ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস অধিদপ্তর কতৃক মা ইলিশ সংরক্ষনের জন্য নদীতে ইলিশ ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, বহন করা দন্ডনীয় অপরাধ হিসেব গন্য করে ২২দিনের নিশেধাজ্ঞা জারি করে। আর এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঝালকাঠির বিভিন্ন নদীতে কারেন্ট জাল ফেলে ইলিশ নিধনের সময় ঝালকাঠিতে ইলিশ নিধন বিরোধী অভিযানে মাছ ধরার কাজে ব্যবহারিত নৌকা, কারেন্ট জাল সহ ইলিশ মাছ জব্দ করেছে জেলা প্রশাসন।
মৎস অধিদপ্তর কতৃক মা ইলিশ রক্ষায় ও দেশে মৎস সম্পদ রক্ষার্থে ২২দিন মাছ ধরা বন্ধ, ক্রয়-বিক্রয়, বহন, বিপনন থেকে নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিন থেকেই ঝালকাঠিতে মা ইলিশ রক্ষায় সুগন্ধা নদীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক জেলা পুলিশ, জেলা মৎস্য বিভাগ কর্মকর্তাদের নিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ব্যাপক কারেন্ট জাল উদ্ধার করে জনসম্মুখে পুড়ে ফেলে।
ধামরাইয়ে ডাকাতি প্রস্তুত কালে অস্ত্রসহ আটক ৫
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) : ঢাকার ধামরাইয়ে বাস্তা-নয়াচর গ্রাম থেকে ডাকাতি প্রস্তুত কালে দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জনকে আটক করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।
আজ শুক্রবার (১১অক্টোবর) ভোর ৪ ঘটিকার সময় প্রায় দুই ঘন্টা অভিযান চালিয়ে ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের বাস্তা-নয়াচর গ্রামের ইমারত হোসেনের বাড়ীর উত্তর পাশে সুইচ গেইট এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
মোঃআবু সাঈদ এস.আই কাওলীপাড়া তদন্ত কেন্দ্রর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাদের আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃতরা হলো১.আঃ রশিদ(২০),পিতা-আমিনুল ইসলাম, জেলা মানিকগঞ্জ। ২.দেলোয়ার(২৭)পিতা-বাবুল ৩.আসাদ(২০)পিতা-আমের আলী উভয় সাং বাউখন্ড ৪.মাসুম(২৪)পিতা-মৃত বিল্লাল হোসেন সাং-যাদবপুর৫.মিতুল(২৬)পিতা-নায়েব আলী সাং-আমরাইল, ৫জনই ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য দাবি এলাকাবাসির।
এই ব্যাপারে কাওলীপাড়া উপ-পরিদর্শক (এস আই) আবু সাঈদ বলেন, গভীররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি যে এক দল ডাকাত বাস্তা-নয়াচর ইমারত হোসেনের বাড়ীর উত্তর পাশে সুইচ গেইট এর উপর এক দল সহস্ত্র ডাকাত-ডাকাতির উদ্দেশ্যে সমাবেত হইয়া ডাকাতীর প্রস্তুত গ্রহন করিয়াছে।
বিষয়টি আমি আমার উর্ধতন কৃর্তৃপক্ষকে জানিয়ে তাহাদের নির্দেশে অভিযান চালিয়া উক্ত ডাকাতদেও আটক করি। পরে তাদের সাথে থাকা আরও ৪/৫ দৌড়িয়া পালিয়ে যায়। ।এই সময় তাদের সাথে ১টি লোহার তৈরি চাপাতি, একটি লোহার তৈরি চেরা সাবল,১টি লোহার তৈরি পাইপ রেঞ্জ,একটি রাম-দা,দুইটি স্টিলের ছুরি,ও দুইটি ধাড়াল কাটার ও একটি হেকসু ব্লেডসহ তাদের আটক করা হয়।আটকের ঘটনার বাদী এস.আই মোঃআবু সাঈদ মামলানং-১০।
আবরার হত্যা: মেসেঞ্জারে আসামিদের কথোপকথন ফাঁস ।
নিজেস্ব প্রতিবেদক ঃ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবরার ফাহাদকে হত্যার একদিন আগে তাকে মেরে হল থেকে বের করার নির্দেশ দেয় বুয়েটের ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন।
তিনি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের মেসেঞ্জারে শেরে বাংলা হল শাখা ছাত্রলীগের ১৬তম ব্যাচের নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন এমন তথ্যই অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
জানা গেছে, বুয়েট ও শেরেবাংলা হল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে তৈরি ‘এসবিএইচএসএল ১৫+১৬’নামে ফেসবুকের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে গত শনিবার (৫ অক্টোবর) বেলা ১২টা ৪৭ মিনিটে এমনই নির্দেশ দেন তিনি।
ওই মেসেঞ্জার গ্রুপে গত ৫ অক্টোবর দুপুর ১২টা ৪৭ মিনিটে ১৬তম ব্যাচের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মেহেদী হাসান রবিন লেখেন, ‘১৭-এর আবরার ফাহাদকে মেরে হল থেকে বের করে দিবি দ্রুত; এর আগেও বলছিলাম; তোদের তো দেখি কোনও বিগারই নাই; শিবির চেক দিতে বলছিলাম; দুই দিন সময় দিলাম।’
পরে তিনি আরও লেখেন, ‘দরকারে ১৬ ব্যাচের মনিরের সঙ্গে কথা বলিস; ও আরও কিছু ইনফো (তথ্য) দিবে শিবির ইনভলভমেন্টের ব্যাপারে।
এর উত্তরে ১৬তম ব্যাচের মনিরুজ্জামান মনি লেখেন, ‘ওকে ভাই’। পরদিন রোববার ৭টা ৫২ মিনিটে মনির গ্রুপে লেখেন, ‘নিচে নাম সবাই’।
এরপরই রাত ৮টা ১৩ মিনিটে আবরার ফাহাদকে তার মোবাইল ফোন-ল্যাপটপসহ রুম থেকে ডেকে নিয়ে যায় তানিম, বিল্লাহ, অভি, সাইফুল, রবিন, জিয়ন ও অনিক। পরে সেখানে তার ফোন এবং ল্যাপটপ তারা চেক করেন।
বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক উপ-সম্পাদক অমিত সাহা পরবর্তীতে রাত ১২ টা ৩৮ মিনিটে এই গ্রুপে লেখেন, আবরার ফাহাদ কি হলে আছে?
তার জবাবে শামসুল ও সজীব নামে ২ জন লেখেন, ২০১১-তে আছে।
এই মেসেঞ্জার গ্রুপের অন্য আরেকটি কথোকথনে অমিত সাহা লিখেছেন, আবরার ফাহাদরে ধরছিলি তোরা?।
জবাবে ইফতি বলেন, হ।
উত্তরে অমিত আবারো লেখেন, বের করছোস?
প্রতিউত্তরে ইফতি পাল্টা প্রশ্ন করেন। তিনি লেখেন, কি হল থেকে নাকি স্বীকারোক্তি?
এর উত্তরে অমিত লেখেন, স্বীকার করলে তো বের করা উচিত।
গ্রুপ মেসেঞ্জারে এর ঠিক পরেই ইফতি লেখেন, মরে যাচ্ছে; মার বেশি হয়ে গেছে।
জবাবে অমিত লেখেন, বাট তাকে তো লিগ্যালি বের করা যায়।
এর জবাবে একটি ইমোজি পাঠান ইফতি। পরে এই দুজনের আর কোনও কথোপকথন পাওয়া যায়নি।
ফেসবুক মেসেঞ্জার গ্রুপে এই কথোপকথন প্রসঙ্গে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন বলেন, আমরা সব তথ্য যাচাই-বাছাই করে এই হত্যাকাণ্ড তদন্ত করছি। কথোপকথনের বিষয়টিও যাচাই-বাছাই চলছে।
উল্লেখ্য, রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে আবরারকে হত্যার পরদিন সোমবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর চকবাজার থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শিশুর ভাঙা পায়ের বদলে ভালো পায়ে প্লাস্টার ।
ঢাকা জার্নাল ডেস্ক ঃ নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুর ভাঙা পা রেখে ভালো পায়ে প্লাস্টার করা হয়েছে। জেলার খালিয়াজুড়ি উপজেলার চাকুয়া ইউপির পাথরা গ্রামের পরিতোষ সরকারের ৪ বছরের ছেলে প্রীতমের পায়ে এই প্লাস্টার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল বুধবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে খালিয়াজুড়ির পরিতোষ সরকারের শিশুপুত্র প্রীতমের ডান পা ভেঙে যায়। এ অবস্থায় মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতীমকে নিয়ে যান বাবা। পরে প্রীতমের ভেঙে যাওয়া ডান পা প্লাস্টারের জন্য জরুরি বিভাগে পাঠান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সুবীর সরকার।
কিন্তু জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক তানভীর হাসান উপস্থিত না থাকার সুযোগে শিশু প্রীতমের ডান পায়ের চিকিৎসা করান ওয়ার্ডবয় জামাল মিয়া। সেই সঙ্গে শিশুটির ভাঙা পা রেখে ভালো পায়ে প্লাস্টার করে দেন ওয়ার্ডবয়। পরে শিশুটিকে নিয়ে বাসায় চলে যান বাবা। রাতে অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার সকালে শিশুটিকে নিয়ে মোহনগঞ্জ হাসপাতালে আবার আসেন।
এ সময় জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে ময়না নামে চতুর্থ শ্রেণির এক কর্মচারী প্রীতমের ভালো পায়ের প্লাস্টার খুলে ভাঙা পায়ে প্লাস্টার করে দেন।ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ শামছুর আলম বলেন, শিশুটিকে ভুল চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
রাণীশংকৈলে কবরস্থান থেকে এক মহিলার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ।
হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল ( ঠাকুরগঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার কাশিপুর মোহারাজা কবরস্থান থেকে ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকালে ঝরণা বেগম (২৮) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
সে হরিপুর উপজেলার মাগুড়া ভাতুরিয়া গ্রামের আব্দুল হাকিমের মেয়ে। থানা সূত্রে জানা যায়, ঝরণা বেগম মোহারাজা তার বান্ধবীর বাড়ি বেড়াতে এসে সকালে বাড়ি যাওয়ার জন্য বিদায় নেয়।
এলাকাবাসী সুত্রে আনুমানিক দুপুর ২ টার দিকে মোহারাজা কবরস্থানে গিয়ে, গাছের সাথে নিজ ওড়না দিয়ে সে ফাঁস লাগিয়েছে বলে তারা ধারনা করেন। এলাকবাসির মাধ্যমে খবর পেয়ে রাণীশংকৈল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। রাণীশংকৈল থানা ওসি তদন্ত খায়রুল আনাম ডন বলেন, লাশ ময়না তদন্তেরর জন্য মর্গে পাঠানো হবে। এ ব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।
মাগুরার শ্রীপুরে পৃথক দুটি স্থানে গড়াই নদীতে ডুবে দু’জন নিখোঁজ ।
আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা প্রতিনিধি ঃ মাগুরার শ্রীপুরে পৃথক দুটি স্থানে গড়াই নদীতে পড়ে আমলসার গ্রামের দড়িয়াপাড়ার কলেজ ছাত্র অনিরুদ্ধ বিশ্বাস (২৪) ৪দিন ও কমলাপুর গ্রামের সাহেদা বেগম (৬৫) ৬দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল ব্যাপক তল্লাশী করেও অদ্যাবধি তাদের উদ্ধার করতে পারেনি।
নিহতে পরিবার ও পুলিশ জানান,উপজেলার আমলসার গ্রামের গ্রাম্য চিকিৎসক অচিন্ত বিশ্বাসের পুত্র,পাতুড়িয়া ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি ১ম বর্ষের ছাত্র অনিরুদ্ধ বিশ্বাস(২৪) লেখা-পড়ার পাশাপাশি ঢাকার একটি প্রাইভেট ডেন্টাল চিকিৎসালয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহন করছিল। গত শনিবার সকালে সে পূজা দেখার উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে। সোমবার দুপুরে পূজার নবমীর দিনে অনিরুদ্ধ বিশ্বাসসহ তিন বন্ধু এক সাথে গড়াই নদী পার হয়ে কালুখালী থানার পাতুড়িয়া গ্রামের আত্মীয়ের বাড়িতে পূজা দেখার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। আমলসার খেয়াঘাট থেকে পাতুড়িয়া যাওয়ার পথে নৌকা যোগে গড়াই নদী পাড় হওয়ার সময় কলেজ ছাত্র অনিরুদ্ধ বিশ্বাস মাঝ নদীতে হঠাৎ পা ফঁসকে পড়ে গিয়ে ডুবে যায় । এরপর থেকে সে ৪দিন ধরে নদীর পানিতে নিখোঁজ রয়েছে। সংবাদ পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ ও ফায়ার সাভিসের সদস্যরা প্রাথমিকভাবে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করে তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়ে খুলনা ফায়ার সার্ভিসের চৌকস ডুবুরী দলকে সংবাদ দেয় ।
সোমবার বিকেলেই ডুবুরী দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন পূর্বক দু’দিন ধরে গড়াই নদীর তীব্র শ্রুতকে উপেক্ষা করে নদীর গভীর পানিতে নেমে অভিযান পরিচালনা করেও তাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হননি । ডুবুরীদল উদ্ধার অভিযান স্থগিত করলেও পরিবার এবং এলাকার লোকজন অনিরুদ্ধকে খুঁজে পেতে নদীর দু’ধারে মাইকে প্রচারসহ ইঞ্জিন চালিত নৌকা যোগে নদীর দীর্ঘপথ পর্যন্ত ৪দিন ধরেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অপরদিকে একই উপজেলার কমলাপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আঃ রব মোল্লার স্ত্রী সাহেদা বেগম (৬৫) শনিবার সন্ধ্যা মুহুর্তে পার্শবর্তী গড়াই নদীতে গোসল করতে গিয়ে নদীর তীব্র ¯্রােতে ডুবে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের ৬দিন অতিবাহিত হলেও অদ্যাবধি তাঁর কোন খোঁজ মেলেনি । এ দুটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় এলাকায় চলছে শোকের মাতম ।
এব্যাপারে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহাবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পৃথক দুটি ঘটনায় তাদের উদ্ধারের বিষয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে, পার্শ্ববর্তী থানাগুলোতে এবিষয়ে অবগত করা হয়েছে । কোথাও কোন ভাসমান অজ্ঞাত লাশের সন্ধান পেলে ভুক্তভোগী পরিবারকে জানানো হবে।
মাগুরার শ্রীপুরে কেমিক্যাল ও ছাইয়ের গুদামে অগ্নিকান্ডে কোটি টাকারক্ষতি ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে দুই ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ ।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি ঃ মাগুরার শ্রীপুরের চায়না কোম্পানির কেমিক্যাল ও ছাই এর গুদামে গতকাল বৃহস্পতিবার অগ্নিকান্ডে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। 
এ ঘটনায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যান চলাচল প্রায় দ্’ুঘন্টা বন্ধ থাকে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে যে, বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে এই অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।
গুদামের শ্রমিক জিহাদ হোসেন জানান, গত তিন বছর ধরে চায়না কোম্পানি ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে ওয়াবদা বাজারে হাজি ফরহাদ হোসেনের ঘর ভাড়া করে কেমিক্যাল ও ছাই গুদামজাত করে। বৃহস্পতিবার সকালে বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে গুদামে আগুন ধরে যায়। এ সময় মাগুরা ফায়ার সার্ভিস অফিসে ফোন দিলে তারা ঘটনা স্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় ঐ কোম্পানির দোভাষী মোঃ আলম জানান, অগ্নিকান্ডে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
মাগুরা ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক গোলাম সরোয়ার জানান, সংবাদ পেয়ে মাগুরা, শ্রীপুর ও ফরিদপুরের মধুখালী ফায়ার সার্ভিস এর তিনটি ইউনিট দুই ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। এ সময় এলাকার জনতার ভিড়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে দু’ঘন্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে।
ঠাকুরগাঁওয়ে হরিপুরে আ’লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৬, দু’টি মোটরবাইক পুড়ে ছাঁই! ১৪৪ ধারা জারি।
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে উপজেলা আ. লীগের কমিটিতে নিয়ম বহির্ভূতভাবে সদস্য অন্তর্ভুক্তিকে কেন্দ্র করে আ. লীগের বর্ধিত সভায় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। 
৯ অক্টোবর বুধবার বিকেলে হরিপুর উপজেলা আ. লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। দলীয় নেতাকর্মীদের উশৃঙ্খল পরিস্থিতি সামাল দিতে উপজেলা আ. লীগের কার্যালয় ও তার আশপাশের বাজারগুলোতে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।
জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যা ৬টার সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল করিম এ আদেশ জারি করেন। তিনি মুঠোফোনে বলেন, উত্তেজিত পরিস্থিতি সামাল দিতে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে। জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সময় হরিপুর উপজেলা আ. লীগের কমিটিতে থেকে ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়। গতকাল শুন্য পদগুলোতে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ১৭ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে।
আ’লীগের কয়েকজন সদস্য জানান, গতকাল নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি করার পর ‘হরিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ’ নামে একটি ফেসবুক আইডিতে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়। এঘটনায় বেশি করে বিক্ষুব্ধ হয়েছে অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
হরিপুর উপজেলা আ. লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম রিপন অভিযোগ করে বলেন, কমিটির কাউকে না জানিয়ে ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে নতুন ১৭ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করায় নেতাকর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়। এ সময় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়ে বর্তমানে হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে।
এবিষয়ে হরিপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইম পুষ্প বলেন, “আমাদের ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে বিএনপি- জামাতের মদতদানকারী লোকদের কাছ থেকে অর্থের বিনিময়ে কমিটিতে সেইসব পদে বহাল করে এবং তাদেরকেও আজকের বর্ধিত সভায় চিঠি দেয়। এটা জানতে পেরে বাদপড়া ত্যাগী নেতাকর্মিরা বর্ধিত সভায় সেটা জানতে চাওয়ার জন্য গেলে এক পর্যায়ে এটাকে কেন্দ্র করে এঘটনা ঘটেছে।”
অপরদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সাধাঃ সম্পাদক জিয়াউল হাসান মুকুল বলেন, আমরা আসন্ন সম্মেলনকে সামনে রেখে আ’লীগের বর্ধিত সভা ডেকেছিলাম। উপজেলা নির্বাচনে যারা বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচন করেছে ও দলের শৃংখলা ভঙ্গ করেছে তারাই হঠাৎ অতর্কিত ভাবে লাঠিসোঁঠা নিয়ে হামলা করে এবং দু’টি মোটরসাইকেল পুঁড়িয়ে দেয় ও পাটি অফিস ভাংচুর করে এবং চারজন নেতা গুরুত্বর আহত। আহতদেরকে ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। তবে এব্যাপারে এখনো থানায় অভিযোগ অভিযোগ করা হয়নি কাল অভিযোগ হতে পারে ।
হরিপুর থানার ওসি আমিরুজ্জামান মুঠোফোনে জানান, উপজেলা আ. লীগের কমিটি নিয়ে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ বাঁধলে কয়েকজন আহত হয় এবং ২টি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়, তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ হয়নি।
ধামরাইয়ে আলোচিত ডাকাতি ও স্কুলছাত্র হত্যা মামলার অন্যতম দুই আসামি গ্রেফতার।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) : ঢাকার ধামরাইয়ে আলোচিত ডাকাতি ও স্কুলছাত্র হত্যা মামলার অন্যতম দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা এ খবর নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার প্রতাপ গ্রামের সমেজ আলী প্রামাণিকের ছেলে মোয়াজ্জেম হোসেন (৩২) এবং ধামরাই উপজেলার বাউটিয়া গ্রামের গোপালের ছেলে নজিম উদ্দিন নাজিম (৩৯)।ধামরাই থানা মামলা নং ৩৮ তারিখ
গত ২৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত মধ্যরাতে ঢাকার ধামরাইয়ে জালসা বাগবাড়ী গ্রামে ডাকাতিকালে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রমজান আলী নামে জালসা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর এক ছাত্র নিহত হয়। ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে ধামরাই থানায় মামলা হয় মামলা নং ৩৮। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করে।
এই ব্যাপারে ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেস্টা চলছে।
দুদকের সাবেক ডিডি আহসান আলীকে ১৫ দিনের মধ্যে গ্রেফতার করা না হলে বন্দর অচল করে দেয়ার হুমকী ।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সাবেক ডিডি আহসান আলীকে আবারো গ্রেফতার’র দাবী করেছে বেনাপেল বন্দর ব্যবহারকারী ৭ সংগঠন। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাকে গ্রেফতার করার আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছে সংগঠনের পক্ষে। নির্ধারিত সময়ে আহসান আলী গ্রেফতার না হলে সারা দেশে ব্যবসায়ী সংগঠন গুলো কঠোর কর্মসূচী ঘোষনা করবে। ফলে জাতীয় রাজস্ব আহরণ কর্মকান্ডে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশংকা করছেন ব্যবসায়ীরা।
বেনাপোল কাস্টমস’র সহকারী কমিশনার উওম চাকমা জানান, দুর্নীতিবাজ, তদ্বিরবাজ, ভায়াগ্রা চোরাচালানের গডফাদার সাবেক ডিডি আহসান আলী কাস্টম হাউসের নিজের ব্যবসায়িক স্বার্থ হাসিলের জন্য বেনাপোল কাস্টম হাউসের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও সিএন্ডএফ এজেন্টসদের দীর্ঘদিন থেকে দুদক দিয়ে হেনস্থা করার ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছেন। তাঁর নিজের বিনিয়োগকৃত ও তদ্বিরকৃত প্রতিষ্ঠান রিতু ইন্টারন্যাশনাল ও জেড. এইচ কর্পোরেশনের ৩১ টি চালানে ২ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকার শুল্কফাঁকি ধরা পড়ে। পরিকল্পিত শুল্কফাঁকি ও গত জুলাই ২০১৯ তারিখে ২.৫ মে.টন ভায়াগ্রা খালাসে ব্যর্থ হয়ে কমিশনারের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত হন আহসান আলী।জানুয়ারি ২০১৮ থেকে তাঁর ষড়যন্ত্র ও দুরভিসন্ধিমূলক কর্মকান্ডের ফলে কর্মকর্তারা স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারেনি।
বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে পণ্য আটক ও লাগাতার হয়রানির কারণে বাণিজ্যিক আমদানিকারকরাও ভয়ে স্বাভাবিক আমদানি করেনি। ফলে ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১ হাজার ৫১৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয় সরকারের। দীর্ঘ সময়ে মোবাইলে আহসান আলী ০১৭৭০২৯৪১০৪ ও ০১৯১৮৫৩১৬৮০ নম্বর থেকে ফোনকল ও এসএমএস এর মাধ্যমে কমিশনারকে হুমকি দেয়া হয়। গত ১৯ নভেম্বর আহসান আলী সশরীরে কমিশনারের দপ্তরে এসে কমিশনারকে ২০ লক্ষ টাকা ফাঁকির সুযোগ চেয়ে তদ্বির, দেনদরবার ও চাপ সৃষ্টি করেন, এ সময় সহকারী কমিশনার ও তদুর্ধ দশ জন উর্ধতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের শুল্ক ও ভ্যাট এসোসিয়েশনের আহবায়ক রাজস্ব কার্মকর্তা বিল্লাল হোসেন জানান, হুমকি ও চাপে কমিশনারকে কাবু করতে না পেরে ডিসেম্বর ২০১৮ এ কমিশনারের বিরুদ্ধে জনৈক এডভোকেট শাহাদাত হোসেন নাম দিয়ে (যার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি) ৪ পাতার একটি মনগড়া ও সাজানো দু’ডজন অভিযোগ সম্বলিত বেনামী লিখে দুদকে জমা দেন এবং তা শতাধিক দপ্তর ও মিডিয়ায় বিতরণ করেন। পত্রটি দুদক আমলে নিয়ে এনবিআরসহ চার জায়গা থেকে অনুসন্ধানের নির্দেশ দেয়। দুদকের অনুরোধে সম্পাদিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তদন্তে একটি অভিযোগও প্রমাণিত হয়নি।আহসান আলী সিএন্ডএফ এজেন্ট জনৈক কামরুল নাম দিয়ে মনগড়া তথ্য দিয়ে ফেব্রæয়ারি মাসে আরেকটি বেনামী দুদকে জমা দেয় এবং এটিও আমলে গৃহীত হয় এবং অনুসন্ধানের নির্দেশ দেয়া হয়; দুদকে অনুসন্ধানের জন্য গ্রহণের বিষয়টি পরিকল্পিতভাবে গত ৫ আগস্ট বিভিন্ন টিভির স্ক্রলে ও পত্রিকায় প্রচার করে কমিশনারকে পরিকল্পিতভাবে হেনস্থা করা হয়।
একইভাবে হেনস্থার উদ্দেশ্যে গত ৯ সেপ্টেম্বর দুদকে কমিশনারের হাজিরার জাল নোটিশ মিথ্যা তথ্য, তারিখ ও সময় উল্লেখপ‚র্বক পরিকল্পিতভাবে জাল করে আহসান আলী মিডিয়ায় বিতরণ ও প্রচার করে, যা অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা অবহিত আছেন।আহসান আলী কেবল হয়রানি, শত্রæতা ও প্রতিহিংসা চরিতার্থের জন্যে দুদকের মতো জাতীয় প্রতিষ্ঠানের নাম, পদবী ও ক্ষমতা এবং প্রশাসনসহ দুদককে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে সক্ষম হন বলে বেনাপোলের ব্যবসায়ী সংগঠন মনে করেন। বেনাপোল কাস্টম হাউসের ৩৫০ জন কর্মকর্তা কর্মচারীকে ৯ মাস বাড়তি কর্মকান্ডে ব্যস্ত রাখেন। ফলে, আতংক ও ভোগান্তি ছাড়াও সামগ্রিক কর্মপরিবেশ বিনষ্ট হয়। সারাদেশের রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়মিত কর্মকান্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, নানা দুর্নীতি এবং বিভিন্নজনের বিরুদ্ধে বেনামী অভিযোগ দিয়ে প্রায়ই হয়রানি করতেন দুদকের সাবেক উপপরিচালক আহসান আলী। এসব অভিযোগের কারণে ২০১৫ সালে তাকে উপপরিচালক হিসেবে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। কখনও তিনি ‘দুদকের হবু ডিজি, কখনও দুদকের চেয়ারম্যানের কাছের লোক, কখনও দুদক পরিচালক’ পরিচয় দিয়ে মানুষজনের সঙ্গে প্রতারণা করছেন।
সূত্রটি জানায়, দুদকে চাকরিকালে আহসান আলী নিজ সহকর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক বেনামী অভিযোগ দাখিল করতেন। তার বিরুদ্ধেও কোনো কোনো কর্মকর্তা দুর্নীতির অভিযোগ দেন। অভিযোগে আহসান আলীর বিরুদ্ধে নামে-বেনামে কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য তুলে ধরা হয়। কিন্তু অনুসন্ধান প্রক্রিয়ায় দেখা যায়, আহসান আলী সম্পদ বিবরণীর সঙ্গে যে আয়কর নথি দাখিল করেছেন প্রতিবার কমিশন সেটিই গ্রহণ করে বিনা বাক্যে দায়মুক্তি দিয়েছে। অন্যদের যে প্রক্রিয়ায় অনুসন্ধান করা হয়-আহসান আলীর ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়নি। ফলে অনুদঘাটিতই থেকে যায় তার সম্পদ-সা¤্রাজ্য।





























