের পর বিয়ের প্রস্তাব ও লিমাদের বাড়িতে বিয়ে করতে আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে যায় রাসেল। তবে, লিমার পরিবারের পক্ষ থেকে ১২ লক্ষ টাকা কাবিন দাবি করা হলে রাসেল ও তার পরিবার সেখান থেকে চলে আসে। পরবর্তীতে রাসেল অন্যত্র বিয়ে করলেও প্রতারণার উদ্দেশ্যে প্রেমের ফাঁদ তৈরী করে রাসেলের বিয়ে টিকতে দেয়নি লিমা। প্রেমের সম্পর্কের টানে তার কাছে ছুটে আসতে চায় লিমা। এক পর্যায়ে মোটা অঙ্কের টাকায় কাবিন ধার্য করে রাসেল ও লিমার বিয়ে হয়। পরবর্তীতে স্বামী রাসেলের বাড়িতে ঘর সংসার শুরু করে লিমা। বাড়িতে রাসেলের ছোট ভাইয়ের বউ এবং বৃদ্ধ মা বসবাস করতো।
কিছুদিন না যেতেই শ্বশুর বাড়ির কাউকে সহ্য করতে না পেরে সবার সাথে ঝগড়া বিবাধের মধ্যে থাকতো লিমা। বাধ্য হয়ে বউয়ের প্ররোচণায় ছোট ভাইকে বাড়ি থেকে অন্যত্র সরিয়ে দিতে বাধ্য হয় রাসেল। এমনকি বউ এর কথামতো নিজ মাকেও বাড়ি থেকে বের করে দেয় রাসেল। এর মধ্যে রাসেল তার নৌবাহিনীর চাকুরী থেকে সেচ্ছায় অবসরে গিয়ে ময়মনসিংহের হেড পোস্ট অফিসে ২২ লক্ষ টাকা জমা রাখেন এবং এর নমিনী রাখেন তার মা স্ত্রী লিমাকে। নৌ বাহিনীর চাকরী ছেড়ে রাসেল ঢাকায় একটি বেসরকারী কোম্পানীতে চাকুরীতে যোগ দেন। চাকুরীর সুবাদে তাকে ঢাকায় একা বসবাস করতে হয়।
এদিকে ময়মনসিংহে স্বামীর বাসা খালি পেয়ে স্থানীয় বখাটে ও অসাধু যুবকদের সাথে মেলামেশা শুরু করে রাসেলের স্ত্রী লিমা আক্তার। এমনকি বাসায় অচেনা লোকজনের আসা যাওয়া ও অবৈধ কার্যকলাপ শুরু হয়ে যায়। এক পর্যায়ে রাসেল তার স্ত্রীর লিমার এসব অবৈধ ও অসামাজিক কর্মকান্ডের বিষয়ে জানতে পারে।
এ বিষয়ে রাসেল প্রতিবাদ করতে গেলে কয়েকবার লিমার সাথে ঝগড়া হয়। একদিন লিমা তার স্বামী রাসেলকে ঘুমের মধ্যে শ্বাস রোধ করে হত্যা চেষ্টা চালায়। এভাবে কয়েক দিন হত্যা চেষ্টা চালানো হয় রাসেলকে। এর মধ্যে অপর একদিন গলায় জি আই তার পেচিয়ে হত্যাচেষ্টা্ ও অন্য দিন দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা চালায় লিমা। মূলত: রাসেলে জমি ও বাড়ি নিজ নামে নিয়ে তা ভোগ করার উদ্দেশ্যে সে এসব ষড়যন্ত্রে নামেছিল বলে জানা গেছে।
এর আগেও একাধিক বিয়ে করে সাবেক স্বামীদের সম্পত্তি দখল করার অভিযোগ রয়েছে লিমার বিরুদ্ধে। মূলত রাসেলের বাড়ি ও পোস্ট অফিসে জমা রাখা ২২ লক্ষ টাকা আত্মসাথের উদ্দেশ্যে স্থানীয় অসাধু লোকজনদের সাথে মেলামেশা শুরু করে লিমা।
পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারী হঠাৎ ঢাকা থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলে করে আসার সময় ভালুকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যায় রাসেল। এলাকাবাসীর সন্দেহ, এটি কোন দুর্ঘটনা নয়, লিমা তার স্বামী রাসেলকে পরিকল্পিতভাবে ভাড়া করা পিকআপে চাপা দিয়ে হত্যা করে। কেননা, পিকআপটির চালক লিমার পরিচিত এবং সড়ক দুর্ঘটনার পর লিমা বাদি হয়ে চালকটির বিরুদ্ধে মামলা করে সেই মামলা আবার প্রত্যাহার করে নেয়।
লিমার স্বামী রাসেল মারা যাওয়ার পর পরই রাসেলের জমা রাখা ২২ লক্ষ টাকা তার শ্বাশুড়িকে বাদ দিয়ে পোস্ট অফিসের অসাধু কর্মকর্তা ও স্থানীয় বখাটে যুবকদের যোগসাজসে পুরো টাকা নিজের নামে তুলে নেয়। এক্ষেত্রে ২২ লক্ষ টাকার ভাগী হয় লিমার কুকর্মের সঙ্গীরা। শুধু ২২ লক্ষ টাকাই নয়, প্রয়াত স্বামী রাসেলের সব সম্পত্তি লুট করতে তার বাড়ির জমির পুরোটাই কৌশলে নিজ নামে খারিজ করে নেয়।
একের পর এক কুকর্ম ও লুটের পর সব শেষে গতবছর ৯ডিসেম্বর গভীর রাতে স্থানীয় এক বখাটের সহায়তায় বাড়ির সব মালামাল ট্রাকে তুলে পালিয়ে যায় লিমা। এর পর থেকে লিমা ও রাসেলের শিশু সন্তানের কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে লিমার কুকর্মের সাথে জড়িত স্থানীয় কয়েকজন বখাটের অত্যাচারে নিজ বাড়িতে থাকতে পারছেনা তার শ্বাশুড়ি।
বিষয়টি অবগত করে ময়মনসিংহের কতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি নং-২৭৪২ করেছেন লিমার শ্বাশুড়ি। যে কোন সময় তার বাড়িটি বিক্রি করে দিতে পারে লিমা এমন আশঙ্কায় রয়েছেন তার বৃদ্ধ বিধবা শ্বাশুড়ি। এই দুষ্কৃতিকারী ও প্রতারক লিমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (আইইবি) নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের নেতারা ।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর দুপুর ২টার দিকে ভোট বর্জন করেন ওই পরিষদের নেতারা। তারা ভোট বর্জন করে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সমাবেশ করেন।এসময় বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের প্যানেলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী এসএম নজরুল ইসলামসহ দলের অন্য নেতারা বক্তব্য দেন। নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন এসএম নজরুল ইসলাম।
লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আশা করেছিলাম, ২৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন একটা সুষ্ঠু ভোট হবে। কিন্তু ভোট প্রদান নিয়ে যা হচ্ছে তা অভাবনীয়। দেখা যাচ্ছে ভুয়া আইডি কার্ড দিয়ে ব্যালট পেপার নিয়ে ভোট দেওয়া হচ্ছে। ভুয়া আইডি কার্ড সহজেই কোনো কোনো ব্যক্তি সংগ্রহ করে এবং তা দিয়ে ব্যালট পেপার সংগ্রহ করে ভোট প্রদান করছে। গ্রুপে গ্রুপে ব্যালট পেপার সংগ্রহ করে একসঙ্গে ভোট বুথের বাইরে দাঁড়িয়ে ব্যালট পেপারে ভোট প্রদান করতে দেখা যায়। একটি নির্বাচনের জন্য এটা কলঙ্ক। এমতাবস্থায় আমরা এই নির্বাচনের নিন্দা জানাই ও তা বর্জন করি। পুনরায় নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিন এবং আইইবিকে রক্ষা করুন।
এদিকে ভোট বর্জন করে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন, এককভাবে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুল আলীম। এটা কোনো নির্বাচন নয়। এখানে ব্যাপক জাল ভোট দেওয়া হচ্ছে। আগেই ভোট দিয়ে রেখেছে। কোনো ইঞ্জিনিয়ার ভোট দিতে পারেনি। প্রকৌশলী নুরুল হুদার প্যানেলের লোকেরা সব জাল ভোট দিয়েছে। আমরা পুনরায় সুষ্ঠু নির্বাচন চাই।
এসএম নজরুল ইসলাম প্যানেলের সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবুল কাশেম বলেন, এখানে কোনো নির্বাচন হয়নি। কোনো ইঞ্জিনিয়ার ভোট দিতে পারেনি। আবদুস সবুরের নেতৃত্বে আওয়ামী-লীগ, যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এসে সারারাত অবস্থান করে কারচুপি করেছে। এই নির্বাচন আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেছি। আমরা পুনরায় তফসিল ঘোষণার আহ্বান জানাচ্ছি। তারা এই নির্বাচনকে কলঙ্কিত করতে বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) আমাদের নেতা ঢাকা সেন্টারের চেয়ারম্যান প্রার্থী আমিনুর রশীদ মাসুদের ওপরে নির্মমভাবে হামলা করেছেন। তার ওপরে ২৬টি আঘাত করা হয়েছে। আজকের এই দিনটি দেশের সব ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য একটা কলঙ্কের দিন। তারা আইইবিকে একটা সন্ত্রাসীদের আড্ডাখানা বানিয়েছে। এখানে সাধারণ ইঞ্জিনিয়ারদের কোনো জায়গা নেই। বাংলাদেশের জনগণ এ ধরনের ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন চায় না।
তিনি বলেন, আবদুস সবুর আওয়ামী লীগের একটি কলঙ্ক। তিনি আওয়ামী লীগকে কলঙ্কিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সব অর্জনকে ভুলুণ্ঠিত করেছে। মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে। এই আব্দুস সবুরকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করতে হবে। আজকের এই নির্বাচন প্রেসক্লাবের সামনে থেকে প্রত্যাখান করলাম।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম, আব্দুর রাজ্জাক, ঢাকা সেন্টারের চেয়ারম্যান প্রার্থী আমিনুর রশীদ মাসুদ, রেশমা, মোবিন প্রমুখ।
আইইবির প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিঃ আব্দুস সবুর সাহেবের নেতৃত্বে শত শত অপ্রকৌশলী ও সল্প শিক্ষিত সন্ত্রাসী নিয়ে ভোট কারচুপির জন্য অবৈধ ভাবে আইইবি দখল করে নিয়েছে।
জার্মান ত্রিপুরা,কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের ২০১২-১৩ সেশনের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে প্রশাসনের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানবন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বুধবার দুপুরে মূল ফটকের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ মানববন্ধন করেন।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারী দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে ২১ শে ফেব্রুয়ারীর প্রথম প্রহরের আগে ‘কবর’ নাটক মঞ্চস্থ করতে স্টেজে উঠে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার। কিন্তু সাড়ে ১১ টার দিকে সময় স্বল্পতার কথা বলে নাটকটি মাঝপথে থামিয়ে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং শুরু হয় আলোচনা সভা। নাটক থামিয়ে আলোচনা সভা করায় অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানায় থিয়েটারকর্মীরা।
এরই প্রেক্ষিতে থিয়েটারের প্রাক্তন সভাপতি ও আইসিটি বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জড়িয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন।
ফেসবুকে দেওয়া এই স্ট্যাটাসে ক্ষুব্ধ হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন মহল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি এই স্ট্যাটাসের ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর আবেদন করে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ছাদেক হোসেন মজুমদার বাদী হয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের ২৯ ও ৩১ নং ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। পাশাপাশি মেহেদীর সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এরই প্রেক্ষিতে শাস্তি মওকুফের দাবিতে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী অর্ক গোস্বামী বলেন, ‘মানুষ মাত্রই ভুলের উর্ধ্বে নয়। মেহেদী ভাই ভুল করেছে তার জন্য সে সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছে। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্তান ভেবে ক্ষমা করে দিবেন।’
৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাবেদ বলেন, ‘মেহেদী যা করেছে আমরা ও মনে করি তা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। কিন্তু অতীতে আমরা দেখেছি মেহেদী সবসময় চেয়েছে দেশের মানুষের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলে ধরতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিনিধিত্ব করেতে। সে তার ভুলের জন্য অনুতপ্ত। তাই আমরা প্রশাসনের কাছে বিনীত অনুরোধ তার বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে তা যেন প্রশাসন তুলে নেয় এবং তাকে মানবিক দৃষ্টিতে ক্ষমা করে দেয়।’
মানবন্ধনে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা মেহেদীর পক্ষে ক্ষমা চেয়ে বিভিন্ন পোস্টার নিয়ে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়াও গত দুদিনে মেহেদীর বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রায় তিন সহস্রাধিক শিক্ষার্থী গণস্বাক্ষর করেন বলে জানা যায়।
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকার উপকণ্ঠ সাভার উপজেলার ভাকুর্তা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হাজী আব্দুল বাতেন ভুমিদস্য চাদা বাজিসহ নানা অপকর্মে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। এলাকায় সৃষ্টি করছেন ত্রাসের রাজত্ব।এলাকার গরিব দুঃখি নিরিহ আসহায় ব্যক্তিদের জমি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে জোরপুর্বক দখল করা এবং অন্যদের মালিকানা জমিতে বিনা অনুমতিতেই ড্রেজার দিয়ে বালি ফেলে ভরাট করে জোরপুর্বক টাকা আদায় করাসহ বিভিন্ন কারখানা থেকে চাদা আদায় করার অভিযোগ উঠেছে মুগড়াকান্দা এলাকার হাজী আব্দুল বাতেনের বিরুদ্ধে।স্থানীয়রা বলেন, আব্দুল বাতেন এলাকার প্রভাবশালী নেতা হওয়ার কারনে তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেনা কেহ। ফলে এলাকার সাধারন নিরিহ মানুষগুলো তার কাছে জিম্মি হয়ে পরেছে।স্থানীয় কালু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, কিছু দিন আগে মধুমতি মডেল টাউনের পেছনে তার মালিকানা জমিটি আবদুল বাতেন তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে জোরপুর্ব দখল করে বাউন্ডারী র্নিমান করতে যায়। পরে এলাকাবাসির বাধার মুখে সবাই একজোট হয়ে ধাওয়া করলে সেখান থেকে পালিয়ে আসে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার এক ব্যাক্তি বলেন, মুগড়াকান্দা এলাকয় একটি অবৈধ টায়ার কারখানা, কয়লা কারখানাসহ বেশ কয়েকটি কারখানা থেকে প্রতি মাসে মোটা অংকের চাদা আদায় করেন আবদুল বাতেন ।
তিনি আরো বলেন, মুগড়াকান্দা এলাকায় অবৈধ চামড়া কারখানা বসিয়ে কারখানার মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাদা আদায় করেন।স্থানীয় কৃষক মোঃ আবদুল আলী বলেন, চামড়া কারখানার বিষাক্ত কালো ধোয়ায় ফসলের মারাত্বক ক্ষতি হচ্ছে। এছারাও এলাকার পরিবেশে বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে।
আবদুল বাতেন এলাকার প্রভাবশালী নেতা হওয়ার কারনে কারখানা বন্ধের ব্যপারে কেহ কথা বলতে সাহস পাচ্ছেনা।
ফলে এলাকাবাসিরা স্থানীয় চেয়ারম্যান ও প্রশাসনের প্রতি কারখানা বন্ধের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য জানিয়েছেন।
এ ব্যপারে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে হাজী আবদুল বাতেন তার সন্ত্রাসী বাহিনী মোঃ কবির, মোঃ নাদির, মোঃ মকলেছ গংদের কে দিয়ে নিরিহ বিভিন্ন মানুষের জোরপুর্বক জমি দখল ও জমজমাট মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। মোঃ মুকলেছ কিছুদিন আগে মাদক মামলায় জেল থেকে ছারা পেয়ে আসছে। এছারও মোঃ নাদির মাদক সেবনের কারনে কয়েক বার মাদক আসক্তি কেন্দ্রে ভর্তি ছিলে।
এসময় তিনি আরো বলেন, সে এলাকায় কয়েক বছর ধরেই আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে ভুমিদস্য মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করে দলেন ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করে চলেছে। এখনই তাকে থামানো বা, দলীয় ভাবে ব্যবস্থা না নিলে ভবিস্যতে আরো বড় ধরনের অপকর্মের কারনে দলের ভাবমুর্তি ক্ষন্ন হতে পারে।
মুগড়াকান্দা এলাকার মোঃ রহিম বলেন, কয়েকদিন আগে আবদুল বাতেনের নেতৃত্বে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আউয়াল মার্কেট এলাকায় ভাকুর্তা ইউনিয়ন ছাত্র লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রহমানের উপরে হামলা করে। এসময় সন্ত্রাসীরা তাকে এলোপাথারী ভাবে কুপিয়ে জখম করে রাস্তার ফেলে রেখে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
মুগরাকান্দা এলাকার মোঃ বিল্লাল হোসেন বলেন,গত দুইদিন আগে আবদুল বাতেন তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে রাতের আধারে তার বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।
এসময় সন্ত্রাসীরা বাড়ি সদস্যদের পিটিয়ে আহত করে ঘর বাড়ি ভাংচুর করে নগদ দশ লক্ষ টাকা ও দশ ভরি স্বর্ণালংকার লুটপাট করে নিয়ে যায়।
ভাকুর্তা ইউনিয়ন ছাত্র লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ রহমানের উপরে হামলার ঘটনায় এক বিচারের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দেন আবদুল বাতেন।
সৌমেন মন্ডল,তামিলনারু, ভেলর থেকেঃ বাংলাদেশের কাছে ভেলোরের আরেক নাম জীবন বাঁচানোর শহর! কারণ এই নগরী গড়ে উঠেছে ‘সিএমসি’ (ক্রিশ্চিয়ান মেডিক্যাল কলেজ),নারায়নী মেডিক্যাল এন্ড রিচার্স সেন্টারকে ঘিরে। চিকিৎসা জন্য আসা বাংলাদেশ এর জনোগন কাজের ফাঁকে অনেকেই ঘুরকে আসেন টিপুসুলতান এ।ভেলোরের শহরাঞ্চল খুব একটা বড় নয়। চারিদিকে পাহাড় আর পাহাড়।দেবতা মারুগান এসেছিল পদ্মপুকুরে। সেই পদ্মপুকুর হলো বর্তমান ভারতের ভেলোর সিটি। তামিলনাড়ু রাজ্যের শহর।
সিএমসি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নেওয়ার উদ্দেশে যারা এসেছেন তারা সায়দাপেট বাজার এর লজগুলোতে থাকেন। সেখানে থেকে হেঁটে গেলে ১৫ মিনিট লাগবে দুর্গে যেতে। টোটোতে গেলে ৭০-৮০ রুপির মধ্যে যাওয়া যায়।ভেল’ অর্থ উত্তাপ,আর ‘অর’ মানে জায়গা।
এই দুর্গের সবকিছুই পাথর দিয়ে তৈরি। এর নির্মাণশৈলী বিস্মিত করার মতো। সব মিলিয়ে অনন্য একটি স্থাপত্য।শুধু বাইরের সৌন্দর্যই নয়, দুর্গের ভেতরে আছে অসাধারণ সব ব্রোঞ্জের দেব-দেবীর মূর্তি-ভাস্কর্য। সেই সময়ের শিল্পিদের কারুকাজ দেখে চোখ কপালে উঠে যেতে পারে!টিপু সুলতানকে বলা হতো শের-ই-মহীশূর; অর্থাৎ মহীশূরের বাঘ। মজার বিষয় হলো, তাকে এই উপাধি দিয়েছিল নাকি তারই আজন্ম শত্রু ইংরেজরা।
ভেলর বাসি এখনও ভোলেনি টিপু সুলতান কে।তাকে নিয়ে গর্ব করে এখনও ভেলর বাসি।তাকে সম্মানের সঙ্গে ডাকে দ্যা টাইগার অফ ভেলর।