মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি)ঢাকার ধামরাইয়ে পিছিয়ে পড়া হিজড়া সম্প্রদায়ের কর্মসংস্থানের জন্য উত্তরণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হিজড়া সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে বিউটি পার্লার, বটিকস এন্ড কসমেটিক্স শো-রোমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (০৭ আগষ্ট) ধামরাই পৌর শহরের রথখোলা এলাকায় এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ধামরাই পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ধামরাই পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ২০ এর সংসদ সদস্য ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বায়রার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজির আহমদ।
অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন উত্তরণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বিপিএম(বার) পিপি(বার)।পার্লারটির নাম রাখা হয় ‘উত্তরণ বিউটি পার্লার’। পার্লারটিতে কাজ করবেন কিছু দক্ষ বিউটিশিয়ার হিজরা। এতে সেবা নিবেন অন্য নারীরা।
অনুষ্ঠানে ডিআইজি হাবিবুর রহমান বলেন, সমাজে উন্নয়নের জন্য পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে হবে। এদের মধ্যে একটি মানুষও দরিদ্র থাকবে না।
একটি মানুষও না খেয়ে থাকবে না। সবাই উন্নত জীবনযাপন করবে এটাই আমাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যেই হিজড়া সম্প্রদায়ের কর্মসংস্থানের জন্য এই বিউটি পার্লারটি চালু করা হল।
ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান বলেন, সমাজের অন্যান্য স্বাভাবিক মানুষের মতো যেন হিজড়া সম্প্রদায়ের মানুষেরা কাজ করে স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারে সে লক্ষ্যেই এই বিউটি পার্লার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটি হিজড়া সম্প্রদায়কে প্রতিষ্ঠিত করতে অন্য রকম একটি উদ্যোগ।
উত্তরণের কর্মীরা জানিয়েছেন, আপাতত এ শাখায় শুধু মেয়েরাই সৌন্দর্য সেবা নিতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপরাধ (উত্তর) সাইদুর রহমান ,ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাভার সার্কেল তাহমিদুল ইসলাম, ধামরাই উপজেলার যুবলীগ সভাপতি ও ধধামরাই উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাদ্দেছ হোসেন, আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল হক দিপু, ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা, ধামরাই পৌর কাউন্সিলর গন, হিজড়া জনগোষ্ঠীর পক্ষে অনন্য , হাজি বকুল প্রমুখ।
হাবিবুল বারি হাবিব : চাঁপাইনবাবগঞ্জের আইনজীবিদের নিয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র ও নাগরিকের ভূমিকা শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ৬ আগস্ট ২০১৯ ( মঙ্গলবার ) এ্যাহেড ফাউন্ডেশনের আয়োজনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
এ্যাহেড ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট মোঃ দেলওয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে ফাউন্ডেশনের জেলা সমন্বয়ক এডভোকেট মাসির আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আলহাজ্বএডভোকেট মোহাম্মদ জাকারিয়া।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অন্যতম সদস্য এডভোকেট মোঃ ইয়াহিয়া। তিনি বলেন, আইনের শাসন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য নিজেকে আগে সচেতন হতে হবে এবং জনসাধারণকেও সচেতন করতে হবে। যারা আইন প্রণয়ন করবে তাদেরকেও আইন পালন করতে হবে। তাহলেই রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।
সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে মূল বিষয়ের উপর আলোচনা পেশ করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডঃ আব্দুল হান্নান। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র নাগরিকের ভূমিকা বিষয়ক সেমিনারে তিনি বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য শক্তির দরকার। আর এ শক্তি মূলত রাষ্ট্রের মাধ্যমেই আসবে। শুধু রাষ্ট্র নয় রাষ্ট্রের আইনজীবীদেরকেও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি সুশাসন সম্পর্কে জনসাধারণের মাঝে গণসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে তাহলে সমাজে ন্যায় শাসন প্রতিষ্ঠা হবে।
বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এডভোকেট আব্দুস সামাদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সেক্রেটারি জেনারেল আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ মনিরুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ, আইনজীবী সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ ইসহাক, আরো বক্তব্য রাখেন আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি আবুল কাশেম।
এসময় সভাপতির বক্তব্যে এ্যাহেড ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন বলেন, আইনজীবীরা সমাজের অঘোষিত অভিভাবক। সুন্দর সমাজ গঠনে আইনজীবিদেরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য এ্যাহেড ফাউন্ডেশন মূলত একটি স্বেচ্ছাসেবী অরাজনৈতিক সংগঠন। এর মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সমাজের অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের সার্বিক সহযোগিতা করা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ্যাহেড ফাউন্ডেশন দেশের বিভিন্ন এলাকার অসহায় ও দরিদ্রদের সহযোগিতা করে আসছে।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল দূর্গাপুর মোড় থেকে ২.৮ কেজি ওজনের ৩২ পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে ৪৯ বিজিবি সদস্যরা।
বুধবার(০৭/০৮/১৯ইং)তারিখ সকাল ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নায়েব সুবেদার মোঃ আব্দুল মালেক এর নেতৃত্বে একটি টহলদল বেনাপোল পোর্ট থানাধীন দূর্গাপুর মোড়ে অবস্থান করে।এসময় মোটরসাইকেলের পিছু ধাওয়া দিলে চালক মোটরসাইকেল ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে মোটরসাইকেলটি তল্লাশী করে সাইলেন্সার এর মধ্যে ফিটিং অবস্থায় রাখা ২.৮ কেজি স্বর্ণ (৩২ টি স্বর্ণের বার) উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ৩২ পিস স্বর্ণের বার এর আনুমানিক মূল্য ১,২৩,২০,০০০/-(এক কোটি তেইশ লক্ষ বিশ হাজার) টাকা।
৪৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বিজিবি’র অধিনায়ক মোঃ সেলিম রেজা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল পোর্ট থানাধীন দূর্গাপুর মোড় থেকে ৩২ পিস স্বর্নের বার ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।তিনি আরো বলেন,বর্তমানে হুন্ডি, মাদক, চেরাচালান ও স্বর্ণ আটকের নিমিত্তে নিজস্ব গোয়েন্দা তৎপরতা এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) সংবাদদাতা\ দশেব্যাপি সরকারি কর্মসূচির আওতায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ৭ জুলাই বুধবার ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা (ক্রাশ) কর্মসূচি পালিত হয়্ ।
এ উপলক্ষে এদিন সকালে উপজেলা চত্বর থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। এ কর্মসূচিতে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, ইউএনও মৌসুমি আফরিদা, ভাইস চেয়ারম্যান শেফালি বেগম, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, সভাপতি ফারুক হোসেন, সম্পাদক সফিকুল ইসলাম শিল্পী, সাংবাদিক হুমায়ুন কবির, বিভিন্ন কর্মকর্তা, শিক্ষক, জন প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রসঙ্গত: এ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঝাড়জঙ্গল কেটে পরিস্কার ও মশক নিধন স্প্রে করা হয়।
শামশুজ্জোহা বিদ্যুৎ, চাঁপাইনবাবগঞ্জপ্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট বাজারে বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ৭৫০ গ্রাম গাঁজা, ২০০ পিস ইয়াবা, ২৫ বোতল ফেন্সিডিল ও ১ টি গাঁজার গাছসহ ১ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি শিবগঞ্জ উপজেলার শিবনগর গ্রামের মো. মোজাম্মেলের ছেলে মো. নাসির হোসেন।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইন চার্জ মো. মাহবুবুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে মাদক বিরোধী অভিযান চালানো হয়। এ সময় শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট বাজারে বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ৭৫০ গ্রাম গাঁজা, ২০০ পিস ইয়াবা, ২৫ বোতল ফেনসিডিল ও ১ টি গাঁজার গাছসহ মো. নাসিরকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: বেনাপোলে অবৈধভাবে ভারত থেকে আমদানি করা ২ হাজার ৫শ’ কেজি ‘ভায়াগ্রা পাউডারের’ একটি চালান আটক করেছে বেনাপোল শুল্ক কর্মকর্তারা। যার বাজার মূল্য ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বিশ্ব কাস্টমস সংস্থা ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশন (ডাব্লিউসিও) এর ১৮২ সদস্য দেশকে মাদক, বিস্ফোরক ও এ ধরনের ক্ষতিকর পণ্য চোরাচালানের বিষয়ে দীর্ঘদিন সর্তকবার্তা দিলেও বাংলাদেশেই দ্বিতীয়বার উদঘাটিত হলো।
এ ঘটনায় বেনাপোলের সিএন্ডএফ এজেন্ট সাইনী শিপিং সার্ভিসেস বেনাপোল লাইসেন্স সাময়িক বাতিল করা হয়েছে। অধিকতর তদন্তের জন্য যুগ্ম কমিশনারের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (৭ই আগষ্ট) সকালে বেনাপোল কাস্টম ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বেনাপোল কাস্টম কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরী জানান, ঢাকার বায়েজিদ এন্টার প্রাইজ, ৪৭ /সি মিডফোর্ড রোড, ঢাকা নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে ২ হাজার ৫শ‘ কেজি সোডিয়াম স্টার্চ গøাইকোলেট আমদানির জন্য চলতি বছরের ২১ মে ন্যাশনাল ব্যাংক বাবু বাজার শাখা ঢাকা এর একটি ঋণপত্র খোলেন (এলসি নং-৯৪৬১৯০১০৩৪২)।
পণ্য চালানটি ভারত থেকে ২৬শে মে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। যার মেনিফেস্ট নং-১৯১৯৩/১, পণ্যচালানটি খালাস নিতে ২৯ শে মে সিএন্ডএফ এজেন্ট সাইনী শিপিং সার্ভিসেস বেনাপোল বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেন। বিল অব এন্ট্রি নং-সি-৩৬৪৯৬। আমদানি পণ্যচালানটি ধরা পড়ার কিছুদিন আগে অসাধু একটি চক্রের অবাধে আমদানিযোগ্য পণ্যের আড়ালে অপঘোষণার মাধ্যমে ভারত থেকে বেনাপোল বন্দরে ভায়াগ্রা নিয়ে যাবে মর্মে আমাদের কাছে গোপন সংবাদ আসে। সে আলোকে সন্দেহজনক পণ্যচালানটি নজরদারিতে রাখা হয়। এরপর কাস্টম হাউসের চৌকস কর্মকর্তাদের একটি দল দিয়ে চালানটির আমদানি দলিল ও কায়িক পরীক্ষায় ২ হাজার ৫শ’ কেজি সোডিয়াম স্টার্চ গøাইকোলেট ১০০ ড্রাম সাদা পাউডার পাওয়া যায়।
প্রাপ্ত পণ্যতালিকা পর্যালাচনা ও যাচাই করা হয়। রিপোর্ট নিয়ে কমিশনারের কক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে পর্যালাচনা করা হয়। পরীক্ষা প্রতিবেদন পাওয়ার পর রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য তোলা হয় সোডিয়াম স্টার্চ গøাইকোলেট সাদা পাউডার জাতীয় পণ্যের প্রতিনিধিত্বশীল নমুনা। অধিক সতর্কতার জন্য কাস্টম হাউসের নিজস্ব অত্যাধুনিক ল্যাবে রমন স্পেক্টোমিটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। পরীক্ষা শেষে ফ্লেভার সঠিক পাওয়া গেলেও ২ হাজার ৫শ’ কেজি সাদা পাউডার পরীক্ষায় ভায়াগ্রার উপাদান আছে বলে সহকারী রাসায়নিক পরীক্ষক একাধিকবার পরীক্ষা করে একই ফলাফল পেয়ে রিপোর্ট দেন। ডাব্লিউসিও প্রদত্ত রমন স্পেক্টোমিটারের পরীক্ষায় জানা যায় ভারত থেকে মুল ঘোষনার আড়ালে আমদানিকৃত আলোচ্য ভায়াগ্রা পাউডার।
অত্যন্ত স্পর্শকাতর পণ্য বিবেচনায় অধিকতর নিশ্চিত হওয়ার লক্ষ্যে নমুনা বিসিএসআইএর ও ঢাকা বুয়েট কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনে পণ্যটিকে আমদানীকারকের ঘোষনা অনুয়ায়ী সোডিয়াম স্টার্চ গøাইকোলেট হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
কিন্তু অধিকতর টেষ্টের জন্য খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। দীর্ঘ ২ মাস পর কুয়েট ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর পরীক্ষা করে পণ্যটিকে সিলডেনাফিল সাইট্রেট (ভায়াগ্রার মূল উপাদান) হিসেবে রিপোর্ট দেয়। কুয়েটে ও ঢাকা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রতিবেদন প্রাপ্তির পরেই অপঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। মূলত বৈধ পণ্যের আড়ালে আমদানিযোগ্য পণ্য অপঘোষণা দিয়ে জরিমানা ও শুল্ককর পরিশোধের দোহাই দিয়ে কাস্টমস কর্মকতাদের বোকা বানিয়ে ভায়াগ্রা পাউডার পাচারের অপচেষ্টা করে। চালানটির আমদানিকারক ও খালাসের কাজে নিয়োজিত সিএন্ডএফ এজেন্ট সাইনী শিপিং সার্ভিসেস কোন সদুত্তর দিতে পারেনি।
তিনি আরো জানান, বিশ্বব্যাপী মানবসমাজের নীরব ঘাতক ভায়াগ্রার পণ্য উদঘাটনে বেনাপোল কাস্টম হাউসের বিরল প্রাপ্তি ও গৌরবের। একইভাবে এমন চোরাচালান প্রতিহতকরণ বেনাপোল স্থলবন্দর ও বেনাপোলবাসীর জন্য কৃতিত্বের। ডাবিø উসিও এ নিয়ে প্রতিনিয়ত উদ্বেগ প্রকাশ করে যাচ্ছে। সকল সদস্য দেশ এগুলো পাচাররোধে চেষ্টা করলেও বাংলাদেশ স¤প্রতি প্রথম ও দ্বিতীয়বার সাফল্য পেল। গর্বের এ উদঘাটনের বিষয়টি ডড়ৎষফ ঈঁংঃড়সং ঙৎমধহরুধঃরড়হ (ডঈঙ), জবমরড়হধষ ওহঃবষষরমবহপব খরধংরড়হ ঙভভরপব (জওখঙ), ঈঁংঃড়সং ঊহভড়ৎপবসবহঃ ঘবঃড়িৎশ (ঈঊঘ)সহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে অবহিত করা হবে। ডাবিøউসিও সদস্য দেশসমূহকে এ পাচার ধরণ ও কৌশল সম্পর্কে জানাবে। প্রয়োজনে অধিকতর তদন্ত করবে। বিষয়টি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার দিপা রাণী হালদার জানান, আমদানিকারক কোনো ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নয়। তবুও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পূর্বানূমতি ব্যতীত আমদানি নীতি আদেশ ২০১৫-২০১৮ এর শর্ত ভঙ্গ করে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ভায়াগ্রা আমদানি করেছে। চালানটি আটক করা হয়েছে।
বর্তমানে আমদানিকারক কেবল ২ হাজার ৫শ‘ কেজি সোডিয়াম স্টার্চ গøাইকোলেট ব্যতীত অন্য পণ্য দাবি করছে না। ১০০ ড্রাম (২হাজার ৫শ’ কেজি) সোডিয়াম স্টার্চ গøাইকোলেট ব্যতীত অন্যান্য পণ্যের বিষয়ে জানা নেই মর্মে পণ্যচালান খালাসের কাজে নিয়োজিত সিএন্ডএফ এজেন্ট সাইনী শিপিং সার্ভিসেস বেনাপোল, লিখিতভাবে জানান।
এ ব্যাপারে সিএন্ডএফ এজেন্ট সাইনী শিপিং সার্ভিসেস, বেনাপোল লাইসেন্স সাময়িক বাতিল করা হয়েছে। অধিকতর তদন্তের জন্য যুগ্ম কমিশনারের নেতৃত্বে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। জালিয়াতি ও অবৈধ পণ্য সুকৌশলে আমদানির অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাবার পর দোষীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) “ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজ আঙ্গিনা পরিস্কার রাখি ।
সবাই মিলে সুস্থ থাকি।” — এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকা জেলা ধামরাই পৌর এলাকার সংগঠন বন্ধু মহল ও স্বপ্ন ডানা পরিবারের উদ্যোগে বিলট্রেড গ্রুপ এর সার্বিক সহযোগিতায় তিনদিন ব্যাপি ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচী ।
মানুষকে ডেঙ্গু জ্বর এর লক্ষন ও প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতন করার পাশাপাশি নিজ উদ্যেগ এ বাসা বাড়ি পরিস্কার করে দেয়ার প্রচেষ্টা থাকবে।
ধামরাই উপজেলা ব্যাপী মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্য একটি র্যালী বের করা হয়।
আজ ৬ই আগষ্ট রোজ- মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার সময় ধামরাই উপজেলা পরিষদের চত্তর থেকে
র্যালীটি শুরু করে ধামরাইয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুণরায় একই স্হানে এসে শেষ হয়।
এ’সময় বিভিন্ন খানাখন্দে পানি জমে থাকা বর্জ্য-ডেঙ্গু মশা নিধনের জন্য ঢাকা-২০ ধামরাই আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগ ও বায়রা’র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমেদ নিজ হাতে ব্লিচিং পাউডার ও মশা নিধনের ওষুধ প্রয়োগ করেন।
মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ-২০১৯ উদযাপন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন – ঢাকা-২০ ধামরাই আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগ ও বায়রা’র সভাপতি- জননেতা বীর মুক্তিযাদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমেদ বলেন- মশা নিধনে নাগরিক ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।এ অবস্হা থেকে পরিত্রান পেতে হলে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচী চালিয়ে যেতে হবে সেই সাথে জনসচেতনতা সৃষ্টি করে আমাদের নিজেদেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।
এ’সময় উপস্হিত ছিলেন ধামরাই পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি- আলহাজ্ব গোলাম কবীর মোল্লা, ধামরাই উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অন্তরা হালদার, ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা, ধামরাই উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন সিরাজ,ধামরাই উপজেলার যুবলীগ নেতা- মোঃ হাফিজুর রহমান- (হাফিজ), স্বপ্ন ডানা পরিবার এর প্রতিষ্ঠাতা শাহরিয়ার ফেরদৌস রানা, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ সহ সুধীজন।
সাঈদ বিন ইসলাম জাবি প্রতিনিধিঃ কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের(জাবি) শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য, ভারতে প্রশাসনিক ও অন্যান্য কিছু ক্ষেত্রে বিরোধপূর্ণ জম্মু-কাশ্মীর সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করত। গত সোমবার রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ বলে ভারতের সংবিধান থেকে সেই বিশেষ ৩৭০ ধারাটি বাতিল করার মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।এর ফলে জম্মু ও কাশ্মির নিয়ন্ত্রিত হবে দিল্লি থেকে।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার পাদদেশ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। ক্যাম্পাসের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পরিবহন চত্বরে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয় মিছিলটি।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘কাশ্মীরের বিপ্লবীরা লও লও সালাম, দিল্লীর আগ্রাসন নিপাত যাক, নিপাত যাক, ভারতের আগ্রাসন রুখে দাও জনগণ, কাশ্মীর চায় আজাদী আজাদী, ইনকিলাব ইনকিলাব জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আশিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা জাহাঙ্গীরনগরের মাটি থেকে একটি বাক্য উচ্চারণ করতে চাই, ভারতীয় সাম্রাজ্য যে যে জায়গায় আছে সেসব জায়গা থেকে সমূলে উৎপাটন করতে হবে। আপনারা জানেন, ভারতীয় যে আগ্রাসন তা আমাদের দেশেও কতটা প্রকট, এই ভারতীয় আগ্রাসনের কারণে আমার দেশ ভারতকে বিনামূল্যে ট্রানজিট সুবিধা দিয়ে দেয়।
তখন আমার দেশের সার্বভৌমত্ব আর কোথায় থাকে? পাখির মতো গুলি করে সীমান্তে তারা আমাদের হত্যা করছে। আমাদের সার্বভৌমত্ব পদে পদে ক্ষুণ্ণ করেছে। এখন শুনছি আমাদের জমি ভারতের বিমানবন্দরের জন্য দেয়া হবে। আমরা এখান থেকে বলতে চাই, বাংলাদেশের ছাত্রজনতা ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার থাকবে।’
সমাবেশেও আরও বক্তব্য দেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) সভাপতি মাহাথির মোহাম্মদ, ছাত্র ফ্রন্টের সাংগঠনিক সম্পাদক শোভন রহমান, ছাত্র ইউনিয়নের কার্যকরী সদস্য রকিবুল রনি, ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন শিশির প্রমুখ।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) : আজ মঙ্গলবার (৬ আগস্ট ) সন্ধ্যায় ধামরাই থানা প্রাঙ্গনে কম্পিউটার ও পিন্টার মেশিন বিতরন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
হাফিজ-নাজনীন ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে কম্পিউটার ও প্রিন্টার মেশিন বিতরন করেন ঢাকা জেলার বিশিষ্ট শিক্ষা অনুরাগী পুলিশ সুপার শাহ মিজান সাফিউর রহমান ।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( উত্তর) সাইদুর রহমান, ঢাকা জেলা সাভার সার্কেল এর সহকারী পুলিশ সুপার তাহমিদুল ইসলাম, ধামরাই পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ধামরাই পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা,
ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কামাল হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মাসুদুর রহমান, ধামরাই উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মৃদুল মাহমুদসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা বৃন্দ।
বিশেষ প্রতিবেদক শরিফ আহম্মেদ ঃ ঝুট ব্যবসা দখলকে কেন্দ্র করে সাভারের আশুলিয়ায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের বুড়িপাড়া এলাকায় নীট এশিয়া গার্মেন্টস এর সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় বুড়িপাড়া এলাকায় নীট এশিয়া গার্মেন্টস এ দীর্ঘ দিন ধরে ঝুট ব্যবসা করে আসছিলো ওই এলাকার বজলুর রহমান নামের সাবেক এক আওয়ামী লীগ নেতা পরে আজ বিকেলে বজলুর রহমান ওই গার্মেন্টস এ ট্রাক নিয়ে ঝুট বের করতে জান।
এসময় ধারালো অস্ত্র লাঠি সোটা নিয়ে ঝুট বের করতে বাধা দেন স্থানীয় সন্ত্রাসীরা পরে দুই গ্রæপের সংঘর্ষে ঝুট ব্যবসায়ী বজলুর রহমান (৪০) ও তার ভাই মজনু ব্যাপারি তাদের আত্মীয় কামাল দেওয়ান রাজুসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়। এদের মধ্যে সন্ত্রাসীরা ঝুট ব্যবসায়ী বজলুর রহমানের দুই পা ও এক হাত ও তার ভাই মজনু ব্যাপারির এক হাত ভেঙ্গে দেন। পরে স্থানীয়রা আহতদের দ্রæত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এদিকে ঝুট ব্যবসায়ী বজলুর রহমান দাবি করেছেন আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক সোহেল মোল্ল্যা ও তার সহযোগী তাপস,সালা উদ্দিন হোসেন ও হালিম এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
এদিকে এঘটনার সাথে সোহেল মোল্ল্যা জড়িত না বলে দাবি করেছেন তিনি তার দাবি তাকে পূর্ব শক্রুতার জের ধরে এঘটনায় জড়ানো হচ্ছে।
অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আশুলিয়া থানার ওসি শেখ রিজাউল হক দিপু।
এঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।