27.7 C
Dhaka, BD
সোমবার, জুন ২৯, ২০২৬

বাণিজ্য মেলায় সারিকা পার্কে অটিজম শিশুদের ভীড় ।

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার সারিকা ফ্যান্টাসি আমাজিং ওয়ার্ল্ড পার্কে বিনামূল্যে বিভিন্ন রাইডে চড়ার সুযোগ পেয়ে ভীড় জমাচ্ছেন অটিজম ও প্রতিবন্ধি শিশুরা। স্বাভাবিক শিশুদের পাশাপাশি অভিভাবকরা তাদের অটিজম ও প্রতিবন্ধিদের শিশুদের নিয়ে মেলায় আসছেন বিনোদন উপভোগ করতে।

আজ রোববার মেলা ঘুরে দেখা যায়, অন্যান্য দিনের চাইতে শিশু দর্শনার্থীর সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে মেলায়। এর মধ্যে অটিজম ও প্রতিবন্ধি শিশুদের উপস্থিতিও বেড়েছে চোখে পড়ার মতো । মেলায় প্রবেশ করে বাম দিকে আসলে (বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের দিকে) দেখা যায় বাবা-মায়ের হাত ধরে উচ্ছল আনন্দে মেতে উঠছে শিশুরা। অটিজম শিশুদের আনন্দও দেখার মতো। বাবা-মা কে পাগল করে দিচ্ছে পার্ক কই? কখন মেলায় চড়বো।

কয়েকজন অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা জানতে পেরেছেন এখানে একটি পার্কে অটিজম শিশুদের বিনামূল্যে বিভিন্ন রাইডে চড়তে দেয়া হয়, যেখানে অন্য স্থানে অটিজম ও প্রতিবিিন্ধ শিশুদের রাইডে উঠায় বারণ। তাই তারা সেই পার্কের দিকেই যাচ্ছেন।সারিকা ফ্যান্টাসি ইমাজিং ওয়ার্ল্ড পার্কে গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য দিনের চাইতে ভীড় যেন একটু বেশি।

পার্কটির প্রতিষ্ঠাতা মাহবুবুর রহমান পলাশ বলেন, পার্কে অটিজম ও প্রতিবন্ধি শিশুদের ফ্রি রাইডে চড়ানো হয় তা আগে অনেকেই জানতেন না। ধীরে ধীরে প্রচার প্রচারণার কারণে অনেকেই জানতে পেরে আসছেন এখানে।

দীর্ঘদিন ধরেই অটিজম ও প্রতিবন্ধিদের নিয়ে কাজ করেন জানিয়ে পলাশ বলেন, আমি মানবতার জন্য কাজ করি। অটিজম শিশুরা অন্যান্য শিশুর মতো বিনোদনের সুযোগ পায় না বলেই তাদের জন্য আমি সুযোগ করে দিয়েছি।
কাজের অনুপ্রেরণার বিষয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তনয়া সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের আদর্শ প্রেরণায় উজ্জীবিত হয়ে এ কাজ করে যাচ্ছি।

সাভার , হেমায়েতপুরে চলছে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি !

সাভারএ পথে পথে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ পথচারী ও ব্যবসায়ীরা । চলতি পথে সড়কের মাঝখানে গাড়ি থামিয়ে টাকা আদায় করা হচ্ছে। খুশি হয়ে ৫ টাকা ১০ টাকা দিলেও তা গ্রহণ করে না। দিতে হয় ন্যূনতম ২০ টাকার নোট । পথচারীদের দাবি হাতি কিভাবে বুঝবে টাকার হিসেব! এটা হাতি চালকের চতুর কৌশল । এ কৌশলেই বিভিন্ন হাট বাজারে ঢুকে হাতি দিয়ে অভিনব কায়দায় চলছে এ চাঁদাবাজি। রাস্তাঘাটে যত্রতত্র যানবাহন থামিয়ে টাকা আদায়ের কারণে বিড়ম্বনায় পড়েছেন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। হাতি শুঁড় দিয়ে মানুষ ও যানবাহন থামানোর কারণে ভুক্তভোগীরা ইচ্ছার বিরুদ্ধে টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন ।

সরেজমিনে দেখা যায়, বড় আকৃতির একটি হাতির পিঠে বসে আছে ১৫/১৭ বছর বয়সের এক যুবক । এ যুবককে পিঠে নিয়ে হেলেদুলে রাস্তার একপাশ দিয়ে চলছে হাতি। রাস্তার পাশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিককে শুঁড় উঁচু করে জানাচ্ছে সালাম। এ ছাড়া হাতি রাস্তায় যানবাহন থামিয়ে দেওয়ায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে পথচারীরা। সাভারের হেমায়েতপুর, ঋষিপাড়া , রাজফুলরাড়িয়া সহো সাভার উপজেলার ভিবিন্ন সড়কে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজির এ দৃশ্য দেখা যায় নিয়মিত।

পথচারি রবিউল জানান, হাতিকে ২০ টাকা করে দিতে হবে। কারণ হাতি শুঁড় দিয়ে চেপে ধরছে। ২০ টাকার কম দিলে তা গ্রহণ করছে না। বড়চওনা বাজারের ব্যবসায়ী সুজাত আলী জানান, হাতি দোকানের সামনে এসে দাঁড়ালে ক্রেতারা ভয়ে দোকানে ঢুকতে সাহস পান না। বিড়ম্বনা এড়াতে দোকান মালিকরা বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেয়।

সড়কে চলাচলকারী যানবাহন থামিয়েও টাকা আদায় করছে হাতি। আর এর উদ্দেশ্য একটাই। তা হলো টাকা নেওয়া। আর টাকা পেলেই তা ধরিয়ে দিচ্ছে পিঠে বসা মালিকককে। এভাবেই দোকানে দোকানে সালাম দিয়ে আদায় করছে টাকা। দোকান মালিকদের কেউ ১০ টাকার কম দিলে ওই টাকা না নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকছে হাতি। পরে টাকা পেয়ে শুঁড় দিয়ে ওই টাকা নিয়ে তার পিঠে বসা মালিককে ধরিয়ে দিচ্ছে। সেখান থেকে আরেক দোকানে গিয়ে একইভাবে টাকা আদায় করছে।

কেউ কেউ একে নিছক বিনোদন ভাবছেন। আবার কারো কারো অভিযোগ এটা একটা ঠান্ডা মাথার চাঁদাবাজি।

প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম) পদক পাচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডিবি পুলিশের-এসআই আব্দুল্লাহ জাহিদ

প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক পাচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডিবি পুলিশের এসআই আব্দুল্লাহ জাহিদ ।

যার রয়েছে গৌরবজ্জ্বল ইতিহাস । বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবোজ্জল ইতিহাসকে সমুন্নত রাখতে যেসকল পুলিশ কর্মকর্তারা নিজের সর্বচেষ্টা নিয়োগ করেছেন, এসআই আব্দুল্লাহ জাহিদ তাঁদের মধ্যে অন্যতম একজন । জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যিনি অভিযান পরিচালনা করেছেন একাধিকবার । নিজের মেধা ও বিচক্ষণতা দিয়ে সমাধান করেছেন একাধিক মামলার জট ।

তার স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে লাভ করেন IGP’s Exemplary Good Services Badge Grade-A. এর পর তিনি চলে আসেন আমের শহর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা বিভাগের আই. সি. টি. শাখায় । এখানেও তিনি স্বাক্ষর রাখেন তাঁর বিচক্ষনতার। সততা ও নিষ্ঠায় তিনি এখানেও অল্পদিনে ভরসার নাম হয়ে ওঠেন । তারই সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি এবার ঘোষিত হলেন পুলিশের সর্বোচ্চ পদক “প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল” এ ।

এটি একটি বিরল সম্মাননা । আব্দুল্লাহ জাহিদের বাড়ি বগুড়ার সোনাতলা থানার আগুনিয়াতাইড় গ্রামে। তিনি লেখাপড়া করেছেন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সোনাতলা সরকারি মডেল উচ্চবিদ্যালয় থেকে । সেখানে শুধু তিনি একজন কৃতি শিক্ষার্থী হিসেবেই নয় । এরপর তিনি সৈয়দ আহমদ মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে ভর্তি হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এ । সেখান থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে তিনি যোগ দেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে । সংসার জীবনে তিনি দু সন্তানের জনক। তাঁর এ অর্জন সোনাতলাবাসীর জন্য গৌরবের ।

তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি একজন আইকন । তরুণ প্রজন্ম কে বিপথগামী হতে রক্ষা করতেও তিনি কাজ করেন নীরবে ।

বিডি পুলিশ হেল্পলাইন অ্যাপটি ব্যবহার করুন সেবা নিন ।

বিডি পুলিশ হেল্পলাইন’ নামে একটি অ্যাপ রয়েছে।

এই অ্যাপ ব্যবহার করে যে কেউ অভিযোগ ও অপরাধের তথ্য দিলে সংশ্লিষ্ট থানা থেকে শুরু করে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পর্যন্ত তা পৌঁছে যাবে। ১৩ অক্টোবর, ২০১৬ সালে অ্যাপটি চালু করা হয়।

অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এছাড়াও অ্যাপটি আইওএস সংস্করণও ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন। গুগল প্লে-স্টোরের এই লিংক থেকে ‘বিডি পুলিশ হেল্পলাইন’ ডাউনলোড করতে পারবেন।

স্মার্টফোনের মাধ্যমে অ্যাপটি ব্যবহার করে অপরাধ ও অপরাধী সম্পর্কে যে কেউ তথ্য জানাতে পারবেন। এছাড়াও সরাসরি ব্যবহারকারীর এলাকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগ এবং সাহায্য চেয়ে অনুরোধ পাঠাতে পারবেন। তথ্য প্রদানকারী কোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত এই অ্যাপের মাধ্যমে যেকোনো ছবি, ভিডিও ও অডিও পাঠাতে পারবেন। অ্যাপটির উল্লেখযোগ্য দিক হলো এটি জনগণ ও পুলিশের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন করবে। প্রয়োজনে পুলিশ তথ্য প্রদানকারী বা সেবা প্রত্যাশী ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। একই সঙ্গে তথ্য প্রদানকারী তার বার্তার ওপর গৃহীত ব্যবস্থা দেখতে পারবেন। ব্যবহারকারীরা বেনামে অথবা নির্দিষ্ট নাম ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেও অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন।

যেভাবে কাজ করে ‘বিডি পুলিশ হেল্পলাইন’ অ্যাপঃ

এই অ্যাপে কোনো তথ্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে এলে (মেট্রোপলিটন ছাড়া) এ তথ্য সংশ্লিষ্ট সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ সুপার (এসপি), উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) ও পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে আসবে।

একইভাবে মেট্রোপলিটন এলাকায় এই অ্যাপ ব্যবহার করে কোনো অভিযোগ করা হলে অভিযোগটি সংশ্লিষ্ট ওসি, জোনাল এসি, উপকমিশনার (ডিসি), পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে আসবে। এতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অভিযোগের বিষয়টি তদারকি করতে পারছেন এবং অভিযোগের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সেটিও সংশ্লিষ্ট ওসি এই অ্যাপের মাধ্যমে জানিয়ে দিচ্ছেন। ফলে অভিযোগকারী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অভিযোগের ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে পারছেন। এতে পুলিশের কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হচ্ছে।

ফেসবুকে এসএসসির প্রশ্ন ছড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি মহল-শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি

পরীক্ষা শুরুর পর ফেসবুকে এসএসসির প্রশ্ন ছড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি মহল ।

পরীক্ষার শুরুর ১০ মিনিটের মাথায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলা দ্বিতীয়পত্রের নৈর্ব্যক্তিকের প্রশ্ন পোস্ট করে চক্রটি ।

এ নিয়ে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। তবে, এসব বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপুমনি। একই সঙ্গে তিনি জানান, পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ছাপা ও বিতরণের ভুলক্রটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে ।

রোববার (০৩ ফেব্রুয়ারি) এসএসসির বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষার শুরুর ১০ মিনিটের মাথায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি চক্র নৈর্ব্যক্তিকের প্রশ্ন পোস্ট করে । পরীক্ষা শেষে ফেসবুকের প্রশ্নের সাথে হলে দেয়া প্রশ্নের হুবহু মিল থাকায় পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা যায় ।

সকালে রাজধানীর সরকারি মাদ্রাসা ই আলিয়া পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপুমনি বলেছেন, সারা দেশে যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তাতে প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধ করা সম্ভব ।

শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রশ্নফাঁসের কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি । এটা দ্বারা আমরা সঠিক শিক্ষাগ্রহণ করতে পারছি না ।

এদিকে সকালে রাজধানীর সরকারি মাদ্রাসা ই আলিয়া পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি বলেন, সারা দেশে যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তাতে প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধ করা সম্ভব। নজরদারি সব জায়গায় আছে। তাতে আমরা বিশ্বাস করি প্রশ্নফাঁস বা নকল সব কিছু বন্ধ করতে পারবো। এক্ষেত্রে সকলের সহযোগিত প্রয়োজন ।

যশোরের শার্শায় ভ্রাম্যমান নার্সারির উদ্যোগে বিনামুল্যে গাছের চারা বিতরণ

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: নির্মল বায়ুু বাড়ায় আয়ু, দুষিত বায়ুু কমায় আয়ু, জীবনের জন্য বন ও পরিবেশ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে শার্শা উপজেলায় ভ্রাম্যমান নার্সারির উদ্যোগে উদ্ভাবক ও পরিবেশ গবেষক বাংলাদেশ (শার্শার) কৃতি সন্তান মিজানুর রহমানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শার্শা উপজেলা কলেজে বৃক্ষ নীধন রোধে পরিবেশ রক্ষায় মানববন্ধন পালন করা সহ ছাত্র -ছাত্রী,সাধারণ জনগণ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে বিনামূল্যে ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা গাছ বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার ৩রা ফেব্রæয়ারী সকাল সাড়ে ১১ টার সময় যশোরের শার্শা উপজেলা কলেজ প্রাঙ্গনে এই চারা গাছ বিতরন করা হয়।

এসময় প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলার নির্বাহী অফিসার পূলক কুমার মÐল, বিশেষ অতিথী শার্শা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদি হাসান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া ফেরেদৗস, শার্শার ইউপি চেয়ারম্যান ও যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সোহারার হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কল্যান ট্রাস্ট শার্শা উপজেলা শাখা আসাদুজ্জামান, রিপোর্টাস ক্লাব শার্শা উপজেলার সাধারন সম্পাদক এম.এ. রহিম, সভাপতি ইউনানী কবিরাজী হোমিও চিকিৎসক এসোঃ শার্শার ডা.ওবায়দুল কাদির, সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন কবিরাজ আবু হানিফ হিলারসহ প্রমুখ ।

অনুষ্ঠানে সাড়ে ৩শ’ ফলজ, বনজ, ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

থাইল্যান্ড থেকে উড়োজাহাজে ভারতে আসা বিমান যাত্রীর ব্যাগে চিতার বাচ্চা ।

শনিবার (২ ফেব্রুয়ারি) যাত্রীটি ব্যাংকক থেকে এক ফ্লাইটে করে চেন্নাই এয়ারপোর্টে পৌঁছান।

এয়ারপোর্টে কাস্টমস অফিসাররা ব্যাগ থেকে অদ্ভুত আওয়াজ পেলে তাদের সন্দেহ হয়। তারা ব্যাগ চেক করে এক মাস বয়সী একটি চিতার বাচ্চা দেখতে পান।

যাত্রীটি কোন আন্তর্জাতিক পাচারকারী চক্রের সাথে জড়িত কিনা তা জানতে তদন্ত করা হচ্ছে বলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানানো হয়।

এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদ্ধারকৃত চিতার বাচ্চাটি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ও শারীরিকভাবে দুর্বল ছিল এবং অদ্ভুত রকমের আওয়াজ করছিল।

ভুল আসামি , নিরপরাধ জাহালমকে আজই মুক্তি দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট ।

ভুল আসামি , নিরপরাধ জাহালমকে আজই মুক্তি দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট ।

দুদকের ৩৩ মামলায় প্রকৃত অভিযুক্তের জায়গায় ভুল করে জেল খাটা নিরপরাধ জাহালমকে মুক্তি দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আজ রোববার (৩ ফেব্রুয়ারি) ডিআইজি প্রিজন্সকে এই নির্দেশ দেয়া হয়। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে হওয়া ২৬টি মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছে দুদক।

আদালতের নির্দেশে তিন বছর জেলে রাখার ঘটনায় দুদক মহাপরিচালক (তদন্ত) সহ ৪ জন হাইকোর্টে হাজির হন সকালে। এই চারজন হলেন দুদকের মহাপরিচালক, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, স্বরাষ্ট্র ও আইন সচিবের দুজন কর্মকর্তা।

গত সোমবার (২৮ জানুয়ারি) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের স্বপ্রণোদিত হয়ে দুদকের কর্মকর্তাদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।

এই ঘটনায় ভুল আসামি জাহালামকে কেনো মুক্তি দেয়া হবেনা তাও জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

বেনাপোল পোর্ট থানায় সাজা প্রাপ্ত আসামী আটক .

যশোরের বেনাপোলে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে আটক করেছে বেনাপোল পোর্ট থানার পুলিশ।

রবিবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে বেনাপোল সাদিপুর গ্রাম থেকে আব্দুল করিমকে আটক করে। আটক আব্দুল করিম সাদিপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।

বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই কাজী এহসানুল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে (এএসআই) রিপন দাস ও (এএসআই) আলমগীর হোসেন বেনাপোল সাদিপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী আব্দুল করিমকে আটক করতে সক্ষম হয়। তিনি আরো বলেন সে গোপনে এলাকায় ফিরে অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে আমরা তাকে আটক করি।

আটক আব্দুল করিমকে যশোর আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও জানান তিনি।

ধামরাইয়ে ফেন্ডস ২০০০ ডট কম, কমিটির উদ্যোগে বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান।

ঢাকার ধামরাইয়ে কননে শীতকে উপেক্ষাকরে সকালে লন্ডন প্রবাসীর অর্থয়ানে প্রায় তিনশত লোককে ফেন্ডস ডটকম কমিটির উদ্যোগে বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে।

শুক্রবার (০১ ফ্রেরুয়ারী) সকাল ৮ঘটিকার সময় চারিপাড়া বারবারিয়া যুবক সমিতির খেলার মাঠে এই চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।
এই সময় আব্দুল আওয়াল,মামুন সিকদার ও মোখলেছুর রহমানের পরিচালনায় গ্রাম্য সাধারণ মানুষের ডায়াবেটিস পরীক্ষা করানো হয় এবং ওজন ও প্রেসার মাপানো হয়। পরে প্রত্যেক রোগিকে বিনা মুল্যে ঔষুধ দেওয়া হয়।

এতে চারিপাড়া বারবারিয়া হাতকোড়া গ্রামের লন্ডন প্রবাসী মোঃ রবিউল আওয়ালের অর্থয়ানে এই বিনা মুল্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করায় এই মহতি উদ্যোগকে এলাকাবাসি ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানিয়েছেন। এই ছাড়া ২০০০ সালের তথ্য প্রযুক্তির সাথে নাম মিলিয়ে লন্ডনপ্রবাসী রবিউল আওয়াল তার নিজ উদ্যোগে গ্রামের বন্ধুদের সাথে নিয়ে এই কমিটি করেন।

এই চিকিৎসার কারণে গ্রামের সাধারণ মানুষের আর ঢাকায় যেতে হয় না। যার কারণে এলাকার মানুষ এই চিকিৎসা জন্য আনন্দিত।

সর্বশেষ আপডেট...