রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি বিক্রি হয়ে গেছে গাইড বই এর কোম্পানির কাছে । এমন অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। শিক্ষক সমিতির এই বানিজ্য নীতিতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ অভিভাবক মহল। প্রকৃত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। অভিভাবকরা এমন অভিযোগ তুলে ধরেছেন জাতির কাছে।
মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষক। যাদের জন্ম দোসর বলা হয়। তিনারা আজ টাকার বিনিময়ে শিশুদের অন্ধ্যকার ভবিষ্যতের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। অভিভাবকরা বলেন, পুরো বিবেক বিক্রী করে জিম্মি করে ফেলেছেন শিক্ষার্থীদের।
গোপন সূত্রে জানা গেছে , মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে উপজেলার এই শিক্ষক সমিতির কাছে প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম এর লেখা “রেডিয়েন্ট কমিউনিকেটিভ ইংলিশ গ্রামার এ্যান্ড কমপজিশন” এবং ড.রঘুনাথ ভট্রাচার্য এর লেখা “আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি” প্রায় প্রতিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই গাইড চালাতে বাধ্য করা হচ্ছে । প্রতিটি বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় শিক্ষক সমিতির মনোনীত নতুন পাঠ্য পুস্তক তালিকা সহ প্রাপ্তি স্থানের ঠিকানা সংবলিত লিফলেট। পাঠ্য পুস্তক সংবলিত লিফলেট হতে জানা যায় রাণীশংকৈল উপজেলার বই বিচিত্রা লাইব্রেরী , টিচার্স লাইব্রেরী, মিজান লাইব্রেরী, হাসিনা লাইব্রেরী রাউৎনগর, স্টুডেন্ট লাইব্রেরী, জুঁই লাইব্রেরী, মায়ের দোয়া লাইব্রেরী, আদর্শ লাইব্রেরী কাতিহার এ এসব লেখকের বই পাওয়া য়ায়। শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত পাঠ্য পুস্তক বাদ দিয়ে শিক্ষকদের মনোরঞ্জিত নিম্ন মানের বই শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলকভাবে কিনতে হচ্ছে। যাতে করে অসহায় অভিভাবকদের অতিরিক্ত টাকার বই কিনতে হিমসিম খেতে হচ্ছে ।
অপর দিকে ভাল লেখকের বই পড়তে না পেয়ে শিক্ষার্থীরা গুনগত মানের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে । প্রত্যক্ষদর্শী মোহনা টিভির রাণীশংকৈল প্রতিনিধি ফারুক আহাম্মদ সরকার নামের এক অভিভাবক জানান উপজেলার জুঁই লাইব্রেরীতে সপ্তম শ্রেণির দুটি গ্রামার বই আটশত টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে। পরে দোকানির কাছে জানতে চাইলে জুঁই লাইব্রেরীর স্বত্তাধীকারী মোঃ বুলু বলেন,আমাদের করার কিছু নাই । শিক্ষক সমিতির নেতারা এই বইয়ের পার্সেন্টেজ আগে খেয়ে ফেলেছে । বাধ্য হয়ে আমাদের দোকানের ভাইল হিসেবে রাখছি । তিনি আরোও বলেন এর চেয়ে ভালো লেখকের দুটি গ্রামার বই চাইলে ও পাঁচশত টাকায় দিতে পারব। কিন্তু সেটা বিক্রি হবেনা বা হচ্ছে না । অভিভাবক মহশিন আলী ক্ষোভের সাথে জাানান, শিক্ষক সমিতির কাছে অভিভাবকরা জিম্মি। উপজেলার রাতোর উচ্চ বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ নবম শ্রেণির বই কেনার লিষ্ট দিয়েছেন শিক্ষার্থীদের, যা আছে লিষ্টে তাই কিনতে হবে এবং ওটাই পড়তে হবে , আপনি চাইলেও ওটার চেয়েও ভালো বই কিনতে পারতেন কিন্তু পারছিনা । এটাই কি হলো শিক্ষা ব্যবস্থা ।
এ বিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস কে মাসুদ রানা পলক বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক সমিতির বাণিজ্য নীতিকে প্রতিহত করে ভালো লেখকের বই গ্রামার শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া দরকার। এই শিক্ষক সমিতির সভাপতি মতিউর রহমান বলেন ২০১৮ সালে শিক্ষক সমিতির কার্যকরী কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। তার আগে হিসাব পত্র আমি দেখতাম এখন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাব রাখেন। অপরদিকে কার্যকরী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও জওগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সব হিসাব পত্র সভাপতি মতিউর রহমানের কাছে আছে। এক অংশের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ সোহেল রানা বলেন, আমরা ঠাকুরগাওয়ের সাথে তাল মিলিয়ে ছাত্র ছাত্রীদের বই কিনতে বলি। তবে গাইড বানিজ্যের বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।
এছাড়াও নেকমরদ অংশেও একই ভাবে শিক্ষক সমিতির নির্বাচিত ব্যকরণ ও গাইড বই বাধ্যতামুলক কিনতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী শাহরিয়ার কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার ঠিক জানা নেই বলে মূল বিষয়টি এড়িয়ে যান। রাণীশংকৈল “শিক্ষক সমিতি” নীতির কাছে বিক্রি, অভিভাবক মহলে অসন্তোষ প্রকাশ ।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি ঃ মাগুরার শ্রীপুর উপজেলাকে মাদকমুক্ত ঘোষণা উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে এক গণসমাবেশ,শিক্ষার্থীদের শপৎ বাক্য পাঠ, বাইসাইকেল র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাগুরা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আলোচনা সভায় জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সিরাজুল মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর । অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শ্রীপুর সদর ইউ,পি চেয়ারম্যান মোঃ মশিয়ার রহমান, শ্রীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মুসাফির নজরুল, শ্রীপুর থানার এস,আই প্রণয় কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তিন শতাধিক ছাত্রের অংশগ্রহণে একটি মাদক বিরোধী বাইসাইকেল র্যালি শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম থেকে বের হয়ে কাজলী, আমতৈল, সাচিলাপুর বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা পরিভ্রমন করে।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোলের বিভিন্ন সীমান্ত থেকে পৃথক পৃথক অভিযানে ভারতীয় ১৬ বোতল ফেন্সিডিল, ২০ বোতল বাংলা মদ, ২০০ বোতল দুলহান কেশ তৈল, ৮৭ জোড়া স্যান্ডেল ও ০৮টি গরুসহ আরশাদ আলী (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বিজিবি সদস্যরা।বৃহস্পতিবার (২৯ আগষ্ট ) দুপুরে খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর অধীনস্থ দৌলতপুর, রুদ্রপুর, অগ্রভূলাট ও কায়বা বিওপি’র টহল দল কর্তৃক পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল ও আসামিকে আটক করে। আটক আরশাদ বেনাপোল পোর্ট থানাধীন গাতিপাড়া গ্রামের মৃত মহরম আলীর ছেলে।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদে জানতে পেরে দৌলতপুর সীমান্তের সর্দারপাড়া এলাকা থেকে দুইজন মাদক চোরাকারবারীকে ধাওয়া করে বিজিবি।এ সময় পালানোর চেষ্টাকালে ১৬ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ আরশাদকে আটক করা হয়। এসময় অপর আসামি একই গ্রামের ইকবালের স্ত্রী দিলারা পালিয়ে যায়।
অপরদিকে, দৌলতপুর বিওপির অন্য একটি টহল ২০০ বোতল দুলহান কেশ তৈল, কায়বা বিওপির একটি টহল দল ৮৭ জোড়া ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার স্যান্ডেল আটক করে, রুদ্রপুর বিওপির একটি টহল দল পশ্চিম রুদ্রপুর এলাকা থেকে ভারতীয় ০৮টি এঁড়ে গরু ও অগ্রভূলাট বিওপির একটি টহল দল অগ্রভূলাট মাঠ থেকে ২০ বোতল ভারতীয় পা মদ আটক করে।
২১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক ইমরান উল্লাহ সরকার জানান, আটককৃত আসামীসহ মাদকদ্রব্য বেনাপোল পোর্ট থানায় এবং অন্যান্য মালামাল ও গবাদিপশু বেনাপোল কাস্টম হাউজে সোপর্দ করা হয়েছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগ পরিবারের উদ্যেগে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ( ২৯ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭.৩০ ঘটিকার সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের কমনরুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের উপ- শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক শাহরুখ শাহরিয়ার সৌমিক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ জনাব ফরিদ আহমেদ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ জুয়েল রানা, সাংগঠনিক-সম্পাদক শামীম ওসমান গনি মোল্লা, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফফান হোসেন আপন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দীর্ঘদিনের কর্মী ইয়াছিন আহমেদ ও রনি আহমেদের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ওয়ার্ডেন মেহেদী ইকবাল, জাবি শাখা ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আলম শেখ, সহ-সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান লিটন, সহ-সম্পাদক তানজিলুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক রাকিবুল হাসান শাওন, পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুল হক রাফা সহ ছাত্রলীগের প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী , সাংবাদিক এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
প্রধান অতিথির ভাষণে বঙ্গবন্ধু হলের প্রাধ্যক্ষ ফরিদ আহমেদ বলেন, “ রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যারা স্বাধীন বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি তারাই ১৫ আগস্ট এর ঘটনা ঘটিয়েছিল। আজও তারা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু সবসময় সোনার বাংলাদেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন। তাই আমাদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বাস্তবায়ন করতে হবে। আমি আশা করি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর অবদানকে ফুটিয়ে তুলবে এবং তাঁর স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করবে।”
জাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ জুয়েল রানা বলেন, “একটি কুচক্রী মহল ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে হত্যা করেছিল । বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের হত্যাকাণ্ডে জিয়া ও মোশ্তাক সহ অনেকে জড়িত ছিল। আজও তাদের প্রেতাত্মা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, তাই আমাদের সকলকে সচেতন থাকতে হবে এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করে যেতে হবে।”
জাবি শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান লিটন বলেন, “ আমাদের অত্যন্ত দু:খের বিষয় হচ্ছে যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে হত্যা করেছে আজো তাদের বিচার হয়নি, তাই আমি দাবি করছি খুব শীঘ্রই হত্যাকারীদের আটক করে বিচারের আওতায় আনা হোক এবং এদের শাস্তি দেওয়া হোক।”
জাবি শাখা ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আলম শেখ বলেন, “ বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। যার অবদানে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছিলাম তাকেই হত্যা করেছিল কুচক্রী মহল। তাদের সে স্বপ্ন সফল কখনই সফল হবেনা ।”
শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক তানজিলুল ইসলাম বলেন,“ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকান্ডে জিয়াউর রহমানসহ অনেকের নামই এই নিষ্ঠুর হত্যাকান্ডের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে চিহ্নিত হলেও আইনগত ভাবে তাদের কিছুই করা হয়নি।
তাই আজকের এই আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে শুধু খুনি নয়, নেপথ্যের কুশিলবদের ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাই। একটি বিশেষ কমিশন গঠন করে জাতির সামনে তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে। ।”
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: বৈধ পাসপোর্ট ভিসা নিয়ে ভারতে পালানোর সময় বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ আবু রায়হান জিনাতুল আলম (৪০)নামে এক হত্যা মামলার আসামীকে আটক করেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার সময় সে বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট পার হওয়ার চেষ্টা করার সময় আটক হয়। আটক আবু রায়হান জিনাতুল আলমের পিতার নাম মোশাররফ হোসেন রংপুর জেলার পীর গনজ থানার বাস পুকুরিয়া গ্রামে।তার নামে বগুড়া জেলার কাহালু থানায় হত্যা মামলা রুজু আছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মাসুম বিল্লাহ বলেন,পূর্বে থেকেই ইনফরমেশন ছিল হত্যা মামলার আসামী আবু রায়হান জিনাতুল আলম এই চেকপোস্ট দিয়ে পালিয়ে ভারতে যাবে। সে মোতাবেক বহিগমন কাউন্টারে কর্মরত সকল অফিসারদের সতর্ক করা হয়। জিনাতুল আলমের পাসপোর্ট নং নজরদারিতে রাখা হয়। সকল সাড়ে ১১টায় সে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে পাসপোর্ট জমা দিলে যাচাই বাছাই করে তাকে আটক করা হয়।
এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান,বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ আবু রায়হান জিনাতুল আলম নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে। বগুড়া থানা পুলিশ এই আসামীকে নেয়ার জন্য বেনাপোলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আসামী বেনাপোল পোর্ট থানায় রয়েছে।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) : স্বাধীনতার মহান স্থাপতি,হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাংঙ্গালী,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ধামরাই উপজেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে, আজ বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) ধামরাই মুন্নু এন্ড সন্স কমিউনিটি সেন্টারে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
এ সময় ধামরাই উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মৃদুল মাহমুদ সাদ্দামের সভাপতিত্বে ও ধামরাই উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আদনান হোসেনের সঞ্চালনায়,প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন-ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজির আহমদ এমপি (ঢাকা-২০)।
এ সময় সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা (উত্তর) ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুল ইসলাম,প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা (উত্তর) ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনির।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক মিজানুর রহমান মিজান,পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন সিরাজ,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সোহানা জেসমিন মুক্তা, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান বালিয়া ইউপি আলহাজ্ব আহম্মদ হোসেন,
চেয়ারম্যান রোয়াইল ইউপি আবুল কালাম সামছুদ্দিন মিন্টু,ভাড়ারিয়া ইউপি শাহ্ আলম,ধামরাই সদর ইউপি শাহাবুদ্দিন,বাইশাকান্দা ইউপি মাসুদ রানা,
ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ইসলাম বাবু,গন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি শামীম হোসেন সহ উপজেলা ছাত্রলীগের সকল নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) : ঢাকার ধামরাইয়ে ফরিদ আলম (৪২) নামে এক যুবককে বাড়ির পাশে ধান ক্ষেতে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত ফরিদ আলম ধামরাইয়ের চান্দখালী গ্রামের শেখ শাহজাহান মিয়ার ছেলে। সে ভাড়ায় মাইক্রোবাস চালাতেন। গেল বুধবার রাত ১২টার দিকে ধামরাইয়ের চান্দখালি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ফরিদের বাবা জানায় ,গেল রাত আনুমানিক ১২ টার দিকে আমার মোবাইলে আমার ছেলের নাম্বার থেকে ফোন আসে ফোন ধরার পর বলে তর ছেলেকে যদি বাচাতে চাস তাহলে টাকা পয়সা গয়নাগাটি সব নিয়ে বাড়ির পাসে চলে আয় ।আমি সঙ্গে সঙ্গে দৌড়ে আমার পরিবারে লোক জন নিয়ে যাই।যাওয়ার পর দেখি অজ্ঞাত নামা ৮-১০ জন আমার ছেলেকে মারদর করছে আমরা এগিয়ে গেলে আমাদের রাম দা নিয়ে দৌড়িয়ে আসে পরে আমরা ওখান থেকে জীবন রক্ষার্থে দৌড় দেই পরে তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়।আমার ছেলের কাছে গিয়ে দেখি আমার ছেলে লাশ হয়ে মাটিতে পরে আছে।
পুলিশ জানায়, নিহত ফরিদ আলম তার ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাসটি গ্যারেজে পার্কিং করে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি যাবার পথে অজ্ঞাতপরিচয় এক দল দুর্বৃত্ত তাকে ছুরিকাঘাত ও কুপিয়ে হত্যা করে। পড়ে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ তাকে মৃত অবস্থায় সড়কের পাশে ফেলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে থানা পুলিশ রাতেই নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে ।
এই ঘটনায় ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। আরো জানা গেছে, ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা চালছে। এছাড়া প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত ফরিদ আলমের মাইক্রোবাসটি ধামরাই থানা পুলিশ বিভিন্ন সময় প্রয়োজনে ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করতো।
সাব্বির হেসেন সিলেট ঃ বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর দায়েরকৃত সকল ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবিতে এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আসন্ন ৬ষ্ঠ কাউন্সিলকে স্বাগত জানিয়েছে নগরীতে বিশাল মিছিল ও সমাবেশ করেছে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদল। বুধবার বিকেলে মিছিলটি নগরীর মাছুদিঘীরপাড় থেকে বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চৌহাট্টা টয়েন্টে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
মিছিলে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন পর সিলেটের রাজপথে ছাত্রদলের এমন শোডাউন প্রত্যক্ষ করা গেছে।
মিছিল পরবর্তী সমাবেশে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমনের সভাপতিত্বে ও মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি আহসান ও জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন নাদিমের যৌথ পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যোতি এষ, সিনিয়র সহ-সভাপতি তোফায়েল আহমদ, জেলার সহ-সভাপতি এনামুল হক, মহানগরের সহ-সভাপতি আব্দুল করিম জোনাক, আব্দুল হাসিব, জেলার সহ-সভাপতি জুবের আহমদ জুবের, আবুল কালাম, শিহাব খাঁন, মহানগরের সহ-সভাপতি তানভীর আহমেদ চৌধুরী, জেলার সহ-সভাপতি এনামুল কবির চৌধুরী সোহেল, জহিরুল ইসলাম রাসেল, মহানগরের সহ-সভাপতি কবির আহমেদ চৌধুরী উজ্জ্বল, জেলার সহ-সভাপতি মিনার হোসেন লিটন, মহানগরের সহ-সভাপতি সোহেল রানা, জেলার সহ-সভাপতি উসমান হারুন পনির, মহানগরের ১ম যুগ্ম সম্পাদক হোসাইন আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক ফাহিম রহমান মৌসুম, জেলার যুগ্ম সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন রাজীব, আব্দুস সামাদ লস্কর মুমিন, আলী আকবর রাজন, দুলাল রেজা, জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোতাকাব্বির চৌধুরী সাফি, মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল ইসলাম, জেলার যুগ্ম সম্পাদক জুবায়ের আহমদ লিলু, মহানগরের যুগ্ম সম্পাদক সদরুল ইসলাম লোকমান, জেলার যুগ্ম সম্পাদক তানিমুল ইসলাম তানিম, তাজুল ইসলাম সাজু, মহানগরের সহ-সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমেদ, আবুল হোসেন, জেলার সহ-সাধারণ সম্পাদক ফয়জুর রহমান, মহানগরের সহ-সাধারণ সম্পাদক হাবিব মির্জা, এম সোয়েব আহমদ, জেলার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদুর রহমান রাশেদ, মহানগরের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মেহরাজ ভূঁইয়া পলাশ, মাহবুবুল আলম সৌরভ, হেলাল আহমদ মাসুম, জেলার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর ইসলাম নিপুন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, ‘‘ফ্যাসিবাদী অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকার খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে অন্যায়ভাবে অবৈধ রায়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ কারাবন্দি করে রেখেছে। অনতিবিলম্বে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের ওপর দায়েরকৃত সকল মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।’’
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: পৃথিবীতে সন্তান হলো পিতা-মাতার অমুল্য রতন।সে সন্তান কাঁনা,বোবা, ল্যাংড়া অথবা খোড়া যাই হোক কেন পিতা-মাতার কাছে সে সোনার চেয়ে দামি। কথাটি যেমন সত্যি তেমনি একটি হাত-পা বিহিন নবজাতক কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সারজিনা খাতুন(২২)নামের এক গর্ভধারিনী মা।
বুধবার (২৮ আগস্ট)সকাল ৮টার সময় শার্শার বাগআঁচড়া বাজারে জনসেবা ক্লিনিকে সিজার অপারেশনের মাধ্যমে এ প্রতিবন্ধী শিশুটির জন্ম হয়।সারজিনা খাতুন শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামের হাসেম আলীর স্ত্রী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,শিশুটি মুখ মন্ডল শরীর চেহারা সব ভালো তবে হাত এবং পা দুটি হয়নি।
শিশুটির চাচী জানান, বুধবার প্রসব বেদনা উঠলে সারজিনাকে বাগআঁচড়ার জনসেবা ক্লিনিকে নিয়ে ভর্তি করা হয়। পরে সিজারিয়ান এর মাধ্যমে বাচ্চা বের করে আমার কাছে দিলে দেখি বাচ্চা চেহারা খুব সুন্দর তবে হাত এবং পা দুটি নাই।
এমন বিকলাঙ্গ শিশু কেনো জন্ম হয় সে ব্যাপারে জানতে চাইলে জনসেবা ক্লিনিকের মেডিকেল অফিসার ও নবজাতক শিশু বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ডাঃ শহিদ হাসান জানান, এটি একটি জন্মগত ত্রুটি(ঈড়হমবহরঃধষ অহড়সধষু)যার নাম,ঈড়হমবহরঃধষ খরসন উবভবপঃ যার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায় নি।তবে কিছু রিস্ক ফ্যাক্টর আছে,যেমন জিনগত সমস্যা, কিছু কেমিক্যাল ভাইরাস এবং কিছু (টেরাটোজোনিক)ঔষধ যদি গর্ভাবস্তায় সেবন করা হয় তবে এমন বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম হতে পারে।
এ বিকলাঙ্গ শিশুটির চিকিৎসা কি জানতে চাইলে ডাঃ শহিদ হাসান জানান,এ ধরনের শিশুদের আত্মনির্ভরশীন হিসাবে গড়ে তুলতে হবে।কিছু ক্ষেত্রে কৃত্রিম হাত পা (Prosthetics) ব্যবহার কিংবা সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।
আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা ঃ মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার মাঙ্গনডাঙ্গা গ্রামের সৈয়দ মোল্লা নামের এক কৃষকের বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক সৈয়দ মোল্লা জানান, অন্য দিনের মতো রাতে তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন হঠাৎ তার ঘরে আগুনের ফুলকি দেখে তিনি চিৎকার করতে থাকেন। এসময় পাড়ার লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। এর মধ্যে তার ঘরে থাকা দুটি স্যালো মেশিন, পাট, ধান, পেয়াজ, রসুন, আসবাবপত্র, ধান মাড়াই মেশিনসহ নগদ ৯০ হাজার টাকা পুড়ে ছাই হয়ে যায়। খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মিদল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর ক্ষতিগ্রস্থের বাড়ি পরিদর্শন করেন এবং সহযোগিতর আশ^^াস দেন।
শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন অফিসার অধির কুমার বিশ^াস জানান, রাত ১টার দিকে তিনি খবর পেয়ে কর্মীদল নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।