তীব্র শীত আর কুয়াশা উপেক্ষা করে প্রস্তুত করা হচ্ছে চাষের জমি

Loading

তীব্র

শীত আর কুয়াশা উপেক্ষা করে বোরো চাষের জমি প্রস্তুত ও চারা লাগাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঝিনাইদহের ৬ উপজেলার কয়েক হাজার কৃষক। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, জেলার ৬ উপজেলা মহেশপুর, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর, হরিণাকুণ্ডু, শৈলকূপা এবং সদরে ৭৮ হাজার ৮৫৫ হেক্টর জমিতে ইরি বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চলতি মৌসুমে মোট লক্ষ্যমাত্রার শতকরা ৪০ ভাগ জমিতে চারা রোপণের কাজ শেষ হয়েছে। এ জন্য ৩ হাজার ৮৫৩ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও, তৈরি হয়েছে ৪ হাজার ৪০৭ হেক্টর জমিতে।

জেলার মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের কৃষক মহিবুল মিয়া জানান, তিনি এ বছর ৩৫ বিঘা জমিতে ইরি ধান চাষ করবেন। এখন পর্যন্ত ১৮ বিঘা জমিতে ধানের চারা রোপণের কাজ শেষ হয়েছে। বাকি জমিতে কাঁদা তৈরির কাজ চলছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে লাগানো কাজ শেষ হবে। প্রতি বিঘা জমিতে ধানের চারা রোপণ করতে দেড় হাজার টাকা শ্রমিককে দিতে হচ্ছে বলে তিনি জানান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানান, জেলার এ বছর ইরি বোরো রোপণের টার্গেট ধরা হয়েছে ৭৮ হাজার ৮৫৫ হেক্টর। তার মধ্যে ৬৯ হাজার ৮৫৫ হেক্টর উফসি জাতের এবং ৯ হাজার হেক্টর হাইব্রিড জাতের।

ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নির্বাহী পরিচালক আজগর আলী জানান, চলতি মৌসুমে ইরি বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে বলে কৃষি বিভাগ আশা করছে। তীব্র

শীত আর কুয়াশা উপেক্ষা করে বোরো চাষের জমি প্রস্তুত ও চারা লাগাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঝিনাইদহের ৬ উপজেলার কয়েক হাজার কৃষক। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, জেলার ৬ উপজেলা মহেশপুর, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর, হরিণাকুণ্ডু, শৈলকূপা এবং সদরে ৭৮ হাজার ৮৫৫ হেক্টর জমিতে ইরি বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চলতি মৌসুমে মোট লক্ষ্যমাত্রার শতকরা ৪০ ভাগ জমিতে চারা রোপণের কাজ শেষ হয়েছে। এ জন্য ৩ হাজার ৮৫৩ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও, তৈরি হয়েছে ৪ হাজার ৪০৭ হেক্টর জমিতে।

জেলার মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের কৃষক মহিবুল মিয়া জানান, তিনি এ বছর ৩৫ বিঘা জমিতে ইরি ধান চাষ করবেন। এখন পর্যন্ত ১৮ বিঘা জমিতে ধানের চারা রোপণের কাজ শেষ হয়েছে। বাকি জমিতে কাঁদা তৈরির কাজ চলছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে লাগানো কাজ শেষ হবে। প্রতি বিঘা জমিতে ধানের চারা রোপণ করতে দেড় হাজার টাকা শ্রমিককে দিতে হচ্ছে বলে তিনি জানান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানান, জেলার এ বছর ইরি বোরো রোপণের টার্গেট ধরা হয়েছে ৭৮ হাজার ৮৫৫ হেক্টর। তার মধ্যে ৬৯ হাজার ৮৫৫ হেক্টর উফসি জাতের এবং ৯ হাজার হেক্টর হাইব্রিড জাতের।

ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নির্বাহী পরিচালক আজগর আলী জানান, চলতি মৌসুমে ইরি বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে বলে কৃষি বিভাগ আশা করছে।